Jump to content
News Ticker
  • News ticker sample
  • News ticker sample

Leaderboard


Popular Content

Showing content with the highest reputation since 04/10/2017 in all areas

  1. 4 points
    আপওয়ার্ক বাংলাদেশ ফোরাম এ আপনাকে স্বাগতম। বাংলাদেশের অনলাইন প্রফেশনালদের সাহায্য করার জন্যই আমাদের এই আয়োজন। আশা করি এইখানে আপনাকে একজন ব্লগার হিসাবে পাব। ফোরাম টির উন্নয়নে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।
  2. 4 points
    Looking fo data entry worker.... Benefits: - Work while at home - Part time or Full time - Very simple work - Unlimited income Requirements: - Must have a computer - Internet connection - Fast working speed NO TO SCAM ❌ 100% LEGIT 💯 TAKE A STEP TO THE KEY OF SUCCESS 🔑 EARN UNLIMITED INCOME! 💰💰💰 For details information, call - 01715234294, 01681180108
  3. 2 points
    সম্প্রতি আপওয়ার্ক কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড/সাসপেন্ডেড/হোল্ড হওয়ার প্রবনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে; বোঝাই যাচ্ছে আপওয়ার্ক নিরাপত্তাজনিত কারনে তাদের কন্ট্রাক্টরদের প্রতি আরোপ করা নীতিমালা আগের তুলনায় আরো কঠোরভাবে পালন করছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান আর ফিলিপাইনের বেশ কয়েকজন কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকই ১০০০ ঘন্টারও অধিক কাজ করেছেন। আসলে আপওয়ার্ক এই সাসপেনশন প্রক্রিয়া শুরু করেছিলো প্রায় ৩ বছর আগেই, যখন মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল। আপওয়ার্কের এত কঠোরতার কারনঃ সম্প্রতি আপওয়ার্ক বাংলাদেশের কয়েকজন হাই প্রোফাইলড কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে। আপওয়ার্ক কোন কারন ছাড়া নিশ্চয়ই এত ভালো কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করবে না। অনেকই দোষ দিচ্ছেন আপওয়ার্ককে, কিন্তু তা ঠিক নয়।অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানে জন্য কন্ট্রাক্টরদের বিহেভিয়ারই বহুলাংশে দায়ী| আপওয়ার্ক টার্মস এন্ড পলিসি সম্পর্কে অজ্ঞতা অথবা ইচ্ছাকৃত অবহেলা-ই অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে| সুতরাং নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়েই ক্ষেত্রবিশেষে তাদের নিবন্ধিত কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড/সাসপেন্ডেড/হোল্ড করে থাকে। অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানের কারন ও প্রতিকারঃ আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার পেছনে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট কারন রয়েছে| আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের নিম্নোক্ত বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে, ফলে অনাকাঙ্খিত অ্যাকাউন্ট ব্যানিং/সাসপেনশন/হোল্ড্স থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে| ক) এক পিসি থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলাঃ একই পিসি বা আইপি থেকে একাধিক আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট তৈরী করা আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট ব্যানড হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। ভেবে দেখুন যারা প্রফেশনাল, তারা নিজের কাজ করে নিজের পিসিতেই এবং প্রফেশনালরা কখনই নিজের স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিজের পিসি থেকে অন্যথা ব্যবহার করবে না। আবার নিজের আইপি থেকে অন্য আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্টধারীর অ্যাকাউন্টেও লগ-ইন করা যাবেনা, ক্লায়েন্টের অ্যাকাউন্টেতো (যেকোনো প্রয়োজনে, এমনকি ক্লায়েন্ট চাইলেও) নয়-ই| খ) অন্যের প্রোফাইল নকল করাঃ একজন ভালো মানুষ হিসেবে আপনি অবশ্যই অন্য একজন মানুষের কোন জিনিস নকল করতে চাইবেন না। আপনি অন্য কাউকে অনুসরণ করতে পারেন মাত্র, অনুকরণ নয়। কিন্তু হায় অনেক বাংলাদেশি কনট্রাক্টর বড় বড় প্রোফাইলড কনট্রাক্টরদের আপওয়ার্ক প্রোফাইল পুরোপুরি নকল করে ফেলেন। কোন সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরে একই ধরনের কোন উত্তর যখন কোন শিক্ষক পান তখন তিনি নিজেই বুঝে নেন, এখানে কোন ঘাপলা আছে। তেমনি আপনি যখন কোন কনট্রাক্টর-এর প্রোফাইল এ রাখা কনটেন্টগুলো নিজের প্রোফাইলে রাখবেন সেগুলো কোন না কোন সময় কারো না কারো চোখে পড়বে।পাশাপাশি আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিষয়টি সনাক্ত করতে পারে। আর এই রকম পেলে অব্যশই ব্যবস্থা নিবে আপওয়ার্ক। গ) পোর্টফোলিও আইটেম চুরিঃ পোর্টফলিও বলতে আমরা বুঝি আগে করা কাজগুলোর আর্কাইভ। আপনি যদি কারো আইটেম চুরি করে নিজের বলে চালিয়ে দেন সেটা ঘৃন্য অপরাধ। অনেক নতুন কনট্রাক্টরদের দেখলাম ভালো মানের আইটেম অন্য কোন কনট্রাক্টর এর প্রোফাইল থেলে চুরি করে নিজেরটায় বসিয়ে দেন। উদাহরণস্বরূপ যখন কেউ আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট খুলে তখন তাকে ১০০ ভাগ প্রোফাইল কমপ্লিট করতে বলা হয়। নতুন কনট্রাক্টরদের প্রোফাইল ১০০ ভাগ পূর্ন করার জন্য অন্যের আইটেম চুরি করতে দেখা যায়। উপদেশ হল এ রকম না করে নিজে কোন ডেমো কাজ করে অন্তত নিজের একটাই দিন। অন্যেরটা দেয়া মানে আপনি কাজ জানেন না, জানলে নিজে না করে চুরি করবেন কেনো? ঘ) কাভার লেটার স্পামিংঃ আমাদের মধ্যে এক ধরনের অলসপ্রবণতা কাজ করে; আবার সেটা ইংরেজি ভাষায় দূর্বলতার জন্যও হতে পারে। বলাবাহুল্য, ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর কাজ করতে ইংরেজীতে পারদর্শী হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত প্রজেক্টের চাহিদা বুঝা এবং সে অনুযায়ী ক্লায়েন্টের সাথে সাবলীলভাবে যোগাযোগ করার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট ব্যানড হওয়ার অন্যতম কারণ কাভার লেটার স্প্যামিং, যাকে সোজা বাংলায় কপি-পেস্ট বলে। নিচে এ নিয়ে একটু বিস্তারিত লিখলামঃ • প্রত্যেকটা জব পোষ্টে ক্লায়েন্ট যেমন ভিন্ন থাকে তেমন তাদের রিকোয়ারমেন্টও আলাদা থাকে। অনেকে ব্লগে বা অন্য কোথাও পড়ে অথবা নিজেই নির্দিষ্ট একটা কাভার লেটার বানিয়ে রাখেন। মনে মনে ভাবেন বার বার এত কষ্ট করার কি আছে? একটাই দিলাম সব জায়গায়। এটা এক ধরনের মূর্খামি! প্রত্যেকটা প্রশ্নের যেমন আলাদা উত্তর থাকবে তেমনি প্রতিটা জবের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী কাভার লেটারও ভিন্ন হবে। • বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আপনি অনেক আইডিয়া পাবেন কাভার লেটার নিয়ে, স্যাম্পলও পাওয়া যাবে। আপনি সেগুলো দেখে ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী নিজেরটা তৈরি করে নিবেন। ভুলেও সেগুলো কপি করে চালিয়ে দিবেন না। কাজতো পাবেনই না বরঞ্চ খারাপ ক্লায়েন্ট হলে আপনার নামে নালিশ করে দিবে আপওয়ার্ক-এর কাছে। সাধারনত কাভার লেটার যেমন হয়ে থাকে- Hi/Dear + ক্লায়েন্ট এর নাম/Hiring Manager, আপনার সম্পর্কে কিছু আর জবের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী কিছু প্রশ্ন শেষে আপনার নাম, যেমনঃ Best Regards Sumon ঙ) কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ারঃ আপওয়ার্ক পলিসিতেই দেয়া আছে মার্কেটপ্লেসে কোন ধরনের কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করা যাবে না। শুধুমাত্র আপওয়ার্ক ম্যাসাজিং এর মাধ্যমে সব কিছু ম্যানেজ করা। কিন্তু অনেক ক্লায়েন্ট জব পোষ্টে বলে দেয় স্কাইপ আইডি দিতে। সাধারনত তারা পুরো পলিসি না বুঝেই জবটা পোস্ট করে থাকে। আবার কিছু দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় স্কাইপের মাধ্যমে যোগাযোগ ছাড়া জব এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। সেক্ষেত্রে আপনি ইহা সুকৌশলে এড়িয়ে যান। ক্লায়েন্টকে বলুন আপনার স্কাইপ আইডি আছে কিন্তু আপওয়ার্ক পলিসি কোন কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করতে বলে না। সে যদি চায় তাহলে আপনি দিতে পারনে কিন্তু তা ম্যাসেজ-এ দিবেন এবং যত ফিন্যান্সিয়াল ডিল হবে তা ১০০ ভাগ আপওয়ার্কে অন্য কোথাও নয়। যদি ক্লায়েন্ট আপনার প্রতি ইন্টারেস্টেড হয় তাহলে সে নিশ্চিত ভাবে আপনার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করবে। এই পদ্ধতিতে সাপও মরবে লাঠিও ভাংগবে না। আপওয়ার্ক এই কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করার জন্য আপনাকে জবাবদিহি করতে বললে তখন আপনি বলবেন ক্লায়েন্টের যোগাযোগের সুবিধার্থেই আপনি তাকে কন্টাক্ট ইনফরমেশন দিয়েছেন এবং যত কিছুই লেনদেন হয়েছে তা আপওয়ার্কের বাইরে নয়। চ) মাত্রারিক্ত ম্যানুয়াল আওয়ার যোগ করাঃ আপনার ক্লায়েন্ট নতুন অথবা কাজ দেয়ার পর কোন কারনে Hourly Limit সেট করে নাই, আপনি সেই সুযোগের ফায়দা উঠালেন। ট্র্যাকার দ্বারা কাজের সময় গুলো ট্র্যাক না করে নিজের ইচ্ছা মত বসিয়ে দিলেন Manual Hour অ্যাড এর মাধ্যমে। সপ্তাহ শেষে ক্লায়ন্টের কাছে মেইল গেল আপনার সুকর্মের। সব ক্লায়েন্টই আপওয়ার্ক-সাপোর্ট নামে একটা জিনিষ আছে সেটা জানে, তারা ভদ্রভাবে দিল টিকেট ওপেন করে। ডিস্পুট করলে হয়ত আপনার রিফান্ড করার অপশন থাকত কিন্তু এই অসাধু কাজের ফলে আপওয়ার্ক বুঝবে তার মান সম্মান আপনি নষ্ট করছেন। আর শুরু হবে আপনার উপর গজব। আপনি ম্যানুয়ালি করা কাজগুলোর বিল তখনই যোগ করতে পারবেন যখন আপনার ক্লায়েন্টের সাথে আপনার মধুর সম্পর্ক থাকবে। ছ) বায়ারের সঙ্গে বাকবিতন্ডা করাঃ বায়ার যদি আপনার সাথে কোন রকম ভেজাল বা ঝগড়া করে তাহলে নিজে আ্যকশনে যাবার কোন দরকার নেই। বায়ারের সাথে কোন রকম বাকবিতন্ডা করবেন না। কারণ বায়ারের নেগেটিভ কমপ্লিমেন্ট আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে আপনি বায়ারের সকল উল্টা পাল্টা কর্মকান্ডের স্ক্রীনশট, তথ্য-প্রমানাদি সংরক্ষন করুন এবং ঠান্ডা মাথায় আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিন। অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ বায়ারদের অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ একই সাথে যাদের কন্ট্রাক্টর ও ক্লায়েন্ট অ্যাকাউন্ট আছে তাদের যেকোন একটি অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হলে অন্যটিও হবে। বায়ার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড না হতে নিচের টিপসগুলো মেনে চলুনঃ • আপনারা আপনাদের নিজস্ব কোন টিম মেম্বারকে হায়ার করবেন না। যদি এজেন্সি হয়ে থাকে। • ভুয়া পেপাল আইডি পেমেন্ট মেথড হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ বায়ারদের কার্ড অথবা অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকলে কাজ হোল্ড হয়ে যায় এবং কার্ড এ টাকা লোড হওয়া মাত্রই সব কিছু আগের মত ঠিক হয়। কনট্রাক্টরদের ক্ষেত্রে কোন অনগোয়িং জবে ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগ না রাখলে অথবা কায়েন্ট এর ম্যাসাজের উত্তর না দিলে যদি ক্লায়েন্ট সার্পোর্ট সেন্টারে জানায় তাহলে আপওয়ার্ক টিম কনট্রাক্টর এর ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে কিছু দিনের জন্য। যা সাপোর্ট সেন্টারে যোগাযোগ ও কারন দর্শানোর পর তুলে নেয়া হয়। পরিসংহারঃ সবশেষে, একজন প্রোফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কিভাবে কাজ করবেন তার জন্য কিছু টিপস যা হয়ত আপনার কাজে লাগবে অনেক। শুধু আপওয়ার্ক নয় অন্য যেকোন মার্কেটপ্লেসের জন্য আপনি এই টিপস গুলো অনুসরণ করতে পারেন। • সম্পূর্ণ কাজকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করুন এবং প্রতিটি ধাপ শেষ হবার পর পর ক্লায়েন্টকে দেখান। • ডেডলাইন সময় শেষ হবার পূর্বেই সম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করুন এবং ক্লায়েন্টের কাছে পাঠিয়ে দিন। • ক্লায়েন্টের কাছে কাজ পাঠানোর পূর্বে ভাল করে রিকোয়ারমেন্ট আরেকবার দেখে নিন এবং সম্পূর্ণ কাজ ভাল করে পরীক্ষা করুন। • কাজে এবং কথাবার্তায় সবসময় সৎ থাকতে হবে। কখনও ভুল তথ্য প্রদান করা যাবে না। কোন কারনে কাজ করতে না পারলে বিষয়টি ক্লায়েন্টকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিন, বেশিভাগ ক্ষেত্রেই ক্লায়েন্টের কাছ থেকে যথাযথ সহায়তা পাওয়া যায়। • সব সময় চেষ্টা করবেন যাতে কাজ শেষে সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া যায়। ভাল রেটিং পেলে পরবর্তী কাজগুলো খুব সহজেই পাওয়া যায়। • ভাল রেটিং পাবার উপায় হচ্ছে – সঠিকভাবে কাজটি করা, সময়মত কাজটি শেষ করা, ক্লায়েন্টের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা। • রেটিং দেবার পূর্বে ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞেস করে নিন যে সে আপনার কাজে সম্পূর্ণ খুশি কিনা এবং আপনাকে সর্বোচ্চ রেটিং দিতে যাচ্ছে কিনা। Source: freelancerstory
  4. 2 points
    Busy with my family :). it will take more one week to come back
  5. 2 points
    আমি অথনীতি খুব ভাল বুঝি না। তবে এটা খুব ভাল করে বুঝেছি আমাদের অথনীতি নিয়ে কেউ শেয়ার বাজারের মত খেলছে। ডলার দাম বাড়াটা ভাল হলেও হঠাত করে বাড়াটা অনেকটা জুয়ার মতই অঘটন। যারা বিদেশ থেকে রেমিটেন্স পাঠাচ্ছে বা ফ্রীলান্সীং করছে তাদের জন্য সাময়িত আনন্দের হলেও বিষয়টা ততটা আনন্দের জন্য নয় বরং তার থেকেও দুঃখের।আপনার আমার কাছে 500-1000 ডলার সেল করে হয়ত সাময়িক 5000-7000 বেশী কামিয়ে নিলেন কিন্তু একবারও কিভেবে দেখেছি কেন হঠাত করে ডলারের দাম বাড়ে আবার হঠাত করে পরে যায়? আপনাদের কি মনে হয় না কোন একটা চক্র কোটি কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছে এর ফাক দিয়ে। মনে করেন আগামী 1 ঘন্টায় দেশে মোট আমদানি হল 30হাজার কোটি ডলার তাহলে এই ডলারের বিনিময় আপনার কাছ থেকে কত টাকা নেয়া হচ্ছে। আমার দেশের টাকাকে পানি বানিয়ে ফেলা হয়েছে। হঠাত করে কি এমন আমদানি করা হচ্ছে যে ডলার ক্রাইসিস তৈরি হল। যার ঘটে-বান্ডে যা আছে সব সেল করার পরও এর দাম কমছে না। তাহলে আমাদের কি করা উচিত? ইউনিলিভার এর মত যত বিদেশী কোম্পানী আছে ওদের তেল সাবান বেশী বেশী ব্যবহার করা উচিত? আমরাতো এখন টয়লেট টিস্যুটাও বিদেশী না হলে ইউস করি না।দেখেন ভাই ডলার বেশী দামে সেল করেও লাভ হবে না যখন বাজেরে গিয়ে দেখবেন চালের দাম কেজি 100 টাকা হয়ে গিয়েছে। যখন বিদেশীরা প্রযুক্তির নামে নিত্য নতুন অপ্রয়োজনীয় জিনিস আপনার আমার মাথার উপর চড়িয়ে দিয়ে দেশের টাকা কে পানি বানিয়ে ওরা হাজার হাজার ডলার বের করে নিবে তখন বিদেশ গিয়ে অন্নের বেড়া-ছাগল পাহাড়া দিয়ে, খেজুর বাগানের কাজ করে, রাতভর চোক্ষু লাল করে কম্পিউটার চালালেও কাজ হবে না। সবার আগে দেশ নিয়ে জুয়া খেলা বন্ধ করতে হবে। আমি সবচেয়ে বেশী ঘৃণা করি জুয়ারিদের যারা টাকার জন্য তার মাকেও বিক্রি করে দিতে পারে।
  6. 2 points
    আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের কাছে পিসির জন্য এমন একটি সফটওয়্যার নিয়ে এলাম যা দিয়ে আপনারা আপনাদের pc/laptop এ androoid গেম খেলা বা অন্যান্য অ্যাপ চালাতে পারবেন। আপনারা নিশ্চয় বিশ্বাস ই করতে পারছেন না । কিন্তু এটাই সম্ভব করে দেখিয়েছে 300 mb এর এই সফটওয়্যার টি। আমি অনেকদিন থেকে এটা দিয়ে গেম খেলছি। আজ আপনাদের জন্য শেয়ার করছি। ANDROID খুব জনপ্রিয় একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। অনেকেই এখনও সিম্বিয়ান অথবা জাভা ANDROID কেনার আশা মনের মধ্যে পুষে রেখেছেন। আপনার ডেক্সটপ আর ল্যাপটপ এখন ANDROID অপারেটিং সিস্টেম চলবে। কিন্তু এটা কোন অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে না, এমুলেটর এর মত করে চলবে। তবে আপনি পাবেন ANDROID এর সব মজা। আমি ব্যবহার করেছি তাই বলতে পারি সফটওয়্যার টি চলবে। সফটওয়্যার টি একটি ফ্রী ওয়্যার। আপনাকে এটি রেজিস্টার করা নিয়ে টেনশন করতে হবে না। অনেক এ সফটওয়্যার টি সম্পর্কে জেনে থাকবেন। যারা জানেন না এখন জেনে নিন। ডাউনলোড লিঙ্ক <a href="https://userscloud.com/rzq2fcp3tz5o">server1</a> জানার বিষয় নিন্মে ২ জিবি রেম লাগবে সফটওয়্যার টি চালাতে! আপনার পিসি এর রেম যতই থাকুক এটি ৭০০-৮০০ এমবি রেম ব্যবহার করে। যদি antivirus ভুলে একে adware ডিটেক করে তবে antivirus কিছু সময়ের জন্য অফ রাখবেন।
  7. 2 points
    গ বা সাইট এর ভিজিটর বাড়ানোর জন্য এস.ই.ও. (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন) খুবই গুরুত্বপূর্ণ যার কারনে অনেক নতুন ব্লগাররাই ব্লগিং এ সফল হতে পারেন না। এস.ই.ও. কে মুলত দুইটা ভাগে ভাগ করা হয়েছে, অন-পেজ এস.ই.ও. এবং অফ-পেজ এস.ই.ও.। আপনার ব্লগের পরিপূর্ণ এস.ই.ও. এর জন্য দুইটাই খুবই গুরুত্ব বহন করে। যদি একটি ভালো-ভাবে করেন আর অন্যটি না করেন তাহলে আপনে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভালো ভিজিটর পাবেন না। ১. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করুন সার্চ ইঞ্জিন থেকে অনেক পরিমান ট্রাফিক এবং ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। জনপ্রিয় কিছু সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, পিন্টারেস্ট ইত্যাদি সাইটগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই অনেক রেফারেল ট্রাফিক পাওয়া যায়। আপনি শুধু মাত্র এই সাইটগুলাতে ভালোভাবে প্রোফাইল তৈরী করুন এবং আপনার প্রোফাইলকে ভালোভাবে সাজান। অন্যান্য ব্লগারদের সাথে যুক্ত হোন এবং তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন। তাদের মতামত জানার চেষ্টা করুন। প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগ এর নতুন নতুন পোষ্ট এর লিঙ্কগুলো শেয়ার করুন। ২. ব্লগ কমেন্টিং মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক এবং সেই সাথে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য ব্লগ কমেন্টিং একটি কার্যকর উপায়। আপনি খুব সহজেই ব্লগ কমেন্টিং এর মাধ্যমে অনেক মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক করতে পারবেন যা আপনার ব্লগ এর কীওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করতে অনেক সাহায্যে করবে। সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ এর সিমিলার কিছু ব্লগ খুঁজে বের করুন যাদের পেজ র‍্যাঙ্ক, এলেক্সা রেঙ্ক, ডোমেইন অথরিটি ভালো; তারপর নিয়মিত সেই ব্লগ গুলাতে কমেন্ট করুন। মনে রাখবেন, কমেন্ট করার সময় স্পাম করবেন না, সবসময় গঠনমূলক কমেন্ট করবেন, তাহলেই আপনার কমেন্ট এপ্রুভ হবে। ৩. ডিরেক্টরি সাবমিশন আপনার ব্লগ এর কীওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য এবং মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য ডিরেক্টরি সাবমিশন এখনো অনেক গুরুত্ব বহন করে। ডিরেক্টরি সাবমিট করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে ডিরেক্টরি গুলার এলেক্সা র‍্যাঙ্ক, পেজ র‍্যাঙ্ক এবং ডোমেইন অথরিটি যাতে ভালো হয় (ডোমেইন অথরিটি যাতে ২০ এর কম না হয়)। যদি সম্ভব হয় তাহলে প্রতিটা ডিরেক্টরি এর জন্য ভিন্ন-ভিন্ন মেটা-ডিসক্রিপসন, মেটা কীওয়ার্ড আর ডিসক্রিপশন ব্যবহার করবেন। তাহলে খুব তাড়াতাড়ি আপনার লিঙ্ক এপ্রুভ হবে এবং সার্চ ইঞ্জিন থেকে দ্রুত ভালো ভিজিটর পাবেন। ৪. সোশ্যাল বুকমার্কিং ব্লগে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল বুকমার্কিং আরেকটি জনপ্রিয় উপায়। এর মাধ্যমে খুব সহজে এবং দ্রুত আপনে কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক পাবেন এবং সাথে সাথে আপনি অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন। ভালোমানের কিছু সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইট এর রেজিস্ট্রেশন করুন এবং সম্ভব হলে আপনার ব্লগ এর প্রতিটা পোষ্ট শেয়ার করুন। ৫. ফোরাম পোষ্টিং ফোরাম পোষ্টিং একটি পুরাতন অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা এখনো অনেক জনপ্রিয়। ফোরাম পোষ্ট এবং সিগনেচার থেকে খুব সহজেই ব্যাকলিঙ্ক পাওয়া যায় যা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়াতে সাহায্য করে। অনেকেই বলে সিগনেচার লিঙ্ক স্পাম হিসেবে গণ্য করা হয়, কিন্তু আপনি যদি গঠনমূলক পোষ্ট এবং ফোরামে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন তাহলে সিগনেচার লিঙ্ক স্পাম হিসেবে ধরা হয় না। ৬. আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাবমিশন আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাবমিশন ও একটি পুরাতন টেকনিক, এটি যদি আপনি ঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে এখনো ভালো কাজে দেয়। আর্টিকেল সাবমিশন এর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক এবং অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন। ৭. গেষ্ট পোষ্টিং গেষ্ট পোষ্টিং নতুনদের জন্য কিছুটা কঠিন হলেও একটি অনেক কার্যকরী একটি উপায়। এই সাহায্যে অনেক ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক এবং সেই সাথে অনেক রেফারেল ভিজিটর পাওয়া যায়। গেষ্ট পোষ্টিং এর সময় অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনে যে ব্লগে গেষ্ট পোষ্ট করবেন সেই ব্লগ যাতে আপনার ব্লগ নিচে এর অনুরূপ হয়। ৮. আর.এস.এস. ফিড ডিরেক্টরি সাবমিশন আর.এস.এস. ফিড ডিরেক্টরি ভালোমানের ব্যাকলিঙ্ক এর জন্য ভালো একটি উৎস। সার্চ ইঞ্জিন এর সাহায্যে ভালো পেজ র‍্যাঙ্ক এবং এলেক্সা র‍্যাঙ্ক এর কিছু ফিড ডিরেক্টরি খুঁজে বের করুন তারপর সেই ডিরেক্টরিগুলোতে আপনার ব্লগ এর ফিড লিঙ্ক অথবা ব্লগ লিঙ্ক সাবমিট করুন। আপনার ব্লগে যখন নতুন পোষ্ট প্রকাশ করবেন তখন ফিড ডিরেক্টরি সয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পোষ্ট তাদের ডিরেক্টরিতে প্রকাশ করবে। ৯. লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ আরেকটি পুরাতন অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা এখনো কার্যকরি যদি আপনি ঠিকমত করতে পারেন। কিছু থার্ড-পার্টি সাইট আছে যেগুলার সাহায্যে আপনি অন্যান্য ব্লগ/সাইট এর সাথে লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন। লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ এর সময় মনে রাখবেন, আপনে যেই সাইট/ব্লগ এর সাথে লিঙ্ক একচেঞ্জ করতেছেন সেটা যাতে আপনার ব্লগ এর সিমিলার হয়। ১০. ভিডিও মার্কেটিং ভিডিও মার্কেটিং বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা দিয়ে সহজেই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানো সম্ভব। আপনার ব্লগ রিলেটেড কিছু ভিডিও তৈরি করুন তারপর সেইগুলা ইউটিউভ, ভিমো বা অন্যান্য ভিডিও শেয়ারিং সাইট এ পাবলিশ করুন। এতে করে আপনে মান-সম্মত ব্যাকলিঙ্ক ও পাবেন সাথে সাথে রেফারেল ভিজিটর ও পাবেন। আজ এ পর্যন্তই। some blog bd
  8. 2 points
    বাংলাদেশ থেকে কি ইউএসএর কাজ করা যায়? নাকি ইউএস এ ঠিকানা ব্যবহার করতে হয়? এউএস ব্যাংকে এউএস ঠিকানায় ব্যাংক একাউন্ট করতে হবে?
  9. 2 points
    I just signed up on the prelaunch/waitlist for this awesome new file sharing service! Please help me by signing up! https://t.co/ixkmdP26hA
  10. 1 point
    ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ধরনের ডাটা একটি স্থান/প্রোগ্রাম থেকে অন্য আরকটি স্থানে/প্রোগ্রামে প্রতিলিপি তৈরি করা। ডাটাগুলো হতে পারে হাতে লেখা কোন তথ্যকে কম্পিউটারে টাইপ করা অথবা কম্পিউটারের কোন একটি প্রোগ্রামের ডাটা একটি স্প্রেডশীট ফাইলে সংরক্ষণ করা। কম্পিউটার ব্যবহারের শুরু থেকেই ডাটা এন্ট্রির ধারনা চলে এসেছে। বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে তথ্যের আদান প্রদান বিস্তৃত হয়েছে, সেই সাথে বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের ডাটাকে সুবিসন্নস্ত করে এর বহুবিধ ব্যবহার। তাই দক্ষ ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এধরনের কাজগুলো একা বা দলগতভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের সাধারণ ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে যে কেউ এই ধরনের কাজ করে ঘরে বসেই বৈদিশিক মুদ্রা আয় করতে পারে। কোথায় পাওয়া যাবে: ডাটা এন্ট্রি এর কাজগুলো সাধারণ ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস সাইটেই পাওয়া যায়। অনেক ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যাতে বলা হয় বিপুল পরিমাণে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ পাওয়া যাবে। কিন্তু ওই সাইটে রেজিষ্ট্রশন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়। যেহেতু রেজিষ্ট্রেশন করার পূর্বে আপনি জানতে পারছেন না সত্যিই ওই সাইটে কাজ পাওয়া যায় কি না, তাই এই ধরনের সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা থেকে বিরত থাকাই ভাল। বিনামূল্যে রেজিষ্ট্রেশন করে ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় এরকম সাইট হচ্ছে – www.GetAFreelancer.com, www.oDesk.com, www.GetACoder.com, www.ScriptLance.com ইত্যাদি। এই সাইগুলোতে ডাটা এন্ট্রি কাজের আলাদা বিভাগ রয়েছে। সাইটগুলোতে কয়েকশত ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলারের প্রজেক্ট রয়েছে। সাধারণত ‘প্রতি একহাজার ডাটা এন্ট্রির জন্য একটি নির্দিষ্ট ডলার’ এই ভিত্তিতে কাজ পাওয়া যায়। অনেকক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেয়া হয়। প্রয়োজনীয় দক্ষতা: ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্টে বিভিন্ন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হয় যা একটি প্রজেক্টের উপর নির্ভর করে। অনেক ধরনের প্রজেক্ট পাওয়া যায় যাতে শুধুমাত্র কপি-পেস্ট ছাড়া আর কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। তবে সাধারণভাবে যে দক্ষতাগুলো সবসময় প্রয়োজন পড়বে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – দ্রুত টাইপিং করার ক্ষমতা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও বিশেষ করে মাইক্রোসফট এক্সেলে পরিপূর্ণ দখল এবং সর্বোপরি ইংরেজিতে ভাল জ্ঞান। তার সাথে রয়েছে ইন্টারনেটে সার্চ করে কোন একটি তথ্য খোঁজে পাবার দক্ষতা এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট, ফোরাম, ওয়েব ডাইরেক্টরী সম্পর্কে ভাল ধারণা। ডাটা এন্ট্রি কাজের প্রকারভেদ: ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে যেসকল ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ফাইল, ছবি ইত্যাদি আপলোড করা, বিভিন্ন সাইট থেকে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য এক্সেলের একটি ফাইলে সংরক্ষণ করা, ওয়েবসাইটের জন্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা, একটি ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফোরাম, গ্রুপে গিয়ে পরিচয় (Promote) করিয়ে দেয়া, দুটি ওয়েবসাইটের মধ্যে লিংক আদান প্রদান করা (Link Exchange), অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে সাহায্য করা, OCR (অপটিক্যাল কারেক্টার রিকগনিশন) থেকে প্রাপ্ত লেখার ভুল সংশোধন করা ইত্যাদি। নিচে ওডেস্ক এবং গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার সাইটে গত নভেম্বর মাসে প্রাপ্ত কয়েকটি প্রজেক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল: ১) লোকাল বিজনেসের তথ্য প্রদান: এই প্রজেক্টে বায়ারের (Buyer) রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে ইন্টারনেটে সার্চ করে যুক্তরাজ্যের একটি নির্দিষ্ট শহরের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি তথ্য প্রদান করা। বায়ার এই তথ্যগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং কাজে ব্যবহার করবে। এই প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে প্রকৃতপক্ষে ইন্টারনেটে ওই শহরের নাম দিয়ে সার্চ করতে হবে এবং প্রাপ্ত তথ্য একটি এক্সেল ফাইলে সেইভ করে বায়ারকে প্রদান করতে হবে। প্রজেক্টে বায়ারের বাজেট হচ্ছে ৫০ ডলার। তবে ঠিক কতটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রদান করতে হবে এবং কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সে বিষয়ে কোন ব্যাখ্যা দেয়া নেই। ২) ওয়েবসাইট থেকে ডাটা সংগ্রহ করা: এই প্রজেক্টে বায়ার কয়েকটি ওয়েবসাইটের তথ্য দিয়ে দিবে। প্রোভাইডার হিসেবে আপনার কাজ হবে ওই সাইটগুলো থেকে নির্দিষ্ট কিছু ডাটা আরেকটি ওয়েবসাইটের ফরমের মধ্য সেইভ করা। প্রতি ঘন্টায় এরকম ২০০ টি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে, অর্থাৎ প্রতি ১৮ সেকেন্ডে একটি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজটি করার জন্য কোন বিশেষ অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, শুধু মাত্র কপি এবং পেস্ট করা জানলেই হবে। সম্পূর্ণ কাজের জন্য বায়ারের বাজেট হচ্ছে ১২০ ডলার। ৩) অডিও ট্রান্সক্রিপশন: এই প্রজেক্টে বায়ার পূর্বে রেকর্ডকৃত কয়েকটি অডিও (Audio) ফাইল দিবে। আপনার কাজ হবে অডিও শুনে ইংরেজিতে একটি ফাইলে লেখা বা প্রতিলিপি তৈরি করা। প্রতি ঘন্টার অডিও ফাইল প্রতিলিপির জন্য ২০ ডলার দেয়া হবে। এই কাজের জন্য ইংরেজিতে অবশ্যই পারদর্শী হতে হবে। ৪) ডকুমেন্ট কনভার্শন: এই প্রজেক্টে আপনাকে PDF ফরমেটের একটি ডকুমেন্ট ফাইল দেয়া হবে। আপনার কাজ হবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ওই লেখাগুলো হুবহু প্রতিলিপি করা। অর্থাৎ পিডিএফ এর লেখাটির ফরমেট, ছবি, ফুটনোট ইত্যাদি অপরিবর্তিতভাবে ওয়ার্ড ফাইলে প্রতিস্থাপন করা। এই কাজের জন্য গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে ২৭ টি বিড পড়েছে এবং গড় মূল্য হচ্ছে ৬৫ ডলার। ৫) ক্লাসিফাইড এড লিস্টিং: এই প্রজেক্টটি হচ্ছে একটি ক্লাসিফাইড বা শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের ওয়েবসাইটে নতুন নতুন বিজ্ঞাপন যোগ করা। এজন্য Craigslist, Amazon, Ebay ইত্যাদি সাইট থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের তথ্য ওই ওয়েবসাইটটিতে যোগ করতে হবে এবং একটি এক্সেল স্প্রেডশীট ফাইলে এই তথ্যগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। তারপর পণ্যটির বিক্রেতার কাছে ইমেলই করে তাকে ওয়েবসাইটি সম্পর্কে জানাতে হবে। এরকম ৫০০ টি পণ্যের ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজের জন্য বায়ারের সর্বোচ্চ বাজেট হচ্ছে ২৫০ ডলার। ৬) ক্যাপচা (Captcha) এন্ট্রি: ক্যাপচা হচ্ছে কয়েকটি অক্ষর ও সংখ্যার সমন্নয়ে একধরনের সিকিউরিটি কোড বা ছবি যা বিভিন্ন সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার সময় প্রদান করতে হয়। কোন প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে কেউ যাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি সাইটে রেজিষ্ট্রেশন বা ফরম পূরণ করতে না পারে এজন্য এটি ব্যবহার করা হয়। গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে প্রাপ্ত এই কাজে দুইদিনের মধ্যে 36K বা ৩৬,০০০ হাজার ক্যাপচা এন্ট্রি করতে হবে। প্রতি 1K বা এক হাজারটি এন্ট্রি করার জন্য ১ ডলার দেয়া হবে অর্থাৎ মোট প্রজেক্টের মূল্য হচ্ছে ৩৬ ডলার। যেহেতু একার পক্ষে কম সময়ে এত ডাটা এন্ট্রি করা সম্ভব নয় তাই সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটি টিম থাকতে হবে। দুই দিনের মধ্যে সফলভাবে কাজটি করতে পারলে বায়ার পরবর্তীতে 1200K অর্থাৎ ১২,০০,০০০ ক্যাপচা এন্ট্রি করার কাজ দিবে যা দুই সপ্তাহের মধ্যে করতে হবে। অসুবিধাসমূহ: যদিও ডাটা এন্ট্রি এর কাজ তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু এই ধরনের কাজে অনেক ধরনের অসুবিধা রয়েছে, যা পূর্বে বিবেচনা করেই কাজে নামা উচিত: প্রথমত এই ধরনের কাজে অনেক বেশি বিড পড়ে, তাই প্রথম অবস্থায় কাজ পাওয়া খুব কঠিন। এই ধরনের কাজে আপনার মেধা বা দক্ষতা প্রমাণের প্রাথমিকভাবে কোন সুযোগ নেই। তবে ছোটখাট কয়েকটা কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে ফেলতে পারলে একই বায়ারের কাছ থেকে আরো অনেক কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডাটা এন্ট্রি কাজগুলো সময়সাপেক্ষ, একঘেয়ে এবং প্রায় ক্ষেত্রে বিরক্তিকর। অনেক কাজের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের স্পীড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব কাজে ফাইল আপলোড করতে হয় অথবা যে কাজগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, সেক্ষেত্রে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন রয়েছে। অনেক ডাটা এন্ট্রির কাজ রয়েছে যা একার পক্ষে একটি নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা সম্ভব নয়। এজন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটা টিম গঠন করার প্রয়োজন পড়তে পারে। ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো খুবই সতর্কতার সাথে এবং নির্ভুলভাবে করতে হয়। তাই শতভাগ নির্ভুল টাইপিং এবং কাজের সময় পূর্ণ মনযোগ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রোগ্রামিং করে ডাটা এন্ট্রি: অনেক ডাটা এন্ট্রি কাজ রয়েছে যা প্রোগ্রামিং করে করা সম্ভব। প্রোগ্রামিং এ যারা দক্ষ তারাও ইচ্ছে করলে ডাটা এন্ট্রের কাজগুলো সহজেই করতে পারবে। এক্ষেত্রে আমার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। ক্লায়েন্টের রিকোয়ারমেন্ট ছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের ২,৫০০ টি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের লিংক এনে দেয়া যাদের ওয়েবসাইটে কোন সিকিউরিটি সিল (এক ধরনের ছবি) নেই। ক্লায়েন্টের উদ্দেশ্য ছিল তাদের কাছে তার নিজের কোম্পানির সিকিউরিটি সিল বিক্রির জন্য ইমেইল দেয়া। প্রজেক্টের মোট মূল্য ছিল ৩০০ ডলার এবং ডেডলাইন ছিল মাত্র ৭ দিন। এই প্রজেক্টটি খুবই সময় সাপেক্ষ ছিল। কারণ সার্চ করে ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ সাইটে যেতে হবে এবং সেই সাইটগুলোতে গিয়ে দেখতে হবে তাদের সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা। ধরা যাক সমস্ত কাজ করতে প্রতি সাইটের পেছনে যদি ১ মিনিট করে সময় ব্যয় হয়, তাহলে ৫,০০০ সাইটের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৮ ঘন্টা কাজ করে একজন অপারেটেরর মোট সময় লাগবে ১০ দিন। কাজটি আমি ম্যানুয়ালি না করে প্রোগ্রামিং করে সম্পন্ন করার স্বীদ্ধান্ত নিলাম এবং PHP দিয়ে দুটি প্রোগ্রাম তৈরি করলাম – একটি প্রোগ্রাম গুগল এবং ইয়াহু ডাইরেক্টরি থেকে সার্চ করে ওই দুই দেশের ই-কমার্সের সাইটের তথ্য একটি ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করবে। আরেকটি প্রোগ্রাম ডাটাবেইজ থেকে তথ্যগুলো নিয়ে একটি একটি করে সাইটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাবে এবং ওই সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা যাচাই করে দেখবে। প্রোগ্রামটি তৈরি করার পর আমি আমার সার্ভারে Cron Job এর মাধ্যমে দুটি প্রোগ্রামকে চালাই। এই পদ্ধতিতে প্রোগ্রামিং করা থেকে সার্চ করা পর্যন্ত মোট সময় লেগেছিল মাত্র দুই দিন এবং প্রোগ্রামটির মাধ্যমে এই সময়ের মধ্যে ৮,০০০ সাইটে সার্চ করে ৪,০০০ টি সিলবিহীন সাইট পেয়েছিলাম। বাস্তবিক পক্ষে ডাটা এন্ট্রি কাজের রয়েছে বিশাল চাহিদা এবং কাজের পরিধিটাও অনেক বিস্তৃত। প্রথমদিকে একটু ধৈর্য্য সহকারে বিড করা এবং কাজ বাছাই করার ক্ষেত্রে একটু বুদ্ধিমত্ত্বার পরিচয় দেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে যেসব ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আরও বড় প্রজেক্ট পাবার সম্ভাবনা রয়েছে সেই প্রজেক্ট পাবার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। শুরুতে একাই কাজ করুন। ভবিষ্যতে বড় কাজ পেলে কয়েকজন কম্পিউটার অপারেটরকে নিয়ে একটি টিম গঠন করাতে পারেন। তখন ডাটা এন্ট্রির কাজগুলোর মাধ্যমে বেকার জনগণকে জনশক্তিতে পরিণত করতে আপনিও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
  11. 1 point
    ইন্টারনেটের মাধ্যমে কিভাবে ও কোন কোন উপায়ে টাকা আয় করা যায় বাংলাদেশে এই ব্যাপারটি সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিগত কয়েক বছর ধরেই এদেশের হাজার হাজার মানুষ ইন্টারনেটে নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিজেকে ও দেশকে স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অনলাইনের কাজের ধরণ ও চাহিদা প্রতিনিয়ত পরিবর্তণশীল, আবার কিছু কিছু কাজের জন্য বিনিয়োগও করতে হয় অনলাইনে। ২০১৮ তে অনলাইনে আয় কিভাবে করতে হবে বা কোথায় কাজ করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে তা নিয়ে চিন্তার যেন শেষ নেই। অনলাইনে আয়ের জন্য দক্ষতা থাকা জরুরী। আর অনলাইন কাজের ব্যাপ্তি যেভাবে বিস্তৃত হয়ে উঠছে তাতে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে তৈরী করে নিতে না পারলে ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভবনাটাই বেশি। তাই সময়োপযোগী কাজের দক্ষতা অর্জন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে তৈরী করে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। মনে রাখতে হবে ইন্টারনেটে একদিকে যেমন কাজের কোন অভাব নেই, অপরদিকে কাজ করার যোগ্য ব্যক্তিরও চাহিদার শেষ নেই। আবার এটিও সত্যি যে, সবার পক্ষে সব কাজের জন্য নিজেকে তৈরী করা সম্ভবপর নয়। তাই আজকের এই পোষ্ট গুলোতে আপনাদের সাথে আলোচনা করা হবে এমন কিছু কাজ সম্পর্কে যা আপনারা সহজেই ঘরে বসে করতে পারেন। এখানে সব পোষ্ট গুলো দেখুনঃ অনলাইন আয়ের টিউটরিয়াল আরো দেখুনঃ ১। ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সার হবার পদ্ধতি ২। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এস ই ও) ৩। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? এবং হবার উপায় ৪। শিখুন ছোট এবং সহজ ডাটা এন্ট্রি কাজ ৫। How Earn From CLICKBANK AFFILIATE Full Tutorial যেকোনো প্রয়োজনেঃ +৮৮০৯৬৩৮৮৩০২৯৫ আপনাদের যদি সাইটি ভালো লাগে এবং ইনকামের উৎস্য খুজে পান তাহলে দয়া করে আমার সাইটি লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ
  12. 1 point
    Hi, This is ARIF I have 1 years experience in Data entry type work. I am ready to provide my service at 24/7. so,I am here to become a part of the Fiverr community and provide the best services to the clients and I'm fully capable of providing reliable & great quality work. I am fresh in Fiverr but proficient in profession. Thank you.
  13. 1 point
    How to start Freelancing for a newcomer????
  14. 1 point
  15. 1 point
    I cant think about, we the Bangladeshi has a forum & specific site to bring all of our online -earners under a roof. It's a huge & massive enterprise and a pride for all of us. Thank you Ziaul Haque vai, thank u Admins & others. OOO,, Yes I am Solayman Rumon. An enthusiastic SEO & Digital Marketing service provider. It needs to mention that, I have completed my graduation and post-graduation with marketing. From my student life, I am researching about various organic & online marketing policies. I have also completed some short courses such as Digital Marketing from BITM, SEO from UYS Lab, Inbound Marketing certification from Hubspot Academy. And, Now I am working to create or promote the brand.
  16. 1 point
  17. 1 point
    আসসালামুয়ালাইকুম নতুনরা আপওয়ার্কে ঠিক মত কাজ পাচ্ছেন না?। অনেকেই হতাশ । তাই আমাদের এই ওয়েবসাইট এর পক্ষ হতে আপনার প্রোফাইল টি রিভিও করে দেওয়া হবে। যা যা থাকছে কাভার লেটার প্রোফাইল রিভিও টিপস এন্ড ট্রিকস আপওয়ার্ক প্রোফাইল রিভিও করাতে হলে প্রথমে এই ওয়েবসাইট এ লগইন করে নিন। তার পর Support > New Request http://upworkbangladesh.com/index.php?/support/ অবশ্যই আপনার আপওয়ার্ক প্রোফাইল লিঙ্ক এবং আপনি যে catagory তে কাজ করতে চান তা উল্লেখ করবেন ধন্যবাদ
  18. 1 point
    vai onek job post er nicy kicu job skill deoya thake . onek somoy amon hoy job post er nice jodi 6 ta skill tahke tar modde amr profile er sthe 4 ta mile jay and ami sompuno kaj tao pari. Tahole ami jodi oi job a bid kori tahole kaj pawar possiblity kmn ? or ate kore ki upwork er kono policy break hobe kina ? ku janale upokrito hobo//////// thanks
  19. 1 point
    সবাই কেমন আছেন? সকলকে শুভেচ্ছা নতুন ওয়েব সাইটে যারা যারা এখনও এই সাইটের খোজ পায়নি ফেইসবুকে তাদের এই সাইটের কথা বলেন। আমার ফেইসবুক আইডি ব্যান হয়ে গেছে। তাই ফেইসবুকের যেকোন গ্রুপ ও যেকোন সময় বন্ধ হতে পারে তাই আমার সবাই যদি এই সাইটে আড্ডা দেই সেটাই আমার মনে হয় অনেক ভাল হবে। এখান থেকে আমারা অনেক কিছু শিখতে পারব। নুতনুদের হেল্প করতে পারব। নতুনদের কিছু কিছু কাজও দিতে পারব। তাই সবাই সবার সাথে ফলো করে যুক্ত থাকুন।
  20. 1 point
    ফাইভারার হচ্ছে একটি জনপ্রিয় সাইট ।নবাগত ফ্রিলান্সার দের জন্য এইটি অনেক ভাল সাইট। এইটি তে গিগ করে অনেক ভাল রেইট এ কাজ পাওয়া যাবে। এইখানে গিগ ক্রিয়েট করার জন্য এক্সট্রা ২ টা প্যাকেজ ক্রিয়েট করা যাবে।সেই অনুযায়ী কাজের অরডার দিবে ক্লাইন্ট এর মতামত অনুযায়ি। কিন্তু এইখানে কাজ করতে গেলে কিছু terms and policies আছে।যেমন ঃ বেশি দিন ধরে কাজ না পেলে,কোণো গিগ ক্রিয়েট না করলে,কারোর সাথে পারসোনাল কন্টেক্ট করার কথা বলা হলে,বেশি দিন ধরে একাউন্ট বন্ধ থাকলে বা log out থাকলে একাউন্ট banned হয়ে যেতে পারে । তাই সে দিক লক্ষ্য রেখে কাজ করলে অরডার পাওয়া ও আর আয় করা সম্ভব ।
  21. 1 point
    বন্ধুরা, আমার ফেইসবুক নেই। তাই এ সাইটেই সবসময় আছি। যারা নতুন যেকোন হেল্প লাগলে এখানে আমাকে নক করতে পার। আমি আছি। আমি থাকব সবসময়। ধন্যবাদ
  22. 1 point
    না ভাই। তবে vps দিয়ে কাজ করা যায়ু। এটা আমি সঠিক জানিনা।
  23. 1 point
    এনিমেশন বর্তমান সময়ের বহুল জনপ্রিয় ।হলিউড ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে এনিমেশন দিয়ে।যেখানে একটি ফিল্মের বাজেট হয় প্রায় ১ থেকে ২ হাজার কোটি টাকা। উইকিপিডিয়া তে খুজলেই এর সত্যতা পেয়ে যাবেন।মানুষের কল্পনাকে বাস্তবে রুপ দিচ্ছে এনিমেশন।এবং তা ঠিক বাস্তবের মতই লাগছে।বর্তমান সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এখন আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে এনিমেশন কিন্তু খুব অল্প পরিসরে।কেনোনা কেউ এই বিষয়টা নিয়ে খুব একটা জানে না মানুষজন।এবং যারা জানে তারা শিখতে পারছে না কারন আমাদের দেশে এনিমেশন শিখার তেমন মাধ্যম নেই। তাই পিছিয়ে পরছি আমরা।আমাদের ফিল্মে আনতে পারছি না এনিমেশনের কাজ।যদিও আমাদের অনেক টিভিসি তে এখন এনিমেশন ব্যবহার হচ্ছে এবং দিন দিন আরও বাড়বে।এখন কথা হলো আপনি তো ফিল্ম বানাচ্ছেন না তাহলে এনিমেশন কেন শিখবেন?এর উত্তর হলো আপনি ফ্রিলেন্সিং এ সবচেয়ে বেশি আয় করতে পারবেন এনিমেশন থেকে।কেনোনা একটি ছোট্ট এনিমেশন বানালেও আপনি লাখখানেক টাকা পাবেন যা অন্য কোনো কাজ দারাই সম্ভব না।আর এনিমেটর দের সংখা কম হওয়ায় আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি।আর এনিমেশন শিখে ফেললে অবশ্যই পারবেন।আর অনেকের ধারনা এনিমেশন বানানো অনেক কঠিন কিন্তু এটি আসলে একেবারে সোজা।তাও যদি বাংলা টিউটোরিয়াল হয় তাহলে কেমন হয়?তাই আপনাদের জন্য এনিমেশন নিয়ে টিউটোরিয়াল সাথে প্রায় ৪০ হাজার টাকা মুলের মায়া ২০১৭ সফটওয়্যার ফ্রি যা আপনাকে অনেক প্রফেশনাল লেভেলের এনিমেশন করতে সাহায্য করবে তাই ভিডিওটি দেখেনিন এখনি।ভিডিও দিস্ক্রিপ্সনে সফটওয়্যার ডাউনলোড লিঙ্ক দেয়া আছেঃ এনিমেশন তৈরির বাংলা টিউটোরিয়াল ভিডিও আপনার ভিডিওটি অবশ্যই ভালো লাগবে।আর ভালো লাগলে লাইক দিতে ভুলবেন না।আরও টিউটোরিয়াল আসবে তাই সাবস্ক্রাইব করবেন।আর কোন প্রশ্ন থাকলে টিউমেন্ট করবেন।আর শেয়ারে মাধ্যমে আপনার বন্ধুকেও জানিয়ে দেন অনলাইন মার্কেট সম্পর্কে।সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ
  24. 1 point
    কেমন আছেন সবাই? আজ আপনাদের সাথে আমি শেয়ার করবো মার্কেটিং বেসিক কিছু জিনিস নিয়ে, কিভাবে গ্রাফিক্স প্রোডাক্টগুলি মার্কেটিং করে সেল বাড়ায়। কোথায় কোথায় মার্কেটিং করে ব করতে হয়। আগেই বলে রাখি আমি কোন মার্কেটার নয় আমি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার, আমার কাজের প্রয়োজনে যতুটুকু রিসার্চ করে শিখছি আরকি, বড় ভাইয়াদের বলছি আমার অনেক ভুল হতে পারে, ভুল দেখলে আশা করছি ধরিয়ে দিবেন। আমরা যারা graphicriver,ThemeForest এ কাজ করি তারা অবশ্যই জানেন একটি approved product এর বয়স বেশি হয়ে গেলে অথবা ৫/৬ পেজের পরে চলে গেলে সেইগুলার সেল হওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিতে হয়। কিন্তু আমরা যদি এই সব প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে আমাদের টাগের্ট ক্লায়েন্ট এর বা বায়ার এর কাজে পৌছে দিতে পারি তাহলে অবশ্যই সেল হবে। কিন্তু আমরা কোন ডিজাইন কোন কারন ছাড়াই তৈরি করি যেমন createtive flyrer,busines card, etc যদিও এটা সব সময় ট্রেন্ডিং সেল হবেই। কিন্তু মার্কেটিং এর জন্য বা সেল বড়ানোর জন্য আপনাকে অবশ্যই একটু রিসার্চ করেই ডিজাইন গুলি তৈরি করতে হবে। যেমন আপনি ধরেন রিয়েল এস্টেট এর জন্য একটি business card,flyer,tempalte etc তৈরি করলেন তাহলে আপনি এই প্রোডাক্টগুলি সহজেই রিয়েল এস্টেট ক্লায়েন্টদের খাওয়াতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে একটি সাইট তৈরি করতে হবে, pinterest এ ভাল প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। তাছাড়া এইসব শেয়ার করবেন বিভিন্ন portfolio site এ যেমন behance, dribble এ শেয়ার করতে হবে। এবং অনেয় মাধ্যেম আছে আমি step by step সব শেয়ার করে যাব। টিউটোরিয়ালে বিস্তারিত বলা আছে। পরবর্তিতে আমি দেখাবো কিভাবে প্লান করে কাজ করবেন এবং মার্কেটিং এর বিস্তারিত ! কিভাবে Success হবেন। খুব শিঘ্রই নতুন কিছু টিউন উপহার দিব বিশেষ করে নতুনদের অনেক উপকারে আসবে। সবাইভাল থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ
  25. 1 point
    আমার ফেইসবুক আইডিটা ডিএকটিভ হয়ে গেছে। তাই আমি এখন থেকে আর ফেইসবুকে থাকসি না। আর ফেইসবুকে নতুন কোন আইডি খোলার সম্ভাবনাও তেমন নেই। তাই আপওয়ার্ক বাংলাদেশ ওয়েব সাইটের সাথে আছি। এখান থেকেই আমি নতুনদের হেল্প করার চেষ্টা করব। আর আমার যদি হেল্প লাগে তাহলে এখান থেকেই সেটা নেয়ার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ সকলকে।
  26. 1 point
    আপওয়ার্কে সিস্টেম ডিজাইনের কাজও করা যায়। তবে এ কাজের ধরণ নির্ভর করে পুরোপুরি বায়ারের উপর। তবে যারা সিস্টেম ডিজাইন যেমনঃ সার্ভারের কাজ (লিনাক্স, উইন্ডোজ সার্ভারের কাজ), ক্লাউডের কাজ ইত্যাদি কাজ নিয়মিত করেন তারা এই কাজে বেশ সফলতা অর্জন করতে পারেন। এখানে একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে সব কাজ একবারে শুরুতে পাওয়া খুব কঠিন কিন্তু কয়েকটা কাজ একবার করে ফেলতে পারলে আর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। যারা লং টার্ম কাজ করতে আগ্রহী তাদের জন্য এই ধরনের কাজ খুবই উপযোগী।
  27. 1 point
    সবচেছে বেশী আমেরিকার ভিজিটর এবং ইউরোপের ভিজিটর পাওয়া যায় কোন সোশাল সাইট থেকে এবং সাথে সেলও। শুধু ভিজিটর এনে তো লাভ নেই। আপনাদের কোন ষ্টাডি আছে এটা নিয়ে ? থাকলে শেয়ার করলে খুশি হবো। আমার প্রচুর খরচ কর এফিলিয়েট করার সামর্থ নেই। তবে টিস্প্রিং এর মত সাইটগুলোতে কাজ করছি। ভিজিটর পেলেও সেল পাচ্ছি না কেন ?
  28. 1 point
    জরুরী ভিত্তিতে এক মাসের প্রজেক্টের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রয়োজন !!! ঢাকার পান্থপথে একটি নতুন শুরু হতে যাওয়া প্রকাশনী সংস্থার অফিসে এসে কাজ করতে হবে। এডোবি ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটরে দক্ষতা ও মোটামুটি ডিজাইন সেন্স থাকতে হবে। সেখানে বিজয় সফটওয়ারে বাংলা লিখাও জানতে হবে। বইয়ের কভার পেইজ ও বই সম্পর্কিত ডিজাইন তৈরিতে দক্ষতা থাকতে হবে। ওয়ার্কিং আওয়ার : সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫ টা। মাঝখানে ১ ঘণ্টা লাঞ্চ ব্রেক। সপ্তাহে ৫ দিন। বেতন : ২০,০০০ টাকা। আপনার যোগ্যতা থাকলে এবং আগ্রহী হলে আপনার কাজের স্যাম্পল অথবা পোর্টফলিও লিঙ্ক দিন কমেন্টে অথবা মেইল করুন gmr.ier.du@gmail.com ... আমাকে ম্যাসেজ দেয়ার দরকার নেই।
  29. 1 point
    Hello, I have reviewed your job description and I can assure you that I am able to provide a qualify result of your task because I have done this types of Job before. I have 6 years of experience in Data Entry, Web-Research and Microsoft Excel. If you give me the chance i can prove myself. Nayeem
  30. 1 point
    কেমন আছেন সবাই? আজকে আমি Codegrape এ কিভাবে business card আপলোড দিবেন সেইটা দেখিয়েছি। গত পর্বে আমি দেখিয়েছি কিভাবে Codegrape এ author হবে যদি টিউনটি মিস করে থাকে তাহলে উপরের চেইন টিউন লিস্ট থেকে দেখে আসতে পারেন। Codegrape আমরা ব্যবহার করবো graphicriver alternative হিসাবে। আমরা সবাই জানি গ্রাফিক্স রিভারে একটি ডিজাইন আইটেম approve করানো কতটা কঠিন। হার্ড রিজেক্ট এর পরিমান অনেক বেশি যারা জন্য অনেক ডিজাইন পড়ে থাকে বা পোর্টফোলিও তে যুক্ত করে দেই। কিন্তু আমরা এই রিজেক্ট ডিজাইন Codegrape এ আপলোড করে বাড়তি কিছু আয় করতে পারি। Codegrape এ ডিজাইন approved করানো খুব সহজ যেকোন ডিজাইন ই approved হয়। তবে graphicriver যেই ডিজাইন গুলি রিজেক্ট হয় সেইডিজাইনগুলি খুব সহজে আমরা এডিট করে Codegrape এ আপলোড দিতে পারি বাড়তি কষ্ট ছাড়ায়। আমরা জানি Codegrape এ সেল হয়না তবে আমরা যদি approved ডিজাইনগুলির মার্কেটিং করি তাহলে এইগুলার সেল বাড়ানো সম্ভব এবং বাড়তি কিছু ইনকাম করা সম্ভব। তাই আমি সামনের টিউনগুলিতে গ্রাফিক্স প্রোডাক্ট মাকেটিং নিয়ে আলোচনা করবো কিভাবে approved আইটেমের সেল বাড়ানো যায়। সবাই ভাল থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
  31. 1 point
    কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভাল আছেন. আজকে আমি আপনাদেরকে একটি সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব সাইটটি হলো codegrape এটা গ্রাফিক্স রিভারের alternative সাইট আপনারা অনেকেই জানেন যে গ্রাফিক্সরিভার কতটা কঠিন কোন প্রোডাক্ট approved করানো, অনেকগুলি ডিজাইন করার পরেও যেমন ৫টা ডিজাইন করলেন কিনতু তার মধ্যে ৪টা হার্ড রিজেক্ট হইছে আর ১টা approved হইছে। এত কষ্ট করার পর যদি রিজেক্ট হয় কেমন লাগে বলুনতো। তবে মন খারাপের কিছু নেই অনেক বড় বড় ডিজাইনারদের ও ডিজাইন রিজেক্ট হয় কারন অনেক ডিজাইন প্রায় সময় same হতেই পারে। এখন আপনার রিজেক্ট হওয়া ডিজাইনগুলি কি করবেন? আগেই বলেছি গ্রাফিক্সরিভারের alternative হিসাবে Codegrape ব্যবহার করতে পারেন। তবে যারা Codegrape ব্যবহার করেন গ্রাফিক্সরিভারের alternative হিসাবে তারা অবশ্যই জানেন যে Codegrape এর ডিজাইন approved হয় অনেক খারাপ ডিজাইন ও approved কিন্তু সেল হয়না এখন কি করবেন? সেল বাড়ানোর জন্য আপনাকে নিজের প্রোডাক্ট মার্কেটিং শিখতে হবে। তবে আমি কিছুদিন পর এটা শুরু করবো আপনাদের দেখাবো কিভাবে ফ্রি প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে সেল বাড়ানো যায়। মার্কেটিং করলে আপনি Codegrape থেকেও ভাল একটি amount পেতে পারেন। আজ আমি দেখিয়েছি কিভাবে Codegrape এর author হবেন এবং বিস্তারিত। পরবর্তিতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হবো সবাই ভাল থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
  32. 1 point
    আপনি যদি ফ্রিলাঞ্চের হন তাহলে আর আপওয়ার্ক এ কাজ করতে চান তাহলে আপনার সাফল্য নির্ভর করবে সেখানে আপনার বায়ার কতজন আছে অথবা আপনি কি পরিমান কাজ পেয়ে থাকেন। আর সেই বায়ার পাওয়ার জন্য দরকার চমৎকার একটা প্রোফাইল তৈরি করা। এখানে ১৫টি টিপস দেয়ার চেস্টা করা হচ্ছে যার সাহায্যে আপনি চমৎকার একটা প্রোফাইল তৈরি করতে পারেন। শুধু মাত্র আপনার মুল সার্ভিসগুলা ই আপনার প্রোফাইল এ দেন একটা ধারনা তো আমাদের মধ্যে আছে ই যে যত বেশি কাজের কথা বলা যাবে বায়ারকে কাজ তত বেশি পাওয়া যাবে। একটা কাজ ও কেন বাদ দিতে যাবো সব ই করবো। এটা আসলে ভুল ধারনা।তাই আপনি যে কাজগুলা ভালো করে জানেন সেগুলা ই প্রোফাইল এ দেন। জানা আর ভালো করে জানার মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে। আপনার একাউন্ট লিঙ্ক করুন আপনি যখন আপনার প্রোফাইল সাজাবেন তখন আপনি আপনার মেইন সার্ভিস নির্বাচন করে আপনার একাউন্ট আপনার সোশ্যাল মিডিয়া সাইট এ লিঙ্ক করে দেন। যেমন ফেসবুক, লিঙ্কডিন, টুইটার, বিহান্স, গুগল প্লাস ইত্যাদি।তার কারন হচ্ছে এখন আপনার বায়ার হয়ত আপনার সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য আপনার প্রোফাইল দেখতে চাইতেই পারে। আপনার ফটো আপলোড করুন আপনার ফটো হচ্ছে আপনার পরিচয়। আপনার ফটো আপনার প্রোফাইল এর বিশ্বাস যোগ্যতা তৈরি করে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম ছবি না দিয়ে আপনি আপনার নিজের ছবি দিলে বায়ার মনে করবে যে আপনি আপনার কাজের প্রতি সিরিয়াস এবং আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভবনা অনেক বেড়ে যাবে। এটা খেয়াল রাখবেন যে আপনার ছবিতে যেন প্রফেশনাল ভাব থাকে সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার।ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড যেন পরিষ্কার থাকে যেন আপনাকে ভালো করে বুঝা যায় ব্যাকগ্রাউন্ড না। বুদ্ধি করে আপনার টাইটাল ঠিক করুন যদিও এটা শুনতে অনেক সাদামাটা লাগছে কিন্তু প্রোফাইল এ আপনার টাইটাল খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। টাইটাল অবশ্যই নির্দিষ্ট, ছোট, সিম্পল এবং অবশ্যই বাস্তব কিছু। যেমন অনেকেই টাইটাল এরকম ভাবে দেয় “ Photo editing, Image retouching, background remove” এবং আরও বড় ও হয় অনেকের টাইটাল কিন্তু এটা তো টাইটাল তো টাইটাল হলো না এটা আপনার স্কিল এ দিতে পারেন যে আপনি কি কি কাজ করেন। এখানে আপনি টাইটাল দিত্রে পারেন “Photo editor” “Professional photo editor” অথবা “Expert photo editor”। মনে রাখবেন এরকম মার্কেটপ্লেস এ হাজার হাজার প্রতিযোগী আছে যারা কাজের জন্য এক জন আরেক জনের সাথে প্রতিযোগিতা করছে তাই টাইটালটা বুঝে শুনে দেন। অনেক কিছু দেয়ার দরকার নাই, আপনি যে কাজটা ভালো করে জানেন সে কাজের উপর একটা টাইটাল দেন। নিজের সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ওভারভিউ দেন ওভারভিউ তে আপনি বায়ারকে আপনার সম্পর্কে বিস্তারিত একটা পরিষ্কার ধারনা দেন। মনে রাখবেন কপি পেস্ট না এখানে আপনার কথা আপনি লিখবেন আপনার ব্যাপারগুলা কিন্তু অন্য কারো সাথে মিলবে না।আর প্রধান বাপারগুলা প্রথমে দেয়ার চেস্টা করেন, কারন প্রথমেই যদি বায়ার ইন্টারেস্ট না পায় তাহলে পড়ে আর কিভাবে পড়বে আবার প্রথমে যা দিয়েছেন সেটা পড়লে বাকি শেষের দিকে আর না পড়লে সমস্যা নাই এইভাবে লিখুন। কি নির্দিষ্ট ভাবে লিখুন আপনার কাজের দক্ষতা, আপনার অভিজ্ঞতা, আপনার জানা ভাষা ইত্যাদি প্রথমে রাখতে চেস্টা করেন। আর এমন ভাবে লিখবেন যেন সেটা পড়ে খুব পরিষ্কার ভাবে বুঝা যায় যে আপনি কি করতে পারেন।আর ভাসা ভাসা কিছু না লিখে একদম নির্দিষ্ট করে লিখুন সব কিছু। এখানে আপনার আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করার সুযোগ আছে সেটা কাজে লাগান কিন্তু সেটা যেন অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস না হয়ে যায়। আপনার পরিচিতিমূলক ভিডিও আপলোড করুন ফ্রীলাঞ্চেররা সব থেকে বেশি যে কাজটা গুরুত্ব দেয় না সেটা হচ্ছে ভিডিও প্রোফাইল তৈরি করা। এখানে আগে ও বলা হয়েছে আপনাকে হাজার হাজার ফ্রীলাঞ্চের এর সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে হবে তাই কোন সুযোগ ই আপনার বাদ দেয়া উচিত হবে না। আপনি ভিডিও বানালেন না কিন্তু অন্যরা বানাবে তখন আপনি পিছনে পড়ে গেলেন।ভিডিও পরিচিতি বায়ারের কাছে একটা বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করে। বায়ার আপনার কথা বলার ধরন দেখে অনেক কিছু বুঝতে পারে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখবেন ভিডিও এক মিনিট এর বেশি করবেন না কারন বড় ভিডিও বায়ার এর জন্য বোরিং হতে পারে।৫-১০ সেকেন্ড আপনি আপনার পরিচয় দিবেন, ১০-২০ সেকেন্ড আপনার কাজের উদ্দেশ্য তুলে ধরবেন, পরের ১০-২০ সেকেন্ড আপনার কাজের কথা তুলে ধরবেন আর ৫-১০ সেকেন্ডে এ উপসংহার টানবেন। এটা নিশ্চিত হয়ে নেন যে আপনি ভালো মানের ভিডিও করছেন আর আপনার কথা ও ভালো হচ্ছে। ভালো ভিডিও যদি বানাতে না পারেন তাহলে কিন্তু ফলাফল উল্টা ও হতে পারে। তাই সময় নেন। ইংলিশ ভালো জানে এরকম কারো কাছ থেকে আপনি কি বলবেন সেটি লেখিয়ে নিতে পারেন আর আপনি যদি ভালো ইংলিশ জানেন তাহলে তো হলো ই, ভিডিও করার আগে ভালো করে অনুশীলন করে নেন। ভালো ভিডিও বানান কাজে দিবে আশা করি। স্কিল টেস্ট দেন সেই স্কুল লাইফ থেকে তো আপনাদের বিভিন্ন রকম এর পরিক্ষা দিয়ে আসতে হচ্ছে, এখানে ও তাই, এখানে ও পরিক্ষা দিয়ে, সেখানে ভালো রেসাল্ট করতে পারলে সবাই আপনাকে বলবে আপনি ভালো জানেন।যে পরিক্ষাগুলা আপনার স্কিল এর সাথে সম্পর্কিত সেই টেস্ট গুলা দেন।ভালো রেসাল্ট করলে অনেক ভালো হবে আপনার জন্য, বায়ার মনে করবে আপনি কাজটা খুব ভালো বানে ই জানেন। কিন্তু এখানে আপনার বিষয় এর বাইরে পরিক্ষা দিয়ে প্রোফাইল এ দেয়ার কোন দরকার নাই। আর একবার যদি ভালো রেসাল্ট না ও করেন সমস্যা নাই এক মাস পর ঠিক সেই পরিক্ষা আপনি আবার দিতে পারবেন। আপনার কাজের স্কিল যোগ করুন আপনি যে কাজগুলা ভালো পারেন সেটা আপনার স্কিল এ যোগ করুন। এটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ আপনার প্রোফাইল এর জন্য। আপনি ম্যাক্সিমাম ১০টা এবং মিনিমাম ৫টা স্কিল এখানে দিতে পারবেন।এখানে ও বলবো আপনি যে কাজগুলা জানেন সেগুলি ই দেন। বেশি দেয়ার দরকার নাই। বেশি দিলে ই আপনি কাজ পাবেন এরকম ভাবার দরকার নাই।আর সেগুলি অবশ্যই আপনার জব টাইটাল এর সাথে মিল রেখে দিতে হবে। আপনার ভাষার দক্ষতা ঠিক করুন এটা তো খুব ই গুরুত্বপূর্ণ সেটা বুঝতেই পারেন। যেহেতু আপওয়ার্ক এ বায়ারদের সাথে আপনার সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে সেহেতু যোগাযোগের জন্য ভাষার দক্ষতা খুব গুরুত্বপূর্ণ।আর অন্যান্য সব জায়গার মত আপওয়ার্ক এ ও ইংলিশ এ যোগাযোগ করবে বায়ার আপনার সাথে।এখানে আপনি হয়ত অন্য কোন ভাষাতে অনেক দক্ষ কিন্তু তাতে আসলে খুব একটা বেশি কিছু আসে যায় না।আপনি এটা নির্বাচন করেন “Native or belingual” অর্থাৎ আপনি খুবই দক্ষ এই ভাষাতে সেটা হয়ত দেখতে ভালো লাগবে কিন্তু এখানে আপনাকে সৎ থাকতে হবে আপনার নিজের জন্য ই। আপনি দিলেন আপনি ইংলিশ এ মনেক দক্ষ বায়ার সেটা দেখে আগ্রহী হলো, কথা বলতে চাইল আপনার সাথে দেখা গেল আপনি ওরকম দক্ষ না,তখন তো বায়ার আপনার প্রতি ভরসা করতে পারবে না। তাই যা দিবেন সঠিক ভাবে দেন।এমন না যে ওখানে সেরাটা না দিলে আপনি কাজ পাবেন না। আপনি যেটাতে ভালো সেটা দেন, আপনি যদি ভালো লিখে যোগাযোগ করতে পারেন সেটা দেন, আপনি যদি কথা বলে ভালো যোগাযোগ করতে পারেন সেটা দেন কিন্তু ভুল্টা দিয়েন না। আপনার অভিজ্ঞতার লেভেল ঠিক মত সেট করুন এটার মাধ্যমে বায়ারকে বুঝিয়ে দিতে হয় যে আপনার অভিজ্ঞতা কি রকম। এখানে ও যা দিবেন ঠিক মত দেন না হলে পড়ে সমস্যার তৈরি হতে পারে। আপওয়ার্ক এ ৩টি Experience level আছে। “Entry level”এটা হচ্ছে আপনি মাত্র শিখার পর আপনার ক্যারিয়ার শুরু করেছেন সেটার জন্য। “Intermediate” এটা হচ্ছে আপনি কাজ করে কিছু বছর এর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, সেটা যে আপওয়ার্ক এ ই এরকম কিন্তু না, আপনি যে বিষয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন সে বিসয়ে।সেটা যেখানেই হোক।আর একটা আছে “Expert”এটা দিবেনআপনি যখন বিশ্বাস করবেন যে আপনি যে কাজটা পারেন সেটা খুব ভালো করে পারেন। যে কোন ধরন এর প্রোজেক্ট আপনি সফলতার সাথে করতে পারবেন সেটা যত কঠিন ই হোক না কেনো। আপনি যে লেভেল এ আছেন সেই লেভেল ই দেন বেশি করে কোন কিছু দেয়ার দরকার নাই। আপনার সার্টিফিকেট শো করুন আপনি যদি কোন থার্ড পারটি থেকে কোন সার্টিফিকেট থেকে থাকে তাহলে সেটা শো করতে পারেন কিন্তু সেটাও কিন্তু আপনার বিষয়ের উপর হতে হবে।এটা অনেকটা স্কিল টেস্ট এর মত যে এটা থাকলে বায়ার এর সুবিধা হয় বুঝতে যে আপনি আপনার বিষয়ে কি রকম দক্ষ। আপনার চাকুরীর বিস্তারিত দিন আপনি যদি চাকুরি করে থাকেন তাহলে সেটা বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরেন। এখানে ও একই চাকুরি আপনার বিষয় এর উপর ই হতে হবে। এটা দেখে ও বায়ার বুঝতে পারে যে আপনি যেহেতু চাকুরি করেছেন তার মানে বিভিন্ন প্রোজেক্ট এ কাজ করতে হয়েছে আপনাকে,তার মানে আপনি তার প্রোজেক্ট ও সফল ভাবে করতে পারবেন। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা দিন আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার দেয়ার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোফাইলকে আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ করতে পারেন। মনে রাখবেন খুব নির্দিষ্ট করে দেন, আপনার ইন্সটিটিউট এর নাম, আপনার ডিগ্রির নাম আপনার সদ্য শেষ করা ডিগ্রি থেকে শুরু করেন। আপনার পোর্টফলিও সাজান এটা একটু পড়ে আসলে ও এটা আপনার আপওয়ার্ক এর প্রোফাইল এর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আপনার পোর্টফলিও মানে হচ্ছে আপনি বায়ারকে দেখাচ্ছেন আপনি এই পর্যন্ত কি কি অর্জন করেছেন, কি কি কাজ করেছেন, কিভাবে করেছেন, কতটুকু ভালো হয়েছে ইত্যাদি। এটার মাধ্যমে আপনি আপনার করা প্রোজেক্টগুলা তুলে ধরবেন, কিভাবে করেছেন সেটা লিখে দিবেন। এবং এগুলা দেখেই বায়ার একটা আইডিয়া পাবে আপনি কি ধরন এর কাজ করেছেন। পোর্টফলিও তে কাজ দেয়ার বেসিক নিয়ম হলো আপনার সেরা কাজগুলা আগে আসবে।আর আপনি যেটাতে খুব আত্তবিসসাসি না অথবা যে প্রোজেক্ট আপনি ঠিক মত শেষ করতে পারেন নাই সেগুলি দেয়ার ই দরকার নাই। এবং আপনার পোর্টফলিও আপনাকে নিয়মিত আপডেট করতে হবে, এক ই কাজ দিনের দিনের পর দিন রেখে দিলে বায়ার ভাববে আপনি হয়ত নতুন কোন কাজ করছেন না। তাই নতুন নতুন কাজ আপলোড করতে হবে।আর একটা ব্যাপার সেটা হচ্ছে আপনার পোর্টফলিও আপনার একটা গল্পের মতন। আপনার পোর্টফলিও বলবে কিভাবে আপনি আস্তে আস্তে এক্সপার্ট হচ্ছেন।এখন আপনি অনেক কঠিন কাজ ও সফল ভাবে শেষ করতে পারবেন। আর প্রোজেক্ট এর কথা যে বললাম সেটা যে কোন প্রোজেক্ট হতে পারে আপনার বিষয়ের উপর। লোকাল প্রোজেক্ট হতে পারে, ইন্টারন্যাশনাল প্রোজেক্ট হতে পারে, অন্য মার্কেটপ্লেস এর কাজ হতে পারে।আর আপনি যদি প্রথমেই আপ ওয়ার্ক এ শুরু করেন তাহলে নিজে নিজে কিছু প্রোজেক্ট করেন তারপর সেগুলা সাবমিট করেন। আপনি প্রতি ঘণ্টায় কতো নিতে চান সেটা ঠিক করুন এটা প্রোফাইল এর শেষ ধাপ আর এখানে কথা হচ্ছে টাকা নিয়ে।সব থেকে কঠিন এবং দ্বিধার মধ্যে ফেলে দিবে আপনাকে।আসলেই এটা বুঝা কঠিন যে আপনি আপনার কাজের মাধ্যমে ঠিক কতটুকু আশা করেন। এখন কথা হচ্ছে ধরেন আপনি একটা কাজ ভালো করেন সেই কাজটা আপনি ফ্রী করবেন না আবার এমন টাকাও নিবেন না যে অনেক বেশি হয়ে যায়।আবার কাজের উপর ও নির্ভর করে, কাজটা কতো বড়, আপনার কতো সময় লাগবে। এখানে সব থেকে ভালো হয় আপনি যদি অন্য ফ্রীলাঞ্চেররা কি রকম নিচ্ছে সেটা একটু দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নেন। এই ছিলো ১৫টি টিপস যে আপনি কিভাবে আপওয়ার্ক দ্রুত কাজ করতে পারবেন। আশা করি কাজে আসবে টিপসগুলা।
  33. 1 point
    প্রোফাইল তৈরী : অনেক ফ্রিল্যান্সার (নতুন) আছেন যারা জব ক্যাটাগরি ইনটারেস্টে অনেকগুলো এরিয়া সিলেক্ট করেন। এটি করবেন না কারন এতে করে আপনার স্পেশালিটি বুঝা যায়না। আপনি যদি ডাটা এন্ট্রির কাজ করতে চান, তাহলে শুধু সেটি সিলেক্ট করুন। কেউ যদি ওয়েব সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে চান, তাহলে শুধু সেটি সিলেক্ট করুন। Resume এ আপনার স্কিলগুলো লিখতে পারেন। ইংরেজি স্কিল (সেলফ এসেস্ট) এ অনেকে ৫ এ ৫ দিয়ে রাখেন। আপনি যদি আসলেই দক্ষ না হন, তবে এখানে ৩ দিবেন। এক্ষেত্রে ৪ কেও খুবই হাই কোয়ালিটি ধরা হয়। রেডিনেস টেস্ট ছাড়াও কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ টি বিভিন্ন বিষয়ের উপর টেস্ট দিবেন। এতে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে (টেস্টগুলো খুবই ইম্পর্টেন্ট এবং এতে ভালো পারফর্ম করাটা জরুরী)। লক্ষ্য রাখবেন, টাইটেলটা যেন খুব বেশি লম্বা না হয় এবং টাইটেলটা দিয়ে যেন আপনার মূল দক্ষতার দিকটা প্রকাশ পায়। চার থেকে দশ ওয়ার্ডের মধ্যে টাইটেল দিবেন। আপনার রেট কত হবে বা কত দিবেন সেটি নির্ভর করে আপনার স্কিলের উপর। নতুন হলে ৫ থেকে ১০ ডলার এর মধ্যে দিতে পারেন। মনে রাখবেন, নিজেকে কখনই সহজলভ্য করবেননা। ফ্রিল্যানসিং মানে ফ্রিতে কাজ করা নয়। কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস ক) আপনার প্রোফাইল ১০০% করুন। খ) আপনার প্রোফাইলে সুন্দর একটি Title এবং overview ঠিক করুন। গ) আপনার Skills and Employment History ভালভাবে যুক্ত করুন। ঘ) আপনার নিজের করা সেরা কাজগুলো (image + Link) যুক্ত করুন প্রোফাইলে। ঙ) আপনি প্রোফাইলে যেটিতে দক্ষ উল্লেখ করেছেন, সে ধরনের কাজগুলোতে বিড জ) নতুন কাজে বিড করুন। ৪ থেকে ৫ জনকে ইতিমধ্যে ইন্টারভিউতে ডাকা হয়ে গেলে সেই কাজটি পাওয়ার সম্ভবনা খুবই ক্ষীণ। ঝ) শুরুতে ছোট ছোট কাজ করে ফিডব্যাক সংগ্রহ করুন। ঞ) কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে ইমোশনারলি ক্লায়েন্টকে আকর্ষণ করলে কাজ পাবেননা। ট) বিডিং রেট বাজার রেটের চাইতে অস্বাভাবিক কমালে কাজ না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাতে আপনার ব্যাপারে নেগেটিভ ধারনা পাবে। ঠ) বিড শুরু করার আগে বায়ারের রেটিং, পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড কিনা চেক করে নিন। ঢ) অবশ্যই আপনার স্কাইপ অ্যাকাউন্ট রেডি করুন। ণ) ধৈয্য ও অধ্যাবসায় খুব জরুরী। একদিনে কাজ পাওয়ার আশা না করে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
  34. 1 point
    ফাইভারে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের সার্ভিস অফার করে টিউন করে, যাকে বলা হয় গিগ। এসব গিগগুলো ৫ ডলার- ২০০ ডলারে বিক্রি হয়। এ মার্কেটপ্লেসের লিংক: fiverr.com। ফাইভারে আগেই ফ্রিল্যান্সাররা গিগ বানিয়ে রাখে এবং ক্লাইন্টরা সেটা প্রয়োজন অনুযায়ি কিনে থাকে। ফাইভারে মূলত সবধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি যেকোন একটি সেক্টরে কাজ শিখেই এখানে কাজ করতে পারবেন। যারা মার্কেট প্লেসে একবারে নতুন তারা খুব সহজেই ফাইভার থেকে কাজ পেতে পারেন। ফাইভার এ যে ধরনের গিগ তুলনামূলক বেশি সেল হয় : - অনলাইন মার্কেটিং - ভিডিও এবং এনিমেশন ক্রিয়েটিং - প্রফেশনাল আর্টিকেল রাইটার - ইমেজ স্ক্রেচ - লোগো ডিজাইন - প্রোগ্রামিং ইত্যাদি। ফাইভারে প্রোফাইল তৈরি ফাইভারে গিগ তৈরি করতে হলে ফাইভার ডট কম থেকে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ইমেইল এড্রেস লাগবে। এছাড়া ফেইসবুক অথবা গুগল প্লাস দিয়েও সাইনআপ করা যায়। অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত করার জন্য ইমেইল ভেরিফিকেশান করা হয়। অ্যাকাউন্ট করার সময় সাইনআপ ফর্মে সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হয়। অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত হয়ে গেলে এখন প্রোফাইল তৈরি করা। অ্যাকাউন্ট খোলার পর লগইন করে সেটিংস থেকে পাবলিক প্রোফাইল সেটিংস এ অপশন এ গিয়ে বিস্তারিত লিখে প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। হাসি খুশি স্পষ্ট প্রোফাইল পিকচার ব্যবহার করতে হবে। নকল কোন কিছু দেয়া যাবে না। আপনি যে বিষয়ে দক্ষ সেই বিষয়ের উপর ১৫০-৩০০ ওয়ার্ডের মধ্যে লিখতে হবে। আপনি বায়ারের সাথে যে ভাষাই যোগাযোগ করবেন সেটি সিলেক্ট করে দিতে পারেন। প্রোফাইল কমপ্লিট হয়ে গেলে এখন রিসার্চ করার পালা। গিগ তৈরির জন্য অন্যের গিগগুলো দেখে আইডিয়া নেয়া যেতে পারে। এছাড়াও গিগগুলোর ডেসক্রিপশন দেখলেও অনেক কিছু জানা যাবে। ফাইভার এ আকর্ষণীয় গিগ তৈরির টিপস: গিগ হলো অফারকৃত বিশেষ একটি সার্ভিস। প্রথম অবস্থায় একটা গিগ বায়ারের কাছে ৫ ডলার সেল করা যায়। গিগটি তৈরির সময় যে শর্ত দেওয়া হয় তা অনুসারে কাজ সম্পন্ন করতে হবে। ১) গিগ টাইটেল : সুন্দর একটি গিগ টাইটেল থাকলেই অফারটি বায়ারদের নিকট আরও বেশি গ্রহনযোগ্য হবে। কোন ধরনের সার্ভিস দেয়া হবে তা উল্লেখ করা হয় গিগ টাইটেল দ্বারা। গিগের টাইটেলটি আকর্ষণীয় করুন। যাতে যে কেউ টাইটেলটা দেখেই ভিতরে গিয়ে পড়তে আকর্ষণবোধ করে। টাইটেলে অবশ্যই সার্চের সম্ভাব্য কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন। গিগ টাইটেলে একই শব্দ একাধিক বার ব্যবহার করা যাবে না। ২) ক্যাটাগরি : গিগের উপর ভিত্তি করে ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। ক্যাটাগরি অবশ্যই গিগের সাথে মিল থাকতে হবে। ক্যাটাগরি দেয়া হলে সাব-ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। ৩) গিগ গ্যালারি : গিগ গ্যালারিতে সার্ভিস সম্পর্কিত ইমেজ আপলোড করতে হবে। ইমেজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন কাউকে হঠাৎ করে দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়, এরকম কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে। একটি কার্যকরী ছবি হাজারটি বাক্যের চেয়েও শ্রেয়তর। ইমেজ সাইজ ৫ এম বির নিচে হতে হবে। গিগ গ্যালারিতে সর্বনিম্ন ১টি ও সর্বোচ্চ ৩টি ইমেজ ব্যবহার করা যায়। ছবি গুলোর সাইজ প্রস্থ ৬৮২ পিক্সেল ও উচ্চতা ৪৫৯ পিক্সেল হতে হবে। সুতরাং অফারের সাথে যে ছবিটি সংযুক্ত করবেন সেটি গুরুত্বের সঙ্গে বাছাই করতে হবে। ৪) গিগ ডেসক্রিপশন : গিগ ডেসক্রিপশন এ সার্ভিস সম্বন্ধে বিস্তারিত লিখতে হবে যাতে বায়ার সার্ভিস সম্বন্ধে যথেষ্ট ধারনা পায় এবং আকৃষ্ট হয়। সার্ভিসের ডেসক্রিপশন তারাই পড়বে যারা আপনার টাইটেল এবং ছবি দেখে আগ্রহী হওয়ার পর আরও বিস্তারিত জানতে ক্লিক করবে। সুতরাং ডেসক্রিপশনটি এমনভাবে লিখতে হবে যেন এটি পড়লে বায়ার সার্ভিসটি কেনার জন্য অর্ডার করে। উপস্থাপনা যত ভাল হবে গিগ সেল হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে। ৫) ট্যাগস : সার্ভিস রিলেটেড কিওয়ার্ড ট্যাগ এ ব্যবহার করতে হবে। গিগটি যে ধরনের কাজের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে সে ধরনের কাজের উপর ৫টি কিওর্য়াড র্নিধারন করতে হবে এবং সর্বনিম্ন ৩টি কিওর্য়াড ব্যবহার করতে হবে। কিওর্য়াড রিসার্চ করে ট্যাগ ব্যবহার করলে ভাল হয়।এর ফলে ক্লাইন্ট গিগটি সহজে খুজে পাবে এবং অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে। ৬) ডিউরেশান : যে সার্ভিসের উপর গিগ তৈরি করা হয়েছে প্রথমে তা চিন্তা করতে হবে যে এই সার্ভিসটি সম্পন্ন করতে কতটুকু সময় লাগবে বা অন্যরা একই সার্ভিস কতটুকু সময়ের মধ্যে ডেলিভারি দিচ্ছে।ডিউরেশান ১ থেকে ২৯ দিন পর্যন্ত দেয়া যায়। ফাইভার এ সাধারণত ডিউরেশান ১ থেকে ২ দিন দেয়া হয়। ৭) ইন্সট্রাকশান ফর বায়ার : বায়ার সার্ভিসটি নিতে হলে কি কি শর্ত পূরণ করতে হবে এই অপশন এ এগুলো উল্লেখ করতে হবে। এখানে কাজ করার জন্য বায়ারের কাছ থেকে কি কি দরকার হবে তা উল্লেখ করতে হবে। যেমন: ইমেজ,ইউজার, পাসওয়ার্ড,কন্টেন্ট,ইত্যাদি। বায়ারের কাছ থেকে সেলারের চাহিদা উল্লেখ করে উল্লেখ করে দিতে হবে যাতে পরবর্তীতে ডেলিভারি দিতে সমস্যায় না পরতে হয় অর্থাৎ এই সার্ভিসটি নিতে হলে বায়ারের এই তথ্যগুলো লাগবে। ৮) গিগ ভিডিও : গিগে ভিডিও যুক্ত করলে সেটি সেল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেডে যায়। ভিডিও অবশ্যই গিগের উপর ভিত্তি করে হতে হবে। ভিডিও অবশ্যই ১ মিনিট বা তার কম হতে হবে। একই ভিডিও একধিক গিগে যুক্ত করা যায়। "এক্সক্লুসিভ অন ফাইভার" এই কি ওয়ার্ডটি ভিডিওতে অবশ্যই থাকতে হবে।ফাইভার ব্লগ থেকে জানা যায় যে সকল সেলারের ভিডিওতে নিজেরাই নিজেদের কাজ উপস্থাপন করেছেন তাদের সেল বেড়েছে ৯৬% আর যাদের ভিডিও ইফেক্ট, এনিমেশন, লেখা, ষ্টীল ছবি, ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তাদের সেল বেড়েছে ৮৪%। মিউজিক এবং অডিও ক্যাটাগরিতে যাদের ভিডিও ছিল তাদের সেল বেড়েছে অবিশ্বাস্য ভাবে ৪১৮%। ভিডিও যুক্ত করার সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গিগে শো করে। ভিডিও পাবলিশ হবার পর যতবার খুশি ভিডিও পরিবর্তন করা যায়। থাম্বনেল ও ইচ্ছেমত পরিবর্তন করা যায়। পর পর তিনবার ভিডিও রিজেক্ট হলে আর কখনই গিগে ভিডিও যুক্ত করা যায় না। ফাইভারে গিগ বিক্রি বৃদ্ধির টিপস: ফাইভারে একটা টপিকস এর উপর হাজার হাজার গিগ আছে। এই কারনে আপনার গিগটি ফাইভার থেকে খুজে বের করা সহজ না। কোন বায়ার যখন ফাইভারে এসে কিছু তার প্রয়োজনীয় সার্ভিসটির জন্য সার্চ করে, তখন যে গিগগুলো সার্চের ১ম দিকে থাকে সেসব গিগ থেকে বায়ার তার সার্ভিসটি নিয়ে থাকে। যেসব গিগে রিভিউ বেশি তাকে এবং যেসব গিগে মানুষ ঢুকেছে বেশি সেগুলোকেই সার্চের প্রথমে দেখা যায়। গিগটিকে কিছুটা অপটিমাইজ করলে সফলতা পাওয়া যাবে। কিভাবে অপটিমাইজ করবেন দেখে নিন: - ৬০ থেকে ৮০ অক্ষরের মধ্যে গিগ টাইটেলটি লিখতে হবে। - টাইটেলে মূল কিওয়ার্ডটি প্রথমে থাকতে হবে। - মূল কিওয়ার্ডটি গিগ ডেসক্রিপশন এ মিনিমাম ৩ বার থাকলে ভাল - ট্যাগ লিখার সময় লং টেইল কীওয়ার্ড ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। - গিগ ভিডিও যোগ করলে গিগ সেল হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়। গিগটিকে অপটিমাইজ করার পর সেটিকে মার্কেটিং করলে ভাল পরিমাণ ক্রেতা পাওয়া যাবে। সেজন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ফোরাম টিউনিং, ব্লগ টিউমেন্টিং, ভিডিও মার্কেটিং এবং গেস্ট ব্লগিং করতে পারেন। সবগুলো একসাথে করতে পারলে দ্রুত ভাল ফলাফল পাবেন। সম্ভব না হলে যে কোন একটি সঠিকভাবে করুন। তাতেই দেখবেন ১সপ্তাহের মধ্যেই ইনকাম শুরু হয়ে গেছে। ফাইভারে র‌্যাংকিং: আপনার একাউন্ট যদি ১ মাস একটিভ থাকে এবং আপনি যদি ফাইবার এ ১০ টি গিগ সেল করেন এবং আপনার যদি ভালো ফিডব্যাক থাকে তাহলে ফাইভার কমিউনিটি আপনার একাউন্টটিকে লেভেল ১ এ নিয়ে নিবে। তারা আপনার একাউন্ট এ একটি লেভেল ১ এর ব্যাচ দিবে। বায়ার এর মডীফিকাশান যেন না হয়। কাজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে বায়ারকে কাজের প্রমান পাঠিয়ে দিবেন। মনে রাখবেন, বায়ার যদি কাজে সন্তুষ্ট না হয় তাহলে সেটির টাকা পাওয়া যাবে না। সুতরাং শতভাগ কাজ করতে হবে। যদি ফাইবার এ ৫০ টি গিগ সেল করেন এবং আপনার যদি ভালো ফিডব্যাক থাকে এবং আপনার একাউন্ট যদি ২ মাস একটিভ থাকে তাহলে ফাইভার কমিউনিটি আপনার একাউন্টটিকে লেভেল ২ এ নিয়ে নিবে। তারা আপনার একাউন্ট এ একটি লেভেল ২ এর ব্যাচ দিবে। বায়ার কে দ্রুত উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবেন। আপনার একাউন্ট যদি ৪ মাস একটিভ থাকে এবং যদি ফাইবার এ ২৫০ টি গিগ সেল করেন এবং যদি ভালো ফিডব্যাক থাকে তাহলে ফাইভার কমিউনিটি আপনার একাউন্টটিকে টপ লেভেল এ নিয়ে নিবে। তারা আপনার একাউন্ট এ একটি টপ লেভেল এর ব্যাচ দিবে। টপ লেভেলে অনেক বেশি কাজ পাওয়া যায় এবং প্রত্যেকটি কাজের মূল্য অনেক বেশী নির্ধারণ করে দেওয়া যায়। ফাইভারে কাজ করলে প্রথমদিকে ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে কেননা প্রথম দিকে আপনার গিগ খুব কম সেল হতে পারে। আপনি যখন একটির পর একটি লেভেল অতিক্রম করবেন তখন গিগ সেল করা সহজ হয়ে যাবে। ফাইভারের পেমেন্ট মেথড : ফাইভার প্রতি ৫ ডলারে ১ ডলার চার্জ হিসেবে কেটে নিবে অর্থাৎ ৫ ডলার ইনকাম করলে আপনি পাবেন ৪ ডলার করে। প্রতিটি কাজ বায়ার এর দেয়া কমপ্লিট ঘোষনা দেয়ার ১৫ দিন পরে টাকা উত্তোলন করা যাবে। ফাইভার থেকে বাংলাদেশে সাধারণত পাইওনিয়ার কার্ড দ্বারা টাকা উঠানো যায়। পাইওনিয়ার ডেবিটকার্ডের মাধ্যমে ফাইভার থেকে আয় করা অর্থ সরাসরি এটিএম বুথের মাধ্যমে উঠানো যায়। প্রতি বার $ ৩.১৫ চার্জ কাটবে। তাছাড়া গত সেপ্টেম্বর’২০১৫ হতে ফাইভারে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে ডলার উত্তোলনের সিস্টেম। সতর্কতা: ১) কাজের অর্ডার পাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ জমা দিতে না পারলে অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যেতে পারে। ২) অন্যের গিগ থেকে নকল করে নিজের গিগ তৈরি করলে সেই অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যাবে। ৩) একটা পেপাল অ্যাকাউন্ট কিংবা পাইওনিয়ার অ্যাকাউন্ট যদি একাধিক ফাইভার অ্যাকাউন্টে যু্ক্ত থাকলে সেটার জন্য বিপদ হতে পারে। ৪) একই তথ্য দিয়ে একের অধিক অ্যাকাউন্ট খুললেও বিপদের আশংকা রয়েছে।
  35. 1 point
    কভার লেটার সেম হইলে সমস্যা আছে। আপনি একটু rewrite করে নিবেন। একি কথা অন্য ওয়ার্ড এ লিখবেন।
  36. 1 point
    কোন জবে এপ্লাই করার আগে প্রথমে চিন্তা করেন, ক্লাইন্টের মাইন্ড কি বা কি চাচ্ছে। এখন বিচার করুন আপনি কাজটার যোগ্য কিনা। এবার আত্ন বিশ্বাস এর সাথে কভার লেটার লিখুন। অযাথা বেশি কথা না বলে সংক্ষেপে আপনি কাজটা জানেন কিনা, কিভাবে করবেন, কতদিন লাগবে ইত্যাদি বলুন খুব ছোট আর আকর্ষণীয় করে। আর কোন প্রশ্ন থাকলে তারও উত্তর দিন সংক্ষেপে। মনে রাখবেন আপনার কোন কথা যেন ক্লাইন্টকে কনফিউশনে না ফেলে। অনেকেই আছে এরকম করে শুরু করে- “I’m very experienced…” “I’m expert of this..” “I have very good knowledge..” তাহলে এবার বুঝেন, ক্লাইন্ট কি আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনে? না, ক্লাইন্ট এর সাথে আপনি মাত্র পরিচয় শুরু করেছেন, সে কিভাবে জানবে? লেখার সময় শুধুমাত্র ওই কাজকে হাইলাইট করে লিখবেন । তবে না সে জানবে আপনি এক্সপার্ট। সুন্দর কয়েকটা উদাহরন দিচ্ছিঃ১. শুরু করু উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়ে। যেমন- “Hi”, “Hello”, “Dear Sir”২. বর্ণনা প্রুন আর ছোট ছোট পয়েন্টে লিখুন।৩. কি হাইলাইট করেছে সেটা ধরার চেষ্টা করুন।৪. ক্লাইন্টের দেয়া ডাইরেকশনে কাজ করুন। যেমন- বলছে এখানে আবেদন করার দরকার নাই, আমাদের মেইল এ আপনার পোর্টফলিও সহ মেইল করুন।৫. লেখা শেষ জব সাবমিট করার আগে রিভিশন দিন।৬. আপনার কাজের স্যাম্পল দিন। সেটা লিঙ্ক বা attachment হতে পারে।সতর্কতাঃ১. কখনো অন্যের কভার লেটার কপি করবেন না।২. একই কভার লেটার বিভিন্ন বায়ার কে পাঠাবেন না।৩. জব দেয়ার জন্য রিকোয়েস্ট করবেন না, মনে রাখবেন আপনি ভিক্ষা চাইছেন না, কাজের বিনিময়ে টাকা নিব।৪. দাম কমাবেন না বা বাড়াবেন না ।৫. কোন নেগেটিভ কিছু লিখবেন না ।উপরোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে আশাকরি আপনিও আপ ওয়ার্কে কাজ পাবেন।Happy freelancing…
  37. 1 point
  38. 1 point
    ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টি কি? অনলাইনের এ যুগে বেকার শব্দটি বদ্দ বেশি বেমানান। কারণ অনলাইন সারা বিশ্বকে নিয়ে এসেছে আপনার ঘরের কোণে। এখন ঘরে বসেই সম্ভব হচ্ছে বিদেশে থাকা নিজের কাছের মানুষের সাথে ভিডিও কথোপকথন, যা আজ থেকে মাত্র ৩ বছর আগেও মানুষের কাছে অসম্ভব এবং অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছিল। এখন বিষয়টি গ্রামের স্বল্প শিক্ষিত মানুষদের কাছেও অতিপরিচিত। যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি বিশাল আবিস্কার হচ্ছে ইন্টারনেট। এ ইন্টারনেট সারা বিশ্বকে ছোট করে নিয়ে আসার পরই চলে এসেছে বিশাল বড় পরিবর্তন। সারা বিশ্বে ছোট ছোট কোম্পানীগুলোর পাশাপাশি বড় বড় কোম্পানীগুলোও ভাবা শুরু করেছে, তাদের কাজের জন্য সকল স্টাফকে অফিসে নিয়ে এনে বসানোর দরকার নেই। খরচ কমানোর পরিকল্পনাতে তারা সারাবিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কাজের জন্য লোক নেওয়া শুরু করল, যারা অফিসে না এসে অন্য দেশে বসে ঘরে বসেই সব কাজ করা সম্ভব। অনলাইন বিষয়টিকে এতই সহজ করে দিল, যেটার জন্য এখন আর প্রয়োজন হচ্ছেনা নিজের দেশ ত্যাগ করে, নিজের পরিচিত পরিবেশ, বন্ধু-আত্নীয়স্বজনকে ত্যাগ করে দূরে চলে গিয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া। ঘরে বসেই মানুষ এখন বড় বড় কোম্পানীতে চাকুরী করছে। দিনে দিনে এ সংখ্যা আরো বাড়ছে, সামনে আরও বাড়বে। কারন অনলাইনে কাজ করতে গিয়ে এখনও যা যা বাধা আছে, সেগুলোও ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাচ্ছে। অনলাইনে বসে এরকম কাজ করে যারা নিজেদের ক্যারিয়ারকে গড়ে তুলেছেন, তাদেরকেই ফ্রিল্যান্সার বলে। আর এ ধরনের কাজকেই ফ্রিল্যান্সিং বলে।
  39. 1 point
    ইনভাটো হচ্ছে ফ্রীলাঞ্চারদের জন্য সবচেয়ে প্রছন্দের মার্কেটপ্লেস। অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ইনভাটো নামক প্রতিষ্ঠানটি শুরু হয় ২০০৬ সালে। ইনভাটোর অনেকগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে। প্রত্যেকটি ওয়েবসাইট-এ রয়েছে মানসম্মত কনটেন্ট, স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও ইউজার ফ্রেন্ডলি আকর্ষনীয় ইন্টারফেস। গ্রাফিকরিভার হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য, থিমফরেস্ট হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য। গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা তাদের ডিজাইন যেমন: লোগো, ভিজিটিং কার্ড থেকে শুরু করে সকল ধরনের ডিজাইন সম্পর্কিত পণ্য এখানে বিক্রি করতে পারে এবং ওয়েব ডেভেলপার হলে এইচটিএমএল টেমপ্লেট, সি এস এস, ওয়ার্ডপ্রেস থিম সেল করা যায়। ক্রিয়েটিভ ডিজাইন করতে পারলে থিমফরেস্টে এবং গ্রাফিকরিভারে প্রচুর ইনকাম সম্ভব। ভালমানের ডিজাইন না হলে খিমফরেস্ট কতৃপক্ষ ডিজাইন অ্যাপ্লুভ করবেনা। একটা ডিজাইন অ্যাপ্লুভ হলে সেটা সারাজীবন যতবার বিক্রি হবে, সেখানে থেকে ততবারই ইনকাম হবে। অর্থাৎ একটা ডিজাইন সারাজীবনের ইনকাম। এর আগের পর্বগুলো যারা মিস করেছেন, তাদের জন্য আগের পর্বগুলোর লিংক দিচ্ছি। ইনভাটোতে ৮টি ওয়েবসাইট রয়েছে। প্রত্যেকটিতে ভিন্ন ভিন্ন কাজ রয়েছে। - থিমফরেস্ট.নেট - গ্রাফিকরিভার.নেট - কোডকেনিয়ন.নেট - ভিডিও হাইভ.নেট - অডিওজাঙ্গল.নেট - ফটোডিউন.নেট - থ্রিওসেন.নেট - একটিভডিন.নেট ইনভাটোতে অ্যাকাউন্ট ও প্রোফাইল তৈরি: ইনভাটোতে অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে একটা ইমেইল এড্রেস লাগবে। ওয়েবঠিকানা: envato.com। অ্যাকাউন্ট করার সময় সাইনআপ ফর্মে সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হয়। অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত করার জন্য ইমেইল ভেরিফিকেশান করা হয়। অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত হয়ে গেলে এখন প্রোফাইল তৈরি করা।ইনভাটোতে একটি অ্যাকাউন্ট খুললে ইনভাটোর ৮টি ওয়েবসাইটে কাজ করা যায়। কাজের ধরন : ইনভাটো মার্কেটে যারা থিম, ডিজাইন, কনটেন্ট বা বিভিন্ন প্রোগ্র্যামে তৈরী করা ফাইল বিক্রি করে তাদের অথোর (author) বলা হয়। অথোর হতে হলে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করে ছোট একটি কুইজে অংশ নিতে হয়। কুইজ প্রধানত ইনভাটো মার্কেটপ্লেস এর নিয়ম-কানুন ও কপিরাইট সংক্রান্ত। একজন অথোর হিসেবে যে কোন ডিজাইন বা ফাইল নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জমা দিতে হয়। জমা দেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে ইনভাটো কর্তৃপক্ষ তা সাইটে বিক্রির যোগ্য কিনা তা যাচাই-বাছাই করবে, যদি উপযুক্ত না হয় তাহলে মেইলের মাধ্যমে কোথায় ও কি কি সমস্যা তা জানিয়ে দিক-নির্দেশনা দিবে এবং একদম উপযুক্ত না হলেও তা জানিয়ে দিবে। ফাইলটি কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করলে তা সাইটে আপলোড করবে এবং তার একটি নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারন করবে এবং পণ্যটি সেদিন থেকেই বিক্রি হওয়া শুরু হতে পারে। কোন কোন ডিজাইন এক সপ্তাহের মধ্যেই বিক্রি কয়েকশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। থিমফরেস্ট.নেট : থিমফরেস্ট হলো ইনভাটোর সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট। গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা এখানে তাঁদের ডিজাইন টেমপ্লেট বিক্রি করতে পারেন এবং ডেভেলপার হলে ডিজাইনের পাশাপাশি এইচটিএমএল এবং সিএসএস কোডিংও বিক্রি করা যায়। ডিজাইন ও ফাংশনালিটি যদি ক্রেতাদের একবার নজর কাড়তে পারে তাহলে খুব ভাল আয় সম্ভব। থিমফরেস্টে সাধারণত থিম বিক্রি হয়। থিমফরেস্ট সবসময় তাদের স্টকের থিম সমূহের গুনমান বিশ্লেষণ করে, তাই তাদের রয়েছে বিশ্বব্যাপী একটা বিশাল মার্কেট। এখানে পৃথিবী বিখ্যাত সব ডিজাইনার থেকে শুরু করে যারা নবীন কিন্তু মেধাবী তারাও টেমপ্লেট বিক্রয় করে। টেমপ্লেটগুলো কয়েক ভাগে বিভক্ত যেমন ওয়ার্ডপ্রেস টেমপ্লেট, জুমলা টেমপ্লেট, পিএসডি টেমপ্লেট, ড্রুপাল টেমপ্লেট ও অন্যান্য। এছাড়া বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ, একাউন্ট ব্যবস্থাপনা, ডেভলপারকে তার প্রাপ্য মুনাফা পৌঁছে দেয়া ইত্যাদি কাজ করে থাকে থিমফরেস্ট। তাই নতুন এবং প্রতিভাবান ডেভলপারদের জন্য থিমফরেস্ট সর্বশ্রেষ্ঠ মার্কেটপ্লেস। থিমফরেস্টে সফল হওয়ার কিছু টিপস : ০১) থিম সাবমিট করার আগে অবশ্যই ডেভেলপার প্লাগইন দিয়ে চেক করে দিতে হয়। ০২) থিম ফোল্ডার থেকে সকল প্রকারের হিডেন ফাইল ও ফাইলে কোন অযথা টিউমেন্ট থাকলে ডিলেট করে দিতে হবে। ০৩) ডিজাইনে বৈচিত্র আনতে হবে এমন কোন কথা নেই, আপনার কাজ যাতে সব ব্রাউজারে ঠিক মত চলে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। ০৪) থিমে অবশ্যই যেন কনটেন্টের অ্যালাইনমেন্ট এবং স্পেসিং ঠিক থাকে। ০৫) বৈধ মার্কআপ লিখতে হবে যা খুবই জরুরি। গ্রাফিকরিভার.নেট : এই সাইটে সাধারণত বিজনেস কার্ড, প্লায়ার, বিজনেস কার্ড, লোগো, ওয়েববাটন, ব্যানার, ব্যাকগ্রাউন্ড, প্রাইস চার্ট ইত্যাদি বিক্রি হয়।প্রতিটি আলাদা আলাদাভাবে এখানে বিক্রি করা যায়। ইলিমেন্ট এবং ডিজাইন ভেদে বিভিন্ন ধরনের দাম হয়। এখানে একটি ডিজাইন একবার নয় বরং একাধিকবার বিক্রি করা যায়। ডিজাইনাররা তাদের সুন্দর একটি ডিজাইন তৈরী করে গ্রাফিকরিভার জমা দেয় । ডিজাইনটি গ্রাফিক রিভার সাইট কতৃক গৃহীত হলে বাকি কাজ ওরাই করে দেবে। এরপর ডিজাইনের জন্য একটি মূল্য নির্ধারণ করা হবে। এ মূল্যটি ডিজাইনের কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে $১ থেকে $১০ পর্যন্ত হতে পারে। প্রাথমিকভাবে প্রতিবার বিক্রির জন্য আপনার ডিজাইনের নির্ধারিত মূল্যের ৪০% আপনাকে প্রদান করা হবে। গ্রাফিকরিভারে সফল হওয়ার কিছু টিপস : ০১) যথাসম্ভব সুন্দর ইউনিক ডিজাইন করুন যাতে কাস্টমারদের তা পছন্দ হয়। ০২) কালার কমবিনেশন মিল রেখে ডিজাইন করতে হবে। ০৩) পিএসডি ফাইলে যদি আপনি বিভিন্ন মডেলদের ছবি ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপলোড করার আগে পিএসডি থেকে মডেলদের ছবিগুলো রিমুভ করে নেবেন। ০৪) মেইন ফাইলের সাইজ সর্বোচ্চ্য ১ জিবি হতে পারে ০৫) ডিজাইন আপলোড করার সময় ডিজাইন থিমের সাথে মিল রেখে কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।তবে প্রত্যেকটি কিওয়ার্ড ছোট হাতের অক্ষরে লিখতে হবে এবং একটার পর আরেকটা কমা দিয়ে লিখতে হবে। কোডকেনিয়ন.নেট : কোডকেনিয়ন প্রধানত ওয়েবসাইটের উপাদান বিক্রির জন্যই। কিন্তু পার্থক্য হচ্ছে এখানে ডিজাইন বা পুরো থিম নয় বরং বিক্রি হয় কোড। ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা ও মোবাইল এপ্লিকেশন সহ বিভিন্ন ইকমার্স সাইটএর সিএমএস জন্য তৈরী বিভিন্ন কোড ক্রয়-বিক্রয় করা হয় এই সাইটে। এ ফাইলগুলো পিএইচপি, জাভাস্ক্রিপ্ট, এইচটিএমএল৫ সহ অন্যন্য প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ও স্ক্রিপ্ট ল্যাংগুয়েজ দিয়ে তৈরী হয়। নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডেভেলপাররা বিভিন্ন ওয়েব প্লাগিন এবং ইলিমেন্ট বিক্রি করে থাকে এখানে। যারা বিভিন্ন ধরনের ওয়েব ইলিমেন্ট ভালোভাবে তৈরি করতে পারেন তাদের প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য এটা একটা উত্তম মার্কেটপ্লেস। প্রোডাক্ট ফিচার ভেদে দামের তারতম্য। কোডকেনিয়নে সফল হওয়ার কিছু টিপস : ০১) যারা কোডিং এক্সপার্ট তাদের জন্য কোডকেনিয়ন খুব ভাল সাইট। ০২) ক্রিয়েটিভ কোডিং করতে পারলে খুব সহজেই ভাল ইনকাম আসবে। ০৩) কপি পেস্ট না করে অন্য ওয়েবসাইট থেকে ধারনা নিতে পারেন। ০৪) মার্কেটপ্লেসের কথা মাথায় অর্থাৎ প্রচলিত নিয়ম অনুসারে কোডিং করতে হবে। ভিডিও হাইভ.নেট : একটি ওয়েবসাইটকে আকর্ষনীয়ভাবে উপস্থাপনের জন্য বিভিন্ন ভিডিও যুক্ত করা হয়। বিভিন্ন ধরনের ফিচার ভিডিও এবং ইফেক্ট ভিডিও বিক্রি করা হয় এই সাইটে। এখানে আফটার ইফেক্ট প্রোজেক্ট ফাইলও বিক্রি করা যায়। ভিডিওর দাম সাধারনত ৭ ডলার আর আফটার ইফেক্ট প্রজেক্টের দাম হয় ২১ ডলার থেকে। ভিডিও হাইভে সফল হওয়ার কিছু টিপস : ০১) ভিডিও তৈরি করার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে ভিডিও এডিটর সফটওয়্যার "ইডিয়াস" দ্বারা খুব ভাল মানের ভিডিও বানানো যায়। ০২) ভিডিও কোয়ালিটি ভাল মানের হতে হবে। ০৩) অন্যের ভিডিও কপি করে নিজের নামে চালানো যাবে না। মোটকথা ভিডিও কন্টেন্টটি ইউনিক হতে হবে। ০৪) যারা প্রোফেসনাল ভিডিও এডিটর তারা খুব সহজেই সফলতা পায়। অডিওজাঙ্গল.নেট : অডিওজাঙ্গল মূলত অডিও বিক্রির জন্য। বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্রের ইউনিক অডিও কিংবা কোন ফিচার অডিও এখানে বিক্রি করতে পারেন। অডিও ভেদে দামের অনেক তারতম্য হয়। মটিভেসানাল,ফানি অথবা রক টাইপের অডিও গুলো খুব বেশি সেল হয়। অডিও কোয়ালিটি ভাল হতে হবে। ফটোডিউন.নেট : ফটোডিউন এ নিজের তোলা ছবি বিক্রি করা যায়। ফটোডিউনে ছবির সাইজ ভেদে দাম হয়। এখানে মিডিয়াম সাইজের একেকটা ছবি একেকবার বিক্রির দাম হচ্ছে সাধারনত ৩ ডলার। এখানে তবে ছবি অবশ্যই কোয়ালিটিফুল হতে হবে। থ্রিওসেন.নেট : থ্রিওসেনে যাবতীয় ৩ডি এলিমেন্ট ডিজাইন বিক্রি করা যায়। ডিজাইন গুলোর দাম সাধারণত ১ ডলার থেকে শুরু হয়ে ১০০ ডলার পর্যন্ত হয়। বিভিন্ন ধরনের গাড়ী, মোবাইল, বিভিন্নধরনের প্রাণী,ইনডুর ইত্যাদি ডিজাইন বেশি বিক্রি হয়ে থাকে। একটিভডিন.নেট : একটিভডিনে বিভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাশ ইলিমেন্ট বিক্রি করা হয়। বিভিন্ন ধরনের এনিমেনেট অবজেক্ট, ব্যাকগ্রাউন্ড, বাটন ইফেক্ট, ইকুয়েলাইজার ইত্যাদি বেশি বিক্রি হয়ে থাকে। দাম সাধারনত ৩ ডলার থেকে শুরু হয়। ইনভাটোতে পেমেন্ট মেথড : ইনভাটো থেকে চারভাবে টাকা উত্তোলন করা যায়। যেমন : মানিবুকার্স, পেওনিয়ার, ব্যাংক ট্রান্সফার ও পেপালের মাধ্যমে। ইনভাটো থেকে মানিবুকার্স দিয়ে অর্থ উত্তোলনের জন্য একাউন্টে সর্বনিম্ন ৫০ ডলার জমা থাকতে হবে। ইনভাটোর যেকোন প্রোডাক্ট বিক্রি বৃদ্ধির জন্য বিশেষ টিপস: - সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে প্রচুর বিক্রি করা যায়। - ব্লগিং এবং গেস্ট ব্লগিং বিক্রি বৃদ্ধিতে অনেক সহায়ক হবে। - ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করে সেটিকে মার্কেটিং করতে পারেন। - টার্গেটেড ইমেইল লিস্ট থাকলে তাদের কাছে ইমেইল মার্কেটিং করে প্রচুর বিক্রি সম্ভব। - বিভিন্ন ফোরামেও অ্যাক্টিভ থেকে অনেক ক্রেতা খুজে বের করার সম্ভব। সতর্কতা : ০১) ডিজাইন প্রিভিউতে কপিরাইট লঙ্ঘন করে ইমেজ ব্যবহার করা যাবে না। ০২) প্রোজেক্টে কোন কোম্পানীর লোগো সম্বলিত কোন কিছু অ্যাড করতে পারবেন না। ০৩) ইন্টারনেট থেকে কোন ডিজাইন কপি করেও ডিজাইন জমা দিতে পারবেন না, যদি রিভিউয়ার অ্যাকসেপ্টও করে ফেলে কিন্তু পরে কোন এক সময় লক্ষ্য করল যে এটা আসলে অন্য কোন একটা ডিজাইনের নকল, তাহলেও আপনি কপিরাইট আইন ভঙ্গের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন। ০৪) ডেসক্রিপশনেও যদি কারো স্টাইল কপি করেন যেমন যে কয়েকটা জায়গায় পরিবর্তন করা দরকার সেগুলোতেই পরিবর্তন করলেন তাহলে ও কিন্তু ওয়ার্নিং খেতে পারেন যদি যার ডেসক্রিপশন কপি করেন সে যদি রিপোর্ট করে। ০৫) ইনভাটো সাধারনত প্রথমবার ওয়ার্নিং দেয়, দ্বিতীয়বার আর ওয়ার্নিং দেয়না, সরাসরি অ্যাকশন নিবে, সেটা অনেক কিছুই হতে পারে যেমন আপনাকে অস্থায়ীভাবে ব্যান করতে পারে অথবা আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উইথড্র করার সুবিধা কয়েক মাসের জন্য আটকে দিতে পারে।
  40. 1 point
    এ বিষয়টি নিয়ে নতুনদের মনে প্রচুর প্রশ্ন থাকে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করতে আগ্রহী। কিন্তু কোন পথে হাটবেন, সেটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এ উত্তরটি আসলে নিজেকেই খুজে বের করতে হবে। তবে যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং বিষয়গুলো নিয়ে ধারণা কম, সেজন্য এখানে প্রধান বিষয়গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে বলার চেষ্টা করছি। ধারাবাহিকটির পরের পর্বগুলোতে প্রতিটা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত নিয়ে আসব। প্রতিটা পর্ব পড়ার চেষ্টা করুন। অনলাইনে মূলত সবচাইতে বেশি কাজ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে যে যে সেক্টরগুলোতে সেগুলো হলো: গ্রাফিক ডিজাইন, এসইও, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ওয়েবডিজাইন, ইমেইল মার্কেটিং, অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট, ভিডিও অ্যাডিটিং, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি। গ্রাফিক ডিজাইন: যে কোন কোম্পানীর লোগো, ব্রুশিয়ার থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রিন্টিং জাতীয় সকল প্রোডাক্ট গ্রাফিক ডিজাইনাররা তৈরি করেন। আবার যে কোন ওয়েবডিজাইনের শুরুতে কিংবা ভিডিও অ্যাডিটিংয়ের কাজে কিংবা অ্যানিমিশন প্রজেক্টের ক্ষেত্রেও গ্রাফিক ডিজাইনারদের প্রয়োজন। এমনকি এসইও প্রজেক্টের গ্রাফিক ডিজাইনারদের সাহায্য প্রয়োজন হয়। এটুকু তথ্যই গ্রাফিক ডিজাইনারদের চাহিদা কেমন বুঝার জন্য যথেষ্ট। এসইও: বর্তমানে মানুষজন তাদের বেশির ভাগ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খুজে বের করার জন্য গুগলে সার্চ দেয়। গুগলের উপর নির্ভরশীলতা মানুষের দৈনন্দিন কাজকে আরও বেশি সহজ করে দিচ্ছে। যদি কোন কোম্পানী তার সার্ভিস কিংবা প্রোডাক্টকে সম্ভাব্য ভোক্তার সার্চের সময় চোখের সামনে নিয়ে আসতে পারে, তাহলে সেই সার্ভিসটি বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। আর এ কাজটিকেই বলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, সংক্ষেপে এসইও। বর্তমানে অনলাইনে মানুষের নির্ভরশীলতা বেড়ে যাওয়ার কারনে সকল কোম্পানী তাদের সার্ভিসকে প্রচারের জন্য অনলাইনকেই সবচাইতে বেশি ব্যবহার করছে। আর সেজন্য যেকোন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িকভাবে উন্নতির জন্য এসইও এক্সপার্টদের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এসইও এক্সাপার্টদের কাজের ক্ষেত্রগুলো সেজন্য অনেক বেশি। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: কোন প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে তাদের মার্কেটিং করে দিলে এবং সেক্ষেত্রে প্রতিটা প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিসের বিক্রির টাকা হতে একটা অংশ পেলে এ বিষয়টাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। আন্তর্জাতিক বহু বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসাকে আরো বেশি বড় করার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সিস্টেম চালু রেখেছে। বাংলাদেশে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট, ক্লিক ব্যাংক অ্যাফিলিয়েট অনেক বেশি জনপ্রিয়। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট: আধুনিকযুগে প্রতিটা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। এছাড়া অনলাইনেই তৈরি হচ্ছে নিউজ পোর্টাল, টিভি, কমিউনিটি সাইট, ব্লগসহ আরো বিভিন্ন ধরনের সাইট। এক হিসেব অনুযায়ি সারাবিশ্বে প্রতি মিনিটে ৫৬২টি করে নতুন ওয়েবসাইট চালু হচ্ছে। এ তথ্যটি ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজের সম্ভাবনা বুঝতে সহজ করে দিবে আশা করছি। মার্কেটপ্লেসগুলোতে ওয়েবডিজাইন সম্পর্কিত কাজগুলোর প্রতি ঘন্টার রেট গ্রাফিকস কিংবা এসইও সম্পর্কিত কাজের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। ইমেইল মার্কেটিং: অনলাইনে মার্কেটিংয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হচ্ছে ইমেইল মার্কেটিং। মার্কেট প্লেসে আয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সফলতার জন্য, কিংবা নিজের বা অন্যের কোন ব্যবসার প্রমোশনের কাজের জন্য এটি শিখতে পারেন। কিংবা গ্রাফিক, ওয়েব ডিজাইনের কাজ যোগাড় করার জন্য ইমেইল মার্কেটিংয়ের জ্ঞানটি অনেক বেশি উপকারে আসবে। অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট: যারা প্রোগ্রামিংয়ে মোটামুটি ধারণা আছে, তাদের জন্য আমার সবসময়ের পরামর্শ থাকে অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট শিখে নিন। স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়ে যাচ্ছে মানে অ্যাপস ডেভেলপারদের চাহিদাও বেড়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এ সেক্টরটির অনেক চাহিদা থাকবে। মার্কেটপ্লেসগুলোতে এ ধরনের কাজের প্রতিযোগীতা কম থাকে এবং কাজের প্রতি ঘন্টা রেটও অনেক বেশি হয়। ভিডিও অ্যাডিটিং: যারা ভিডিও তৈরি কিংবা অ্যাডিটিং সম্পর্কিত কাজ জানেন, তারাও অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার দিকে এখন নজর দিতে পারে। কারণ এসইও, অ্যাডসেন্স ইনকাম কিংবা অ্যাফিলিয়েশনের আয়ের জন্য বর্তমানে ভিডিও অ্যাডিটিংয়ের কাজ জানা থাকলে অনেক ভাল হয়্। আর বর্তমানে একটা অংশ গুগলে কোন কিছু সার্চ না দিয়ে ইউটিউবেই সার্চ বেশি দেয়। ইউটিউবে সার্চ বৃদ্ধি পাচ্ছে মানে ভিডিও অ্যাডিটিংয়ের জ্ঞান এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আর্টিকেল রাইটিং: ইংরেজি জ্ঞান ভাল থাকলে এবং লেখালেখির অভ্যাস থাকলে শুধুমাত্র আর্টিকেল রাইটার হিসেবেই অনলাইনে অনেক ব্যস্ত ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব। মার্কেটপ্লেসগুলো আর্টিকেল রাইটিং, রিরাইটিং সম্পর্কিত কাজগুলো অনেক বেশি থাকে। তাছাড়া এ অভ্যাসকে কাজে লাগিয়ে ব্লগিং করার মাধ্যমেও আয় করা যায়। উপরে মূলত প্রধান কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করলাম। আরো অনেক কিছু শিখেও অনলাইনে ভাল ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব। এ কাজগুলো জোগাড় করার জন্য বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস রয়েছে। তাছাড়া সোশ্যালমিডিয়াকে ব্যবহার করে, ব্লগিং করে কিংবা ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে অনেক বায়ার খুজে বের করা যায়। TO GET MORE TIPS AND TRICKS JUST JOIN WITH US. Do You have any question?. Just post it here http://upworkbangladesh.com/index.php?/forum/18-প্রশ্ন-উত্তর-সমস্যা-ও-সমাধান/
  41. 1 point
    ?Instagram Marketing Specialist professionally grow your instagram account real followers likes & comments? Contact?yasojol@gmail.com
  42. 0 points
  43. 0 points
    Hello, I like to work on Administrative support specially Data-Entry. I will like to work with you. I have 4 years of experience in Admin Support. I want to work on a full time project. Thanks Md Ali Nayeem
  44. 0 points
  45. -1 points
  46. -1 points
    Hi, I am interested on your job.
  47. -1 points
    Dear sir, I am very much interested to this work. I am fully expert in web research, extracting email, Google, MS Office (Full), MS Excel, Google Docs, Google Document etc.
  48. -1 points
    i m also interested. i have fulfill all requirement u needed. i hope that u may hire for data entry.
  49. -1 points
    Dear admin vai.Now i am very interested and agree your data entry job.I have tow Pc and good net connection.Now you can hire me your work. i can web research data entry,valid business mail collect for any niche based,data entry etc My gmail: hamjalalsarker@gmail.com
  50. -1 points
    I want to apply to this job Hello sir! My name is Ibna Hossain. I have been completed my graduate level from Dhaka College Under National University. And I am running Student of Dhaka University. I have stated some of my skills below. 1. spoken and written English. 2. Can work under pressure. 3. Very punctual. 4. Can handle a heavy work pressure. 5. Team player. 6. Have Knowledge Adobe Photoshop, Power Point, Ms Word. 7. Basic Knowledge Adobe Illustrator. I have attached the wpm screenshot and PC benchmark result with this application-https://10fastfingers.com/typing-test/english#_=_ https://10fastfingers.com/typing-test/english#_=_
×