Jump to content
News Ticker
  • News ticker sample
  • News ticker sample
Sign in to follow this  
  • entries
    12
  • comments
    5
  • views
    1,801

ফেসবুক মার্কেটিং

Sign in to follow this  
md. ziaul haque

864 views

ফেসবুক মার্কেটিং কি?

ফেসবুক সারা বিশ্বে জনপ্রিয় একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।এই সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সারা পৃথিবীতে যেমন আলোচিত তেমন মার্কেটিং এর জন্য বেশী কার্যকর।

আপনার নিউজফিডে বিভিন্ন নামকরা প্রতিষ্ঠান কিংবা নতুন প্রতিষ্ঠানের পন্য বা সেবা অথবা ওয়েবসাইট ইত্যাদির নিউজ বা বিজ্ঞাপন দেখা যায়। আবার এমন অনেক পোষ্ট বিভিন্ন অফার  সম্পর্কে তথ্য দেওয়া থাকে এবং পাওয়ার জন্য ক্লিক করতে বলা হয়ে। যখন ক্লিক করা হয় তখন দেখা যায় অন্য একটি ফেসবুক পেজে অথবা একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে। ফেসবুকে এইসব কার্যকলাপকেই ফেসবুক মার্কেটিং বলে।

ফেসবুক মার্কেটিং কেন করবেন ?

বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রতিদিন ৭২৮ মিলিয়ন ফেসবুক ব্যবহারকারী ফেসবুক একাউন্টে এক্টিভ থাকে আর ১.২৩ বিলিয়ন মাসিক এক্টিভ ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে।সেই মতে বাংলাদেশে থেকে (তথ্য মন্ত্রনালয় ২০১৫ জুন এর জরিপ উল্লেখ আছে) প্রতি ১২ সেকেন্ডে একটি করে ফেসবুক একাউন্ট সৃষ্টি হচ্ছে।আর বাংলাদেশে মোট ফেসবুক ব্যবহারকারী কোটি ৫৭ লক্ষ। বর্তমানে নিশ্চই আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ইন্টারনেট ব্যাবহারের মোট সময়ের ১৫.% ফেসবুকে ব্যবহার হয়৭০% মার্কেটারই নতুন গ্রাহক পাবার জন্য ফেসবুক ব্যবহার করছেন।

প্রতিটি ফেসবুক ইউজার কোন না কোন প্রতিষ্ঠানের  পন্য বা সেবা (যেকোন ধরনের) গ্রহন করে। তাই প্রতিটি ইউজারই একজন গ্রাহক। এখন কথা হচ্ছে এক সাথে শুধুমত্র ফেসবুকেই কোটি ৫৭ লক্ষ গ্রাহক পাওয়া সম্ভব (তবে পন্য ভেদে)

আর সব চেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে ফেসবুকে টার্গেটেড নির্দিষ্ট ক্লাইয়ন্ট পাওয়া যায় তাই কোন কোম্পানির মার্কেটিং এর সফল একটি খাত ফেসবুক মার্কেটিং।

আনুমানিক ৮০% আমেরিকান বলে যে তারা কোন ব্র্যান্ডের সাথে যোগাযোগের জন্য অন্য কোন সামাজিক মাধ্যম, এ্যপ বা ওয়েবসাইটের চেয়ে ফেসবুককে বেশি পছন্দ করে।

একটি কাস্টমাইজড ফেসবুক মার্কেটিং কৌশল যা সামাজিক মাধ্যমের মার্কেটিং এর মূল মতবাদের উপর তৈরি তার সাহায্যে আপনি পেতে পারেনঃ

  • ব্র্যান্ড এর পরিচিতি বৃদ্ধি
  • আপনার বিদ্যমান ক্রেতাদের জন্য আনুষঙ্গিক কন্টেন্ট তৈরি এবং প্রচারের দক্ষতা এবং সেই সাথে নতুন ক্রেতা আকর্ষন করা
  • ক্রেতাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ যার ফলে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক

প্রতিদিন সারাবিশ্বের ২৫০ মিলিয়নেরও বেশি ভিজিট নিয়ে ফেসবুক এখনও পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ট্রাফিকযুক্ত ওয়েবসাইট।

একটি কাস্টমাইজড ফেসবুক মার্কেটিং কৌশল যা এই বৃহৎ প্লাটফর্মে জুড়ে দিবে গ্রাহক এবং ব্যবসায়ীককে যেখানে উভয়ের ভবিষ্যত বিদ্যমান।

কিভাবে কাষ্টমাইজড ফেসবুক মার্কেটিং শুরু করা যায়ঃ-

লিগ্যালি অর্থাৎ আইনত ভাবে ফেসবুকে মার্কেটিং করার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন পরে।অনুমতি কথাটা বললে হয়তবা বলা যায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে প্রোডাক্ট এর পাবলিসিটি অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ পেমেন্ট করতে হয়। ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য আলাদা একটি ডিপার্টমেন্ট রেখেছেে।এই ডিপার্টমেন্ট এর কাজ হচ্ছে সব সময় মার্কেটারদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন টার্গেটেড সাধারন ফেসবুক ইউজারদের কাছে পন্যে বা সেবা এর বিজ্ঞাপন সম্পর্কে তোলে ধরা। কোন মার্কেটারের পন্য বা সেবার চাহিদা পূরন হয়ে গেলে বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

একটি বিষয় লক্ষ করবেন (যাদের ফেসবুক পেজ আছে), আপনার পেজে কোন ধরনের পোষ্ট পাবলিশ করার পরে নিচে Boost Post আবার অনেক সময় পেজের মধ্যে দেখা যায় Boost Page অথবা Boost Website এই ধরনের কিছু।

এখানে Boost Post হচ্ছে এই পোষ্টিকে টার্গেটেড ইউজারদের কাছে নিয়ে যাবে। Boost Page টার্গেটেদ ইউজারদেরকে সাজেষ্ট করবে পেজটিতে লাইক দেওয়ার জন্য আর Boost Website হচ্ছে টার্গেটড ইউজারদের কে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আকর্ষন দেখাবে  এই সাইট টিতে ক্লিক করার জন্য।

এর মধ্যে যেকোন একটিতেই ক্লিক করলেই নতুন একটি ইন্টারফেস ওপেন হয় যার মধ্যে দেশ ভিত্তিক ইউজার, ডলারের পরিমান, ডেইলি কত ডলার বাজেট ইত্যাদি। ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে পেমেন্ট করতে হলে অবশ্যই ফেসবুক অনুমদিত কিছু ব্যাংক একাউন্ট প্রয়োজন।

ফেসবুকে মার্কেটিং করতে হলে যে কাজ গুলি করতে হয়ঃ

  • ফেসবুক এড তৈরি করে/ মেনেজ করে / অপটিমাইজেশন করে।
  • ফ্যান পেইজ ডিজাইন করে/ অপটিমাইজেশন করে। ডিজাইন করার জন্য নিচের ধাপ গুলি ফলো করবো।
  • Set up your Page
  • Identify your audience
  • Create compelling content
  • Advertise
  • Measure and adjust 
  • টারগেটেড ফ্যান বৃদ্ধি করে।
  • কাস্টম ট্যাব তৈরি করে।
  • প্রতিদিন রিলিটেড কনটেন্ট (পিকচার, স্ট্যাটাস, ভিডিও) পোস্ট করে।
  • কুইজ/ পোল/ গিভওয়ে / কন্টেস্ট দিয়ে।
  • কুপন ম্যানেজমেন্ট করে।
  • কাস্টম এপ্লিকেশন ডেভেলাপমেন্ট করে।
  • রেপুটেশন মেনেজমেন্ট করে।
  • Facebook এর মাধ্যমে আপনার ওয়েব সাইটের জন্য ট্রাফিক বৃদ্ধি করে।
  • Facebook Marketing Strategy তৈরি করে দিয়ে।
  • Brand and User Engagement Plan তৈরি করে দিয়ে।
  • Facebook Advertisements সিস্টেমটা বুজিয়ে দিয়ে।
  • আপনার বিজ্ঞাপন Analysis করে দিয়ে।

ফেসবুকে ইন্টার্ন করে মাসে হাজার ডলার!

স্নাতক সম্পন্ন করে চাকরির আশায় হন্য হয়ে ঘোরা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক প্রতিষ্ঠানটিতে ইন্টার্ন করে মাসে সর্বোচ্চ আট হাজার ডলার পর্যন্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে সেই হিসাবে বছরে ৯৬ হাজারে ডলার আয় করতে পারেন একজন ইন্টার্ন প্রতি বছর বিশ্বের অনেক ছাত্র-ছাত্রী ফেসবুকে ইন্টার্ন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার হাজার ২০০ শিক্ষার্থী (ইন্টার্ন) নিয়ে কাজ করছেন মার্ক জাকারবার্গ। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে কীভাবে 'ফেসবুকে ইন্টার্ন' করা যায় তা নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেনজাকারবার্গ তার একটি স্ট্যাটাসে গ্রীষ্মকালীন ইন্টার্নদের নিয়ে একটি ছবি আপলোড করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, এবার বিশ্ব থেকে হাজার ২০০ জন ইন্টার্ন নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি সেখানে ঘোষণা দিয়েছেন, যদি কেউ ফেসবুকে ইন্টার্ন করতে আগ্রহী হয় তাহলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। এজন্য তিনি একটি লিংক দিয়েছেন

লিংকটি হলো: https://www.facebook.com/careers/university

ফেসবুকে কিভাবে ইনকাম করতে পারবেন?

  • এফ কমার্স: এফ হলো ফেসবুক এর সংক্ষেপ আর কমার্স মানে সকলের জানা | যখন আপনি আপনার কমার্স কনটেন্ট কে ফেসবুকে সাজাচ্ছেন এবং একটি কাস্টমারকে প্রোডাক্ট দেখা বা কেনার সুযোগ করে দিচ্ছেন সেটাই এফ কমার্স | এক কথায় ফেসবুকের মধ্যে কাস্টমাইজড করা একটি কমার্স প্লাটফর্ম হলো এফ কমার্স | এর মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার টার্গেট কাস্টমার এর কাছে পৌছাতে পারবেন | এছাড়া শেয়ারিং এর কারণে প্রচার আরো দ্রুত বাপক পরিসরে ছড়িয়ে পড়ে | দ্রুত তম যোগাযোগ হবার কারণে আপনি সর্বদা কাস্টমার এর সাথে মত বিনিময় করতে পারছেন এবং ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পাবার সুযোগ থাকছে | তাই যদি আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচার কাজে লাগাতে পারেন এফ কমার্স আপনার জন্যে সহজেই সফলতা বয়ে আনতে পারে যারা এভাবে কাজ করছেন, যারা এভাবে কাজ করছেন, তাদের মাসিক আয় হচ্ছে ১০,০০০টাকা - ৩০,০০০টাকা। কারও কারও ভাল ইনভেস্ট থাকার কারনে আরও বেশিও ইনকাম হচ্ছে। সেটা ১লাখ-২লাখও হতে পারে। প্রোডাক্ট: শাড়ি, মেয়েদের ড্রেস, গিফট আইটেম ইত্যাদি
  • টি-শার্ট মার্কেটিং: বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় ইনকাম সোর্স হচ্ছে টিসপ্রিং, যেটা হচ্ছে টি-শার্ট মার্কেটিং এজন্য শুধুমাত্র ফেসবুককেই ব্যবহার করা হয়।
  •  হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশন: হোস্টিং অ্যাফিলিয়েশনের জন্য শুধুমাত্র ফেসবুক মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়। হোস্টিং সেল এর পরিমান বৃদ্ধির উপর আয় বাড়তে থাকে
  • লোকাল ব্যবসা: লোকাল যেকোন ব্যবসার প্রোফিট বৃদ্ধির জন্য এখন ফেসবুক মার্কেটিংকে সবাই ব্যবহার করছে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, ফ্যাশন হাউজ থেকে শুরু করে আরও অন্যান্য ব্যবসাতেও ফেসবুকে মার্কেটিং করেই ইনকাম বৃদ্ধি করতে হয়।
  • লোকাল চাকুরি: ফেসবুকে প্রতিদিনই কোন পোস্টে বা গ্রুপ পেজে চাকুরী বিজ্ঞাপন দেখা যায়। এই বিজ্ঞাপনগুলো এক্সপার্ট লোকদের চাকুরির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
  • সাইটে ট্রাফিক আর সেখান হতে অ্যাডসেন্স: ফেসবুকের মাধ্যমে একটা সাইটে যত বেশি ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারবেন, তত সাইটের অ্যাডভার্টাইজ হবে, সাইট ভিজিটর পাবেন এবং আয় বৃদ্ধি পাবে।
  • ফাইবারের গিগ সেল বৃদ্ধি:  ফাইবার বর্তমানে অত্যধিক জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে ফ্রিল্যান্সাররা (ফাইভারে সেলার) তাদের কার্যক্ষমতা দক্ষতার ভিত্তিতে ক্লায়েন্টদের জন্য বিভিন্ন সার্ভিসের প্যাকেজ তৈরি করে তা বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখেন। ফাইভারে এরকরম এক বা একাধিক প্যাকেজ মিলে তৈরি সার্ভিসগুলো গিগ নামে পরিচিত যার মূল্য ডলার থেকে শুরু করে ৫০০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ফাইভার প্রতি ডলার মূল্যের গিগ বিক্রিতে সেলারকে ডলার চার্জ করে; অর্থাৎ যেকোনো পরিমান সেলের ২০% চার্জ করে ফলে ৮০% রেভিনিউ সেলারের অ্যাকাউন্টে জমা হয়। ফাইভারে বর্তমানে বিভিন্ন সার্ভিসের উপর ৩০ লক্ষাধিক গিগ রয়েছে। ফাইভারে গিগের যত বেশি প্রমোশন চালাবেন, ততই গিগ সেল বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু ফেসবুক প্রমোশন চালাতেও সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে। সঠিক জ্ঞান ছাড়া গিগ প্রমোশন চালালে ফাইভারে ইনকাম বাড়বে, উল্টো ফাইভার অ্যাকাউন্টটাই নষ্ট হয়ে যাবে।
  • মার্কেটপ্লেসে কাজ: অনলাইন মার্কেটপ্লেস, যেখানে ক্লায়েন্ট তার কাজ এর বর্ণনা দিয়ে এবং সেই কাজের জন্য তিনি কত টাকা দিবেন তার বর্ণনা দিয়ে কাজ পোস্ট করে এবং যারা সেই ধরনের কাজ পারে তাদের আবেদন করতে বলে। ওই কাজ যারা জানে তারা আবেদন করে। এবং তারা কত টাকার মধ্যে কাজ তা করে দিতে পারবে সেটা উল্লেখ করে। আবেদন কারীদের মধ্যে থেকে একজনকে ক্লায়েন্ট বেছে নেন তার কাজের জন্য।ফেসবুক যেহেতু মার্কেটিংয়ের অনেক বড় প্লাটফর্ম, সেহেতু মার্কেটপ্লেসে এখন প্রচুর কাজ পাওয়া যাচ্ছে সম্পর্কিত।

ফেসবুক মার্কেটিং পদ্ধতিগুলো:

১) অ্যাড লিড : লিড অ্যাড হল ফেসবুক প্রমোশন টুলস এর জগতে একটি নতুন সংযোজন। এই টুলস আপনার এবং আপনার কাস্টমার উভয়েরই কাজ সহজ করে দিবে। আগে যে বা যারা আমাদের পণ্য বা ব্যবসা নিয়ে আগ্রহী তাদের তথ্য আমরা ফেসবুক এর মাধ্যমে নিতে পারতাম না, অথবা নিতে হলে ক্রেতাদেরকে ওয়েবসাইটে সাবস্ক্রিপশন ফর্ম বা গুগল শিট পূরণ করাতে হত। যেটা ছিল ঝামেলাপূর্ণ এবং এই ফর্ম পূরণের ভয়ে অনেকেই রেজিস্ট্রেশন করত না।

আপনার এসকল সমস্যার অনন্য সমাধান ফেসবুক লিড অ্যাড। এই টুলস এর মাধ্যমে আপনি আপনার পছন্দমত প্রশ্নসহ ফর্ম সাজাতে পারবেন যার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন যদি আপনার বর্তমান বা সম্ভাব্য কাস্টমার রাজি থাকে। আপনার কাস্টমার যদি আপনার ডাকে সাড়া দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে তবে ফেসবুক থেকে তার পাবলিককৃত প্রায় সকল তথ্যই আপনার ফর্ম স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূরণ হয়ে যাবে। ক্রেতাকে কোন কষ্ট করতে হবে না। জাস্ট সাবমিট বাটনে ক্লিক করলেই হয়ে যাবে। এতে আপনি আপনার তথ্য পেয়ে যাবেন আর ক্রেতাও খুশি থাকবে। এতে করে আপনি পেয়ে যাবেন একটি সমৃদ্ধ বর্তমান এবং সম্ভাব্য কাস্টমার ডাটাবেইস যেটা দিয়ে আপনি রিমার্কেটিংও করতে পারবেন।

নিউজলেটার সাইনআপ, আগ্রহী তালিকা, অফার, কুপন, নতুন পণ্যের তথ্য সরবরাহ এবং এরকম আরো নানা টুলস এর মাধ্যমে আপনি লীড অ্যাড চালাতে পারেন। তবে অ্যাড চালানোর পূর্বে আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রাইভেসি পলিসি যোগ করে দিতে হবে এবং এই শর্তে রাজি হতে হবে যে আপনার প্রতিষ্ঠান এই তথ্যের কোন অপব্যবহার করবে না।

ফেসবুকের স্টাডি আমাদের বলে যে লিড অ্যাডের মাধ্যমে লিড জেনারেশন অন্য যেকোনো ধরণের অ্যাড থেকে ৫০% সাশ্রয়ী। 

৩) সেলস ফানেল: মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে সেলস ফানেল এর গুরুত্ব অপরিসীম।

একটা রিয়েল লাইফ উদাহরণ দিয়ে বুঝাই। বাসার পানির ট্যাংকি সবাই চিনেন। সেখানে মোটর দিয়ে ট্যাংকিতে পানি তুলছেন। পানিটা তুলছেন, মাটির নিচ থেকে কিংবা হয়ত ওয়াশার পানির পাইপ থেকে। পানি এসে জমছে ট্যাংকিতে। সেই পানি প্রতিটা ঘরের কল দিয়ে বের হচ্ছে বা পড়ছে। পুরো সিস্টেমটি হচ্ছে সেলস ফানেল। যদি ট্যাংকিতে পানি তোলা না হতো, একসময় সব পানি শেষ হয়ে যেত। তাই একদিক দিয়ে সম্ভাব্য পানির বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে টেনে ট্যাংকিতে পানি ভরা হচ্ছে। যাকে মার্কেটিংয়ের ভাষাতে লিড বলি। সেই লিডগুলো ট্যাংকিতে স্টোর করা হয়েছে। এবার লিডগুলোকে প্রয়োজনের সময় সেলে কনর্ভাট করেছি, যা ঘরের কল দিয়ে বের হয়েছে।

যেকোন কিছুর মার্কেটিং প্লান করলে, সম্ভাব্য লিডগুলোকে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে বিভিন্ন উপায়ে কালেক্ট করে, নিজের কন্ট্রোলে কোন জায়গাতে স্টোর করতে হয়। তারপর সেগুলোকে নার্সিং করতে হয়। এগুলো নার্সিং করার কারনে সেগুলো সেলে কনর্ভাট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এবার যখন নিজের প্রোডাক্টকে তাদের কাছে বিক্রির জন্য উপস্থাপন করা হয়, তখন সেটা বিক্রির সম্ভাবনাটা বেড়ে যায়। পুরো প্রক্রিয়াটাকে প্লান মাফিক সাজানোকেই সেলস ফানেল বলে।

৪) কনটেন্ট ডেভেলপ: কনটেন্ট বলতে আর্টিকেল, কোন লিখার লিংক, গ্রাফিক, ভিডিও সবকিছুকে কনটেন্ট বলে। কনটেন্ট ডেভেলপের ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট সেল করা বিষয়টি মাথাতে রেখেই পরিকল্পনা করতে হবে। লিড সংগ্রহ, লিড নার্সিং, সেলস ফানেল তৈরির চিন্তা করে কনটেন্ট ডেভেলপ করতে হবে। সম্ভাব্য কাস্টমারের বয়স, সেক্স, তাদের কেনার ক্ষমতা, কেনার অভ্যাস, তাদের আচরণ বুঝতে হবে, সেই অনুযায়ি কনটেন্ট ডেভেলপ করতে হবে। সম্ভাব্য কাস্টমারদের ডাটা কালেক্ট করা এবং তাদের আচরণটা অ্যানালাইস করা জানতে হবে।

৬) নিউজ ফিড অ্যালগরিদম: নিউজফিডে সেই পোষ্টগুলোই প্রাধান্য পায় যে পোষ্টগুলো ব্যবহারকারী দেকতে চান। ব্যবহারকারীর প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে নিউজফিডে প্রদর্শন করার জন্য পোষ্ট বাছাই করে ফেসবুক। ফেসবুকে কার ওয়্যালে কোন টিউন দেখাবে এটা একটা অ্যালগারিদম মেইনটেইন করে চলে, যেটাকে EDGE Rank বলে। আর অ্যালগারিদমের কারনেই আপনারে ফ্রেন্ড লিস্টের সবার টিউন আপনি দেখেননা, আপনার টিউনও সবাই দেখেনা। ফেসবুক মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এই বিষয়টির প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

৭) সেগমেন্টেশন (ভাগ করা) সঠিক অডিয়েন্স কে টার্গেট করুন

সেগমেন্টেশন হল সকল কাস্টমার দের মধ্য থেকে যারা আপনার পণ্য ক্রয়ের ব্যাপারে বেশী আগ্রহী হবেন তাদের আলাদা করা, কারন তাদের কাছেই আপনার বিজ্ঞাপন টি পৌছানো সবচেয়ে বেশি জরুরি। তাই আগে আপনার অডিয়েন্স টার্গেট করুন, তারপর প্রচারনা করুন।

এমন কিছু ফিল্টার রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি অডিয়েন্স এর অবস্থান, বয়স, লিঙ্গ, পছন্দের তালিকা এমনকি পূর্ব ক্রয়ের রেকর্ড অনুসারে তাদের টার্গেট করতে পারবেন। আপনি যত নিখুতভাবে অডিয়েন্স টার্গেট করবেন, ততই আপনার সফল হবার সম্ভবনা বাড়বে। যেমন- ফেসবুকের ৮৫০ মিলিয়ন random user দের কাছে এড পৌছানোর চেয়ে ১০০ মিলিয়ন Effective User দের কাছে পৌছানো কার্যকর এবং সাশ্রয়ীও বটে।

৮) পণ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিন

অডিয়েন্স দের কাছে আপনার পণ্যটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করুন যেন তারা আপনার পণ্যটি কিনতে আগ্রহী হয়। প্রতিদিনের  ম্যাগাজিন, পত্রিকা, টিভি কিংবা ওয়েব শতশত বিজ্ঞাপন, এতসব প্রতিযোগীতার মাঝে টিকে থাকতে হলে অবশ্যই আপনাকে কৌশলী হতে হবে। ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে যখন আপনি পণ্য বিক্রয় করতে পারবেন তখনই এর উদ্দেশ্য সফল হবে।

ফেসবুক এড এর প্রধান অংশগুলো হচ্ছে এর Title, Body Text এবং Image চেষ্টা করুন মূল বিষয় গুলো সংক্ষিপ্ত আকর্ষণীয় ভাবে উপস্থাপন করতে।

৯) সঠিক সময় নির্ধারনফেসবুক ক্যাম্পেইন শিডিউলিং

ফেসবুক মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি শুনে হয়তো অবাক হবেন যে, অনেক ইউজার দের রেসপন্স সাপ্তাহিক বার সময়ের উপর নির্ভর করে। সবচেয়ে বেশী পরিবর্তন দেখতে পাবেন সাপ্তাহিক ছুটির দিন গুলোতে।

আপনার পণ্যের ধরন এবং ক্রেতা কারা হবেন তার উপর ভিত্তি করে ফেসবুক ক্যাম্পেইন এর সময় নির্ধারন করুন। সপ্তাহের কোন দিন কোন সময় আপনার ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য সবচেয়ে লাভজনক তা ডাটা রেট অডিয়েন্স রেসপন্স দেখে নির্ধারন করুন। ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য বিশেষ কিছু টুলস আছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার ফেসবুক এড গুলো কবে, কখন, কত সময়ের চালু রাখতে চান তা নির্ধারন করতে পারবেন। আর এই সময় নির্ধারণকেই আমরা বলছি ফেসবুক ক্যাম্পেইন। সঠিক এবং সুন্দর ক্যাপশান ব্যবহার করে প্রমোট করা হলে ভাল মার্কেটিং হয় ক্যাম্পেইন চলাকালীন আপনি ভাল রেস্পন্স পাবেন, ক্যাম্পেইন শেষেও সংগৃহীত লাইক গুলোকে যদি এঙ্গেজ রাখতে পারেন (পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে এঙ্গেজ রাখা নিয়ে) তবে তাদের মধ্যে থেকে অনেক কঞ্জিউমার পাবেন

১০) সঠিক বাজেট নির্ধারন করুন

আপনি কি ভাবছেন, বেশী বাজেট আপনাকে খুব তাড়াতাড়ি সাফল্য এনে দেবে? ধারনাটি কিন্তু মোটেই সত্যি নয়। ফেসবুক, অফিসিয়াল বিজ্ঞাপন দাতাদের সর্বোচ্চ বিড বাজেট নির্ধারণে নিরুৎসাহিত করে। তাই বাজেট নির্ধারণে অবশ্যই সতর্ক হন। আপনি চাইলে প্রতি ক্লিক অথবা প্রতি ক্যাম্পেইন অনুপাতে বাজেট নির্ধারণ করতে পারেন। আবার খুব কম রেটও ততটা কার্যকরী নাও হতে পারে।

১১) কনভারসেশন ট্রেকিং প্রতি এড এর জন্য আলাদা ভাবে সেল দেখুন

সাধারনত ফেসবুক আপনাকে প্রতিটি এড এর জন্য আলাদা ভাবে সেল রিপোর্ট দেখাবে না। তাই এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে কনভারসেশন ট্রেকিং প্রসেস ব্যবহার করা যা কিনা আপনাকে প্রতিটি এড এর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দেবে। ফেসবুক মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আসলে আপনার পণ্যের জন্য কি ধরনের বিজ্ঞাপন বেশী কার্যকরী হবে তা একমাত্র বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। এজন্য আপনাকে টেস্টিং পদ্ধতিটি অনুসরণ করতে হবে। এসব কিছু আপনার জন্য আরো সহজ করবে Qwaya Tools এর ব্যবহার। Qwaya আপনাকে দিচ্ছে ফেসবুক এড এর সর্বোচ্চ Customization সুবিধা, যার সাহায্যে আপনি আপনার পণ্যের জন্য সবচেয়ে উপযোগী এড টি নির্ধারণ করতে পারবেন।

১২) পেইড অ্যাডভার্টাইজিং: 

ফেসবুকে পেইড অ্যাডভার্টাইজিং চমৎকার একটা মার্কেটিং সলিউশন। কিন্তু দু:খের বিষয়, আমাদের দেশে মনে করে ১ডলার খরচ করে কত বেশি মানুষের কাছে যেতে পারলাম, তত বড় আমি মার্কেটার হয়ে গেছি। আসলে কত বেশি মানুষ টিউনটা দেখলো, সেটাতে আপনার স্বার্থকতা না, কতজন আপনার প্রোডাক্টটি কিনলো, সেটাতে মার্কেটিংয়ে সফলতা। সেজন্য সঠিক পেইড মার্কেটিং শিখতে হবে। পেইড অ্যাডভার্টাইজিং দুই ধরনের; () থার্ড পার্টি মার্কেটিং এবং () ফেসবুক বিজ্ঞাপন।

(ক) থার্ড পার্টি মার্কেটিং- থার্ড পার্টি মার্কেটিং বর্তমানে বাংলাদেশে বেশ গ্রহণযোগ্য। এর মাধ্যমে ফেসবুকে বহুল ফ্যান সম্বলিত পেইজগুলো থেকে ব্রান্ডের পেইজটি প্রমোট করা হয়। এতে পেইজের লাইক বাড়ে। এই পদ্ধতিতে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেয়ার চেয়ে অনেক কম খরচে অনেক লাইক বা ফ্যান পাওয়া যায়। লাইক সংখ্যা আগেই জানানো হয়। যাদের অল্প সময়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লাইক দরকার হয় এবং বাজেটও কম থাকে। এই পদ্ধতি তাদের জন্য খুব ইফেক্টিভ।

(খ) ফেসবুক বিজ্ঞাপনঃ ফেসবুক বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইন করা গেলে ভাল সাড়া পাওয়া যায়। ভাল বাজেট থাকতে হবে।

পেইড অ্যাডভার্টাজিং বা পেইড মার্কেটিং বিষয়ক কিছু দরকারী তথ্যঃ

পেইড ক্যাম্পেইনে লাইক বাড়াতে হলে ক্যাম্পেইনের ক্ষেত্রে একটা কন্টেস্টের আয়োজন করতে হবে। ধরুন একটালাইক এন্ড শেয়ারকন্টেষ্ট করলেন পুরষ্কার হিসেবে আপনারই ব্র্যান্ডের কিছু একটা আর সেই কন্টেস্ট পোস্টটাইস্পন্সর্ড স্টোরিকরে দিন ৫০$ এর ক্যাম্পেইন যদি PPC 0.03$ রাখেন তবে মোটামুটি ৩৫০০ লাইক পাবেন সাথে ২০০০ এর মত শেয়ার যেখানে আপনি যদি শুধু নরমাল একটা পোস্ট শেয়ার করেন, তবে কত লাইক পাবেন সেটা ট্র্যাক করাই মুশকিল

ক্যাম্পেইনের ক্ষেত্রে দক্ষ কোন ডিজাইনার দিয়ে ইমেজটা ডিজাইন করুন আর যদি স্পন্সর্ড স্টোরি হয়ে থাকে তবে অবশ্যই একটা ৮০০X৪০০ বা কাছাকাছি সাইজের ছবি যুক্ত করে দিবেন, যাতে ভিজুয়াল মার্কেটিং হয়

• “Like now” , “Like us and be with us” এই ধরনের লাইন এখন কঞ্জিউমারদের আর আকৃষ্ট করে না। তাই এমন টেক্সট ব্যবহার করবেন যা কঞ্জিমারদের সাথে সাথেই এট্রাক্ট করবে

এখন অধিকাংশ ফেসবুক মার্কেটিং এজেন্সিই ক্লায়েন্টকে শুধু ক্যাম্পেইন শেষে ক্লিক এর পরিমান দেখায় ক্লায়েন্টের উচিত ক্যাম্পেইন শুরুতে ক্যাম্পেইন ডিজাইনটা দেখে নেয়া কারণ ফেসবুক এড ম্যানেজা আমাদের অনেক বেশি সুবিধা দিয়েছে এড ক্যাম্পেইন ডিজাইনের ক্ষেত্রে

নিজে ক্রেডিট অথবা ডেবিট কার্ড দিয়ে এড দিতে গেলে খেয়াল রাখবেন আপনি যেখানে আছেন সেই এড্রেস বিলিং এড্রেস হিসেবে দিবেন যেকোন কার্ড ব্যবহার করবেন নাহ ফেসবুকে অনেক ফ্রড হয় বলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ অনেক কার্ড ব্লক করে রেখেছে উক্ত কার্ড গুলোর মধ্যে কোনটা ব্যবহার করলে একাউন্টই বন্ধ করে দিতে পারে

যেকোন অফার ফেসবুক এডের মাধ্যমে প্রমোট করুন, এতে পরিচিতি বাড়ে

এড দেয়ার ক্ষেত্রে নতুন লাইকারদের জন্য কিছু আকর্ষনীয় উপহার রাখুন যেমন নতুন লাইকাররা ১০% ছাড় পাবে

১৩) ফেসবুক গ্রুপঃ

অনলাইন ব্র্যান্ডগুলোর জন্য ফেসবুক গ্রুপ অত্যন্ত প্রয়োজন। পেইজের সাথে সাথে একটা গ্রুপ থাকা জরুরী। কারন পেইজে সবাই আপনার প্রোডাক্ট দেখতে পারবে, অর্ডার করতে পারবে, কিন্তু গ্রুপে নতুন কেউ এসে প্রোডাক্ট নিয়ে পুরনো আলোচনা দেখতে পারবে, যা খুই ইফেক্টিভ। প্রোডাক্ট নিয়ে কেউ প্রশ্ন করলে আপনি রেসপন্স করার আগে অন্য গ্রুপ মেম্বাররাই রিপ্লাই দিয়ে দিবে। আর নতুন নতুন ক্রেতা যখন পেইজ থেকে পাবেন, তাদের গ্রুপে এড করে নিতে পারবেন। অর্থাত তাদেরকে পার্মানেন্টলি আপনার স্টোরে রেখে দেয়া। গ্রুপে ইচ্ছামত ফ্রেন্ড এড করা যায়, তাও আবার বিনা খরচে। আপনার কোন ক্রেতা যদি খুব খুশি হয় প্রোডাক্ট পেয়ে, তাকে অনুরোধ করতে পারবেন যাতে তিনি তার বন্ধুদের গ্রুপে এড করে নিন। এতে আরও সুন্দর ভাইরাল মার্কেটিং হবে।

১৪) ফেসবুক এড পিক্সেল

ফেসবুক পেইজের প্রমোশন থেকে হয়তো ডিরেক্ট সেলস আসবে না কিন্তু আপনি এই প্রমোশনের ফলাফল কে কাজে লাগাতে পারেন নানাবিধ উপায়ে। তেমনই একটি কার্যকরী পদ্ধতি হল Facebook Pixel  ফেসবুক পেইড ক্যাম্পেইনে সবচাইতে বেশি সফলতার  গোপন রহস্য হল Facebook Ad Pixel এর সর্বোত্তম ব্যবহার। আপনি যদি ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার ব্যবসার প্রসার করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ফেসবুক পিক্সেল সম্পর্কে ভালভাবে জানতে হবে এটার ব্যবহার ছাড়া ফেসবুক অ্যাডের সর্বত্তম ব্যবহার কোন অবস্থায়ই সম্ভব নয় পিক্সেল কোড ব্যবহার করতে নিজের ফেইসবুক পেইজের অ্যাড অ্যাকাউন্ট থেকে পিক্সেল কোড সংগ্রহ করতে হবে এবং নিজের একটি ইকমার্স ওয়েবসাইট যেখানে কোডটি রাখতে হবে।

Facebook Pixel ব্যবহারের সুবিধাঃ

  • ফেসবুক অ্যাডের পারফরমেন্স মনিটরিং। প্রত্যেকটি অর্ডার অথবা কনভার্শনের জন্যে কত ডলার খরচ হচ্ছে পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসেব রাখা যাবে। আর পরবর্তীতে অ্যাড দেয়ার সময় বাজেটিং এর সুবিধা হবে।
  • ফেসবুক অ্যাড অপটিমাইজেশন অডিয়েন্স সিলেকশনে এগিয়ে থাকা। Facebook Pixel এর সাথে যদি “Optimize for website conversions” বিডিং অপশন হিসেবে যোগ করে দেওয়া যায়, ফেসবুক তাদেরকেই অ্যাডটি দেখাবে যাদের ক্রেতা বনে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
  • অডিয়েন্স রিটার্গেটিং করে পরে তাদেরকে টার্গেট করে আবার অ্যাড দেওয়া যাবে এবং তাদেরকে ক্রেতা হিসেবে ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি বেড়ে যাওয়া।

এটি দুধরনের। ()কনভার্সন ট্র্যাকিং পিক্সেল এবং () কাস্টম অডিয়েন্স পিক্সেল

ক) কনভার্সন ট্র্যাকিং পিক্সেল

যখন কোন ভিজিটর আপনার ল্যান্ডিং পেজে আসে এবং তার ইমেইল অ্যাড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে এবং কিছু ক্রয় করে তখন এটাকেই বলা হয় কনভার্সন Conversion Tracking Pixel হল একটি ছোট JAVA Script Code যা ফেসবুক অ্যাড ক্যাম্পেইন থেকে আপনি কী পরিমাণ কনভার্সন পেলেন তা ট্র্যাক করে এটা শুধু ফেসবুকেই ব্যবহার করা যায় Google Analytics এর মত যেকোনো সাইটের তথ্য সংগ্রহ সম্ভব নয়। আপনি যা ইনভেস্ট করলেন তার কতটুকু ফেরত পেলেন তা জানানোয় Facebook Conversion Tracking Pixelএর কাজ।

ফেসবুক প্রমোশনের ক্ষেত্রে যেভাবে Facebook Pixel ব্যবহার করবেন

  • Pixel তৈরি করে নিতে হবে প্রথমেই।
  • Ads Manager, ads create tool অথবা Power Editor (Chrome browser ব্যবহার করুন) যান।
  • অ্যাড ম্যানেজার থেকে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুনঃ
  • টপ মেন্যু থেকে Toolsনির্বাচন করুন।
  •  Create A Pixel ক্লিক করুন।
  • View Pixel Code ক্লিক করুন এবং কোডটি Copy করুন।
  • Pixel টির একটি নাম দিন। একটি অ্যাড ম্যানেজার অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পিক্সেল কোডই ব্যবহার করা যায়। তাই প্রাসঙ্গিক ব্যবসায়িক নামই দিন যেটি পরে ব্যবহার করা যাবে।

Facebook Pixel টি অ্যাড করুন আপনার ওয়েবসাইটে

  • কোডটি সংগ্রহ করে আপনার ওয়েবসাইটের যেই যেই পেইজ দেখাতে চান সেখানে <head>…</head> এর মাঝে সেই কোডটি পেস্ট করে দিন।
  • ব্যাস খুব সহজেই হয়ে গেল পিক্সেল আপনার ওয়েবসাইটে ইন্টিগ্রেশন। পিক্সেল টি কাজ করছে কিনা সেটি ভেরিফাই করার ব্যবস্থাও আছে। সেটি নিয়ে আগামী পর্বে আলোচনা করবো আশা করছি।

কনভার্সন ট্র্যাক করতে

যদি কনভার্সন ট্র্যাক করতে চান তাহলে আপনার পিক্সেল ল্যান্ডিং পেজে বসানোর পরিবর্তে এটা বসাতে হবে Thank You পেজে, অর্থাৎ <head> java script code <head/>এখানে বসাতে হবে। প্রতিটি কাম্পেইনের কনভার্সন ট্র্যাক করার জন্য আপনাকে নতুন করে পিক্সেল ক্রিয়েট করতে হবে।

যেভাবে পিক্সেল ভেরিফাই করবেন

আপনি আপনার পেজে যে পিক্সেল বসিয়েছেন তা ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখাকেই বলে পিক্সেল ভেরিফিকেশন।এটা করার জন্য আপনাকে যা করতে হবে তাহল, যেখানে পিক্সেল কোডটি বসিয়েছেন সেখানে যাবেন এবং ফিরে এসে ফেসবুকের পিক্সেল সেকশনে চেক করবেন। “Verified” লেখাটির পাশে সবুজ “Dot” থাকলেই বুঝবেন সবকিছু ঠিকঠাক কাজ করছে।

পিক্সেল ভেরিফাই করতে-

  • পেজে কোডটি বসিয়ে Save  করার পর পেজটি ব্রাউজারে রিলোড করতে হবে।
  • Power Editor ব্যবহার করলে বিষয়টি আরও সহজ। শুধু আপনার ব্রাউজার ট্যাবটি রিফ্রেশ করলেই হবে।
  • Chrome  ব্যবহারকারীরা Facebook Pixel Helper  এক্সটেনশন টি ডাউনলোড করে সহজেই কাজটি করতে পারেন।
  • কনভার্সনের জন্য VALUE সেট করে দিন।  মনে করুন, আপনার প্রোডাক্টের মুল্য $97.এই মূল্যটা আপনি পিক্সেল কোডে বসিয়ে দিতে পারেন। এতে করে প্রতিটা কনভার্সনের বিপরীতে আপনার কত খরচ হল ফেসবুক আপনাকে জানিয়ে দেবে।

খ)  কাস্টম অডিয়েন্স পিক্সেল[ Retargeting ]

আপনাদের অভিজ্ঞতা থেকে এটা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে আপনি যখন ফেসবুক ব্রাউজ করেন তখন অনেক অ্যাড আপনার সামনে আসে। এগুলোর সব গুলোই কিন্তু অডিয়েন্স সেট আপের কারনেই আসে। মনে করুন, আপনি কোন এক সময় অ্যামাজনের ওয়েবসাইট ভিজিট করেছিলেন। এর পর থেকে আপনি যখনই ফেসবুকে আসছেন তখনই অ্যামাজনের অ্যাড দেখতে পাচ্ছেন। এটা কিন্তু কোন কাকতালীয় ব্যাপার নয়। এটা হল রিটারগেটিং। অ্যামাজনের ওয়েবসাইটে ফেসবুকের ট্র্যাকিং কোডটি বসানো আছে। এটার মাধ্যমেই ফেসবুক আপনাকে ট্র্যাক করতে পারে। আপনি অ্যামাজনে যখন ভিজিট করেছিলেন তখন হয়ত কোন পন্য ক্রয় করেননি, কিন্তু ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে ফেসবুক অ্যামাজনের পন্য গুলোকে আপনার সামনে বারবার নিয়ে আসে। এতে করে অ্যামাজনের পন্য বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা কয়েক গুন বেড়ে যায়। কারন সময় আপনার পন্যটি পছন্দ না হলেও পরবর্তীতে আপনার ভালো লাগতেই পারে। আপনি হয়তো ইতিমধ্যেই অনেক পরিশ্রম করছেন আপনার সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য। কিন্তু তখন আপনার আর কিছুই করার থাকে না যখন ওরা আপনার সাইটে এসে কোন পন্য না কিনেই চলে যায় অথবা ইমেইল সাবস্ক্রিপশনও করে না।

ফেসবুক রিটারগেটিং এর মাধ্যমে এই ভিজিটর গুলোকে আপনার সাইটে নিয়ে পুনরায় নিয়ে আসার সুযোগ রয়েছে।

অডিয়েন্সকে কাস্টমাইজ করতে

আপনি আপনার অডিয়েন্সকে কয়েক ভাবে কাস্টমাইজ করতে পারবেন-

  • যারা আপনার সাইটে এর আগেও এসেছে।
  • যারা আপনার Opt Inপেজে এসেছে কিন্তু Opt Inকরেনি।
  • যারা আপনার Sales পেজে এসেছে কিন্তু কিছু ক্রয় করেনি।
  • যারা আপনার সম্ভাব্য কাস্টমার হতে পারে।

কোডটি কোথায় বসাতে হবে

আগের মতই Custom Audience Pixelএর কোডটি Head Tag এর মধ্যে বসাতে হবে। আপনি যে যে পেজের অডিয়েন্স ট্র্যাক করতে চান, সবখানেই কোডটি বসিয়ে দিলেই আপনার কাজ শেষ।

অ্যাড অডিয়েন্স সিলেক্ট করুন এবং রিটার্গেট করুন

  • Ads Manager  যান।
  • Tools  ক্লিক করুন  Audience সিলেক্ট করুন।
  • Create Audience সিলেক্ট করুন।
  • Custom Audience সিলেক্ট করুন।
  •  Website Traffic সিলেক্ট করুন।
  • Custom Audience এর একটি নাম দিন। একটি Website Traffic অপশন সিলেক্ট করুন। Create Audience  সিলেক্ট করুন।
  • নির্দিষ্ট কোন Keyword অথবা কোন একটি নির্দিষ্ট URL কোন কাস্টমার আসছে এইগুলোও আপনি নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন। যেমন ধরুন Salwar Kamiz নাম দিয়ে যদি কোন URL থাকে তবে সেটিতে কারা কারা আসছে তাদেরকে আপনি অডিয়েন্সের টার্গেট হিসেবে ঠিক করে দিতে পারেন।
  • কাস্টম অডিয়েন্স প্রথমে থাকে। কিন্তু ধীরে ধীরে যত ভিজিটর আসবে ততই এই অডিয়েন্স লিস্ট বড় হতে থাকবে।
  • এই অডিয়েন্স এর হিস্ট্রি থাকবে ৩০~১৮০ দিন পর্যন্ত। এই কাস্টম অডিয়েন্সকে টার্গেট করে যখন তখন অ্যাড প্রমোশন দিতে পারবেন যখন আপনি কোন একটি প্রমোশনের জন্যে অডিয়েন্স সিলেক্ট করবেন।

১৫) রিমার্কেটিং টেকনিক: 

ফেসবুক পেইড মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কোন প্রোমোশন যদি একই ব্যক্তির কাছে বার বার নিয়ে আসতে পারেন,তাহলে প্রোডাক্টটি ব্রান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। এজন্য অডিয়েন্স ধরে রাখা,তাদের কাছে বার বার মার্কেটিং করে মেসেজ পৌছে দেওয়াটাই হচ্ছে রিমার্কেটিং।

১৬) ইনফ্লুয়েন্সার হওয়া: 

কোন বিষয়ে নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে অনলাইনে মানুষের ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে পারাকে ইনফ্লুয়েন্সার বলে। ইনফ্লুয়েন্সার হলে মার্কেটিং করার কষ্ট কমে যায়। অল্প কষ্টে বেশি লাভ করা যায়। ইনফ্লুয়েন্সার হওয়ার টেকনিক জানা থাকতে হবে।

১৭) মাসিক মার্কেটিং রিপোর্ট পযবেক্ষণ: 

প্রতিটা মার্কেটিংয়ের প্রতিটা ফলাফল দেখার ব্যবস্থা রয়েছে ফেসবুকের কিছু টুলসে। সেগুলো অ্যানালাইস করতে না জেনে মার্কেটিং করলে কোন লাভ নাই। সেগুলো না জেনেই মার্কেটিং করলে অন্ধের মত সমুদ্রে হাতরানো হবে।

১৮) রিপোর্ট অনুযায়ি মার্কেটিং প্লান তৈরি: 

মাসিক রিপোর্ট অনুযায়ি পরবর্তী মাসের মার্কেটিং প্লানটা সাজাতে হয়। কোন ধরনের কনটেন্ট মানুষকে আকর্ষণ করতেছে, কোন সময়ে মানুষজন অনলাইনে বেশি থাকে সেগুলো জেনে মার্কেটিং করলে পরিশ্রম অনেক কমে যাবে, ইনকামটাও বাড়বে।

১৯) কম্পিটিটরদের অ্যানালাইস করা: 

আপনার যারা কম্পিটিটর তাদের অ্যানালাইস না করে মার্কেটিংয়ে নামলে মার্কেটিং করেতো কোন লাভ হবেনা। হতাশাটাই শুধু পাবেন। কম্পিটিটরদের থেকে আইডিয়া নিয়ে তারপর আপনার মার্কেটিং প্লান তৈরি করুন।

ফেসবুকে কোন টিউনগুলো দিলে মানুষের অ্যানগেজমেন্ট বাড়ে, কিভাবে মার্কেটিং করলে আপনার টিউন বেশি মানুষ দেখবে, কোনভাবে মার্কেটিং করলে আপনি প্রোডাক্ট সেল করতে পারবেন সেসব বিষয়েও ভালভাবে দক্ষতাটা অর্জন করার জন্য ২মাস নিজেকে সময় দিন।

ফেসবুক এড অপ্টিমাইজেশনঃ

ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য অনেক ধরনের এডভাটাইজিং প্রচলিত আছে। আছে উপস্থাপনের ভিন্নতা। আপনার পণ্য কিংবা প্রতিষ্ঠানের জন্য কোন কৌশল টি প্রযোজ্য হতে পারে তা জানতে কিছুটা সময় ব্যয় করুন। কারন সবসময় একই রকম এড এতটা আকর্ষণীয় নাও হতে পারে।
যে বিষয় গুলো অবশ্যই মনে রাখবেন-
• Grammar এর সঠিক ব্যবহার শুদ্ধ বানান নিশ্চিত করুন।
এমন ইমেজ ব্যবহার করুন যা আপনার পণ্য কে যথাযথ ভাবে উপস্থাপন করবে এবং সেই সাথে অডিয়েন্সদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।
সঠিক তথ্য দিন।

অ্যাড অপটিমাইজেশন করুন পিক্সেল দিয়ে

  • নতুন অ্যাড ক্রিয়েট করুন Power Editor অথবা Ads Create Tool থেকে।
  • “Increase Conversions on your website” অপশনটি নির্বাচন করুন।
  • যে Pixel টি তৈরি করেছেন সেটি নির্বাচন করে নিন।
  • অ্যাড টার্গেটিং এর বাকি ধাপগুলো শেষ করুন। একেবারে শেষে “Pricing and Bidding” সেকশানে “Website Conversions” নির্বাচন করে দিন। ফেসবুক স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার জন্যে আসলেই যারা সত্যিকারের ক্রেতা তাদের কাছেই দেখাবে এই অ্যাড।

যে কাজ গুলো কখনই করবেন না-

  • ইংরেজি তে কোন কনটেন্ট লিখার সময় কখনই সবগুলো CAPITAL LETTER কিংবা small letter লিখবেন না।
  • ইমেজ ব্যবহারে সতর্ক হন। পণ্যের সাথে অসংগতিপূর্ণ কোন ইমেজ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
  • ফেসবুকে স্ট্যাটাসে কিছু লিখতে পারা
  • অন্যের টিউনে টিউমেন্ট করতে পারা
  • ভাল লেখালেখি করতে পারা
  • অন্য গ্রুপে টিউমেন্ট করতে পারা
  • ফেকলাইক বৃদ্ধি করতে পারা
  • অন্যের গ্রুপে কিংবা অন্যের টিউনে গিয়ে লিংক শেয়ার করা
  • বাটপারি, মিথ্যা  প্রলোভন দিয়ে পেইজ প্রমোট করা

কার্যকরী কিছু টিপস

  • বিজ্ঞাপনে ‘’Call to action’’ অপশন টি রাখুন।
  • ‘’Contact info’’ অংশটি হাইলাইট করুন। যোগাযোগের ক্ষেত্রে ফোন নাম্বার দিলে অবশ্যই সঠিক নাম্বার দিন।
  • অডিয়েন্সদের জন্য Comment অপশন টি রাখুন।
  • অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কিভাবে মার্কেটিং করছে তা পর্যালোচনা করুন এবং নিজের পণ্য কে ফোকাস করার চেষ্টা করুন।
  • আপনি যদি একের অধিক এড একই সময়ে চালু রাখেন তাহলে প্রত্যেকটির আলাদা আলাদা Data Analyze করুন। যে বিজ্ঞাপনটির মাধ্যমে আপনি অডিয়েন্সদের কাছ থেকে বেশী Response পাচ্ছেন সেটিকে বেশী গুরুত্ব দিন। অন্যদিকে তুলনামূলক ভাবে কম সাড়া পাওয়া বিজ্ঞাপনটি সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখতে পারেন।
  • খুব ভালো একটি প্রোফাইল পিকচার ব্যাবহার করুন, যেই পিকচার দিয়ে আপনার কোম্পানিকে মানুষ খুব সহজেই চিনতে পারবে। ভালো প্রোফাইল পিকচার পেতে হলে এখানে ক্লিক করুন অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন খুব ভালো ডিজাইন পেতে হলে।
  • কাভার ফটো, পিন পোস্ট, কল টু একশন বাটন অবশ্যই আর এদের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে হবে।
  • ট্র্যাকিং ইউ আর এল + ফেসবুক ইনসাইট ইউস করুন পেইজ পারফর্মেন্স দেখার জন্য।
  • মাঝে মাঝে পেইড পোস্ট করুন অরগানিক পোস্ট বাড়ানোর জন্য। আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন খুব ভালো ভাবে টারগেটেড পেইড মার্কেটিং করতে হলে।
  • আপনার টারগেটেড অডিয়েন্স খুঁজে বের  করুন।
  • আপনার ফ্রেন্ডদেরকে ইনভাইট করুন, মেসেজ দিন, কমেন্ট করলে রিপ্লাই দিন, তাদের সাথে পেইজ শেয়ার করুন, আপনার বিজনেস কন্টাকে যারা আছে তাদের ইনভাইট করুন।
  • খুব সুন্দর এবং দরকারি কনটেন্ট পোস্ট করুন, সস্তা মার্কেটিং করবেন না,লাইক কমেন্টস অ্যান্ড শেয়ার ভিক্ষা করবেন না।
  • ভ্যালিড সিস্টেম ইউস করে কাস্টমার এটাক করার চেস্টা করুন অথবা এইঙ্গেইজমেন্ট বাড়ান

পরীক্ষা মূলকভাবে দিনের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পোস্টঃ

অধিকাংশ ব্যবসায় কোম্পানিগুলোই ফেসবুকে তাদের পোস্টগুলো ট্র্যাডিশনাল বিজনেস আওয়ারে পোস্ট করে থাকেন কিন্তু আপনার ভিজিটরদের একটা বড় অংশ বিদেশে থাকলে তখন কি হবে? সেক্ষেত্রে আপনি দিনের বা রাতের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পোস্ট করলে ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল নিয়ে আসবে ট্রায়াল এন্ড এরর এর ভিত্তিতে আপনি আপনার জন্য পোস্টের জন্য সবচেয়ে ভাল সময় টি খুজে পেতে পারেন অবশ্যই অটোমেটেড পোস্ট থেকে বিরত থাকা উচিত দরকার হলে  আপনি  ফেসবুকের শিডিউল টুলটি ব্যাবহার করতে পারেন এখানে একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে যখন একটা নতুন পোস্ট হবে আপনার অডিয়েন্স আশা করবেন যে, কেউ একজন জীবিত (জাগ্রত) আছেন সেক্ষেত্রে আপনি যখন তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের প্রশের উত্তর বা কুইরির রিপ্লাই দিতে পারবেন না , তখন তারা বুজে যাবে আপনি মৃত (ঘুমন্ত)

ভিজিটরদের কে আলোচনার সুযোগ দিনঃ

আপনি হয়ত নতুন একটি পণ্য বা নতুন কোন ডিজাইন নিয়ে আসতে চাচ্ছেন সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ফ্যানদের থেকে তাদের ফিডব্যাক নিতে পারেন আপনি হয়ত তাদের মাঝে একটা জরিপ চালাতে পারেন বা ভোটের মাধ্যমে আপনার নতুন লোগোও বা পণ্যের রং সম্পর্কে তথ্য নিতে পারেন যা আপনাকে আপনার ব্যবসাকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করবে এটা শুধু আপনার পণ্যের  ব্র্যন্ড লয়ালিটি বৃদ্ধি করবে তাই নয়, ফ্যানরা কি চাচ্ছে সে সম্পর্কেও আপনাকে ধারনা দিবে

ছবি ব্যাবহার করুনকেননা এটা বেশি দিন স্থায়ী হয়ঃ

ইমেজ সাধারণত বেশি শেয়ার করা হয়ে থাকে এক গবেষণায় দেখা গেছে  শুধুমাত্র টেক্সট বা লিঙ্ক এর চেয়ে ইমেজ  পোস্ট ৭০ গুন বেশি এনগ্যাজম্যান্ট পেয়ে থাকে এজন্য আপনাকে দামি ডি এস এল আর ক্যামেরা কিনতে হবে না আপনি আপানর স্মার্ট ফোনে ইনস্টাগ্রাম ডাউনলোড করে নিয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে স্ন্যাপ নিতে এবং আপনার ফেবুক পেজে আপলোড দিতে পারেন শেয়ার করতে পারেন ভিডিও

আপনি নিজে নিজের সবচেয়ে বড় ফ্যান হউনঃ

সাম্প্রতিক ট্রেন্ড বা ফ্যা সম্পর্কে জানতে আপনার বিজনেস পেইজের বাইরের ফেসবুক কে ভালভাবে বুঝতে হবে। তাই যদি ইতিমধ্যেই আপনার একটি ব্যাক্তিগত একাউন্ট না থাকে আপনি আজই একটি একাউন্ট খুলে নিতে পারেন। এটা আপনাকে আপনাকে ফ্যানদের চোখে আপনার ব্যবসাকে দেখার সুযোগ করে দেবার পাশাপাশি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীরা কি করছে সেটা দেখার এবং অন্যান্য ইউজার দের সম্পর্কে ধারনা নেবার সুযোগ করে দিবে।

ফেসবুকের বাইরেও আপনার ফ্যানদের সাথে যোগাযোগ রাখুনঃ

এটা আপনি একটি ইমেইল লিস্ট দিয়ে করতে পারেন আপনি ইউজারদের কে আপনার মেইল লিস্ট   নাম লিপিবদ্ধ করার জন্য তাদের কে ইনসেন্টিভ দিতে পারেন আপনার ফেসবুক পেইজে প্রাসঙ্গিক মজার কন্টেন্ট পোস্ট করুন

কল টু একশান ব্যবহার করুনঃ

যেহেতু আপনি চান না ইউজার একবার মাত্র আপনার সাইট ভিজিত করে চলে যাক, তাই আপনি আপনার পেজের ট্যাবে একটিকল টু একশানগ্রাফিক ব্যাবহার করতে পারেন এটা লাইক বাটনের পাশেলাইক আসএর মত সাধারন হতে পারে ভিজিটররা যেন খুব সহজে আপনার ফ্যান এর পরিণত হয়ে তাদের ফিডে আপনাকে এড করে তার জন্য তাদেরকে সব রকমের সুযোগ করে দিন

হাইড এন্ড সিক খেলাঃ

আপনার যা আছে তার চাহিদা তৈরি করুন ভিজিটরদের জন্য কন্টেন্ট তৈরি করুন তাহলে তারা আপনার পেইজে লাইক দিতে উৎসাহিত হবে এগুলো হতে পারে বিশেষ কোন পণ্যের তথ্য, সাক্ষাৎকার, মেনু ইত্যাদি যা কিছু আপনার ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত বেশ কিছু উপায় আছে এটা করার (সেগুলো ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে) যেমনঃ এপস অব কাস্টম এফ বি এম এল (ফেসবুক মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ) এগুলোর যে কোন কোনটা ব্যবহার করে যারা আপনার পেইজে লাইক দিবে তাদের কে ইক্লুসিভ কন্টেন্ট এক্সেস পাবার অপশান রয়েছে

সহজ ইউ আর এলঃ

আপনার বিজনেস পেজের জন্য একটি ভ্যানিটী ইউ অর এল তৈরি করতে পারেন এটা আপনার ফ্যানদের কে আপনার পেইজ টি আরও সহজে খুজে পেতে সাহায্য করবে

সাপ্তাহিক পিন পোস্ট করুনঃ

পিন্টারেস্ট এর পিন এর সাথে একে মেলাবেন না ফেসবুক আপনার ব্যাবসার কোন পোস্ট কে সপ্তাহের জন্য জন্য ফিচারড পোস্ট করে আপনার পেইজের উপরে রাখার সুযোগ দেয় তাই যে তথ্য কে আপনি চাচ্ছেন পুস করতে সেটা হতে পারে সেল , প্রমোশন বা কোন ইভন্ট সেগুলো কে আপনি পেইজের উপরে রাখতে পারেন পিন করতে আপনি নির্বাচিত পোষ্টে হোভার করে পেনসিল আইকন ক্লিক করে  “পিন টু পোস্ট”  সিলেক্ট করুন

মাইলস্টোন  প্রদর্শন  করুনঃ

শুধুমাত্র আপনার রিলেশান শিপ আপডেট বা গ্রাজুয়েশন ফেসবুক মাইলস্টোন নয় আপনি আপনার কোম্পনির বিভিন্ন অর্জন গুলোকে তুলে ধরতে পারেন সেটা হতে পারে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী, নিদিষ্ট সংখ্যক ফ্যান এর লক্ষ্য পুরন অথবা নতুন কোন পণ্য সুচনা।

পোস্টের আকার

ফেসবুক পেজে লিংক না দিয়ে পোস্ট দিলে সেটা সবচেইয়ে বেশি লাইক এবং শেয়ার হয়। এর মধ্যে যে পোস্ট গুলো সবচেয়ে বেশি লম্বা সেগুলো সবচেয়ে বেশি শেয়ার হয়।

নিজেকে সূত্র হিসেবে ব্যাবহার করা

পেইজে কোনো পোস্টে আপনি নিজেকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করুন যেমন আমি দেখেছিবা আমি বিশ্বাস করিএরকম ভাবে। এই ধরনের পোস্টে গ্রাহকের আস্থা বাড়ে এবং বেশি বেশি শেয়ার হয়।

পোস্টের সেন্টিমেন্ট

যে পোস্ট গুলো নিরপেক্ষ ভাবে লেখা হয়, মানে হল যে পোস্ট গুলো সূস্পষ্টও নয় আবার অস্পষ্টও নয় এই ধরনের পোস্ট গুলো কম লাইক পায়। নেগেটিভ পোস্ট গুলো সবচেয়ে বেশি কমেন্ট পায় পজেটিভ পোস্ট গুলোর থেকে।

পোস্টের সময়

যে পোস্ট গুলো দিনের শেষে করা হয়, সেগুলো বেশি লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার পায় কারন এই সময়ে মানুষ কাজ শেষে বাড়িতে ফেরে এবং পার্সোনাল লাইফে প্রবেশ করে। এই সময়টাকে পিক আওয়ার বলে, সাধারনত সন্ধ্যা টা থেকে রাত তা পর্যন্ত।

পোস্টের দিন

যারেলার তথ্য মতে ছুটির দিনে তথা শনি এবং রবিবারে পোস্ট গুলোতে বেশি বেশি লাইক, শেয়ার এবং কমেন্ট হয়। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই সময়টা হবে শুক্র এবং শনিবার।

ফেসবুকে মার্কেটিং বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। ছোট ব্যাবসা থেকে শুরু করে বড় বড় ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গুলো ফেসবুকে তাদের পন্যের প্রচারনা চালিয়ে সফল হচ্ছে। তবে এই মার্কেটিং এর জন্যেও পরাশোনা করতে হবে কারন আপনি আপনার ব্যাবসার জন্যে কাস্টমার খুজতে বের হয়েছেন।

 

...........................................তথ্যঃ ওয়েব, সংকলকঃ জিয়া, তারিখঃ ০৫/০৬/২০১৭ ইং

Sign in to follow this  


1 Comment


Recommended Comments

Thanks for sharing the ideas with us. If any company follow these rules and tactics surely they will get the desired results. 
Besides, we are providing the best website development service in Bangladesh since 2011. We have been working for a long time and dealing with the clients face to face. I think we could help or provide the service customer wants.

Share this comment


Link to comment

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now



×