Jump to content
News Ticker
  • News ticker sample
  • News ticker sample

Blogs

Featured Entries

  • Admin

    আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট সাসপেনশান এর কারন ও প্রতিকার

    By Admin

    সম্প্রতি আপওয়ার্ক কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড/সাসপেন্ডেড/হোল্ড হওয়ার প্রবনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে; বোঝাই যাচ্ছে আপওয়ার্ক নিরাপত্তাজনিত কারনে তাদের কন্ট্রাক্টরদের প্রতি আরোপ করা নীতিমালা আগের তুলনায় আরো কঠোরভাবে পালন করছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান আর ফিলিপাইনের বেশ কয়েকজন কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকই ১০০০ ঘন্টারও অধিক কাজ করেছেন। আসলে আপওয়ার্ক এই সাসপেনশন প্রক্রিয়া শুরু করেছিলো প্রায় ৩ বছর আগেই, যখন মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল। আপওয়ার্কের এত কঠোরতার কারনঃ সম্প্রতি আপওয়ার্ক বাংলাদেশের কয়েকজন হাই প্রোফাইলড কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে। আপওয়ার্ক কোন কারন ছাড়া নিশ্চয়ই এত ভালো কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করবে না। অনেকই দোষ দিচ্ছেন আপওয়ার্ককে, কিন্তু তা ঠিক নয়।অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানে জন্য কন্ট্রাক্টরদের বিহেভিয়ারই বহুলাংশে দায়ী| আপওয়ার্ক টার্মস এন্ড পলিসি সম্পর্কে অজ্ঞতা অথবা ইচ্ছাকৃত অবহেলা-ই অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে| সুতরাং নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়েই ক্ষেত্রবিশেষে তাদের নিবন্ধিত কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড/সাসপেন্ডেড/হোল্ড করে থাকে। অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানের কারন ও প্রতিকারঃ আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার পেছনে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট কারন রয়েছে| আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের নিম্নোক্ত বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে, ফলে অনাকাঙ্খিত অ্যাকাউন্ট ব্যানিং/সাসপেনশন/হোল্ড্স থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে|
    ক) এক পিসি থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলাঃ একই পিসি বা আইপি থেকে একাধিক আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট তৈরী করা আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট ব্যানড হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। ভেবে দেখুন যারা প্রফেশনাল, তারা নিজের কাজ করে নিজের পিসিতেই এবং প্রফেশনালরা কখনই নিজের স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিজের পিসি থেকে অন্যথা ব্যবহার করবে না।
    আবার নিজের আইপি থেকে অন্য আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্টধারীর অ্যাকাউন্টেও লগ-ইন করা যাবেনা, ক্লায়েন্টের অ্যাকাউন্টেতো (যেকোনো প্রয়োজনে, এমনকি ক্লায়েন্ট চাইলেও) নয়-ই|
    খ) অন্যের প্রোফাইল নকল করাঃ একজন ভালো মানুষ হিসেবে আপনি অবশ্যই অন্য একজন মানুষের কোন জিনিস নকল করতে চাইবেন না। আপনি অন্য কাউকে অনুসরণ করতে পারেন মাত্র, অনুকরণ নয়। কিন্তু হায় অনেক বাংলাদেশি কনট্রাক্টর বড় বড় প্রোফাইলড কনট্রাক্টরদের আপওয়ার্ক প্রোফাইল পুরোপুরি নকল করে ফেলেন। কোন সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরে একই ধরনের কোন উত্তর যখন কোন শিক্ষক পান তখন তিনি নিজেই বুঝে নেন, এখানে কোন ঘাপলা আছে। তেমনি আপনি যখন কোন কনট্রাক্টর-এর প্রোফাইল এ রাখা কনটেন্টগুলো নিজের প্রোফাইলে রাখবেন সেগুলো কোন না কোন সময় কারো না কারো চোখে পড়বে।পাশাপাশি আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিষয়টি সনাক্ত করতে পারে। আর এই রকম পেলে অব্যশই ব্যবস্থা নিবে আপওয়ার্ক।
    গ) পোর্টফোলিও আইটেম চুরিঃ পোর্টফলিও বলতে আমরা বুঝি আগে করা কাজগুলোর আর্কাইভ। আপনি যদি কারো আইটেম চুরি করে নিজের বলে চালিয়ে দেন সেটা ঘৃন্য অপরাধ। অনেক নতুন কনট্রাক্টরদের দেখলাম ভালো মানের আইটেম অন্য কোন কনট্রাক্টর এর প্রোফাইল থেলে চুরি করে নিজেরটায় বসিয়ে দেন। উদাহরণস্বরূপ যখন কেউ আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট খুলে তখন তাকে ১০০ ভাগ প্রোফাইল কমপ্লিট করতে বলা হয়। নতুন কনট্রাক্টরদের প্রোফাইল ১০০ ভাগ পূর্ন করার জন্য অন্যের আইটেম চুরি করতে দেখা যায়। উপদেশ হল এ রকম না করে নিজে কোন ডেমো কাজ করে অন্তত নিজের একটাই দিন। অন্যেরটা দেয়া মানে আপনি কাজ জানেন না, জানলে নিজে না করে চুরি করবেন কেনো?
    ঘ) কাভার লেটার স্পামিংঃ আমাদের মধ্যে এক ধরনের অলসপ্রবণতা কাজ করে; আবার সেটা ইংরেজি ভাষায় দূর্বলতার জন্যও হতে পারে। বলাবাহুল্য, ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর কাজ করতে ইংরেজীতে পারদর্শী হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত প্রজেক্টের চাহিদা বুঝা এবং সে অনুযায়ী ক্লায়েন্টের সাথে সাবলীলভাবে যোগাযোগ করার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট ব্যানড হওয়ার অন্যতম কারণ কাভার লেটার স্প্যামিং, যাকে সোজা বাংলায় কপি-পেস্ট বলে। নিচে এ নিয়ে একটু বিস্তারিত লিখলামঃ
    • প্রত্যেকটা জব পোষ্টে ক্লায়েন্ট যেমন ভিন্ন থাকে তেমন তাদের রিকোয়ারমেন্টও আলাদা থাকে। অনেকে ব্লগে বা অন্য কোথাও পড়ে অথবা নিজেই নির্দিষ্ট একটা কাভার লেটার বানিয়ে রাখেন। মনে মনে ভাবেন বার বার এত কষ্ট করার কি আছে? একটাই দিলাম সব জায়গায়। এটা এক ধরনের মূর্খামি! প্রত্যেকটা প্রশ্নের যেমন আলাদা উত্তর থাকবে তেমনি প্রতিটা জবের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী কাভার লেটারও ভিন্ন হবে। • বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আপনি অনেক আইডিয়া পাবেন কাভার লেটার নিয়ে, স্যাম্পলও পাওয়া যাবে। আপনি সেগুলো দেখে ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী নিজেরটা তৈরি করে নিবেন। ভুলেও সেগুলো কপি করে চালিয়ে দিবেন না। কাজতো পাবেনই না বরঞ্চ খারাপ ক্লায়েন্ট হলে আপনার নামে নালিশ করে দিবে আপওয়ার্ক-এর কাছে। সাধারনত কাভার লেটার যেমন হয়ে থাকে-
    Hi/Dear + ক্লায়েন্ট এর নাম/Hiring Manager,
    আপনার সম্পর্কে কিছু আর জবের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী কিছু প্রশ্ন
    শেষে আপনার নাম, যেমনঃ
    Best Regards
    Sumon ঙ) কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ারঃ আপওয়ার্ক পলিসিতেই দেয়া আছে মার্কেটপ্লেসে কোন ধরনের কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করা যাবে না। শুধুমাত্র আপওয়ার্ক ম্যাসাজিং এর মাধ্যমে সব কিছু ম্যানেজ করা। কিন্তু অনেক ক্লায়েন্ট জব পোষ্টে বলে দেয় স্কাইপ আইডি দিতে। সাধারনত তারা পুরো পলিসি না বুঝেই জবটা পোস্ট করে থাকে। আবার কিছু দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় স্কাইপের মাধ্যমে যোগাযোগ ছাড়া জব এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। সেক্ষেত্রে আপনি ইহা সুকৌশলে এড়িয়ে যান। ক্লায়েন্টকে বলুন আপনার স্কাইপ আইডি আছে কিন্তু আপওয়ার্ক পলিসি কোন কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করতে বলে না। সে যদি চায় তাহলে আপনি দিতে পারনে কিন্তু তা ম্যাসেজ-এ দিবেন এবং যত ফিন্যান্সিয়াল ডিল হবে তা ১০০ ভাগ আপওয়ার্কে অন্য কোথাও নয়। যদি ক্লায়েন্ট আপনার প্রতি ইন্টারেস্টেড হয় তাহলে সে নিশ্চিত ভাবে আপনার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করবে। এই পদ্ধতিতে সাপও মরবে লাঠিও ভাংগবে না। আপওয়ার্ক এই কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করার জন্য আপনাকে জবাবদিহি করতে বললে তখন আপনি বলবেন ক্লায়েন্টের যোগাযোগের সুবিধার্থেই আপনি তাকে কন্টাক্ট ইনফরমেশন দিয়েছেন এবং যত কিছুই লেনদেন হয়েছে তা আপওয়ার্কের বাইরে নয়।
    চ) মাত্রারিক্ত ম্যানুয়াল আওয়ার যোগ করাঃ আপনার ক্লায়েন্ট নতুন অথবা কাজ দেয়ার পর কোন কারনে Hourly Limit সেট করে নাই, আপনি সেই সুযোগের ফায়দা উঠালেন। ট্র্যাকার দ্বারা কাজের সময় গুলো ট্র্যাক না করে নিজের ইচ্ছা মত বসিয়ে দিলেন Manual Hour অ্যাড এর মাধ্যমে। সপ্তাহ শেষে ক্লায়ন্টের কাছে মেইল গেল আপনার সুকর্মের। সব ক্লায়েন্টই আপওয়ার্ক-সাপোর্ট নামে একটা জিনিষ আছে সেটা জানে, তারা ভদ্রভাবে দিল টিকেট ওপেন করে। ডিস্পুট করলে হয়ত আপনার রিফান্ড করার অপশন থাকত কিন্তু এই অসাধু কাজের ফলে আপওয়ার্ক বুঝবে তার মান সম্মান আপনি নষ্ট করছেন। আর শুরু হবে আপনার উপর গজব।
    আপনি ম্যানুয়ালি করা কাজগুলোর বিল তখনই যোগ করতে পারবেন যখন আপনার ক্লায়েন্টের সাথে আপনার মধুর সম্পর্ক থাকবে।
    ছ) বায়ারের সঙ্গে বাকবিতন্ডা করাঃ বায়ার যদি আপনার সাথে কোন রকম ভেজাল বা ঝগড়া করে তাহলে নিজে আ্যকশনে যাবার কোন দরকার নেই। বায়ারের সাথে কোন রকম বাকবিতন্ডা করবেন না। কারণ বায়ারের নেগেটিভ কমপ্লিমেন্ট আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে আপনি বায়ারের সকল উল্টা পাল্টা কর্মকান্ডের স্ক্রীনশট, তথ্য-প্রমানাদি সংরক্ষন করুন এবং ঠান্ডা মাথায় আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিন। অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ বায়ারদের অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ একই সাথে যাদের কন্ট্রাক্টর ও ক্লায়েন্ট অ্যাকাউন্ট আছে তাদের যেকোন একটি অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হলে অন্যটিও হবে।
    বায়ার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড না হতে নিচের টিপসগুলো মেনে চলুনঃ
    • আপনারা আপনাদের নিজস্ব কোন টিম মেম্বারকে হায়ার করবেন না। যদি এজেন্সি হয়ে থাকে।
    • ভুয়া পেপাল আইডি পেমেন্ট মেথড হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ বায়ারদের কার্ড অথবা অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকলে কাজ হোল্ড হয়ে যায় এবং কার্ড এ টাকা লোড হওয়া মাত্রই সব কিছু আগের মত ঠিক হয়।
    কনট্রাক্টরদের ক্ষেত্রে কোন অনগোয়িং জবে ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগ না রাখলে অথবা কায়েন্ট এর ম্যাসাজের উত্তর না দিলে যদি ক্লায়েন্ট সার্পোর্ট সেন্টারে জানায় তাহলে আপওয়ার্ক টিম কনট্রাক্টর এর ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে কিছু দিনের জন্য। যা সাপোর্ট সেন্টারে যোগাযোগ ও কারন দর্শানোর পর তুলে নেয়া হয়। পরিসংহারঃ সবশেষে, একজন প্রোফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কিভাবে কাজ করবেন তার জন্য কিছু টিপস যা হয়ত আপনার কাজে লাগবে অনেক। শুধু আপওয়ার্ক নয় অন্য যেকোন মার্কেটপ্লেসের জন্য আপনি এই টিপস গুলো অনুসরণ করতে পারেন।
    • সম্পূর্ণ কাজকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করুন এবং প্রতিটি ধাপ শেষ হবার পর পর ক্লায়েন্টকে দেখান।
    • ডেডলাইন সময় শেষ হবার পূর্বেই সম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করুন এবং ক্লায়েন্টের কাছে পাঠিয়ে দিন।
    • ক্লায়েন্টের কাছে কাজ পাঠানোর পূর্বে ভাল করে রিকোয়ারমেন্ট আরেকবার দেখে নিন এবং সম্পূর্ণ কাজ ভাল করে পরীক্ষা করুন।
    • কাজে এবং কথাবার্তায় সবসময় সৎ থাকতে হবে। কখনও ভুল তথ্য প্রদান করা যাবে না। কোন কারনে কাজ করতে না পারলে বিষয়টি ক্লায়েন্টকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিন, বেশিভাগ ক্ষেত্রেই ক্লায়েন্টের কাছ থেকে যথাযথ সহায়তা পাওয়া যায়।
    • সব সময় চেষ্টা করবেন যাতে কাজ শেষে সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া যায়। ভাল রেটিং পেলে পরবর্তী কাজগুলো খুব সহজেই পাওয়া যায়।
    • ভাল রেটিং পাবার উপায় হচ্ছে – সঠিকভাবে কাজটি করা, সময়মত কাজটি শেষ করা, ক্লায়েন্টের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা।
    • রেটিং দেবার পূর্বে ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞেস করে নিন যে সে আপনার কাজে সম্পূর্ণ খুশি কিনা এবং আপনাকে সর্বোচ্চ রেটিং দিতে যাচ্ছে কিনা।
    • 0 comments
    • 354 views
  • সিহাব ঊদ্দিন

    ডাটা এন্ট্রি কাজের পরিচিতি

    By সিহাব ঊদ্দিন

    ডাটা  এন্ট্রি (Data Entry) হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ধরনের ডাটা একটি স্থান/প্রোগ্রাম থেকে অন্য আরকটি স্থানে/প্রোগ্রামে প্রতিলিপি তৈরি করা। ডাটাগুলো হতে পারে হাতে লেখা কোন তথ্যকে কম্পিউটারে টাইপ করা অথবা কম্পিউটারের কোন একটি প্রোগ্রামের ডাটা একটি স্প্রেডশীট ফাইলে সংরক্ষণ করা। কম্পিউটার ব্যবহারের শুরু থেকেই ডাটা এন্ট্রির ধারনা চলে এসেছে। বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে তথ্যের আদান প্রদান বিস্তৃত হয়েছে, সেই সাথে বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের ডাটাকে সুবিসন্নস্ত করে এর বহুবিধ ব্যবহার। তাই দক্ষ ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এধরনের কাজগুলো একা বা দলগতভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের সাধারণ ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে যে কেউ এই ধরনের কাজ করে ঘরে বসেই বৈদিশিক মুদ্রা আয় করতে পারে। কোথায় পাওয়া যাবে:
    ডাটা এন্ট্রি এর কাজগুলো সাধারণ ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস সাইটেই পাওয়া যায়। অনেক ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যাতে বলা হয় বিপুল পরিমাণে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ পাওয়া যাবে। কিন্তু ওই সাইটে রেজিষ্ট্রশন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়। যেহেতু রেজিষ্ট্রেশন করার পূর্বে আপনি জানতে পারছেন না সত্যিই ওই সাইটে কাজ পাওয়া যায় কি না, তাই এই ধরনের সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা থেকে বিরত থাকাই ভাল। বিনামূল্যে রেজিষ্ট্রেশন করে ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় এরকম সাইট হচ্ছে – www.GetAFreelancer.com, www.oDesk.com, www.GetACoder.com, www.ScriptLance.com ইত্যাদি। এই সাইগুলোতে ডাটা এন্ট্রি কাজের আলাদা বিভাগ রয়েছে। সাইটগুলোতে কয়েকশত ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলারের প্রজেক্ট রয়েছে। সাধারণত ‘প্রতি একহাজার ডাটা এন্ট্রির জন্য একটি নির্দিষ্ট ডলার’ এই ভিত্তিতে কাজ পাওয়া যায়। অনেকক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেয়া হয়। প্রয়োজনীয় দক্ষতা:
    ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্টে বিভিন্ন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হয় যা একটি প্রজেক্টের উপর নির্ভর করে। অনেক ধরনের প্রজেক্ট পাওয়া যায় যাতে শুধুমাত্র কপি-পেস্ট ছাড়া আর কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। তবে সাধারণভাবে যে দক্ষতাগুলো সবসময় প্রয়োজন পড়বে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – দ্রুত টাইপিং করার ক্ষমতা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও বিশেষ করে মাইক্রোসফট এক্সেলে পরিপূর্ণ দখল এবং সর্বোপরি ইংরেজিতে ভাল জ্ঞান। তার সাথে রয়েছে ইন্টারনেটে সার্চ করে কোন একটি তথ্য খোঁজে পাবার দক্ষতা এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট, ফোরাম, ওয়েব ডাইরেক্টরী সম্পর্কে ভাল ধারণা। ডাটা এন্ট্রি কাজের প্রকারভেদ:
    ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে যেসকল ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ফাইল, ছবি ইত্যাদি আপলোড করা, বিভিন্ন সাইট থেকে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য এক্সেলের একটি ফাইলে সংরক্ষণ করা, ওয়েবসাইটের জন্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা, একটি ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফোরাম, গ্রুপে গিয়ে পরিচয় (Promote) করিয়ে দেয়া, দুটি ওয়েবসাইটের মধ্যে লিংক আদান প্রদান করা (Link Exchange), অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে সাহায্য করা, OCR (অপটিক্যাল কারেক্টার রিকগনিশন) থেকে প্রাপ্ত লেখার ভুল সংশোধন করা ইত্যাদি। নিচে ওডেস্ক এবং গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার সাইটে গত নভেম্বর মাসে প্রাপ্ত কয়েকটি প্রজেক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল: ১) লোকাল বিজনেসের তথ্য প্রদান: এই প্রজেক্টে বায়ারের (Buyer) রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে ইন্টারনেটে সার্চ করে যুক্তরাজ্যের একটি নির্দিষ্ট শহরের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি তথ্য প্রদান করা। বায়ার এই তথ্যগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং কাজে ব্যবহার করবে। এই প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে প্রকৃতপক্ষে ইন্টারনেটে ওই শহরের নাম দিয়ে সার্চ করতে হবে এবং প্রাপ্ত তথ্য একটি এক্সেল ফাইলে সেইভ করে বায়ারকে প্রদান করতে হবে। প্রজেক্টে বায়ারের বাজেট হচ্ছে ৫০ ডলার। তবে ঠিক কতটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রদান করতে হবে এবং কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সে বিষয়ে কোন ব্যাখ্যা দেয়া নেই। ২) ওয়েবসাইট থেকে ডাটা সংগ্রহ করা: এই প্রজেক্টে বায়ার কয়েকটি ওয়েবসাইটের তথ্য দিয়ে দিবে। প্রোভাইডার হিসেবে আপনার কাজ হবে ওই সাইটগুলো থেকে নির্দিষ্ট কিছু ডাটা আরেকটি ওয়েবসাইটের ফরমের মধ্য সেইভ করা। প্রতি ঘন্টায় এরকম ২০০ টি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে, অর্থাৎ প্রতি ১৮ সেকেন্ডে একটি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজটি করার জন্য কোন বিশেষ অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, শুধু মাত্র কপি এবং পেস্ট করা জানলেই হবে। সম্পূর্ণ কাজের জন্য বায়ারের বাজেট হচ্ছে ১২০ ডলার। ৩) অডিও ট্রান্সক্রিপশন: এই প্রজেক্টে বায়ার পূর্বে রেকর্ডকৃত কয়েকটি অডিও (Audio) ফাইল দিবে। আপনার কাজ হবে অডিও শুনে ইংরেজিতে একটি ফাইলে লেখা বা প্রতিলিপি তৈরি করা। প্রতি ঘন্টার অডিও ফাইল প্রতিলিপির জন্য ২০ ডলার দেয়া হবে। এই কাজের জন্য ইংরেজিতে অবশ্যই পারদর্শী হতে হবে। ৪) ডকুমেন্ট কনভার্শন: এই প্রজেক্টে আপনাকে PDF ফরমেটের একটি ডকুমেন্ট ফাইল দেয়া হবে। আপনার কাজ হবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ওই লেখাগুলো হুবহু প্রতিলিপি করা। অর্থাৎ পিডিএফ এর লেখাটির ফরমেট, ছবি, ফুটনোট ইত্যাদি অপরিবর্তিতভাবে ওয়ার্ড ফাইলে প্রতিস্থাপন করা। এই কাজের জন্য গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে ২৭ টি বিড পড়েছে এবং গড় মূল্য হচ্ছে ৬৫ ডলার। ৫) ক্লাসিফাইড এড লিস্টিং: এই প্রজেক্টটি হচ্ছে একটি ক্লাসিফাইড বা শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের ওয়েবসাইটে নতুন নতুন বিজ্ঞাপন যোগ করা। এজন্য Craigslist, Amazon, Ebay ইত্যাদি সাইট থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের তথ্য ওই ওয়েবসাইটটিতে যোগ করতে হবে এবং একটি এক্সেল স্প্রেডশীট ফাইলে এই তথ্যগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। তারপর পণ্যটির বিক্রেতার কাছে ইমেলই করে তাকে ওয়েবসাইটি সম্পর্কে জানাতে হবে। এরকম ৫০০ টি পণ্যের ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজের জন্য বায়ারের সর্বোচ্চ বাজেট হচ্ছে ২৫০ ডলার। ৬) ক্যাপচা (Captcha) এন্ট্রি: ক্যাপচা হচ্ছে কয়েকটি অক্ষর ও সংখ্যার সমন্নয়ে একধরনের সিকিউরিটি কোড বা ছবি যা বিভিন্ন সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার সময় প্রদান করতে হয়। কোন প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে কেউ যাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি সাইটে রেজিষ্ট্রেশন বা ফরম পূরণ করতে না পারে এজন্য এটি ব্যবহার করা হয়। গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে প্রাপ্ত এই কাজে দুইদিনের মধ্যে 36K বা ৩৬,০০০ হাজার ক্যাপচা এন্ট্রি করতে হবে। প্রতি 1K বা এক হাজারটি এন্ট্রি করার জন্য ১ ডলার দেয়া হবে অর্থাৎ মোট প্রজেক্টের মূল্য হচ্ছে ৩৬ ডলার। যেহেতু একার পক্ষে কম সময়ে এত ডাটা এন্ট্রি করা সম্ভব নয় তাই সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটি টিম থাকতে হবে। দুই দিনের মধ্যে সফলভাবে কাজটি করতে পারলে বায়ার পরবর্তীতে 1200K অর্থাৎ ১২,০০,০০০ ক্যাপচা এন্ট্রি করার কাজ দিবে যা দুই সপ্তাহের মধ্যে করতে হবে।     অসুবিধাসমূহ:
    যদিও ডাটা এন্ট্রি এর কাজ তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু এই ধরনের কাজে অনেক ধরনের অসুবিধা রয়েছে, যা পূর্বে বিবেচনা করেই কাজে নামা উচিত: প্রথমত এই ধরনের কাজে অনেক বেশি বিড পড়ে, তাই প্রথম অবস্থায় কাজ পাওয়া খুব কঠিন। এই ধরনের কাজে আপনার মেধা বা দক্ষতা প্রমাণের প্রাথমিকভাবে কোন সুযোগ নেই। তবে ছোটখাট কয়েকটা কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে ফেলতে পারলে একই বায়ারের কাছ থেকে আরো অনেক কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডাটা এন্ট্রি কাজগুলো সময়সাপেক্ষ, একঘেয়ে এবং প্রায় ক্ষেত্রে বিরক্তিকর। অনেক কাজের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের স্পীড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব কাজে ফাইল আপলোড করতে হয় অথবা যে কাজগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, সেক্ষেত্রে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন রয়েছে। অনেক ডাটা এন্ট্রির কাজ রয়েছে যা একার পক্ষে একটি নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা সম্ভব নয়। এজন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটা টিম গঠন করার প্রয়োজন পড়তে পারে। ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো খুবই সতর্কতার সাথে এবং নির্ভুলভাবে করতে হয়। তাই শতভাগ নির্ভুল টাইপিং এবং কাজের সময় পূর্ণ মনযোগ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রোগ্রামিং করে ডাটা এন্ট্রি: 
    অনেক ডাটা এন্ট্রি কাজ রয়েছে যা প্রোগ্রামিং করে করা সম্ভব। প্রোগ্রামিং এ যারা দক্ষ তারাও ইচ্ছে করলে ডাটা এন্ট্রের কাজগুলো সহজেই করতে পারবে। এক্ষেত্রে আমার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। ক্লায়েন্টের রিকোয়ারমেন্ট ছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের ২,৫০০ টি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের লিংক এনে দেয়া যাদের ওয়েবসাইটে কোন সিকিউরিটি সিল (এক ধরনের ছবি) নেই। ক্লায়েন্টের উদ্দেশ্য ছিল তাদের কাছে তার নিজের কোম্পানির সিকিউরিটি সিল বিক্রির জন্য ইমেইল দেয়া। প্রজেক্টের মোট মূল্য ছিল ৩০০ ডলার এবং ডেডলাইন ছিল মাত্র ৭ দিন। এই প্রজেক্টটি খুবই সময় সাপেক্ষ ছিল। কারণ সার্চ করে ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ সাইটে যেতে হবে এবং সেই সাইটগুলোতে গিয়ে দেখতে হবে তাদের সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা। ধরা যাক সমস্ত কাজ করতে প্রতি সাইটের পেছনে যদি ১ মিনিট করে সময় ব্যয় হয়, তাহলে ৫,০০০ সাইটের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৮ ঘন্টা কাজ করে একজন অপারেটেরর মোট সময় লাগবে ১০ দিন। কাজটি আমি ম্যানুয়ালি না করে প্রোগ্রামিং করে সম্পন্ন করার স্বীদ্ধান্ত নিলাম এবং PHP দিয়ে দুটি প্রোগ্রাম তৈরি করলাম – একটি প্রোগ্রাম গুগল এবং ইয়াহু ডাইরেক্টরি থেকে সার্চ করে ওই দুই দেশের ই-কমার্সের সাইটের তথ্য একটি ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করবে। আরেকটি প্রোগ্রাম ডাটাবেইজ থেকে তথ্যগুলো নিয়ে একটি একটি করে সাইটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাবে এবং ওই সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা যাচাই করে দেখবে। প্রোগ্রামটি তৈরি করার পর আমি আমার সার্ভারে Cron Job এর মাধ্যমে দুটি প্রোগ্রামকে চালাই। এই পদ্ধতিতে প্রোগ্রামিং করা থেকে সার্চ করা পর্যন্ত মোট সময় লেগেছিল মাত্র দুই দিন এবং প্রোগ্রামটির মাধ্যমে এই সময়ের মধ্যে ৮,০০০ সাইটে সার্চ করে ৪,০০০ টি সিলবিহীন সাইট পেয়েছিলাম। বাস্তবিক পক্ষে ডাটা এন্ট্রি কাজের রয়েছে বিশাল চাহিদা এবং কাজের পরিধিটাও অনেক বিস্তৃত। প্রথমদিকে একটু ধৈর্য্য সহকারে বিড করা এবং কাজ বাছাই করার ক্ষেত্রে একটু বুদ্ধিমত্ত্বার পরিচয় দেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে যেসব ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আরও বড় প্রজেক্ট পাবার সম্ভাবনা রয়েছে সেই প্রজেক্ট পাবার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। শুরুতে একাই কাজ করুন। ভবিষ্যতে বড় কাজ পেলে কয়েকজন কম্পিউটার অপারেটরকে নিয়ে একটি টিম গঠন করাতে পারেন। তখন ডাটা এন্ট্রির কাজগুলোর মাধ্যমে বেকার জনগণকে জনশক্তিতে পরিণত করতে আপনিও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
    • 3 comments
    • 800 views

Our community blogs

  1. hy.jpg

    কেমন আছেন সবাই?

    আজ আপনাদের সাথে আমি শেয়ার করবো মার্কেটিং বেসিক কিছু জিনিস নিয়ে, কিভাবে গ্রাফিক্স প্রোডাক্টগুলি মার্কেটিং করে সেল বাড়ায়। কোথায় কোথায় মার্কেটিং করে ব করতে হয়।

    আগেই বলে রাখি আমি কোন মার্কেটার নয় আমি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার, আমার কাজের প্রয়োজনে যতুটুকু রিসার্চ করে শিখছি আরকি, বড় ভাইয়াদের বলছি আমার অনেক ভুল হতে পারে, ভুল দেখলে আশা করছি ধরিয়ে দিবেন।

    আমরা যারা  graphicriver,ThemeForest এ কাজ করি তারা অবশ্যই জানেন একটি approved product এর বয়স বেশি হয়ে গেলে অথবা ৫/৬ পেজের পরে চলে গেলে সেইগুলার সেল হওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিতে হয়। কিন্তু আমরা যদি এই সব প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে আমাদের টাগের্ট ক্লায়েন্ট এর বা বায়ার এর কাজে পৌছে দিতে পারি তাহলে অবশ্যই সেল হবে।

    কিন্তু আমরা কোন ডিজাইন কোন কারন ছাড়াই তৈরি করি যেমন createtive flyrer,busines card, etc যদিও এটা সব সময় ট্রেন্ডিং সেল হবেই। কিন্তু মার্কেটিং এর জন্য বা সেল বড়ানোর জন্য আপনাকে অবশ্যই  একটু রিসার্চ করেই ডিজাইন গুলি তৈরি করতে হবে। যেমন আপনি ধরেন রিয়েল এস্টেট এর জন্য একটি business card,flyer,tempalte etc তৈরি করলেন তাহলে আপনি এই প্রোডাক্টগুলি সহজেই রিয়েল এস্টেট ক্লায়েন্টদের খাওয়াতে পারবেন।

    এর জন্য আপনাকে একটি সাইট তৈরি করতে হবে, pinterest এ ভাল প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। তাছাড়া এইসব শেয়ার করবেন বিভিন্ন portfolio site এ যেমন behance, dribble এ শেয়ার করতে হবে।  এবং অনেয় মাধ্যেম আছে আমি step by step সব শেয়ার করে যাব।

    টিউটোরিয়ালে বিস্তারিত বলা আছে। পরবর্তিতে আমি দেখাবো কিভাবে প্লান করে কাজ করবেন এবং মার্কেটিং এর বিস্তারিত ! কিভাবে Success হবেন।

    খুব শিঘ্রই নতুন কিছু টিউন উপহার দিব বিশেষ করে নতুনদের অনেক উপকারে আসবে। সবাইভাল থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ

  2. ADNAN SAMIN REMY BOYZ

    আদনান সামিনের নিজের কেরিওগ্ৰাফি ও মিউজিক এডিটিং এ তার নিজের বন্ধুদের অনেক গুলো ডেন্স শেয়ার করছি - দেখুন ইউটিউবে, আর তাকে উৎসাহ দিলে ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে

    • 2
      entries
    • 1
      comment
    • 381
      views

    Recent Entries

    mamun.rashid
    Latest Entry
    এই নো-ফলো আর ডু-ফলো নিয়ে মতবাদের শেষ নাই। আসল ব্যাপার কে কিভাবে খেলতে পারে, আর কিভাবে খেলতে চায়!
    আসেন ব্যাপারটা বুঝাই।
    ডু-ফলো লিঙ্ক মেইনলি দুইটা কাজ করে। প্রথমতো গুগল কে আপনার কন্টেন্ট এর রিলিভেন্সি বুঝায়। দিতিওতো - সম্মানী সরূপ যেই পেইজ গুলোকে আপনি লিঙ্ক করেছেন সেগুলোকে ১০% পাওয়ার দেয় (লিঙ্ক জুইস)।
    সুত্রমতে - আপনাকে যদি কেও পাওয়ার না দেয়, এবং simultaniously আপনি যদি আরেকজঙ্কে পাওয়ার দিতে যান, সে ক্ষেত্রে আপনি ফকির হয়ে জাবেন, যাকে আমরা বলি (র‌্যাঙ্ক ড্রপ)।
     
    তাই, আমরা অনেকে নিজের জন্য ব্যাক্লিঙ্ক পাওয়ার আগে আউটবাউন্ড লিঙ্ক নো-ফলো করে রাখি।
    আরো কিছু ব্যাপার আপনার মাথায় রাখা প্রয়োজন।
    ধরুন আপনার একটা পেইজ এ ৪ টা ব্যাক্লিঙ্ক আছে। তার মানে আপনি যদি ঐ পেইজ থেকে ১০ টাকার পাওয়ার Earn করেন, (১০%, তার মানে ১ টাকার পাওয়ার অথবা, লিঙ্ক জুইস চলে যাবে – আউটবাইন্ড ব্যক্লিঙ্ক পেইজ দের কাছে)
    মজার ব্যাপার হলো –
    আপনি যদি ৪ টা আউটবাউন্ড লিঙ্ক এর মদ্ধে ৫০% / ২ টা কে নো-ফলো করে দেন, তাহলে কিন্তু পুরো ১০% লিঙ্ক জুইস বাকি দুই জন পাবেনা। ওদের ভাগের ৫০% অথবা ৫০ পয়সার পাওয়ার চলে যাবে ঐ পেইজ এর ইন্টারনাল ব্যাক্লিঙ্ক এর মাঝে।
    ক্যানো আমরা তাহলে সব লিঙ্ক গুলোকে নো-ফলো করিনা?
    answer is simple 1f60a.png😊
    টু গেট দি অথোরিটি। গুগল এর স্মার্ট ব্রাইন তথা Hilltop Algorithm তথা রিচ স্নিপেট এর আব্বা এক্সপেক্ট করে আপনি এটলিস্ট একটা, অথবা দুইটা আউটবাউন্ড লিঙ্ক দিয়ে প্রমান করুন যে – আপনি ভালো কিছু লিখেছেন। (যেগুলোকে আমরা CITATION ও বলে থাকি)
    What Do-follow Actually MEAN?
    নো-ফলো লিঙ্ক দিয়ে আমি গুগল কে বলি – Dear Google, I do not want to officially vouch this link. That’s why google do not pass link juice.
    Vouch represents guarantee. If you do not guarantee the trustworthiness of that link, Still – you can make the link as a reference.
    আরো কিছু কথা।
    অনেক ক্ষেত্রে নো-ফলো এর সাথে আমরা আরো কিছু জিনিহ ইউজ করি যেমন – noopener & noreferrer.
    noopener & noreferrer এর মাধ্যমে আমরা গুগল করে বলি – Dear Google, I also do not want to make the website as a REFERANCE.
    আমি আবার অনেক সময় Internal Link ও Du-Follow করে noopener & noreferrer মারি।
    ব্যাপার এক্টাই, কীভাবে খেল্বেন, আপ্নিই ভালো জানেন।
    আসল কথা বুঝার মত মানুষ হইলে – আপনি already বুঝে গ্যাসেন। না বুঝলে নাই। আমি ভাগি।
  3. Payoneer to Bank Withdrawal নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা। আশা করি অনেকের অনেক কনফিউশান দুর হবে এই পোষ্ট এ।

    আসলে রাত, সকাল, দুপুর বা বিকেলে এটা মেইন কথা না। পেয়নিয়ার এর এক্সচেঞ্জ রেট প্রতি ৫-১০ মিনিট পর পর আপডেট হয়। না হলে একবার রেট চেক করে ১০ মিনিট পরে আবার চেক করে দেখবেন চেঞ্জ হয়ে গেছে। এমনকি রেট দেখে কনফার্ম করতে ২ মিনিট দেরি হলে আবার রিফ্রেশ করতে বলে যে এক্সচেঞ্জ রেট আপডেট হয়েছে। আমি প্রায় দিনে ১২-১৫ বার বিভিন্ন সময়ে চেক করে দেখেছি একটানা বেশ কয়েকদিন এবং যা বুঝেছি এটা রাত, সকাল, দুপুর বা বিকেলে এর ভিত্তিতে রেট কম বেশি হয় না। বা একদিন বিকেলে বেশি রেট থাকলেও যে প্রতিদিন বিকেলে ই বেশি রেট থাকবে সেটা কোন কথা না। তাই ভালো রেট পেতে হলে দুই এক ঘন্টা পর পর চেক করুন এবং মন মত রেট হলে কনফার্ম করুন।

    আর হা, আমার ৩ টা ব্যাংক এ্যাড করা আছে। ডাচ, ইসলামী, সিটি। একি সময় চেক করলে ৩ টা ব্যাংকেই সমান রেট দেখায়। অনেকে বলে যে বিভন্ন ব্যাংক এ রেট অনেক কম বা বেশি দেয়। আমার তা মনে হয় না। আমার মনে হয় রেট টা পেয়নিয়ার ই ঠিক করে দেয়। আমি একদিন ৩০-৪০ মিনিটের ব্যবধানে ২টাকা রেট কম পেয়েছি। এই জন্য বিভিন্ন জন বিভিন্ন ব্যাংক এ উইথড্র দেই একই দিনে এবং রেট কম বা বেশি পায় আর মনে করে যে ব্যাংক ই রেট কম বা বেশি দেয়।

    সময় কেমন লাগে?

    যারা আন্তত, এক বা দুই বার ব্যাংক উইথড্র দিয়েছেন তারা সবাই জানেন যে, পেয়নিয়ার পেমেন্ট প্রসেস করে প্রতিদিন দুপুর ১২টা থকে ১ঃ৩০ এর মধ্যে আপনি যে সময় ই উইথড্র দেন না কেন। তাহলে আপনি যদি দুপুর ১১টা বা ১২ টার আগে উইথড্র দেন তাহলে পরেরদিন এ আপনার ব্যাংক এ টাকা এ্যাড হয়ে যাবে যদি ব্যাংক বন্ধ না থাকে। রবি, সম, মঙ্গল এবং বুধবার এইটা হবে। ব্যাংক বন্ধ থাকলে বা পেয়নিয়ার কোন কারনে ছুটি থাকলে ২-১ দিন কম বেশি হতে পারে তবে খুব রেয়ার। এখন যারা বৃহস্পতিবার দুপুরের আগে উইথড্র দিবেন তারা রবিবার টাকা পাবেন, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর এবং শুক্র বা শনিবার যারা উইথড্র দিবেন তারা সমবার ছাড়া টাকা ব্যাংক এ পাবেন না। আজ পর্জন্ত আমি শুক্রবার পেয়নিয়ার এর প্রসেস মেইল পাই নি। তারমানে শুক্রবার পেমেন্ট প্রসেস করে না আর শনিবার পেয়নিয়ার অফিশিয়ালি বন্ধ। রবিবার পেমেন্ট প্রসেস করবে এবং সমবারে পেমেন্ট পাবেন।

    যাদের ব্যাংক এশিয়া তে একাউন্ট তারা একদিনেই টাকা পেয়ে যান। কেননা, পেয়নিয়ার ডলার পাঠায় ব্যাংক এশিয়াতে, ব্যাংক এশিয়া EFT (Electrionic Fund Transfer) এর মাধ্যমে অন্য সব ব্যাংক একাউন্ট এ টাকা পাঠায়। EFT এর নিয়ম, আজকে EFT করলে কালকে বেনিফিশিয়ারি ব্যাংক এ টাকা এ্যাড হবে। ব্যাংক এশিয়ার সাথে চুক্তি হবার আগে আমার ডাচ বাংলা তেও একদিনে টাকা পেয়েছি। কিন্তু এখন যেহেতু, ব্যাংক এশিয়া হয়ে টাকা আসে তাই আর অন্য ব্যাংক এ একদিনে সম্ভব না।

    ২০১০ সাল থেকে পেয়নিয়ার কার্ড ব্যবহার করে আসছি এবং যখন থেকে ব্যাংক উইথড্র অপশন টা দিয়েছে তখন থেকেই রেগুলার এই অপশন টা ব্যাবহার করি। একদম রিলেটিভ কেউ রিকুয়েষ্ট করলে ডলার সেল করেছি তাও ৩-৪ বার এর মত তাছারা আমি সব ডলার ই ব্যাংক এ এনেছি। আগে ATM ব্যবহার করতাম আর এখন ব্যাংক এ ট্রান্সফার।

    উপরের পুরো লেখাটাই আমার অভিজ্ঞতা থেকে শেয়ার করলাম। ভূল থাকতেও পারে। ভুল থাকেল কেউ বুঝেয়ে বলবেন।

    ধন্যবাদ সবাইকে।

    copy from @Zahidul Islam(fb post)  vai

     
  4. কম্পিউটার গ্রাফিক্স কি?

    কম্পিউটার মনিটরে অস্থায়ীভাবে প্রদর্শিত বর্ণ, সংখ্যা, বিশেষ ধরনের অক্ষর, ছবি, চিত্র ইত্যাদিকে কম্পিউটার গ্রাফিক্স বলে।

     

    কালার মোড

    গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর ক্ষেত্রে বহুল পরিচিত সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করতে গেলে বিভিন্ন কালার মোড দেখা যায়। কালার মোডগুলো হলো;

    ০১. এ্যাডোবি আরিজিবি (RGB)

    ০২. সিএমওয়াইকে (CMYK)

    ০৩. ইনডেক্স মোড (২৫৬ রঙ) (Index Mode-256 Colors)

    ০৪. ল্যাব কালার মোড (Lab Color Mode)

    ০৫. গ্রে-স্কেল মোড (Gray Scale Mode)

    ০৬. বিটম্যাপ কালার মোড (Bit Map Color Mode)

    ০৭. ডুওটোন মোড (Duotone Mode)

    ০৮. মাল্টিচ্যানেল মোড (Multichannel Mode)

    ০৯. এসআরজিবি (SRGB)

    তন্মধ্যে আরিজিবি (RGB) এবং সিএমওয়াইকে (CMYK) কালার মোড দুটিই মূলত বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

     

    এ্যাডোবি আরজিবি(RGB) কালার মোডঃ

    আরজিবি কালার মোডের নামকরণ করা হয় লাল (Red), সবুজ (Green), নীল (Blue) এর ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষরগুলো একসাথে নিয়ে। অর্থাৎ Red এর R, Green এর G, Blue এর B একসাথে করে হয় RGB এই তিনটি রঙের বিভিন্নটিকে বিভিন্ন পরিমাণে মিশিয়ে দৃশ্যমান অন্যান্য রঙ তৈরি করা যায়। যেমন লাল সবুজ আর নীল তিনটি রঙকেই সমপরিমাণে মেশালে সাদা রঙ পাওয়া যাবে আবার যদি শুধু লাল এর সবুজ মেশানো হয় তবে হলুদ রঙ পাওয়া যাবে, লাল আর নীল মেশালে ম্যাজেন্টা রঙ পাওয়া যাবে। এভাবেই এই তিনটি রঙকেই বিভিন্নভাবে বিভিন্ন পরিমানে মিশিয়ে বিভিন্ন রঙ তৈরি করা হয়। আর যখন তিনটি রঙের কোনটিই উপস্থিত থাকেনা তখন কালো রঙ পাওয়া যায়।

    এ্যাডোবি আরজিবি(RGB) কালার কোড দেখুন

    ওয়েব ডিজাইনের জন্যে যে গ্রাফিক্সের কাজ করা হয় তা কেবল কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিণেই দেখা হয় সেহেতু শুধু আরজিবি কালার মোডই ব্যবহার করা হয়। RGB কালার মোড ব্যবহৃত হয় Visul Media এর ক্ষেত্রে।

     

    এসআরজিবি (SRGB) (Standard Red Green Blue)

    এসআরজিবি (SRGB) মানে হচ্ছে (Standard Red Green Blue)। ওয়েব গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্যে এসআরজিবিই (sRGB) সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। কারণ বেশিরভাগ কম্পিউটার মনিটরই এসআরজিবি কালার স্ক্রিণে দেখাতে পারে। অন্যদিকে অ্যাডবি আরজিবিতে এসআরজিবির চাইতে ৪৫% বেশি রঙ নির্বাচন করার সুযোগ থাকে। অর্থাৎ অ্যাডবি আরজিবিতে রঙের পরিমাণ এসআরজিবি্র চাইতে শতকরা ৪৫ ভাগ বেশি! তবুও অ্যাডবি আরজিবির চাইতে এসআরজিবিই বেশি ব্যবহৃত হয়, কারণ বেশিরভাগ কম্পিউটার মনিটর অ্যাডবি আরজিবির অতিরিক্ত রঙগুলো নাও দেখাতে পারে। বর্তমানে আধুনিক ক্যামেরাগুলোর অনেকগুলোতেই অ্যাডবি আরজিবি কালার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

    প্রিন্টিং এর জন্যে আরজিবি কালার মোড ব্যবহার করা সম্ভব না। আরজিবি কালার মোডে করা গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজগুলো কম্পিউটার স্ক্রিণেই সঠিকভাবে দেখা সম্ভব। তা প্রিন্ট আউট করে বের করলে কম্পিউটারের মতো করে দেখা সম্ভব না। অর্থাৎ কম্পিউটারে যে রঙ যেভাবে দেখা যেতো সে রঙ ঠিক সেভাবে দেখা যাবেনা। যদিও ভালো মানের আরজিবি প্রিন্টার বাজারে পাওয়া যায়, তবে সেটা বিশাল বিশাল ছাপানোর কাজে ব্যবহার সম্ভব না।

     

    সিএমওয়াইকে (CMYK)

    সিএমওয়াইকে কালার মোডের নামকরণ করা হয় নীলসবুজ (Cyan), ম্যাজেন্টা (Magenta), হলুদ(Yellow) এবং কালো (Black) এর ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষরগুলো একসাথে নিয়ে। অর্থাৎ Cyan এর C, Mageta এর M, Yellow এর Y এবং Black এর K একসাথে করে হয় CMYK  উল্লেখ্য যে, প্রত্যেকটির প্রথম অক্ষর নিয়ে এবং কালো এর প্রতিক হিসেবে K নিয়ে এর নামকরণ করা হয় CMYK (সিএমওয়াইকে)

    আরজিবি কালার মোডের দুটো রঙ একসাথে মেশানো হয় তখন সিএমওয়াইকে কালার মোডের একটি রঙ তৈরী হয়। যেমন সবুজ এবং নীল মিলিয়ে হয় সায়ান রঙ, লাল এবং নীল মিলিয়ে হয় ম্যাজেন্টা রঙ, লাল এবং সবুজ মিলিয়ে হয় হলুদ রঙ। এই প্রস্তুতকৃত সায়ান, ম্যাজেন্টা আর হলুদ প্রত্যেকেই সিএমওয়াইকে কালার মোডের মৌলিক রঙ এবং সেই সাথে কালো রঙ জুড়ে দেয়া হয়। অর্থাৎ কালো, সায়ান, ম্যাজেন্টা আর হলুদ এই চারটি রঙ মিলে সিএমওয়াইকে কালার মোড তৈরী হয়।

    সিএমওয়াইকে (CMYK) কালার কোড দেখুন

    প্রিন্টিং এর ক্ষেত্রে সিএমওয়াইকে কালার মোড ব্যবহার করা হয়। 

     

    গ্রাফিক্স এর প্রকারভেদ

    • প্রকৃতিগত দিক থেকে

    প্রকৃতিগত দিক থেকে গ্রাফিক্সকে দুই ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।

    ০১. স্থির গ্রাফিক্স যেমন কোন ফটোগ্রাফ বা ডিজিটাল ইমেজঃ কম্পিউটার বা এ জাতীয় কোন মাধ্যমের দ্বারা কোন বস্তুর প্রতিরূপ আমার দেখেপাই তাই হল ডিজিটাল ইমেজ। কম্পিউটার অনেকগুলি     “1”  কে পরিমাপ ও গণনা করে এক একটি পিক্সেল(Pixel) তৈরী করে। তারপর ওই পিক্সেলস (Pixels) গুলি একত্রিত করে যে প্রতিরূপ সৃষ্টি করে তাই ডিজিটাল ইমেজ

    ০২. চলমান গ্রাফিক্স যা এনিমেশন বা ভিডিও নামে পরিচিত; যেমন কম্পিউটারে তৈরী কোন এনিমেশন মুভি ক্লিপ।টারজান, আলাদিন, টম অ্যান্ড জেরি, পাপাই, থান্ডার ক্যাটসমিনা কার্টুন সবই এনিমেশনের ফসল।  

    • গঠনগত দিক থেকে

    কম্পিউটারে যেসমস্ত গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়ে থাকে গঠনগত দিক থেকে তাদের দুইটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। সেগুলো হলো; 

    ০১. ভেক্টর গ্রাফিক্স 

    ০২. রাস্টার বা পিক্সেল গ্রাফিক্স

      

    ভেক্টর গ্রাফিক্স (Vector Graphics)

    ভেক্টর গ্রাফিক্স জিওমের্টিক্স মডেলিং বা অবজেট ওরিয়েনটেশন নামেও পরিচিত।

    ভেক্টর গ্রাফিক্স হচ্ছে জ্যামিতিক প্রিমিটিভ যেমন বিন্দু, রেখা, বক্ররেখা, বহুভুজ, ইত্যাদির গাণিতিক সমীকরণ ব্যবহার করে কম্পিউটার গ্রাফিক্স এর ছবি উপস্থাপনের একটি পদ্ধতি।

    এডোবি ইলাষ্ট্রেটরের যেকোন আর্টওয়ার্কই ভেক্টর গ্রাফিক্স (Vector Graphics)। Vector গ্রাফিক্স Line এবং Curve এর সমন্বয়ে এক ধরণের জ্যামিতিক Object দিয়ে তৈরী হয়, যাকে বলে VectorVector গ্রাফিক্স কে বড় করলে এর অবজেক্টগুলো অপরিবর্তিত থাকে, ইমেজগুলো ফেটে যায়না। বিভিন্ন ধরণের অলংকরণ, টেক্সট এবং লোগোর মতো গ্রাফিক্সের কাজে Vector গ্রাফিক্স বহুল ব্যবহৃত হয়।

    Vector গ্রাফিক্স অনেকগুলো পাথের (path)  সমন্বয়ে গঠিত। প্রত্যেকটি পাথ আবার স্টার্টিং পয়েন্ট,এন্ডিং পয়েন্ট সহ অন্যান্য পয়েন্ট, কার্ভ এবং এঙ্গেলের সমন্বয়ে গঠিত। পাথগুলো বিভিন্ন আকারের হতে পারে যেমন সরলরেখাকৃতি, ত্রিভূজাকৃতি ইত্যাদি।এই পাথগুলো  সরল এমনকি জটিল ডায়াগ্রাম  তৈরীতে ব্যবহৃত হয়। যেহেতু এটি রাস্টার গ্রাফিক্সের মত নির্দিষ্ট সংখ্যক ডটের সমন্বয়ে গঠিত নয়, তাই একে আকারে বড় করলেও এর ইমেজের মানের কোন পরিবর্তন হয় না।

    ভেক্টর গ্রাফিক্সকে জুম করা হলেও তা পরিস্কার পরিছন্ন থাকে।এছাড়া ভেক্টর ইমেজ ফাইল কে খুব সহজেই পরিবর্তন করা যায়।

    Adobe illustrator হল ভেক্টর গ্রাফিক সফটওয়্যার ।সাধারনত ভেক্টর গ্রাফিক এর ফরম্যাট .EPS হয়ে থাকে ।

     

    রাস্টার গ্রাফিক্স (Raster Graphics)

    ফটোশপের সমস্ত ইমেজই রাস্টার গ্রাফিক্স (Raster Graphics)বা পিক্সেল গ্রাফিক্স (Pixel Graphics)। রাস্টার গ্রাফিক্স চারকোনা টাইলস এর মতো সেপের পিক্সেল দিয়ে তৈরী হয়। রাস্টার ইমেজে পিক্সেল থাকার কারনে ইমেজকে বড় করলে এই পিক্সেলগুলো বেড়িয়ে আসে বা ইমেজ ফেটে যায়। রাস্টার গ্রাফিক্সকে বিটম্যাপ ইমেজও বলা হয়ে থাকে।

    রাস্টার ইমেজের পিক্সেলের এবং কালারের ভ্যালু নির্দিষ্ট থাকে। যখন কোন রাস্টার ইমেজকে এডিট করা হয় তখন আসলে এই ইমেজের পিক্সেলকেই এডিট করা হয়। মূলত রাস্টার ইমেজের পিক্সেলের এবং কালারের ভ্যালু নির্দিষ্ট থাকার কারনে জুম করলে ইমেজটি ফেটে যায়।

    ডিজিটাল ক্যামেরাডিজিটাল স্ক্যানার বা পিক্সেল এডিটিং প্রোগ্রাম (যেমন: এডোবি ফটোশপ) দিয়ে রাস্টার গ্রাফিক চিত্র তৈরি হয়। রাস্টার ইমেজ একটি ম্যাট্রিক্স (গ্রিড) বা বিটম্যাপের ডিজিটাল ছবি উপাদান (পিক্সেল) দিয়ে গঠিত হয়। কালো, সাদা, ধূসর বা রঙিন বর্গক্ষেত্র অথবা আয়তক্ষেত্র দিয়ে সাধারণত পিক্সেলগুলো তৈরি হয়। রাস্টার গ্রাফিক চিত্রকে খুব সহজে ভেক্টর গ্রাফিক চিত্রে রুপান্তরিত করা যায় না।

    ইন্টারনেটে বিভিন্ন ছবি এবং ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবির অধিকাংশই রাস্টার গ্রাফিক্স । এগুলো সাধারনত বিটম্যাপ ফরমেটে থাকে । এক্ষেত্রে বড় সাইজের ছবির জন্য বেশি মেমরীর প্রয়োজন হয় । উদাহরনসরূপঃ ৬৪০x ৪৮০ সাইজের ছবির জন্য ৩০৭২০০ পিক্সেল ছবির প্রয়োজন হয়। আবার ৬.৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ক্ষেত্রে ৩০৭২x২০৪৮ সাইজের ছবির জন্য ৬২৯১৪৫৬ পিক্সেলের প্রয়োজন হয়।

     

    ভেক্টর ইমেজ এবং রাস্টার ইমেজের মধ্যে পার্থক্যঃ

    ভেক্টর কতগুলো বিন্দুর সমন্নয়ে গঠিত।রাষ্টার ইমেজ পিক্সেল এর সমন্নয়ে গঠিত হয়। কিন্তু তার পিক্সেল এর মধ্যে অসখ্য ফাকা জায়গা থাকে। কিন্তু ভেক্টর ইমেজের পিক্সেলের মধ্যে ফাঁকা জায়গা পুরন করে দেয়। ফলে ইমেজ কে যত জুম করুন না কেন তা ফেটে যায় না। কিন্তু রাষ্টার ইমেজে আপনি যত বেশি পিক্সেল দেন না কেন, তা একটি নিদিষ্ট পর্যায়ে গিয়ে ফেটে যাবে।

     

    পিক্সেল (Pixel)

    পিক্সেল বলতে কোন গ্রাফিক ছবির ক্ষুদ্রতম অংশ বা বিন্দুকে বোঝায়। এটি ছবির ক্ষুদ্রতম একক যার অভ্যন্তরে আর কোন ভগ্নাংশ নেই; অর্থাৎ পিক্সেল ছবির অতি ক্ষুদ্র অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। প্রত্যেক পিক্সেলের নিজস্ব অবস্থান বা খুঁজে পাওয়ার ঠিকানা রয়েছে বলা যায়। কারণ পিক্সেলের অবস্থান নির্দিষ্ট স্থানাংকের সাথে সম্পর্কযুক্ত।পিক্সেল সাধারণত দ্বি-মাত্রিক তলে সাজানো থাকে এবং ডট বা চারকোণা আকৃ্তির হয় যার প্রতিটি অবস্থানের আলাদা স্থানাংক থাকে। প্রত্যেক পিক্সেল মূল ছবির একটি নমুনা। পিক্সেল যত ছোট হয় তা তত বেশি নির্ভূলভাবে একটি ছবির প্রতিনিধিত্ব করে। যেমন -আমরা বলি ৫০০*৫০০ পিক্সেল । এর মানে হল ইমেজ টির ৫০০ পিক্সেল লম্বা আর ৫০০ পিক্সেল চওড়া । গ্রাফিক কার্ড এর মাধ্যমে জুম করে দেখলে  ইমেজ এর পিক্সেল কে দেখা যায় ।

     

    রেজুলেশন (Resolation)

    রেজুলেশন হল ইমেজ এর প্রতি ইঞ্চিতে পিক্সেলের সংখ্যা । অর্থাত মনিটরের পর্দায় হরাইজন্টাল ও ভার্টিক্যাল বরাবর মোট পিক্সেলের সংখ্যাকে রেজোলুশন বলে। প্রকৃত পক্ষে মনিটরের অনুভূমিক ও উল্লম্ব বরাবর পিক্সেলের সংখ্যাই রেজোলুশনের পরিমাপ। কম্পিউটার গ্রাফিক্স এর জন্য High Resolation মানে  high Quality ইমেজ নয় । যেটি  গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো পিক্সেলে ইমেজ টির মোট সাইজ । যেমন আমরা বলি মনিটরের রেজিউলেশন ১০২৪*৭৬৮ । এর মানে হলো যে, মনিটরের height 1024 pixel  আর  width 768 pixel

     

    কমার্শিয়াল প্রিন্টিংয়ের মাপ অনুযায়ী বিভিন্ন রকম রেজুলেশন:

    (১) পিপিআই (ppi) পিক্সেল পার ইঞ্চি।
    (২) ডিপিআই (dpi) ডটস পার ইঞ্চি।
    (৩) এলপিআই (lpi) লাইনস পার ইঞ্চি।

    ওয়েবসাইটের জন্য সঠিক রেজুলেশন

    প্রিন্টি কাজের জন্য সঠিক রেজুলেশন

    ৭২ ডট পার ইঞ্চি

    ৩০০ ডট পার ইঞ্চি

    উল্লেখ্য যে, ৩০০ পিস্কেল পার ইঞ্চির একটি রেজুলেশন ছোট পিক্সেল প্রডিউস করবে। আর ৭২ পিক্সেল পার ইঞ্চি বড় পিক্সেল প্রডিউস করবে।

     

    প্রিন্ট সাইজ অনুযায়ি সবচেয়ে ভাল রেজুলেশনঃ

    * ছোট প্রিন্ট কাছ থেকে দেখা হয়। আর তাই ছোট মাপের ছবির রেজুলেমন বেশী হোয়াই উচি‍‍‌‌‍ৎ।
    * বড় প্রিন্ট সাধারণত কিছুটা দুর থেকে দেখা হয়, তাই ভাল বড় ছবির জন্য রেজুলেমন মধ্যম মানের হলেই চলে।
    * র্থাৎ প্রিন্ট সাইজ যত বড় হবে, রেজুলেশন ততটাই কম প্রয়োজন হবে।

    ছবি: ১২০x৯০ ইঞ্চি রেজুলেশন : ২০ (সঠিক রেজুলেশন)
    ছবি :১২০x৯০ ইঞ্চি রেজুলেশন : ১০০ (অপ্রয়োজনীয় রেজুলেশন)

     

    বিলবোর্ডে ছবির রেজুলেশন

    একটি বিল বোর্ড সাইজের ছবির রেজুলেশন হয় ১০ থেকে ২০ পিপিআই। কারণ, যে ব্যাক্তি ছবিটি দেখবে সে অনেক দুর থেকে তা দেখবে।

     

    ছোট ছবি বড় করতে চাইলে সঠিক রেজুলেশন

    একটি ছোট ছবিকে বড় করতে প্রথমে এটিকে ৩০০ ডিপিআই এ প্রিন্ট করুন। এবার ছবিটিকে ৬০০ ডিপিআই এ স্ক্যান করুন। এটি বড় রেজুলেশনে সেভ হবে। এবার ইমেজ >ইমেজ সাইজে >ইমেজটিকে রিস্যামপল করুন এবং ডিপিআই পরিবর্তন করে ৬০০ থেকে ৩০০ তে আনুন। ছবিটি বড় হয়ে যাবে এবং এটি হাই কোয়ালিটির ছবি হিসেবে সেভ হবে।

     

    কম্পিউটার ডিসপ্লে বা মনিটরের জন্য

    কম রেজুলেশনের ছবি সাধারণত ডিজাইন করা হয় কম্পিউটার ডিসপ্লে বা মনিটরের জন্য এটি সবচেয়ে ভাল বোঝান যায় পিক্সেল ডাইমেনশনে যেমন- ৬৪০ পিক্সেল ওয়াইড ৪৮০ পিক্সেল

     

    ইন্কজেট প্রেন্টারের জন্য রেজুলেশন
    * ইঙ্কজেট প্রিন্টার সাধারণত ১৮০ থেকে ৩৬০ পিপিআই রেজুলেশনে ভাল কাজ করে যেমন- ১৮০ পিপিআই x১০ ইঞ্চিতে

     

    অফসেট প্রিন্টারের জন্য রেজুলেশন
    * অফসেট প্রিন্টিং স্ট্যান্ডার্ড হলো ৩০০ পিপিআই

     

    নিউজ পেপার প্রিন্টে
    * নিউজ পেপার প্রিন্ট সাধারণত ৮৫ এলপিআই রেজুলেশনে করা হয় এতে ছবির সব চেয়ে ভাল রেজুলেশন হয় ১৭০ পিপিআই


     

    সূত্রঃ বই, ওয়েব, সংকলঃ জিয়া, আপলোডঃ ২৩/০৫/১৭

     

  5. পঙ্গু মানবতা_____

    . মির্জা তানিয়া .

    আজকের লেখায় কিছু শব্দযোগে মানবিক সমাজের এক অমানবিক করুণ দৃশ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। যেখানে মানবতার 'ম' শব্দটিও খুঁজে পাওয়া মুশকিল ! এটা সাজানো কোন গল্প বা গল্পের দৃশ্য নয় যে মনের রং তুলি দিয়ে দৃশ্যায়িত করা হয়েছে। এটা সমাজের এমন একটি চিত্র বা দৃশ্য যা আমি আপনি আমাদের চোখের সামনে প্রতিনিয়ত জীবন্ত ছটফট করছে ! যেটা দেখার সময়, সুযোগ কোনটাই আমাদের নেই অথবা আমরা নিজেরাই দেখতে চাই না।

    যেমন আমরা ফুটপাত ধরে হাঁটছি। ব্যস্ত শহরে কেউ কারো দিকে অপ্রয়োজনে মূল্যবান দৃষ্টি বুলাই না। সাঁই করে একজন আরেকজনকে ক্রস করে যাচ্ছে বা যাচ্ছি ! কতটা আপডেট,কতটা স্মার্ট জাতি আমরা ভাবতেই অবাক লাগে।
    অবশ্য আমিও এমনি করেই হাঁটছি আর হাসছি আমাকেও এ্যাডযাস্ট হতে হবে ভেবে..!
    কারণ প্রয়োজন ছাড়া এ সমাজ অতিরিক্ত আদিখ্যেতা পছন্দ করে না।

    নিজের মূল্যবান চোখদুটো অযথা দৃষ্টিপাত করে সস্তা না করে আপন মনে হাঁটছি ! কিন্তু একটি করুণ সুর আমার লোক দেখানো ভাবমূর্তি ভেঙে দিলো ! কেউ একজন অস্থির হয়ে খুব করুণ সুরে আল্লাহ্কে ডাকছে !
    এটা শুধুমাত্র কোন ভিক্ষাবৃত্তির ডাক নয় এটা ক্ষুধার আর্তনাদ ! 
    এটা কোন ক্ষুধার্ত অসহায় মানুষের ঠোঁটের আগায় কোনরকম জান আটকে থাকা যন্ত্রনাদায়ক কষ্টের একটি ডাক !
    ভালো করে তাঁকিয়ে দেখি ফুটপাতে মানুষের পাঁয়ের কাছে একটি সুঠাম দেহ পড়ে শুধু আল্লাহকে ডাকছে ! যার দুটি পাঁ ই নেই ! তার অসহায় চোখদুটি গড়িয়ে দরদর করে জল ঝরছে আর করুণ সুরে চোখ বুঝে আল্লাহ্কে ডাকছে ।

    এই ভর দুপুরে কত মানুষ লোকটির পাশ কাটিয়ে হেঁটে যাচ্ছে, কানে হেডফোন লাগিয়ে হাঁটছে ,আবার কেউ খেতে খেতেই হাঁটছে ! কখনও অবশিষ্ট খাবারটা ফেলে দিচ্ছে ! কিন্তু এই মানুষগুলোকে কেউ যেন চোখেই দেখছে না, ভুল বসত চোখ পড়লেও দ্রুত চোখ সরিয়ে নিচ্ছে !
    আর এরা ভর দুপুরে ক্ষুধার জ্বালায় ডানে বাঁয়ে তাঁকাচ্ছে ....কেউ যদি একটু খাবার খেতে দেয় অথবা ক'টি টাকা দেয় যাতে কিছু খেয়ে বাঁচা যাবে !
    অথচ আমরা কত টাকা কত খাবার প্রতিনিয়ত অযথা নষ্ট করি ! এদেরকে তবু দেই না।

    এদের পাশ কাটিয়ে হন হন করে হেঁটে যাই ! কিন্তু ব্যস্ত সময় থেকে এক মিনিট বের করে একটু খাবার‌ ক্ষুধার্তের হাতে তুলে দেই না খাবার জন্য !
    মাত্র দশ/বিশটি টাকা হাতে দিয়েও বলিনা , চাচা দোয়া করবেন !
    কতটা আজব প্রাণী আমরা ! সানগ্লাসে আবদ্ধ আমাদের দৃষ্টিতে দূর দূরান্তের তরুণ তরুণী ঠিকই দৃষ্টিগোচর হয় ! অথচ এসব ক্ষুধার্তের অশ্রুসিক্ত টলমল চোখ কখনও দৃষ্টিগোচর হয় না ! 
    পাষাণ প্রাচীরে বেষ্টিত আমাদের উন্নত হৃদয় এদের জন্য কখনও কাঁদেনা !
    কানে হেডফোন লাগিয়ে মিউজিকের তালে পাঁ ফেলি , কিন্তু এদের হৃদয়বিদারক কষ্টের আহাজারি উন্নত মিউজিক ভেদ করে কখনও কানেই পৌঁছায় না !

    আবার,

    এ শহরে বিলাসবহুল গাড়ি চড়ে বিলাসী মানুষ ঘুরে বেড়ায় , ইচ্ছে বা প্রয়োজনে গাড়ি থেকে নেমে শপিংমল বা নামীদামী রেস্টুরেন্টে ঢুকে যায়... কখনও পার্কে প্রকৃতিবিলাসে যায় , কানে সেই হেডফোন নামক যন্ত্র আর হাতে কুত্তার মানে কুকুরের বেল্ট ! 
    নিজে খাচ্ছে , কুত্তারে মানে কুকুরকেও খাওয়াচ্ছে !
    আবার ঘরে ফেরার পথে তাহার জন্য মানে কুকুরের জন্য বিদেশী খাবার , দামী খাবার কিনে নিয়ে যাচ্ছে ! অথচ আমার জাত ভাই ( মানব জাতি ) ক্ষুধার কষ্টে কাঁতরায় , ডাস্টবিনের ময়লার পাশে পড়ে ছটফট করে , অথবা বিপদে পড়ে একটু সাহায্যের জন্য হাত বাড়ায় ! সভ্য সামাজিক মানুষ এসব করুণ দৃশ্য না দেখার ভান করে বিরক্ত হয়ে দম্ভ অহংকারের সাথে এড়িয়ে যায় বা অবজ্ঞা করে !!!
    অথচ সে সভ্য মানুষ কুকুরকে জাত ভাইয়ের থেকেও কতটা মূল্যায়ন করে আদর যত্ন করে !

    কিন্ত আল্লাহ্ কুকুরকে ইবলিস শয়তানের থু থু দিয়ে তৈরী করেছেন। আর মানুষকে করেছেন সৃষ্টির সেরা ! সব থেকে সম্মানীত।
    জীব জন্তু সব কিছুর প্রতি দয়া আবশ্যক। তবে উন্নত জীব হয়ে নিজের জাত ভাইকে অবহেলা করে , উপেক্ষা  করে নিজেদের সেরা জাতি উন্নত জাতি প্রমান করা যায় ?
    বিষয়টা কতটা হাস্যকর লাগে তাই না ! আমরা নিজেদেরকে যতটা উন্নত সভ্য মনে করি আসলে কি আমরা উন্নত সভ্য জাতি ?
    মাঝে মাঝে নিজেদেরকে ঐ পোষা প্রাণীর থেকেও অধম লাগে আজব প্রাণী মনে হয় ! 
    সত্যিই কি অদ্ভূত আমরা ! কতটা নির্দয় , মাঝে মাঝে কতটা হিংস্র আমরা !

    আল্লাহ্ প্রদত্ত উন্নত বিবেক বুদ্ধি থাকতেও কখনও কখনও নগন্য প্রাণীর থেকেও নগন্য আমরা !
    একটু ভেবে দেখুন, আপনি সমাজের এসব অবহেলিত অসহায় মানুষদের ঘৃঁণা করে, অবজ্ঞা করে ডিঙিয়ে হনহন করে হেঁটে যাচ্ছেন ,
    একটু অসাবধানতায় বা অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনায় এমনটি আপনার সাথেও  হতে পারে! অসম্ভব কিছু না।
    আসলে পঙ্গু শুধু সুঠাম দেহ না , বরং পঙ্গু আজ মানবতাও !
    আমরা যতোই শিক্ষিত , উন্নত হচ্ছি ততোই বিবেক বুদ্ধিহীন হয়ে যাচ্ছি।

    অমানবিক আমরা কখনও কখনও মানুষকে মানুষ নয় রাস্তার আবর্জনা মনে করি। আবার কখনও পশুপ্রেমী আমরা পোষা প্রাণীকে নিজের পাশে বসিয়ে চকচকে গাড়ি ড্রাইভ করি , চোখে সেই রঙিন চশমা আর কানে উন্নত যন্ত্র অথবা লাউডলী গাড়িতে মিউজিক বাজিয়ে ড্রাইভ করছি !
    যেখানে বাহিরের কোন কাঁতর কন্ঠের ক্ষীন আওয়াজ আদৌ পৌঁছানো সম্ভব নয়......।

    এ ছিলো পঙ্গু মানবতার শুধু একটি বিষয় বা দৃশ্য মাত্র।

    আসুননা ! আপনি আমি আমরা যুব সমাজ মন গড়া সভ্যতা থেকে একটু আলাদা হই ! আমরাই না হয় প্রথম ঐ সভ্য সমাজকে লজ্জা দেই, চোখে আঙুল দিয়ে শিখিয়ে দেই মানবতা বোধ।( যদিও মানবতা এখনও শেষ হয়ে যায়নি...... )

    শুভকামনা_____ :)

  6. হার্ড ডিস্ক (এইচডিডি), হার্ড ডিস্ক, হার্ড ড্রাইভ বা ফিক্সড ড্রাইভ

    হার্ড ডিস্ক (এইচডিডি), হার্ড ডিস্ক, হার্ড ড্রাইভ বা ফিক্সড ড্রাইভ হলো ডাটা সংরক্ষণের যন্ত্র যা তথ্য জমা এবং পরবর্তী সময়ে পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয় হার্ড ডিস্কে সমকেন্দ্রিক একাধিক চাকতি থাকে একে প্লেটারস বলে এগুলো চৌম্বকীয় ধাতু দিয়ে আচ্ছাদিত থাকে প্লেটারসগুলো চৌম্বকীয় হেডস বা মাথার সাথে জোড়া দেয়া থাকে এগুলোর সাথে আর একটি সক্রিয় একচুয়েটর আর্ম বা হাত থাকে এই একচুয়েটর হাত প্লেটারগুলোর উপরিভাগ থেকে তথ্য পড়তে এবং তথ্য জমা করতে ব্যবহৃত হয়[] ডাটাগুলো ড্রাইভে স্থানান্তরিত হয় ্যানডম-একসেস প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে এর মানে হল ডাটা যখন ড্রাইভে রাখা হয় এগুলো পর পর সাজানো হয় না বরং যেকোন খালি জায়গায় ডাটা জমা করা হয় হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ কম্পিউটার বন্ধ করার পরও ডাটা সংরক্ষন করে রাখে

    পেন ড্রাইভ

     ট্রেক টেকনোলজি এবং আইবিএম সর্বপ্রথম ইউ এস বি ফ্লাশ ড্রাইভ বাজারে ছাড়ে ২০০০ সালে ট্রেক টেকনোলজি একটি সিংগাপুরের কম্পানি ট্রেক টেকনোলজি কর্তৃক প্রথম বাজারজাতকৃত ব্র্যান্ডের নামথাম্বড্রাইভ আইবিএম কর্তৃক বাজারজাতকৃত প্রথম ফ্লাশ ড্রাইভের নাম ছিলডিস্কঅনকি এটি একটি ইসরাইলি কম্পানি এম-সিস্টেমস কর্তৃক উদ্ভাবিত উত্তর আমেরিকায় ইউ এস বি ফ্লাশ ড্রাইভ লভ্য হয় ২০০০ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রথমডিস্কঅনকিএর ধারণক্ষমতা ছিল মেগা বাইট ট্রেক টেকনোলজি এবং নেটাক টেকনোলজি উভয় কম্পানি তাদের কৃতিস্বত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করে যুক্তরাজ্যের একটি আদালত ট্রেক টেকনোলজির কৃতিস্বত্ব বাতিল করে

    ফিশন ইলেক্ট্রনিক্স কর্পোরেশন সর্বপ্রথম বিচ্ছিন্নকরণযোগ্য ইউ এস বি ফ্লাশ ড্রাইভ তৈরী করে এবং পেন ড্রাইভ নাম প্রচলন করে। আধুনিক ফ্লাশ ড্রাইভে ইউ এস বি . সংযোগ থাকে। ইউ এস বি . সংযোগের সর্বোচ্চ ডাটা স্থানান্তর গতি ৬০ মেগা বাইট/সেকেন্ড। কিন্ত নান্ড ফ্লাশের কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে ফ্লাশ ড্রাইভগুলো এত গতিময় নয়। তবে অধিকাংশ ফ্লাশ ড্রাইভের ডাটা পড়ার গতি ২০ মেগা বাইট/সেকেন্ড, এবং ডাটা লিখার গতি ১০ মেগা বাইট/সেকেন্ড

  7. গ বা সাইট এর ভিজিটর বাড়ানোর জন্য এস.ই.ও. (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন) খুবই গুরুত্বপূর্ণ যার কারনে অনেক নতুন ব্লগাররাই ব্লগিং এ সফল হতে পারেন না। এস.ই.ও. কে মুলত দুইটা ভাগে ভাগ করা হয়েছে, অন-পেজ এস.ই.ও. এবং অফ-পেজ এস.ই.ও.। আপনার ব্লগের পরিপূর্ণ এস.ই.ও. এর জন্য দুইটাই খুবই গুরুত্ব বহন করে। যদি একটি ভালো-ভাবে করেন আর অন্যটি না করেন তাহলে আপনে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভালো ভিজিটর পাবেন না।

    Off Page SEO Techniques

    ১. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করুন

    সার্চ ইঞ্জিন থেকে অনেক পরিমান ট্রাফিক এবং ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। জনপ্রিয় কিছু সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, পিন্টারেস্ট ইত্যাদি সাইটগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই অনেক রেফারেল ট্রাফিক পাওয়া যায়। আপনি শুধু মাত্র এই সাইটগুলাতে ভালোভাবে প্রোফাইল তৈরী করুন এবং আপনার প্রোফাইলকে ভালোভাবে সাজান। অন্যান্য ব্লগারদের সাথে যুক্ত হোন এবং তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন। তাদের মতামত জানার চেষ্টা করুন। প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগ এর নতুন নতুন পোষ্ট এর লিঙ্কগুলো শেয়ার করুন।

    ২. ব্লগ কমেন্টিং

    মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক এবং সেই সাথে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য ব্লগ কমেন্টিং একটি কার্যকর উপায়। আপনি খুব সহজেই ব্লগ কমেন্টিং এর মাধ্যমে অনেক মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক করতে পারবেন যা আপনার ব্লগ এর কীওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করতে অনেক সাহায্যে করবে। সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ এর সিমিলার কিছু ব্লগ খুঁজে বের করুন যাদের পেজ র‍্যাঙ্ক, এলেক্সা রেঙ্ক, ডোমেইন অথরিটি ভালো; তারপর নিয়মিত সেই ব্লগ গুলাতে কমেন্ট করুন। মনে রাখবেন, কমেন্ট করার সময় স্পাম করবেন না, সবসময় গঠনমূলক কমেন্ট করবেন, তাহলেই আপনার কমেন্ট এপ্রুভ হবে।

    ৩. ডিরেক্টরি সাবমিশন

    আপনার ব্লগ এর কীওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য এবং মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য ডিরেক্টরি সাবমিশন এখনো অনেক গুরুত্ব বহন করে। ডিরেক্টরি সাবমিট করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে ডিরেক্টরি গুলার এলেক্সা র‍্যাঙ্ক, পেজ র‍্যাঙ্ক এবং ডোমেইন অথরিটি যাতে ভালো হয় (ডোমেইন অথরিটি যাতে ২০ এর কম না হয়)। যদি সম্ভব হয় তাহলে প্রতিটা ডিরেক্টরি এর জন্য ভিন্ন-ভিন্ন মেটা-ডিসক্রিপসন, মেটা কীওয়ার্ড আর ডিসক্রিপশন ব্যবহার করবেন। তাহলে খুব তাড়াতাড়ি আপনার লিঙ্ক এপ্রুভ হবে এবং সার্চ ইঞ্জিন থেকে দ্রুত ভালো ভিজিটর পাবেন।

    ৪. সোশ্যাল বুকমার্কিং

    ব্লগে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল বুকমার্কিং আরেকটি জনপ্রিয় উপায়। এর মাধ্যমে খুব সহজে এবং দ্রুত আপনে কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক পাবেন এবং সাথে সাথে আপনি অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন। ভালোমানের কিছু সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইট এর রেজিস্ট্রেশন করুন এবং সম্ভব হলে আপনার ব্লগ এর প্রতিটা পোষ্ট শেয়ার করুন।

    ৫. ফোরাম পোষ্টিং

    ফোরাম পোষ্টিং একটি পুরাতন অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা এখনো অনেক জনপ্রিয়। ফোরাম পোষ্ট এবং সিগনেচার থেকে খুব সহজেই ব্যাকলিঙ্ক পাওয়া যায় যা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়াতে সাহায্য করে। অনেকেই বলে সিগনেচার লিঙ্ক স্পাম হিসেবে গণ্য করা হয়, কিন্তু আপনি যদি গঠনমূলক পোষ্ট এবং ফোরামে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন তাহলে সিগনেচার লিঙ্ক স্পাম হিসেবে ধরা হয় না।

    ৬. আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাবমিশন

    আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাবমিশন ও একটি পুরাতন টেকনিক, এটি যদি আপনি ঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে এখনো ভালো কাজে দেয়। আর্টিকেল সাবমিশন এর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক এবং অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন।

    ৭. গেষ্ট পোষ্টিং

    গেষ্ট পোষ্টিং নতুনদের জন্য কিছুটা কঠিন হলেও একটি অনেক কার্যকরী একটি উপায়। এই সাহায্যে অনেক ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক এবং সেই সাথে অনেক রেফারেল ভিজিটর পাওয়া যায়। গেষ্ট পোষ্টিং এর সময় অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনে যে ব্লগে গেষ্ট পোষ্ট করবেন সেই ব্লগ যাতে আপনার ব্লগ নিচে এর অনুরূপ হয়।

    ৮. আর.এস.এস. ফিড ডিরেক্টরি সাবমিশন

    আর.এস.এস. ফিড ডিরেক্টরি ভালোমানের ব্যাকলিঙ্ক এর জন্য ভালো একটি উৎস। সার্চ ইঞ্জিন এর সাহায্যে ভালো পেজ র‍্যাঙ্ক এবং এলেক্সা র‍্যাঙ্ক এর কিছু ফিড ডিরেক্টরি খুঁজে বের করুন তারপর সেই ডিরেক্টরিগুলোতে আপনার ব্লগ এর ফিড লিঙ্ক অথবা ব্লগ লিঙ্ক সাবমিট করুন। আপনার ব্লগে যখন নতুন পোষ্ট প্রকাশ করবেন তখন ফিড ডিরেক্টরি সয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পোষ্ট তাদের ডিরেক্টরিতে প্রকাশ করবে।

    ৯. লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ

    লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ আরেকটি পুরাতন অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা এখনো কার্যকরি যদি আপনি ঠিকমত করতে পারেন। কিছু থার্ড-পার্টি সাইট আছে যেগুলার সাহায্যে আপনি অন্যান্য ব্লগ/সাইট এর সাথে লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন। লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ এর সময় মনে রাখবেন, আপনে যেই সাইট/ব্লগ এর সাথে লিঙ্ক একচেঞ্জ করতেছেন সেটা যাতে আপনার ব্লগ এর সিমিলার হয়।

    ১০. ভিডিও মার্কেটিং

     

    ভিডিও মার্কেটিং বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা দিয়ে সহজেই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানো সম্ভব। আপনার ব্লগ রিলেটেড কিছু ভিডিও তৈরি করুন তারপর সেইগুলা ইউটিউভ, ভিমো বা অন্যান্য ভিডিও শেয়ারিং সাইট এ পাবলিশ করুন। এতে করে আপনে মান-সম্মত ব্যাকলিঙ্ক ও পাবেন সাথে সাথে রেফারেল ভিজিটর ও পাবেন।

    আজ এ পর্যন্তই। some blog bd

  8. Traffic Hurricane বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় PTC সাইট থেকে আয় করুণ।

     
     
    https://traffichurricane.plus/?ref=sahadatkabir
     

    আমি আবির হাসান

    সবাই কেমন আছেন আসা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আমি যে সাইটটির কথা আলোচনা করব তা হলো traffic hurricane এই সাইট থেকে আপনি যত খুশি ডলার আয় করতে পারেন এর জন্য আপনাকে কোনো নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হবে না।

     

                  AAEAAQAAAAAAAAb6AAAAJGYxODVkMzkzLTY1YTEtNGFkNS05YzkyLTk0YzAwMThhNDIyZg.jpg
     
    আজ আমি এখানে ধারাবায়িক ভাবে কাজ করার নিয়মটা বলে দেব এই নিয়মে কাজ করলে আপনি প্রথম দিন থেকেই
    ভাল আয় করতে পারবেন। কিন্তু আপনাকে আয় বাড়ানোর জন্য অবশ্যই নতুন নতুন মেম্বার আপনার রেফারেন্স জয়েন করাতে হবে।
     
    কাজের ধাপঃ
     
    1. সঠিকভাবে একাউন্ট তৈরি করা।
    2. সব এড সময় মতো দেখা।
    3. ১০টি surf এড নিয়মিত দেখা।
    4. রেফারেল বানানো।
    5. ডলার কেস আউট করা।
     
    এই সাইটে কাজ করতে আপনার যা যা প্রয়োজন হবেঃ
     
    1. একটি কম্পিউটার অথবা লেপটপ অথবা একটি স্মার্ট ফোন।
    2. ইন্টারনেট কানেকশন।
    3. একটি ইমেইল একাউন্ট।
    4. পেইজা অথবা পেপালের একটি একাউন্ট।
     
    1. সঠিকভাবে একাউন্ট তৈরি করাঃ প্রথমে আপনাকে সাইটটিতে রেজিস্টার করতে হবে। রেজিস্টোর করতে
    2.  traffic hurricane-এই  লিংখে ক্লিক করুনএখানে ক্লিক করুন 
    3.  অথবা এই ছবিতে ক্লিক করুন
      https://traffichurricane.plus/?ref=sahadatkabir
    4. এবার সাইটের হোম পেইজটি আসবে এখান থেকে Create Account/Signup-এ ক্লিক করে নিচের তথ্যগলো সঠিক ভাবে দিয়ে আপনার একাউন্টটি তৈরি করুন।
     
    Picture133.jpg
     
     
    1. First Name : or Last Name : (এখানে আপনার নাম দিন),জন্ম তারিখ দিন।
    2. Email Address (আপনার ইমেইল দিন। এই একাউন্টে আপনার একাউন্টের সকল তথ্য দেওযা হবে)
    3. Retype E-mail: (একই ইমেইল একাউন্ট আবার দিন।)
    4. Address:(নিজের ঠিকানা দিন )City:(জেলা শহরের নাম দিন)State(এখানেও জেলা শহরের নাম দিন)
    5. Country: (দেশের নাম দিন)  Postal Code: নিজের পোস্ট কোড দিন) 
    6. Phone: (এখানে আপনার মোবাইল নম্বার দিন)অবশ্যই আপনি সবসময় যে নাম্বার ব্যবহার করেন সেই নাম্বার দিবেন
    7. Enter Username: (এখানে একটি ইউজার নেইম নির্বাচন করুন। এর মধ্যে কোনো স্পেইস হবে না)
    8. Define Password (Letters and Numbers): or Retype Password: (এখানে আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড দিন।)
    9.  Define Withdrawal Password & Retype Withdrawal Password :(এমন Password দিন যা Cashout করার সময় প্রয়োজন হবে,
    10. Setup a Withdraw Code: or Retype Code: (এখানে চার ডিজিটের বেশি একটি পিন নম্বার দিন। ডলার কেস আউট করার সময় এই পিন দিতে হবে)
    11.  
    12. Payment Information: (এখানে যদি আপনার এতিমধ্যে পেইজা অথবা ‍সলিটসার্স্টে একাউন্ট থাকে তাহলে দিয়ে দিন। আর কোনটাতে একনউন্ট না থাকলে আপনার একাউন্টের ইমেল দুইটিতেই দিয়ে দিন।
    13. Security Questions : (এখানে যা দিবেন তা মনে রাখতে হবে)

    14. এবার I understand and fully agree to traffic hurricane Terms and Conditions Including that any purchase of service is non-refundable.(এর বাম পাশে ঠিক চিহ্ন মার্কদিন)  এরপর কেপচা পূরণ করে Proceed এ ক্লিক করুন।
    (এবার আপনি একটি সমস্যা দেখতে পারেন যে, সাইট আপনাকে বলবে আপনার আইপি দিয়ে ইতিমধ্যে একটি একাউন্ট খুলা হয়েগিয়েছে। এখন আপনি কি করবেন। আমি বলে দিচ্ছি, আপনি আপনার মডেমটি ডিকানেক্ট করে আবার কানেক্ট করুন। মডেম অথবা সিমে প্রতি ডাকা কানেকশনে IP Address পরিবর্তন হয়। তও আপনি একটা নতুন IP নিন। এবার Setup a Withdraw Code:, Retype Code:, Define Password (Letters and Numbers): এবং Retype Password: গুলো আবার আগের মত দিয়ে Proceed এ ক্লিক করুন। যদি আবারও না হয় তাহলে এভাবে দুই তিনবার চেষ্টা করার পরই একাউন্ট সফলভাভে তৈরি হয়ে যাবে) 
      এবার আপনাকে আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে। ভেরিফাই করতে আপনার ইমেইল একাউন্ট চেক করুন। traffic hurricane থেকে আপনাকে একটি ইমেল দেওয়া হবে। ইমেইলে আপনার একউন্টের তথ্যসহ আপনার একাউন্টের একটি একটিবিশন লিংক দেওয়া হবে। লিংকটিতে ক্লিক করে আপনার একাউন্টে পাসওয়ার্ড দিয়ে Active! এ ক্লিক করে আপনার একাউন্ট একটিব করুন। Active এ ক্লিক করার পর অটোমেটিক আপনার একাউন্টে লগিন হবে। এবার Edit Profile-এ গিয়ে আপনার Profile কম্পিলিট করুন। এবার লগ আউট করে আবার লগিং করুন। দেখবেন আপনার একাউন্টে নিয়মিত এডগুলা চলে এসেছে। সবগুলো দেখুন আর আপনার রেফারেল লিংটি সংগ্রহ করুন।
     
    1. সব এডসময় মতো দেখাঃ একাউন্ট তৈরি করার পর আপনার কাজ হল পতিদিন নিয়মিত এডগুলো দেখা। এড দেখতে একাউন্টে লগিং করুন। [একাউন্টে লগিং করার সময়ও IP সমস্যা হবে। সমস্যা হলে একই নিয়মে মডেম ডিসকানেক্ট করে আবার কানেক্ট করে লগিং করুন।]লগিং করে কিছু এড পাবেন এড বেলু 0.001, 0.005, 0.01 0.02 হয় প্রতিদিন এই সাইট তিনবার এড দেয় তিনবারে 40-50 টি এড দেয়। প্রতিদিন নিয়মিত এডগুলো দেখুন। প্রতিদিন ভোর ৬ টার পর প্রথম এড দেয় তারপর সকাল ১০টার পর আবার এড আসে কিন্তু আপনি যদি ভোরের এডগুলো না দেখেন তাহলে আপনি ১০ টার পর আর ভোরের এড গুলো পাবেন না বিকাল ১২টার পর কখনও কখনও এড আসে। 
    2.  
    3a9ef-trms2bcash2blinks.jpg
    এড দেখার নিয়মঃ ‍সাইটে লগিন করার পর আপনি কিছু এড পাবেন আপনাকে শুদু Claim ক্লিক করতে হবে। Claim এ ক্লিক করলে একটি নতুন সাইট আসবে উপরে traffic hurricane এর বডার তাকবে। বডারের ভিতরেই আপনার কাজ। দেখবেন একটি Loading process আসেব Loading process শেষ হয়ে একটি কেপচা আসবে পাশে একটি খালি বক্স আসবে এখানি শুধু আপনাকে কেপচাটা দিয়ে Credit click এ ক্লিক করতে হবে। তাপর Back to account এ ক্লিক করে আবার আপনার একউন্টে চয়ে আসুন। একবার পরবর্তী এডটা দেখেন এই ভাবে সব এডগুলো নিয়মিত দেখেতে হবে।
     
    rrrrr.jpg
    1. রেফারেলবানানোঃ এই সাইটের সবচেয়ে ভাল দিক হচ্ছে ১০০% রেফারেল কমিশন। আপনি যেভাবে ১০-২০ সেন্ট প্র্রতিদিন পাবেন টিক একই ভাবে আপনার রেফারেল যদি নিয়মিত কাজ করে তাহলে আপনার রেফারেল থেকে আপনি আরও ১০-২০ পাবেন প্রতিদিন। তাহলে আপনার যদি ১ জন রেফারেল থাকে তাহলে আপনি প্রতিদিন আয় করতে পারবেন ১০ + ১০ = ২০ সেন্ট। এখন আপনি যত বেশি রেফারেল করতে পারবেন আপনি তত বেশি আয় করতে পারবেন এখন আপনি যদি প্রথম দিনই ২০ জন রেফারের বানাতে পারেন তাহলে আপনার প্রতিদিন আয় হবে, যদি ১০ সেন্টের এড দেয় তাহলে, ১০× ২০ = ২ ডলার + আপনার আয় ১০ সেন্ট মোট ২ডলার ১০ সেন্ট এখন আপনি এইভাবে যত বেশি রেফারেল করতে পারবেন আপনার আয় তত বেশি হবে।
    2. ৫০টি surf এড নিয়মিত দেখাঃ  
      Capture9.JPG
       
    3. আপনি যখন রেফারেল বানাবেন যদি আপনি এই এডগুলো না দেখেন তাহলে আপনার একাউন্টে আপনার রেফারেলের আয় আসবে না। লগিং করার পর সামান্য নিচে Start Surfing বাটনে ক্লিক করলে এই রকম দেখা যাবে এখানে মিলিয়ে ক্লিক করুন।
      rrrrr.jpg
    4. একটি এড দেখে Next-এ ক্লিক করলে আরও একটি এড অপেন হবে এভাব মোট ৫০টি এড দেখবেন। কয়টি এড দেখা হয়েছে তা নিচে দেখা যাবে।
      sdrghseg.png
    5.  Back to Account বাটনে ক্লিক করুন
      Capture132.JPG
      আপনার একাউন্টে চলে আসুন এখন দেখতে পাবেনStart Surfing এরনিচে একটি টাইম শুরু হয়েছে ২৪ ঘন্টার। এই ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার যত রেফারেল যতটি ক্লিক করবে আপনি সবক্লিকের ১০০% কমিশন পাবেন। তাই এই ৫০টি এড দেখা খুব প্রয়োজন।
    6. ডলার কেস আউট করাঃ আপনার একাউন্টে যখন ২ ডলারের বেশ হবে তখন আপনি সাথে সাথে Cashout করতে পারবেন। এই সাইট Cashout করার সাথে সাথে ডলার একাউন্টে টান্সফার করে দেয়।   [যদি আপনার পেইজা, সলিডট্রাস্ট এগুলোতে একাউন্ট না থাকে তাহলে আমার সাথে যোগযোগ করুন]   কাজে যে কোনে সমস্যা সম্পর্কে জানতে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সমস্যা হলে আমার ফেইসবুক আইডিতে বলবেন
    কিভাবে traffic hurricane অ্যাড ক্লিক করে আয় করবেন
     
    traffic hurricane এ একাউন্ট খুলা হয়ে গিয়ে থাকলে আবার আমরা সাইট টি হতে অ্যাড ক্লিক করে আয় করা শিখব। ইতিমধ্যে একাউন্ট না খুলা হয়ে থাকলে পূর্বের অধ্যায় হতে একাউন্ট খুলা শিখে নিতে পারবেন।
    অ্যাড এ ক্লিক করতে প্রথমে 
    traffic hurricane সাইট টিতে গিয়ে আপনার একাউন্ট এ ঢুকতে (Log In) করতে হবে। traffic hurricane এর এড্রেস মনে না থাকলে নিচের লিংক টি ক্লিক করে traffic hurricane এ যান।
     
    traffic hurricane সাইট টিতে যাবার পরে ডান দিকের Log In লেখা টিতে ক্লিক করুন।
     
               trafficmonsoon-member-login-2015-10-30-19-34-22.png

    পরবর্তী স্ক্রীনে একাউন্ট খুলার সময় আপনার দেয়া Username Password দিন। Turing number এ পাশে দেখানো কোড টি হুবুহু টাইপ করুন। তারপর Log In বাটন এ ক্লিক করে আপনার একাউন্ট এ ঢুকুন।
     
    traffic hurricane এ প্রতিবার Log In করার পরে প্রথমে প্রায় ১০ সেকেন্ড একটি অ্যাড দেখাবে। এখানে কোথাও ক্লিক করার প্রয়োজন নেই।
     
     
     
    অ্যাড টি শেষ হলে "Thank you for viewing the site" লেখা দেখাবে। এর পাশে থাকা Back to Dashboard বাটন টিতে ক্লিক করুন।
    Capture6.JPG
    এর পরে নিচের মত একটি স্ক্রিন দেখবেন। এই স্ক্রিন টিকে আমরা Account Dashboard বলবো।
     
     
                lkhhgghj.jpg
    traffic hurricane এ ২ ধরনের ক্লিক করার লিংক রয়েছে। একটি হচ্ছে Cash Link যেটি ক্লিক করলে আয় করা যাবে। অপরটি হচ্ছে Traffic Exchange যেটি ক্লিক করলে আপনি আপনার কোনো লিংক/সাইট এ ভিসিটর পাবেন।
     
     
    এখানে আমরা Cash Link হতে আয় করা শিখব। Traffic Exchange Link ক্লিক করা নিয়ে পরবর্তী অধ্যায় এ আলোচনা হবে।
    Cash Link গুলি সবসময় থাকে না। যখন আপনার ক্লিক করার জন্য Cash Link থাকবে, তখন Account Dashboard এর মাঝের দিকে Click Here to Go to Cash Links লেখা একটি সবুজ বাটন দেখবেন।
     
    Click Here to Go to Cash Links বাটন টিতে ক্লিক করুন।
     
              lkhh.jpg
    Cash Linka পেজ টিতে যেতে নিচের বাটন টিতেও ক্লিক করতে পারেন।
    Cash Link পেজ এ অনেক গুলি Claim বাটন দেখবেন। বাটন গুলির উপরে সেই অ্যাড টি দেখলে কতো আয় করবেন দেয়া আছে। যেকোনো একটি "Claim" বাটন এ ক্লিক করুন।
     
     
              3a9ef-trms2bcash2blinks.jpg
    পরবর্তী পেজ টি  খুলবে যার নিচের দিকে অ্যাড এর পেজ টি লোড হবে এবং উপরের অংশে অ্যাড টি আর কতক্ষণ দেখতে হবে তা দেখাবে। 
     
     
    Capture11.JPG

    অ্যাড দেখতে থাকার সময় অন্য কোনো সাইট এ গেলে অ্যাড টাইমার বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে নিচের Click here to go on watching... লেখাটিতে ক্লিক করুন।

    mjdrhr.jpg
    অ্যাড দেখা শেষ হলে একটি সংখ্যা দেখাবে। সংখ্যা টি পাশের ঘরে হুবুহু টাইপ করুন। এরপর পাশের Credit Click! বাটন টিতে ক্লিক করুন
     
    Capture12.JPG

    সংখ্যা টি ঠিক মত টাইপ করা হলে পরের স্ক্রিন এ "Thank you. Your click has been credited!" লেখা দেখাবে। তার নিচের Back to Account বাটন টিতে ক্লিক করুন।

     
      Capture13.JPG
    এখন আবার পূর্বের Cash Links পেজ টিতে ফিরে যাবেন। সেখানে গিয়ে আরেকটি অ্যাড এ ক্লিক করতে পারবেন।
     
    কিভাবে traffic hurricane হতে আয় বাড়াবেন
     
    পূর্বের অধ্যায় দুটিতে আমরা Traffic Hurricane এ একাউন্ট খুলা এবং ক্লিক করে আয় করা শিখেছি। এখন আমরা আমাদের আয় আরো বাড়ানোর কিছু উপায় দেখবো।
    যেকোনো PTC সাইট এর মত
    Traffic Hurricane হতে আয় বাড়ানোর একটি সহজ উপায় হলো Affiliate. Affiliate এর মাধ্যমে যদি কেউ আপনার Affiliate লিংক অনুসরন করে Traffic Hurricane এ যোগ দেয় তবে আপনি তাদের আয়ের উপর ভিত্তি করে কমিশন পাবেন।
    আপনার Affiliate Link টি পাবার জন্য আপনার Account Overview/My Account পেজ টির নিচের দিকে দেখুন।

    নিচে Your Referral Link এবং Landing Pages লেখার পাশে যেই লিঙ্কগুলি দেখবেন সেগুলিই আপনার Affiliate লিঙ্ক। 
                     Picture2.jpg
     
     
     ৪টি লিঙ্কের যেকোনটিই আপনি ব্যবহার করতে পারেন।
    আপনার এই Affiliate Link টি আপনি আপনার বন্ধুদের দিতে পারেন, Facebook ও অন্যান্য Social Site Share করতে পারেন। তাছাড়া আপনার কোনো ব্লগ বা অন্য সাইট থেকে থাকলে সেখানেও আপনি এই লিঙ্কটি প্রচার করতে পারেন।
     
    মনে রাখবেন: Referral হতে আয় পাবার জন্য প্রতিদিন ৫০ টি Link Exchange অ্যাড এ ক্লিক করতেই হবে। নাহলে আপনি পরবর্তী দিনের affiliate bonus বা রেফারেল হতে আয় পাবেন না।
     
    ফেসবুকে আমি Freelancer Abir
  9. টিউন এর শুরুতেই সবাইকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন।

    অনেক দিন পর টিউন করার মত একটা কিছু পেলাম আশা করি সবার ভালো লাগবে।
    যাই হোক, এবার কাজের কথায় আসি...
    আজকে যে সফটওয়্যার নিয়ে আলোচনা করছি সেটার নাম হলোঃ LIGHT SHOT.

    এটি মুলত Screen Shot নেওয়ার কাজে ব্যাবহার করা হয়।
    Screen Shot নেওয়ার অনেক Soft  আছে, কিন্তু এইটাকে আমার বেস্ট মনে হয়েছে এর Editing Feature গুলোর জন্য।
    লিংকঃ http://www.mediafire.com/file/iu8d57a3gl2px2a/Lightshot+by+Shohag.zip

  10. সম্প্রতি আপওয়ার্ক কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড/সাসপেন্ডেড/হোল্ড হওয়ার প্রবনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে; বোঝাই যাচ্ছে আপওয়ার্ক নিরাপত্তাজনিত কারনে তাদের কন্ট্রাক্টরদের প্রতি আরোপ করা নীতিমালা আগের তুলনায় আরো কঠোরভাবে পালন করছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান আর ফিলিপাইনের বেশ কয়েকজন কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকই ১০০০ ঘন্টারও অধিক কাজ করেছেন। আসলে আপওয়ার্ক এই সাসপেনশন প্রক্রিয়া শুরু করেছিলো প্রায় ৩ বছর আগেই, যখন মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল।

    আপওয়ার্কের এত কঠোরতার কারনঃ

    সম্প্রতি আপওয়ার্ক বাংলাদেশের কয়েকজন হাই প্রোফাইলড কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে। আপওয়ার্ক কোন কারন ছাড়া নিশ্চয়ই এত ভালো কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করবে না। অনেকই দোষ দিচ্ছেন আপওয়ার্ককে, কিন্তু তা ঠিক নয়।অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানে জন্য কন্ট্রাক্টরদের বিহেভিয়ারই বহুলাংশে দায়ী| আপওয়ার্ক টার্মস এন্ড পলিসি সম্পর্কে অজ্ঞতা অথবা ইচ্ছাকৃত অবহেলা-ই অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে| সুতরাং নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়েই ক্ষেত্রবিশেষে তাদের নিবন্ধিত কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড/সাসপেন্ডেড/হোল্ড করে থাকে।

    অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানের কারন ও প্রতিকারঃ

    আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার পেছনে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট কারন রয়েছে| আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের নিম্নোক্ত বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে, ফলে অনাকাঙ্খিত অ্যাকাউন্ট ব্যানিং/সাসপেনশন/হোল্ড্স থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে|
    ক) এক পিসি থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলাঃ একই পিসি বা আইপি থেকে একাধিক আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট তৈরী করা আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট ব্যানড হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। ভেবে দেখুন যারা প্রফেশনাল, তারা নিজের কাজ করে নিজের পিসিতেই এবং প্রফেশনালরা কখনই নিজের স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিজের পিসি থেকে অন্যথা ব্যবহার করবে না।
    আবার নিজের আইপি থেকে অন্য আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্টধারীর অ্যাকাউন্টেও লগ-ইন করা যাবেনা, ক্লায়েন্টের অ্যাকাউন্টেতো (যেকোনো প্রয়োজনে, এমনকি ক্লায়েন্ট চাইলেও) নয়-ই|
    খ) অন্যের প্রোফাইল নকল করাঃ একজন ভালো মানুষ হিসেবে আপনি অবশ্যই অন্য একজন মানুষের কোন জিনিস নকল করতে চাইবেন না। আপনি অন্য কাউকে অনুসরণ করতে পারেন মাত্র, অনুকরণ নয়। কিন্তু হায় অনেক বাংলাদেশি কনট্রাক্টর বড় বড় প্রোফাইলড কনট্রাক্টরদের আপওয়ার্ক প্রোফাইল পুরোপুরি নকল করে ফেলেন। কোন সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরে একই ধরনের কোন উত্তর যখন কোন শিক্ষক পান তখন তিনি নিজেই বুঝে নেন, এখানে কোন ঘাপলা আছে। তেমনি আপনি যখন কোন কনট্রাক্টর-এর প্রোফাইল এ রাখা কনটেন্টগুলো নিজের প্রোফাইলে রাখবেন সেগুলো কোন না কোন সময় কারো না কারো চোখে পড়বে।পাশাপাশি আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিষয়টি সনাক্ত করতে পারে। আর এই রকম পেলে অব্যশই ব্যবস্থা নিবে আপওয়ার্ক।
    গ) পোর্টফোলিও আইটেম চুরিঃ পোর্টফলিও বলতে আমরা বুঝি আগে করা কাজগুলোর আর্কাইভ। আপনি যদি কারো আইটেম চুরি করে নিজের বলে চালিয়ে দেন সেটা ঘৃন্য অপরাধ। অনেক নতুন কনট্রাক্টরদের দেখলাম ভালো মানের আইটেম অন্য কোন কনট্রাক্টর এর প্রোফাইল থেলে চুরি করে নিজেরটায় বসিয়ে দেন। উদাহরণস্বরূপ যখন কেউ আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট খুলে তখন তাকে ১০০ ভাগ প্রোফাইল কমপ্লিট করতে বলা হয়। নতুন কনট্রাক্টরদের প্রোফাইল ১০০ ভাগ পূর্ন করার জন্য অন্যের আইটেম চুরি করতে দেখা যায়। উপদেশ হল এ রকম না করে নিজে কোন ডেমো কাজ করে অন্তত নিজের একটাই দিন। অন্যেরটা দেয়া মানে আপনি কাজ জানেন না, জানলে নিজে না করে চুরি করবেন কেনো?
    ঘ) কাভার লেটার স্পামিংঃ আমাদের মধ্যে এক ধরনের অলসপ্রবণতা কাজ করে; আবার সেটা ইংরেজি ভাষায় দূর্বলতার জন্যও হতে পারে। বলাবাহুল্য, ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর কাজ করতে ইংরেজীতে পারদর্শী হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত প্রজেক্টের চাহিদা বুঝা এবং সে অনুযায়ী ক্লায়েন্টের সাথে সাবলীলভাবে যোগাযোগ করার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট ব্যানড হওয়ার অন্যতম কারণ কাভার লেটার স্প্যামিং, যাকে সোজা বাংলায় কপি-পেস্ট বলে। নিচে এ নিয়ে একটু বিস্তারিত লিখলামঃ
    • প্রত্যেকটা জব পোষ্টে ক্লায়েন্ট যেমন ভিন্ন থাকে তেমন তাদের রিকোয়ারমেন্টও আলাদা থাকে। অনেকে ব্লগে বা অন্য কোথাও পড়ে অথবা নিজেই নির্দিষ্ট একটা কাভার লেটার বানিয়ে রাখেন। মনে মনে ভাবেন বার বার এত কষ্ট করার কি আছে? একটাই দিলাম সব জায়গায়। এটা এক ধরনের মূর্খামি! প্রত্যেকটা প্রশ্নের যেমন আলাদা উত্তর থাকবে তেমনি প্রতিটা জবের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী কাভার লেটারও ভিন্ন হবে।

    • বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আপনি অনেক আইডিয়া পাবেন কাভার লেটার নিয়ে, স্যাম্পলও পাওয়া যাবে। আপনি সেগুলো দেখে ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী নিজেরটা তৈরি করে নিবেন। ভুলেও সেগুলো কপি করে চালিয়ে দিবেন না। কাজতো পাবেনই না বরঞ্চ খারাপ ক্লায়েন্ট হলে আপনার নামে নালিশ করে দিবে আপওয়ার্ক-এর কাছে।

    সাধারনত কাভার লেটার যেমন হয়ে থাকে-
    Hi/Dear + ক্লায়েন্ট এর নাম/Hiring Manager,
    আপনার সম্পর্কে কিছু আর জবের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী কিছু প্রশ্ন
    শেষে আপনার নাম, যেমনঃ
    Best Regards
    Sumon

    ঙ) কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ারঃ আপওয়ার্ক পলিসিতেই দেয়া আছে মার্কেটপ্লেসে কোন ধরনের কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করা যাবে না। শুধুমাত্র আপওয়ার্ক ম্যাসাজিং এর মাধ্যমে সব কিছু ম্যানেজ করা। কিন্তু অনেক ক্লায়েন্ট জব পোষ্টে বলে দেয় স্কাইপ আইডি দিতে। সাধারনত তারা পুরো পলিসি না বুঝেই জবটা পোস্ট করে থাকে। আবার কিছু দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় স্কাইপের মাধ্যমে যোগাযোগ ছাড়া জব এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। সেক্ষেত্রে আপনি ইহা সুকৌশলে এড়িয়ে যান। ক্লায়েন্টকে বলুন আপনার স্কাইপ আইডি আছে কিন্তু আপওয়ার্ক পলিসি কোন কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করতে বলে না। সে যদি চায় তাহলে আপনি দিতে পারনে কিন্তু তা ম্যাসেজ-এ দিবেন এবং যত ফিন্যান্সিয়াল ডিল হবে তা ১০০ ভাগ আপওয়ার্কে অন্য কোথাও নয়। যদি ক্লায়েন্ট আপনার প্রতি ইন্টারেস্টেড হয় তাহলে সে নিশ্চিত ভাবে আপনার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করবে। এই পদ্ধতিতে সাপও মরবে লাঠিও ভাংগবে না। আপওয়ার্ক এই কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করার জন্য আপনাকে জবাবদিহি করতে বললে তখন আপনি বলবেন ক্লায়েন্টের যোগাযোগের সুবিধার্থেই আপনি তাকে কন্টাক্ট ইনফরমেশন দিয়েছেন এবং যত কিছুই লেনদেন হয়েছে তা আপওয়ার্কের বাইরে নয়।
    চ) মাত্রারিক্ত ম্যানুয়াল আওয়ার যোগ করাঃ আপনার ক্লায়েন্ট নতুন অথবা কাজ দেয়ার পর কোন কারনে Hourly Limit সেট করে নাই, আপনি সেই সুযোগের ফায়দা উঠালেন। ট্র্যাকার দ্বারা কাজের সময় গুলো ট্র্যাক না করে নিজের ইচ্ছা মত বসিয়ে দিলেন Manual Hour অ্যাড এর মাধ্যমে। সপ্তাহ শেষে ক্লায়ন্টের কাছে মেইল গেল আপনার সুকর্মের। সব ক্লায়েন্টই আপওয়ার্ক-সাপোর্ট নামে একটা জিনিষ আছে সেটা জানে, তারা ভদ্রভাবে দিল টিকেট ওপেন করে। ডিস্পুট করলে হয়ত আপনার রিফান্ড করার অপশন থাকত কিন্তু এই অসাধু কাজের ফলে আপওয়ার্ক বুঝবে তার মান সম্মান আপনি নষ্ট করছেন। আর শুরু হবে আপনার উপর গজব।
    আপনি ম্যানুয়ালি করা কাজগুলোর বিল তখনই যোগ করতে পারবেন যখন আপনার ক্লায়েন্টের সাথে আপনার মধুর সম্পর্ক থাকবে।
    ছ) বায়ারের সঙ্গে বাকবিতন্ডা করাঃ বায়ার যদি আপনার সাথে কোন রকম ভেজাল বা ঝগড়া করে তাহলে নিজে আ্যকশনে যাবার কোন দরকার নেই। বায়ারের সাথে কোন রকম বাকবিতন্ডা করবেন না। কারণ বায়ারের নেগেটিভ কমপ্লিমেন্ট আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে আপনি বায়ারের সকল উল্টা পাল্টা কর্মকান্ডের স্ক্রীনশট, তথ্য-প্রমানাদি সংরক্ষন করুন এবং ঠান্ডা মাথায় আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিন।

    অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ

    বায়ারদের অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ

    একই সাথে যাদের কন্ট্রাক্টর ও ক্লায়েন্ট অ্যাকাউন্ট আছে তাদের যেকোন একটি অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হলে অন্যটিও হবে।
    বায়ার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড না হতে নিচের টিপসগুলো মেনে চলুনঃ
    • আপনারা আপনাদের নিজস্ব কোন টিম মেম্বারকে হায়ার করবেন না। যদি এজেন্সি হয়ে থাকে।
    • ভুয়া পেপাল আইডি পেমেন্ট মেথড হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

    ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ

    বায়ারদের কার্ড অথবা অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকলে কাজ হোল্ড হয়ে যায় এবং কার্ড এ টাকা লোড হওয়া মাত্রই সব কিছু আগের মত ঠিক হয়।
    কনট্রাক্টরদের ক্ষেত্রে কোন অনগোয়িং জবে ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগ না রাখলে অথবা কায়েন্ট এর ম্যাসাজের উত্তর না দিলে যদি ক্লায়েন্ট সার্পোর্ট সেন্টারে জানায় তাহলে আপওয়ার্ক টিম কনট্রাক্টর এর ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে কিছু দিনের জন্য। যা সাপোর্ট সেন্টারে যোগাযোগ ও কারন দর্শানোর পর তুলে নেয়া হয়।

    পরিসংহারঃ

    সবশেষে, একজন প্রোফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কিভাবে কাজ করবেন তার জন্য কিছু টিপস যা হয়ত আপনার কাজে লাগবে অনেক। শুধু আপওয়ার্ক নয় অন্য যেকোন মার্কেটপ্লেসের জন্য আপনি এই টিপস গুলো অনুসরণ করতে পারেন।
    • সম্পূর্ণ কাজকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করুন এবং প্রতিটি ধাপ শেষ হবার পর পর ক্লায়েন্টকে দেখান।
    • ডেডলাইন সময় শেষ হবার পূর্বেই সম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করুন এবং ক্লায়েন্টের কাছে পাঠিয়ে দিন।
    • ক্লায়েন্টের কাছে কাজ পাঠানোর পূর্বে ভাল করে রিকোয়ারমেন্ট আরেকবার দেখে নিন এবং সম্পূর্ণ কাজ ভাল করে পরীক্ষা করুন।
    • কাজে এবং কথাবার্তায় সবসময় সৎ থাকতে হবে। কখনও ভুল তথ্য প্রদান করা যাবে না। কোন কারনে কাজ করতে না পারলে বিষয়টি ক্লায়েন্টকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিন, বেশিভাগ ক্ষেত্রেই ক্লায়েন্টের কাছ থেকে যথাযথ সহায়তা পাওয়া যায়।
    • সব সময় চেষ্টা করবেন যাতে কাজ শেষে সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া যায়। ভাল রেটিং পেলে পরবর্তী কাজগুলো খুব সহজেই পাওয়া যায়।
    • ভাল রেটিং পাবার উপায় হচ্ছে – সঠিকভাবে কাজটি করা, সময়মত কাজটি শেষ করা, ক্লায়েন্টের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা।
    • রেটিং দেবার পূর্বে ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞেস করে নিন যে সে আপনার কাজে সম্পূর্ণ খুশি কিনা এবং আপনাকে সর্বোচ্চ রেটিং দিতে যাচ্ছে কিনা।

  11. ডাটা  এন্ট্রি (Data Entry) হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ধরনের ডাটা একটি স্থান/প্রোগ্রাম থেকে অন্য আরকটি স্থানে/প্রোগ্রামে প্রতিলিপি তৈরি করা। ডাটাগুলো হতে পারে হাতে লেখা কোন তথ্যকে কম্পিউটারে টাইপ করা অথবা কম্পিউটারের কোন একটি প্রোগ্রামের ডাটা একটি স্প্রেডশীট ফাইলে সংরক্ষণ করা। কম্পিউটার ব্যবহারের শুরু থেকেই ডাটা এন্ট্রির ধারনা চলে এসেছে। বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে তথ্যের আদান প্রদান বিস্তৃত হয়েছে, সেই সাথে বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের ডাটাকে সুবিসন্নস্ত করে এর বহুবিধ ব্যবহার। তাই দক্ষ ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এধরনের কাজগুলো একা বা দলগতভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের সাধারণ ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে যে কেউ এই ধরনের কাজ করে ঘরে বসেই বৈদিশিক মুদ্রা আয় করতে পারে।

    কোথায় পাওয়া যাবে:
    ডাটা এন্ট্রি এর কাজগুলো সাধারণ ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস সাইটেই পাওয়া যায়। অনেক ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যাতে বলা হয় বিপুল পরিমাণে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ পাওয়া যাবে। কিন্তু ওই সাইটে রেজিষ্ট্রশন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়। যেহেতু রেজিষ্ট্রেশন করার পূর্বে আপনি জানতে পারছেন না সত্যিই ওই সাইটে কাজ পাওয়া যায় কি না, তাই এই ধরনের সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা থেকে বিরত থাকাই ভাল। বিনামূল্যে রেজিষ্ট্রেশন করে ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় এরকম সাইট হচ্ছে – www.GetAFreelancer.com, www.oDesk.com, www.GetACoder.com, www.ScriptLance.com ইত্যাদি। এই সাইগুলোতে ডাটা এন্ট্রি কাজের আলাদা বিভাগ রয়েছে। সাইটগুলোতে কয়েকশত ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলারের প্রজেক্ট রয়েছে। সাধারণত ‘প্রতি একহাজার ডাটা এন্ট্রির জন্য একটি নির্দিষ্ট ডলার’ এই ভিত্তিতে কাজ পাওয়া যায়। অনেকক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেয়া হয়।

    প্রয়োজনীয় দক্ষতা:
    ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্টে বিভিন্ন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হয় যা একটি প্রজেক্টের উপর নির্ভর করে। অনেক ধরনের প্রজেক্ট পাওয়া যায় যাতে শুধুমাত্র কপি-পেস্ট ছাড়া আর কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। তবে সাধারণভাবে যে দক্ষতাগুলো সবসময় প্রয়োজন পড়বে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – দ্রুত টাইপিং করার ক্ষমতা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও বিশেষ করে মাইক্রোসফট এক্সেলে পরিপূর্ণ দখল এবং সর্বোপরি ইংরেজিতে ভাল জ্ঞান। তার সাথে রয়েছে ইন্টারনেটে সার্চ করে কোন একটি তথ্য খোঁজে পাবার দক্ষতা এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট, ফোরাম, ওয়েব ডাইরেক্টরী সম্পর্কে ভাল ধারণা।

    ডাটা এন্ট্রি কাজের প্রকারভেদ:
    ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে যেসকল ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ফাইল, ছবি ইত্যাদি আপলোড করা, বিভিন্ন সাইট থেকে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য এক্সেলের একটি ফাইলে সংরক্ষণ করা, ওয়েবসাইটের জন্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা, একটি ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফোরাম, গ্রুপে গিয়ে পরিচয় (Promote) করিয়ে দেয়া, দুটি ওয়েবসাইটের মধ্যে লিংক আদান প্রদান করা (Link Exchange), অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে সাহায্য করা, OCR (অপটিক্যাল কারেক্টার রিকগনিশন) থেকে প্রাপ্ত লেখার ভুল সংশোধন করা ইত্যাদি।

    নিচে ওডেস্ক এবং গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার সাইটে গত নভেম্বর মাসে প্রাপ্ত কয়েকটি প্রজেক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:

    ১) লোকাল বিজনেসের তথ্য প্রদান: এই প্রজেক্টে বায়ারের (Buyer) রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে ইন্টারনেটে সার্চ করে যুক্তরাজ্যের একটি নির্দিষ্ট শহরের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি তথ্য প্রদান করা। বায়ার এই তথ্যগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং কাজে ব্যবহার করবে। এই প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে প্রকৃতপক্ষে ইন্টারনেটে ওই শহরের নাম দিয়ে সার্চ করতে হবে এবং প্রাপ্ত তথ্য একটি এক্সেল ফাইলে সেইভ করে বায়ারকে প্রদান করতে হবে। প্রজেক্টে বায়ারের বাজেট হচ্ছে ৫০ ডলার। তবে ঠিক কতটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রদান করতে হবে এবং কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সে বিষয়ে কোন ব্যাখ্যা দেয়া নেই।

    ২) ওয়েবসাইট থেকে ডাটা সংগ্রহ করা: এই প্রজেক্টে বায়ার কয়েকটি ওয়েবসাইটের তথ্য দিয়ে দিবে। প্রোভাইডার হিসেবে আপনার কাজ হবে ওই সাইটগুলো থেকে নির্দিষ্ট কিছু ডাটা আরেকটি ওয়েবসাইটের ফরমের মধ্য সেইভ করা। প্রতি ঘন্টায় এরকম ২০০ টি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে, অর্থাৎ প্রতি ১৮ সেকেন্ডে একটি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজটি করার জন্য কোন বিশেষ অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, শুধু মাত্র কপি এবং পেস্ট করা জানলেই হবে। সম্পূর্ণ কাজের জন্য বায়ারের বাজেট হচ্ছে ১২০ ডলার।

    ৩) অডিও ট্রান্সক্রিপশন: এই প্রজেক্টে বায়ার পূর্বে রেকর্ডকৃত কয়েকটি অডিও (Audio) ফাইল দিবে। আপনার কাজ হবে অডিও শুনে ইংরেজিতে একটি ফাইলে লেখা বা প্রতিলিপি তৈরি করা। প্রতি ঘন্টার অডিও ফাইল প্রতিলিপির জন্য ২০ ডলার দেয়া হবে। এই কাজের জন্য ইংরেজিতে অবশ্যই পারদর্শী হতে হবে।

    ৪) ডকুমেন্ট কনভার্শন: এই প্রজেক্টে আপনাকে PDF ফরমেটের একটি ডকুমেন্ট ফাইল দেয়া হবে। আপনার কাজ হবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ওই লেখাগুলো হুবহু প্রতিলিপি করা। অর্থাৎ পিডিএফ এর লেখাটির ফরমেট, ছবি, ফুটনোট ইত্যাদি অপরিবর্তিতভাবে ওয়ার্ড ফাইলে প্রতিস্থাপন করা। এই কাজের জন্য গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে ২৭ টি বিড পড়েছে এবং গড় মূল্য হচ্ছে ৬৫ ডলার।

    ৫) ক্লাসিফাইড এড লিস্টিং: এই প্রজেক্টটি হচ্ছে একটি ক্লাসিফাইড বা শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের ওয়েবসাইটে নতুন নতুন বিজ্ঞাপন যোগ করা। এজন্য Craigslist, Amazon, Ebay ইত্যাদি সাইট থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের তথ্য ওই ওয়েবসাইটটিতে যোগ করতে হবে এবং একটি এক্সেল স্প্রেডশীট ফাইলে এই তথ্যগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। তারপর পণ্যটির বিক্রেতার কাছে ইমেলই করে তাকে ওয়েবসাইটি সম্পর্কে জানাতে হবে। এরকম ৫০০ টি পণ্যের ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজের জন্য বায়ারের সর্বোচ্চ বাজেট হচ্ছে ২৫০ ডলার।

    ৬) ক্যাপচা (Captcha) এন্ট্রি: ক্যাপচা হচ্ছে কয়েকটি অক্ষর ও সংখ্যার সমন্নয়ে একধরনের সিকিউরিটি কোড বা ছবি যা বিভিন্ন সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার সময় প্রদান করতে হয়। কোন প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে কেউ যাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি সাইটে রেজিষ্ট্রেশন বা ফরম পূরণ করতে না পারে এজন্য এটি ব্যবহার করা হয়। গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে প্রাপ্ত এই কাজে দুইদিনের মধ্যে 36K বা ৩৬,০০০ হাজার ক্যাপচা এন্ট্রি করতে হবে। প্রতি 1K বা এক হাজারটি এন্ট্রি করার জন্য ১ ডলার দেয়া হবে অর্থাৎ মোট প্রজেক্টের মূল্য হচ্ছে ৩৬ ডলার। যেহেতু একার পক্ষে কম সময়ে এত ডাটা এন্ট্রি করা সম্ভব নয় তাই সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটি টিম থাকতে হবে। দুই দিনের মধ্যে সফলভাবে কাজটি করতে পারলে বায়ার পরবর্তীতে 1200K অর্থাৎ ১২,০০,০০০ ক্যাপচা এন্ট্রি করার কাজ দিবে যা দুই সপ্তাহের মধ্যে করতে হবে।

     

     
    captcha.png?zoom=1.25&w=900

    অসুবিধাসমূহ:
    যদিও ডাটা এন্ট্রি এর কাজ তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু এই ধরনের কাজে অনেক ধরনের অসুবিধা রয়েছে, যা পূর্বে বিবেচনা করেই কাজে নামা উচিত:

    • প্রথমত এই ধরনের কাজে অনেক বেশি বিড পড়ে, তাই প্রথম অবস্থায় কাজ পাওয়া খুব কঠিন। এই ধরনের কাজে আপনার মেধা বা দক্ষতা প্রমাণের প্রাথমিকভাবে কোন সুযোগ নেই। তবে ছোটখাট কয়েকটা কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে ফেলতে পারলে একই বায়ারের কাছ থেকে আরো অনেক কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
    • ডাটা এন্ট্রি কাজগুলো সময়সাপেক্ষ, একঘেয়ে এবং প্রায় ক্ষেত্রে বিরক্তিকর।
    • অনেক কাজের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের স্পীড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব কাজে ফাইল আপলোড করতে হয় অথবা যে কাজগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, সেক্ষেত্রে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন রয়েছে।
    • অনেক ডাটা এন্ট্রির কাজ রয়েছে যা একার পক্ষে একটি নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা সম্ভব নয়। এজন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটা টিম গঠন করার প্রয়োজন পড়তে পারে।
    • ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো খুবই সতর্কতার সাথে এবং নির্ভুলভাবে করতে হয়। তাই শতভাগ নির্ভুল টাইপিং এবং কাজের সময় পূর্ণ মনযোগ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রোগ্রামিং করে ডাটা এন্ট্রি: 
    অনেক ডাটা এন্ট্রি কাজ রয়েছে যা প্রোগ্রামিং করে করা সম্ভব। প্রোগ্রামিং এ যারা দক্ষ তারাও ইচ্ছে করলে ডাটা এন্ট্রের কাজগুলো সহজেই করতে পারবে। এক্ষেত্রে আমার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। ক্লায়েন্টের রিকোয়ারমেন্ট ছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের ২,৫০০ টি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের লিংক এনে দেয়া যাদের ওয়েবসাইটে কোন সিকিউরিটি সিল (এক ধরনের ছবি) নেই। ক্লায়েন্টের উদ্দেশ্য ছিল তাদের কাছে তার নিজের কোম্পানির সিকিউরিটি সিল বিক্রির জন্য ইমেইল দেয়া। প্রজেক্টের মোট মূল্য ছিল ৩০০ ডলার এবং ডেডলাইন ছিল মাত্র ৭ দিন। এই প্রজেক্টটি খুবই সময় সাপেক্ষ ছিল। কারণ সার্চ করে ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ সাইটে যেতে হবে এবং সেই সাইটগুলোতে গিয়ে দেখতে হবে তাদের সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা। ধরা যাক সমস্ত কাজ করতে প্রতি সাইটের পেছনে যদি ১ মিনিট করে সময় ব্যয় হয়, তাহলে ৫,০০০ সাইটের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৮ ঘন্টা কাজ করে একজন অপারেটেরর মোট সময় লাগবে ১০ দিন। কাজটি আমি ম্যানুয়ালি না করে প্রোগ্রামিং করে সম্পন্ন করার স্বীদ্ধান্ত নিলাম এবং PHP দিয়ে দুটি প্রোগ্রাম তৈরি করলাম – একটি প্রোগ্রাম গুগল এবং ইয়াহু ডাইরেক্টরি থেকে সার্চ করে ওই দুই দেশের ই-কমার্সের সাইটের তথ্য একটি ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করবে। আরেকটি প্রোগ্রাম ডাটাবেইজ থেকে তথ্যগুলো নিয়ে একটি একটি করে সাইটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাবে এবং ওই সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা যাচাই করে দেখবে। প্রোগ্রামটি তৈরি করার পর আমি আমার সার্ভারে Cron Job এর মাধ্যমে দুটি প্রোগ্রামকে চালাই। এই পদ্ধতিতে প্রোগ্রামিং করা থেকে সার্চ করা পর্যন্ত মোট সময় লেগেছিল মাত্র দুই দিন এবং প্রোগ্রামটির মাধ্যমে এই সময়ের মধ্যে ৮,০০০ সাইটে সার্চ করে ৪,০০০ টি সিলবিহীন সাইট পেয়েছিলাম।

    বাস্তবিক পক্ষে ডাটা এন্ট্রি কাজের রয়েছে বিশাল চাহিদা এবং কাজের পরিধিটাও অনেক বিস্তৃত। প্রথমদিকে একটু ধৈর্য্য সহকারে বিড করা এবং কাজ বাছাই করার ক্ষেত্রে একটু বুদ্ধিমত্ত্বার পরিচয় দেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে যেসব ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আরও বড় প্রজেক্ট পাবার সম্ভাবনা রয়েছে সেই প্রজেক্ট পাবার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। শুরুতে একাই কাজ করুন। ভবিষ্যতে বড় কাজ পেলে কয়েকজন কম্পিউটার অপারেটরকে নিয়ে একটি টিম গঠন করাতে পারেন। তখন ডাটা এন্ট্রির কাজগুলোর মাধ্যমে বেকার জনগণকে জনশক্তিতে পরিণত করতে আপনিও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

    • 0
      entries
    • 0
      comments
    • 499
      views

    No blog entries yet

    • 0
      entries
    • 0
      comments
    • 310
      views

    No blog entries yet

  12. SD ARIF

    • 0
      entries
    • 0
      comments
    • 185
      views

    No blog entries yet



  • Who Was Online

    0 Users were Online in the Last 24 Hours

    There is no users online

×