Jump to content
News Ticker
  • News ticker sample
  • News ticker sample
Sign in to follow this  
  • entries
    2
  • comments
    2
  • views
    464

About this blog

এই ধরনের ডক কোন পাগল ছাড়া কখনো ভাগ করা না কারন নিজেই উপর পেজে সেবা, ব্যবসা লালবাতি জ্বলতে পারে।
শিরোনাম মধ্যে মূলশব্দ
পার্মালিঙ্কের মূলশব্দ
প্রথম অনুচ্ছেদে কীওয়ার্ড (100 শব্দ)
শেষ অনুচ্ছেদে কীওয়ার্ড (100 শব্দ)
চিত্র Alt ট্যাগের মধ্যে কীওয়ার্ড
H2 বা H3 তে টাচ করা কীওয়ার্ড
কন্টেন্ট শরীরের মধ্যে মূলশব্দ
বহির্মুখী লিঙ্ক বা প্রাসঙ্গিক উচ্চ মানের সাইট বহিঃস্থ লিঙ্ক (কোন অনুসরণ)
অভ্যন্তরীণ লিঙ্ক বা অ্যাঙ্গারের পাঠ্য সম্পর্কিত নিবন্ধ (অ্যাঙ্কর টেক্সট ভেরিয়েশন একটি খুব ভাল অভ্যাস) এটি আপনার র্যাংকিংকে বাড়িয়ে তুলেছে
মেটা বর্ণনা (মেটা বিবরণে কীওয়ার্ড)
লম্বা বিষয়বস্তু দৈর্ঘ্য, ভাল এটি নূন্যতম: 1,000 শব্দ (এটি শুধু একটি পূর্বাভাস কিন্তু প্রকাশিত উচ্চ মানের এবং ব্যবহারকারী বান্ধব কন্টেন্ট) শুধু আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী বিষয়বস্তু কৌশল চেক করুন তারপর আপনার বিষয়বস্তু পরিকল্পনা কৌশল
Permalink থেকে সমস্ত স্টপ শব্দের সরান - স্টপ সম্পর্কে আরও পড়ুন http://www.link-assistant.com/seo-stop-words.html উল্লেখ্য: যদি আপনার কীওয়ার্ডগুলি ভালো লাগে তবে - শ্রেষ্ঠ xyz বাচ্চাদের জন্য অথবা সর্বোত্তম xyz এর অধীনে 100 ডলার
মাল্টি মিডিয়া (ভিডিও, স্লাইডস, তথ্য গ্রাফিক, সম্পর্কিত চিত্র) যুক্ত করুন
আপলোড করার আগে চিত্রটি অপটিমাইজ করুন (সংকুচিত করুন এবং পুনরায় আকার দিন)
পৃষ্ঠা লোডিং সময় Deduce
LSI কীওয়ার্ডগুলি ব্যবহার করুন (সম্পর্কিত অনুসন্ধানগুলি খুঁজতে Google অনুসন্ধান ব্যবহার করুন) অথবা এই সরঞ্জামগুলি ব্যবহার করুন - http://lsigraph.com/
উল্লেখ্য: এলএসআই মানে = স্বতন্ত্র সিন্টিকাল ইন্ডেক্সিং
গুপ্তসম্পাদক পরিসংখ্যান (এলএসআই) একটি গুগল এবং অন্যান্য প্রধান সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা ব্যবহৃত একটি সিস্টেম (আপডেট: এখানে পড়ুন, টুইটের জন্য ধন্যবাদ, বলছি) একটি ওয়েবপেজের বিষয়বস্তু একটি সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা ক্রল করা হয় এবং সবচেয়ে সাধারণ শব্দ এবং বাক্যাংশ সংকলিত হয় এবং পৃষ্ঠার কীওয়ার্ড হিসাবে চিহ্নিত।
এটি প্রয়োজনীয় নয় কিন্তু আপনি এটি করতে পারেন
 বোল্ড / ইটালিক্স এবং ২২ গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ড বা ভিজিটর আকর্ষণের জন্য সম্পর্কিত পয়েন্ট
2. অন্যান্য জিনিস:
65 টিরও বেশি অক্ষরের মধ্যে বিষয়বস্তু শিরোনাম
দ্রষ্টব্য: অনুসন্ধান ইঞ্জিনের জন্য সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য। গুগল সাধারণত একটি শিরোনাম ট্যাগ প্রথম 50-60 অক্ষর প্রদর্শন, বা হিসাবে অনেক অক্ষর একটি 512-পিক্সেল প্রদর্শন মাপসই হবে। যদি আপনি আপনার শিরোনাম 55 অক্ষরের নিচে রাখেন, তবে আপনি আপনার শিরোনামের অন্তত 95% সঠিকভাবে প্রদর্শন করতে আশা করতে পারেন।
150 টি অক্ষরের কম মেটা বর্ণনা ব্যবহার করুন
দ্রষ্টব্য: মেটা বর্ণনা কোন দৈর্ঘ্য হতে পারে, কিন্তু সার্চ ইঞ্জিনগুলি সাধারণত 160 অক্ষরের চেয়ে বেশি স্নিপেটকে ছোট করে। 150 এবং 160 অক্ষরের মধ্যে মেটা বর্ণনাগুলি রাখা সেরা।
কোন সামাজিক এসইও প্লাগইন ব্যবহার করে, ফেসবুক, টুইটারের জন্য ইমেজ যুক্ত করতে ভুলবেন না। (সামাজিক গ্রাফের সুবিধা নিন)
পোস্ট শেষে বা সোশ্যাল শেয়ারিং বোতামগুলি ভাসমান সামাজিক ভাগ করা বোতামগুলি নিশ্চিত করুন।
ব্লগ পোস্ট পরে বাউন্স রেট কমানোর জন্য সম্পর্কিত পোস্ট
=> জিনিস না করা:
1 H1 ট্যাগের বেশি নয় (আপনার পোস্ট শিরোনাম হল এইচ 1 ট্যাগ)
H2 এবং H3 শিরোনাম ট্যাগ পুনরাবৃত্তি করবেন না
.03% থেকে .04% সর্বোচ্চ (এই শতাংশটি শুধুমাত্র একটি পূর্বাভাসের মতোই আপনি কীওয়ার্ড ঘনত্ব বৃদ্ধি করবেন না এবং আপনি অনুসরণ করতে পারেন বা এটি আপনার উপর নির্ভর করে না।
=> বিষয় ফোকাস:
প্রারম্ভে পোস্ট শিরোনামে মূলশব্দ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন
দীর্ঘ প্রান্তের কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন (আপনি পোস্ট শিরোনামে 65 অক্ষরের পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন)
আপনি চিরহরিৎ কুলুঙ্গি লেখেন, পোস্ট থেকে তারিখগুলি সরিয়ে ফেলুন (তারিখ বহিঃসংযোগ এসইও প্লাগইন ব্যবহার করুন), এটি একটি এসইও পুস্তিকাও।
বিষয়বস্তু দৈর্ঘ্য: বিষয়বস্তু দৈর্ঘ্য আর, এটি ভাল হয়। যদিও সামগ্রী আকারের অর্থহীনভাবে বৃদ্ধি করার চেষ্টা করবেন না
দ্রষ্টব্য: উপরে, আমি পৃষ্ঠায় এসইও সম্পর্কে আমার মতামত এবং পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করেছি এবং যদি আপনি মনে করেন যে উপরে উল্লেখ করা হয়েছে কিছু পয়েন্ট গুরুত্বপূর্ণ নয় শুধু পালাও অন্যদিকে, যদি আপনি অনুভব করেন, পৃষ্ঠার এসইও সম্পর্কে আরো জানুন, আপনার ওয়েবসাইটের নিজস্ব কৌশলটিও ইমপ্রেশন করুন।

Entries in this blog

mamun.rashid
এই নো-ফলো আর ডু-ফলো নিয়ে মতবাদের শেষ নাই। আসল ব্যাপার কে কিভাবে খেলতে পারে, আর কিভাবে খেলতে চায়!
আসেন ব্যাপারটা বুঝাই।
ডু-ফলো লিঙ্ক মেইনলি দুইটা কাজ করে। প্রথমতো গুগল কে আপনার কন্টেন্ট এর রিলিভেন্সি বুঝায়। দিতিওতো - সম্মানী সরূপ যেই পেইজ গুলোকে আপনি লিঙ্ক করেছেন সেগুলোকে ১০% পাওয়ার দেয় (লিঙ্ক জুইস)।
সুত্রমতে - আপনাকে যদি কেও পাওয়ার না দেয়, এবং simultaniously আপনি যদি আরেকজঙ্কে পাওয়ার দিতে যান, সে ক্ষেত্রে আপনি ফকির হয়ে জাবেন, যাকে আমরা বলি (র‌্যাঙ্ক ড্রপ)।
 
তাই, আমরা অনেকে নিজের জন্য ব্যাক্লিঙ্ক পাওয়ার আগে আউটবাউন্ড লিঙ্ক নো-ফলো করে রাখি।
আরো কিছু ব্যাপার আপনার মাথায় রাখা প্রয়োজন।
ধরুন আপনার একটা পেইজ এ ৪ টা ব্যাক্লিঙ্ক আছে। তার মানে আপনি যদি ঐ পেইজ থেকে ১০ টাকার পাওয়ার Earn করেন, (১০%, তার মানে ১ টাকার পাওয়ার অথবা, লিঙ্ক জুইস চলে যাবে – আউটবাইন্ড ব্যক্লিঙ্ক পেইজ দের কাছে)
মজার ব্যাপার হলো –
আপনি যদি ৪ টা আউটবাউন্ড লিঙ্ক এর মদ্ধে ৫০% / ২ টা কে নো-ফলো করে দেন, তাহলে কিন্তু পুরো ১০% লিঙ্ক জুইস বাকি দুই জন পাবেনা। ওদের ভাগের ৫০% অথবা ৫০ পয়সার পাওয়ার চলে যাবে ঐ পেইজ এর ইন্টারনাল ব্যাক্লিঙ্ক এর মাঝে।
ক্যানো আমরা তাহলে সব লিঙ্ক গুলোকে নো-ফলো করিনা?
answer is simple 1f60a.png😊
টু গেট দি অথোরিটি। গুগল এর স্মার্ট ব্রাইন তথা Hilltop Algorithm তথা রিচ স্নিপেট এর আব্বা এক্সপেক্ট করে আপনি এটলিস্ট একটা, অথবা দুইটা আউটবাউন্ড লিঙ্ক দিয়ে প্রমান করুন যে – আপনি ভালো কিছু লিখেছেন। (যেগুলোকে আমরা CITATION ও বলে থাকি)
What Do-follow Actually MEAN?
নো-ফলো লিঙ্ক দিয়ে আমি গুগল কে বলি – Dear Google, I do not want to officially vouch this link. That’s why google do not pass link juice.
Vouch represents guarantee. If you do not guarantee the trustworthiness of that link, Still – you can make the link as a reference.
আরো কিছু কথা।
অনেক ক্ষেত্রে নো-ফলো এর সাথে আমরা আরো কিছু জিনিহ ইউজ করি যেমন – noopener & noreferrer.
noopener & noreferrer এর মাধ্যমে আমরা গুগল করে বলি – Dear Google, I also do not want to make the website as a REFERANCE.
আমি আবার অনেক সময় Internal Link ও Du-Follow করে noopener & noreferrer মারি।
ব্যাপার এক্টাই, কীভাবে খেল্বেন, আপ্নিই ভালো জানেন।
আসল কথা বুঝার মত মানুষ হইলে – আপনি already বুঝে গ্যাসেন। না বুঝলে নাই। আমি ভাগি।
mamun.rashid

SEO

নতুন কিংবা পুরাতন যারা এসইও জগৎ এ আছেন , তারা অবশ্যয় ওয়েব ২.০ স্ট্র্যাটেজি সম্পর্কে শুনে থাকবেন। ওয়েব ২.০ ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই আপনার সব লো কমপিটিশন কিওয়ার্ডকে র‍্যাংক করাতে পারবেন । সুধু তা ই না , আপনি যদি আপনার সাইটে ভাল ভাবে ওয়েব ২.০ স্ট্র্যাটেজি প্রয়োগ করতে পারেন তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার কমপিটিটরকে আউটর‍্যাংক করতে পারবেন । আপনি যদি এসইওকে পেশা হিসেবে নিতে চান অথবা কম সময়ে আপনার কিওয়ার্ডকে র‍্যাংক করাতে চান তাহলে অবশ্যয় আপনাকে ওয়েব ২.০ স্ট্র্যাটেজি সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে । আজকে আমি আলোচনা করবো , কীভাবে একটি কোয়ালিটি ওয়েব ২.০ ব্যাকলিঙ্ক করতে হয় । চলুন শুরু করা যাক-

web 2.0 2018

ওয়েব ২.০ কি ?

২০০০ সালের পূর্বে কিছু ওয়েব সাইট ছিলো যেগুলো তে ঐ সাইটের মালিক পোস্ট দিতে পারতো , আর কেউ সেগুলোতে কনট্রিউবিউট করতে পারতো না । সাইটগুলো তে কিছু টেক্সট আর কিছু ইমেজ ছিলো । সাইটগুলো ছিলো স্টাটিক , সাইট গুলোতে মানুষ ডুকতো আর পড়তো । আর কিছু ই করতে পারতো না । এই গুলো কে বলা হয় ওয়েব ১.০ ।

ধীরে ধীরে ডেভলপারদের স্কিল বাড়তে থাকে , তারা ভিবিন্ন ভাবে ভিবিন্ন ফাংশন যোগ করে ওয়েব সাইটকে নতুনত্ব দিয়েছে । চালু হয়েছে ব্লগিং , সোসাইল মিডিয়াসহ আরও নানা প্রযুক্তি ।

ওয়েব ২.০ হল কিছু ফ্রী ওয়েবসাইট। যারা খুব হাই ডোমেইন অথোরিটি সম্পন্ন কারন তারা টপ লেভেল ডোমেইন এর আন্ডারে থাকে । এর যে কাউকে ব্লগ বা সাইট তৈরি করতে দিবে একটি সাবডোমেইনে এবং টপ লেভেল ডোমেইন এর আন্ডারে।
একটা ভালো উদাহরন হল, example.blogspot.com। এই সাইটের মালিক কনটেন্ট তৈরি করবেন এবং এডিটও করবেন যদি দরকার হয়। blogspot.com হলো টপ লেভেল ডোমেইন যেটি খুব অথরিটিসম্পন্ন ।

ওয়েব ২.০ কেন প্রয়োজন ?

ওয়েব ২ কেন প্রয়োজন , সেটি জানার জন্য আপনি নিজের কাছে আগে প্রশ্ন করেন যে “কেন আপনি ওয়েব ২.০ করতে চাচ্ছেন? ” নিশ্চয় বলবেন আপনার কিওয়ার্ডকে র‍্যাংক করার জন্য ? ঠিক বুজেছেন , আপনি যদি সঠিক ভাবে এটি নিয়ে কাজ করতে পারেন, তাহলে আপনার ওয়েব ২.০ সাইট বা ব্লগটি খুব দ্রুত আপনাকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করতে পারে।

ওয়েব ২.০ এর ভাল ডোমেইন অথরিটি থাকায় , খুব সহজে এর থেকে ভাল লিঙ্ক জুস পাস করতে পারবেন । আর ভাল লিঙ্ক জুস পাস করা মানি ই তো আপনার মানি সাইটের লিঙ্ক জুস বৃদ্ধি পাওয়া 🙂। আর লিঙ্ক জুস বৃদ্ধি মানিই তো আপনার কিওয়ার্ড র‍্যাংক করা 🙂 

তো, আপনি এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে, ওয়েব ২.০ কেন দরকার ।না বুজ লেও সমস্যা নেই 🙂,একটু নিচে নামলেই ধীরে ধীরে সবকিছু বুজে যাবেন।

ওয়েব ২.০ এর সুবিধা গুলো

কেন আপনি ওয়েব ২.০ এর জন্য আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করবেন এবং চেষ্টা করবেন? এরা তো কেবল কিছু সাবডোমেইন ছাড়া আর কিছুই না, তাই না? সময়ের অপচয়। ভেবে দেখুন !!

ট্রাফিক জেনারেটঃ প্রতিটি ওয়েব ২.০ সাইট তাদের নিজস্ব কমিউনিটির জন্য বানানো হয়েছে।  যেমনঃ MySpace page এ পৃথিবীর সব বড় বড় মিউজিশিয়ানদের পেজা আছে । আবার বর্তমানে Tumblr এ বেশীর ভাগ ই  শিশুরা ব্যবহার করে কারন এখানে ভাল ভাল এনিমেশন ইমেজ পাওয়া যায় 🙂 মূলত Tumblr গিফ ইমেজের জন্য ই বিখ্যাত । তাই আপনি যদি ভাল একটি Tumblr অথবা যেকোন ওয়েব ২.০ সাইট বানিয়ে নিয়মিত কনটেক্ট দিতে পারেন তাহলে আপনি অটোমেটিন অনেক ট্রাফিক জেনারেট করতে পারবেন শুধু ওয়েব ২.০ থেকে ।

ব্যাকলিঙ্ক নেওয়া:  ট্রাফিক জেনারেট ছাড়াও আপনি ইচ্ছা করলে ২-৩ টি পস্ট দেওয়ার পর আপনার মানি সাইটের জন্য একটি হাই কোয়ালিটি লিঙ্ক বিল্ড করতে পারেন । কারন ওয়েব ২.০ ভাল ডোমেইন অথোরিটি সম্পন্ন অর্জন, কারন তারা টপ লেভেল ডোমেইন এর আন্ডারে থাকে। আপনি যদি সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন, তাহলে আপনি ভাল লিঙ্কও আশা করে পারেন।

ফ্রি তে খোলা যায়: ২য় কারন হল, এরা ফ্রি ! একটি ভালো মানের ডু-ফলো লিঙ্ক পাবার জন্য মানুষ ১০০ ডলারের বেশি ব্যয় করে একটা হাই অথোরিটি ডোমেইন থেকে। আর এখানে আপনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে ভাল শক্তিশালী লিঙ্ক ভেরিয়েশনের যেমন পাচ্ছেন , তেমনি লিঙ্ক পাস করতে পারছেন (যদি আপনি সঠিকভাবে করতে পারেন)

কোন লিমিট নেই : একজন মার্কেটার একটা নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড  কে গুগলে র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য কত গুলি মোটামোটি মানের ডু-ফলো লিঙ্ক পেতে পারে? ১ টা ১০ টা? নাকি ১৫ টা?

বাস্তবতা হল, আপনার ওয়েব ২.০ দিয়ে আপনি যত ইচ্ছা তত গুলি লিঙ্ক পাস করতে পারবেন যা আপনার হাই কোয়ালিটি ভালো মানের ডু-ফলো লিঙ্ক সাথে শক্তিশালী লিঙ্ক ভেরিয়েশনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

পেনাল্টি দেয় না: এটি সবচেয়ে ভালো দিক। আপনি পিবিএন নিয়ে হয়ত চিন্তা করছেন যে, গুগলের নেক্সট আপডেটে র‍্যাঙ্ক হারাবেন। কিন্তু ওয়েব ২.০ টে সেই ভয় নেই, যদি আপনি সঠিকভাবে করে যেতে পারেন ।

নিজের কাছে কন্ট্রোল: এটা হল  সবকিছুর  সারসংক্ষেপ। আপনি ব্যাকলিঙ্ক ম্যানেজ করবেন, কয়টা লিঙ্ক রাখবেন সেটা ঠিক করবেন,  এডিট করবেন, হয়ত রিমুভ করবেন কিংবা বৈচিত্র্য আনতে পারবেন লিংকে। সব আপনি নিজেই করতে পারবেন।

এই হল বিস্তারিত।

আমি আপনাকে দেখাব, কি করে টাম্বলারে ওয়েব ২.০ খুলতে হয়। আপনি কিছু পদ্ধতি অনুসরন করতে পারেন এবং অন্য  সকল ওয়েব ২.০ সাইটও একই উপায়ে আপনি  তৈরি করতে পারবেন।

একটি টাম্বলার ওয়েব ২.০ বানানো

একটি টাম্বলার ওয়েব ২.০ বানানো

১) প্রথমে http://tumblr.com/ প্রবেশ করুন, তারপর Get Started এ ক্লিক করুন । Emai, Password, Username দিয়ে Sign Up এ ক্লিক করুন,নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুন-

How to create Tumblr account

২) তারপর পরবর্তী পেজে আপনার বয়স দিয়ে, Terms of Service এ টিক দিয়ে- Next এ ক্লিক করুন-তারপর ক্যাপচা দিয়ে Almost Done এ ক্লিক করুন ।

How to create Tumblr account

৩) তারপর আপনার ইন্টারেস্টেট ৫ টি টপিক সিলেক্ট করে Next এ ক্লিক করুন
How to create Tumblr account

৪) তারপর আপনার ইমেইলে লগিন করে দেখবেন tumblr থেকে একটি একাউন্ট ভেরিফিকেশন এর মেইল গিয়েছে , মেইলটি ওপেন করে This is me! তে ক্লিক করে একাউন্ট ভেরিফাই করে নিন

How to create Tumblr account

৫) সবকিছু শেষ হলে উপরে কোনায় পিপল আইকেন এ ক্লিক করুন, তারপর আপনার সাইটের নাম এ ক্লিক করুন, দেখবেন আপনার কোন পোস্ট নেই –
How to create Tumblr account

৬) তারপর টেক্সট এ ক্লিক করুন ,দেখবেন আপনি আপনার পোস্ট টাইটেল , পোস্ট কনটেন্ট দেওয়ার জন্য খালি জায়গা দেখতে পাবেন –
How to create Tumblr account

৭) আপনি আপনার ব্লগে এইভাবে উইআরএল দিয়ে ডুকতে পারবেন- https://porashuna.tumblr.com

৮) আপনি খুব সহজে Edit Appearance এ ক্লিক করে আপনার সাইটের টাইটেল, লগো, কভার, থিম ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারবেন ।

How to create Tumblr account
How to create Tumblr account

 

আমি তো জাস্ট tumblr কীভাবে করবেন দেখালাম, এভাবেই আপনি সবগুলো খুলতে পারবেন , সুধু নিজের বেসিক জ্ঞান কে কাজে লাগিয়ে ।

আপনার ওয়েব ২.০ রেডি। তো চলুন পরের অংশে যাই।

একটা ভাল মানের ওয়েব ২.০ তে কি কি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরী?

কনটেন্ট হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটিই নির্ধারণ করবে আপনার ওয়েব ২.০ কোয়ালিটি কেমন হবে এবং ভবিষ্যতে আপনার মানি সাইটের জন্য কেমন ভূমিকা পালন করতে পারে। Exact Match Domain URL দিয়ে আপনি কোন সুবিধা করতে পারবেন না। আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে গুগলকে বিশ্বাস করাবার জন্য যে, আপনার সাইট বৈধ এবং ভাল কনটেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে । আমি আগেই বলেছি, এটা ২০০৮ বা ২০০৯ সাল নয়। গুগলকে বোকা বানাতে পারবেন না।

নিচে আমি কিছু বিষয় আলোচনা করছি। এগুলি সব সময় মাথায় রাখবেন আপনার পরবর্তী ওয়েব ২.০সাইট বানানোর সময়। এগুলি ফলো করলে আপনার ভাল মানে ওয়েব ২.০ বানাতে পারবেন:)

মানসম্পন্ন কনটেন্ট

আপনি দীর্ঘ বা স্বল্পমেয়াদী, যেভাবেই কাজ করেন না কেন, আপনার নিস সাইট হোক বা ওয়েব ২.০ সাইট হোক, আপনার ইউনিক কনটেন্ট লাগবেই। গুগল ইউনিক কনটেন্ট এর জন্য ক্ষুধার্ত। ক্ষুধা মেটান 😀 এমন কনটেন্ট বানান, যেটা আর কোথাও নেই। আমি জানি যে, নতুন আইডিয়া নিয়ে রিসার্চ করা অনেক কঠিন। তারপরেও চেষ্টা করবেন যাতে কনটেন্টটা যতটুক সম্ভব ইউনিক হয় এবং ভেল্যু অ্যাড করতে পারে।

আপনাকে গদ্য রচনা করা লাগবে না। জাস্ট আপনাকে কেবল যথেষ্ট পরিমানে কনটেন্ট দিতে হবে, যাতে সাইট গুগলের চোখে আসল মনে হয়। কনটেন্ট লেন্থ র‍্যাঙ্কিং এর জন্য অনেক ইম্পরট্যান্ট বিষয়, কিন্তু আপনার ৫ হাজার ওয়ার্ড এর কিছু লিখতে হবে না।  ৫০০-700 শব্দের পোস্ট দিয়েও আপনি ভালো করতে পারবেন ওয়েব ২.০ এর জন্য। কিন্তু পোস্ট গুলি ভালো মানের হওয়া জরুরি। চিন্তার কারন নেই। এই সেকশনের শেষেই আপনি বুঝতে পারবেন, ভালো মান বলতে কি বলেছি।

চেষ্টা করবেন , প্রতিটা ওয়েব ২.০ ব্লগে ৫ টা আর্টিকেল পাবলিশ করার, আরও যদি বেশি দিতে পারেন আরও ভাল। এতে করে গুগল বুঝবে যে, আপনার সাইটটি রিয়েল।

LSI কিওয়ার্ড ব্যবহার করা

LSI সম্পর্কে শুনেছেন? কিংবা Rankbrain Update নিয়ে?

যদি শুনে থাকেন, তাহলে আপনি এই সেকশন এড়িয়ে যেতে পারেন। Rankbrain আপডেট হল সেটা, যা গুগলকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর মতো ক্ষমতা দিয়েছে। এটার মানে হল, গুগল এখন বুঝতে পারে যে, কোন শব্দের মানে কি এবং সেই শব্দের কাছাকাছি শব্দ গুলি কি কি। গুগল বুঝতে পারে যে, আপনি আসলে কি বলতে চাচ্ছেন।

অনেকগুলো গুগল আপডেট এর পড়ে কিওয়ার্ড স্টাফিং একদম বন্ধ হয়ে গেছে। এটার পরিবর্তে LSI কিওয়ার্ড  দিয়ে আপনাকে কাজ চালাতে হবে।

একটা উদাহরন দিচ্ছি। ধরুন, আপনি টার্গেট করেছেন ‘’ Computer’ কিওয়ার্ড টা। তাহলে পোস্টের ভেতরে আপনি “Computer Mouse”, “Computer Keyboard, Computer Mother Board” এইগুলি ইউজ করতে পারবেন, কারন তাদের অর্থ দিয়ে বুজা যায় যে এটি কম্পিউটার রিলেটেড কোন প্রোডাক্ট অথবা আর্টিকেল  ।  আর গুগলের এখন এই ক্ষমতা আছে এটা বুঝার।

LSI কী ওয়ার্ডের জন্য এইটা ভাল টুল – https://lsigraph.com/

ন্যাচারিলিটি

এটা হল সেই পার্ট, যা গুগলকে বলে দিবেন যে, আপনার ২.০ সাইট টি তৈরি করার সময় কোয়ালিটি ম্যানটেন্ট করা হয়েছে।

যে কনটেন্ট আপনি দিয়েছেন, সেগুলি বিশ্বাসযোগ্য কি না বা ভেল্যু অ্যাড করতে পারে কি না?। তো কি করা লাগবে? অবশ্যই ভাল কন্টেন্ট এবং এবং সাজানো একটা কন্টেন্ট ফরমেট এবং অবশ্যই মনে রাখবেন যথাসম্ভব অন পেইজ এসইও এর প্রযোগ যেন যতটুকু সম্ভব করা হয় এবং সাথে অবশ্যই অথরিটি সাইটগুলো সাথে আউট বাউন্ড লিংক। আউট বাউন্ড লিংক হিসাবে Wikipedia, About.com, ehow, wikihow ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে।

ইমেজ, ইনফোগ্রাফি এবং ভিডিও

গুগলের চোখে বিশ্বাসযোগ্য হবার জন্য আপনার কনটেন্টে কিছু ইমেজ ,ইনফোগ্রাফি এবং ভিডিও যুক্ত করতে হবে।

আপনি এটা কেবল নিশ্চিত করবেন যে, আপনার পেইজটা আকর্ষণীয়। ইমেজ বা ভিডিও এর একই ফরম্যাট ইউজ করবেন না। একটি পোস্টে যদি প্রথমে ইমেজ দেন, আরেক পোস্টে দিবেন শেষে। Variation রাখবেন যত বেশি পারেন যথা সম্ভব রিলিভেন্ট ইমেজ ব্যবহার করবেন।

ওয়েব . ইনডেক্স করানো

ছবি, ইমেজ আর ভিডিও গুলি আপনাকে দ্রুত  ইনডেক্স করতে খুব হেল্প করবে। চেষ্টা করবেন, প্রতিটা কনটেন্টে একটা করে ভিডিও যুক্ত করার জন্য। দ্রুত ইনডেক্স করানোর আরেকটা উপায় হল, আপনার ওয়েব ২.০ এর কনটেন্ট গুলি গুগল প্লাস সহ অন্যান্য সোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করবেন এতে কাজ হবে।

যদি তাও ইনডেক্স না হয় তাহলে নিচের নিয়মগুলো অনুসরন করবেন

  1. গুগলের এই লিঙ্ক এ যেয়ে ফোর্স সাবমিট করে আসবেন ।
  2. আরও কিছু ওয়েব ২.০ খুলে সেই গুলোর হোমপেজে আপনার ওয়েব ২.০ ওয়েবসাইটগুলো দিয়ে আসতে পারেন ।
  3. ঐ ওয়েব ২ গুলোর জন্য কিছু বেকলিঙ্ক করতে পারেন ।
  4.  গুগলে সার্চ করলে অনেক পিং সাইট পাবেন সেগুলোতে পিং করে দিয়ে আসতে পারেন ।
  5. গুগল+ / ফেসবুক/ টুইটারে শেয়ার করতে পারেন ।

ওয়েব . নিয়মিত আপডেট করা

পূর্বে আমি বলেছি, কম করে হলেও ৫ টা আর্টিকেল পাবলিশ করতে। মনে আছে? কিন্তু একদিনে সব গুলো পাবলিশ করবেন না। প্রতি সপ্তাহে ১ টা পোস্ট  পাবলিশ পারেন, সেটাই যথেষ্ট বা যা করতে পারেন যদি মনে করে মোট ৫টা পোষ্ট দিবেন তাহলে প্রথমে ৩ টা পাবলিশ করে বাকি ২ টা সিডিউল পোষ্টে দিয়ে দিতে পারেন যদি সুযোগ থাকে। মাসের শেষে এটা গুগলের কাছে অনেক ন্যাচারাল মনে হবে। গুগল বুঝবে যে, আপনার সাইট টা নিয়ে রেগুলার কাজ করা হচ্ছে।

আপনি আরও বেশি পোস্ট পাবলিশ করতে পারেন, তবে এমন যাতে না হয় যে একদিনে ৫ টা পোস্ট পাবলিশ করলেন, বাকি ২৯ দিন আর কোন খবর নাই। তাহলে এটা গুগলের চোখে স্প্যাম মনে হতে ১ সেকেন্ড টাইম লাগবে না।

ওয়েব . এর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেইজ বানানো

আপনার কনটেন্ট টাই কেবল র‍্যাঙ্ক করতে হেল্প করবে না, আরও কিছু বিষয় আছে, যেগুলি আপনাকে মাথায় রাখা লাগবে। এই বিষয় গুলি কেবল ওয়েব ২.০ না, আপনার  দীর্ঘমেয়াদী ব্লগের জন্যও কাজে লাগবে।

যে তিনটি পেইজ অবশ্যয় লাগবেঃ 

About Us পেইজ: About Us পেইজের মাধ্যমে আপনি আপনার কোম্পানি সম্পর্কে বা নিজের সম্পর্কে জানাবেন। এটা গুগলের কাছে আপনাকে রিয়েল পারসন হিসেবে তুলে ধরবে।

কিন্তু আপনাকে ভালো কিছু লিখতে হবে। আমি অমুক, এখানে থাকি, এটা করি, এমন কিছু বললে হবে না।

যে ২ টি বিষয়ে অনেক বেশি লক্ষ্য রাখবেন, সেগুলি হল, নাম এবং ছবি।

প্রতিটা ওয়েব ২.০ তয়ে ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করবেন। তাহলে গুগল বুঝবে যে, প্রতিটা ব্লগের মালিক ভিন্ন ভিন্ন মানুষ।

আর ভালো দেখে ছবি দিবেন। ভিন্ন ভিন্ন ছবি দিলে ভালো। মন মতো ছবি দিবেন, কোন সমস্যা নাই। কিন্তু মাথায় রাখবেন, ছবি গুলি  যাতে রিয়েল মনে হয়।

Contact Page পেইজ: এটা খুবই ইম্পরট্যান্ট বিষয়। ভালো ইনফরমেশন দিয়ে এই পেইজ টা ফিলআপ করবেন। না হলে গুগল এটাকে স্প্যাম মনে করতে পারে। সবচে ভালো উপায় হল, আপনার Contact Us Page টা সবার উপরে (Top Bar) রাখবেন।

Privacy Policy পেইজ: এটা আপনার কাছে বিরক্তিকর মনে হতে পারে। তবে চিন্তার কিছু নাই। একটা টুল আছে, যেটা Privacy Policy তৈরি করে দিতে পারবে আপনার জন্য। লিঙ্ক- https://www.freeprivacypolicy.com/

কপি পেস্ট করে আপনার পেইজে এটা পাবলিশ করে দিবেন।

আচ্ছা, এতক্ষন যা আলোচনা হল, সেগুলি ছিল ওয়েব ২.০ কিভাবে কাজ করে কিভাবে সাজাতে হয় এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ন অংশ। এখন কিছু এডভান্সড বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

কীভাবে ওয়েব . URL নির্বাচন করবেন ? 

ধরুন, আপনি একটা নিশ নির্বাচন করলেন,  best Conditioner Shampoo। আপনি যদি সবগুলী ওয়েব ২.০ তে একই কিওয়ার্ড ব্যবহার করেন তাহলে গুগল খুব সুন্দরভাবে ই আপনাকে স্প্যাম হিসেবে ডিটেক্ট করবে । আপনি যত খুশি তত খুলতে পারবেন তবে অবশ্যয় আপনাকে URL নির্বাচন এ সতর্ক থাকতে হবে । আপনি যদি bestConditionerShampoo.blogspot.com আর bestConditionerShampoo.tumblr.com  নিয়ে আগান, তাহলে এটা কাজ করবে না।

তাই  যতটুক পারবেন, LSI বা Related কিওয়ার্ড গুলি ব্যবহার করবেন। যদি একদমই না পারেন, তাহলে কিওয়ার্ড গুলি এর সাথে হাল্কা পরিবর্তন করে দিবেন মডিফায়ার ব্যবহার করে।

উদাহরন দিচ্ছি,

TopConditionerShampoo.blgspot.com, BestConditionerShampoo.tumblr.com, goodConditionerShampoo.weebly.com…….

আশা করি, বুঝতে পেরেছেন। সব সময় URL এ ফোকাস কিওয়ার্ড রাখবেন না। কিওয়ার্ড এর ভ্যারিয়েশন রাখবেন, যাতে গুগলের চোখে সব কিছু ন্যাচারাল লাগে।

ওয়েব . লিঙ্কিং পদ্ধতি

অবশেষে সেই টান টান মুহূর্ত 🙂 , আপনি চিন্তা করছেন যে আমি তো এখনও ব্যাকলিঙ্ক ই নিলাম না , সমস্যা নাই সেটি নিয়েঅ আমি আলোচনা করছি , আপনার ৯০% কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে । আপনার যখন ৩-৪ টি পোস্ট হয়ে যাবে ইচ্ছা করলে তখন ই আপনি লিঙ্ক নিতে পারবেন । লিঙ্ক প্রথম প্যারাগ্রাফ থেকে নিবেন । আর হ্যা অবশ্যয় এংকর  টেক্সট এ ভেরিয়েশন রাখবেন ।

এংকর টেক্সট ভ্যারিয়াশন কী ? 

এংকর টেক্সট ভ্যারিয়াশন মানি হচ্ছে আপনি সব সময় ভিন্ন ভিন্ন এংকর টেক্সট রাখবেন , একই এংকর টেক্সট দিয়ে লিঙ্ক আপ করবেন না । এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

অর্থাৎ  কিওয়ার্ড যদি হয় best Conditioner Shampoo

তাহলে এংকর টেক্সট করবেন এভাবে –

best Conditioner Shampoo

Conditioner Shampoo for men

Conditioner Shampoo for women

Click Here

Read Here

Go Here

Conditioner Shampoo

Top Conditioner Shampoo

এমন কি ওয়েব ২.০ ইন্টারনাল লিঙ্ক করার সময়অ খেয়াল রাখবেন

ওয়েব . -এর ফুটপ্রিন্ট

গুগল আপনার আইডি খুব ভালো ভাবে জানে। কাজেই একই জিমেইল আইডি দিয়ে একাধিক ওয়েব ২.০ Account বানাবেন না। আমি অভিজ্ঞ অনেকের সাথেই কথা বলেছি। তারা বলেছেন, এটা নিশ্চিত না। কিন্তু আমার কথা হল, নিরাপদ থাকলে তো সমস্যা নাই, তাই না? 🙂

আপনি একটা জিমেইল আইডি শুধু একটা ওয়েব ২.০ সাইটের জন্য ব্যবহার করার চেষ্ঠা করবেন, এর চেয়ে ভাল হয় জিমেইলই ব্যবহার না করা।

নিরাপদ থাকার জন্য আপনি নিম্নোক্ত পয়েন্ট গুলো অনুসরন করতে পারেন

  1. আপনি একই আইপি থেকে সবগুলো ওয়েব ২.০ সাইট না খুলে , ভিন্ন ভিন্ন আইপি ব্যবহার করতে পারেন ।
  2. জিমেইল যেহেতু গুগলের সার্ভিস তাই জিমেইল দিয়ে সব সাইট না খুলে থার্ড পার্টি ইমেইল সার্ভিস গুলো ব্যবহার করতে পারেন
  3. ক্রোম বাউজার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন যেহেতু গুগলের সার্ভিস
  4. ওয়েব ২.০ করার সময় বাউজার কুকি, ক্যাশ পরিষ্কার করে নেওয়া ভাল

Top 10 Web 2.0 Website

  • Blogger.com
  • Jigsy.com
  • WordPress.com
  • Tumblr.com
  • Jimdo.com
  • Weebly.com
  • Wix.com
  • YolaSite.com
  • Sites.google.com
  • LiveJournal.com

এখন যে প্রশ্নটা মাথায় ঘুরছে তাহলো একটা ওয়েব ২.০ হতে কতগুলো ব্যাকলিংক নেওয়া উচিত?

এর আসলে নিদিষ্ট কোন সংখ্যা নেই এবং তা নির্ভর করে আপনি কিভাবে আপনার ওয়েব ২.০ কে পরিচালনা করেন, যদি নিয়মিত কন্টেন্ট পাবলিশ করেন এর হিসাব এক ধরনের হয় আবার যদি অল্প সংখ্যাক কন্টেন্ট দিয়ে বানান তাহলে অন্য হিসাব, এইটা আপনাকে বুঝতে হবে কোনটা আপনার জন্য ভাল হবে।

Sign in to follow this  


×