Jump to content
News Ticker
  • News ticker sample
  • News ticker sample

Admin

Administrators
  • Content count

    57
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    14

Admin last won the day on March 3

Admin had the most liked content!

Community Reputation

22 Excellent

About Admin

  • Rank
    Advanced Member
  • Birthday 03/10/1980

Recent Profile Visitors

2,973 profile views
  1. রেমিটেন্স সার্টিফিকেট - পেওনিয়ার আমাদের অনেকেই পেওনিয়ার থেকে লোকাল ব‍্যাঙ্ক ট্রান্সফার দেই। এই ট্রান্সফারটা প্রসেস করে ব‍্যাঙ্ক এশিয়া। যাদের ব‍্যাঙ্ক এশিয়াতে একাউন্ট আছে তারা সহজেই রেমিটেন্স সার্টিফিকেট তুলতে পারেন। কিন্তু যারা অন‍্য লোকাল ব‍্যাঙ্কে ট্রান্সফার দেন তাদের জন‍্য রেমিটেন্স সার্টিফিকেট পেতে একটু বেশি কাজ করতে হয়। তাদের জন‍্য প্রক্রিয়াটি শেয়ার করছি। ১। আপনার লোকাল ব‍্যাঙ্ক থেকে চলতি অর্থ বছরের লেনদেনের স্টেটমেন্ট তুলুন। ২। এবার স্টেটমেন্ট আর একটা কলম নিয়ে বসুন। খুঁজে দেখুন কোন কোন ফান্ডগুলো (মানে ট‍্যাকাটুকা) পেওনিয়ার থেকে ব‍্যাঙ্ক এশিয়া হয়ে আপনার একাউন্টে এসেছে। একটা একটা করে সেগুলোকে মার্ক করুন। ৩। মার্ক করা স্টেটমেন্ট আর একটা দরখাস্ত (ম‍্যানেজার, ব‍্যাঙ্ক এশিয়া, প্লটন ব্রাঞ্চ, বিষয়: রেমিটেন্স সার্টিফিকেটের জন‍্য আবেদন) নিয়ে ব‍্যাঙ্ক এশিয়ার পল্টন ব্রাঞ্চ চলে যাবেন। কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই গত কয়েক বছর ধরে আমিসহ অনেকে এভাবে রেমিটেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতেছি। আশা করি আপনিও পেয়ে যাবেন। শুভেচ্ছা নিরন্তর। Source
  2. ফ্রীল্যাঞ্চিংয়ের অন্যতম ওয়েব সাইট ফাইভার ৷ খুব শীঘ্রই তারা তাদের নির্ভরযোগ্য কর্মীদের ক্রমবর্ধমান অব্যাহত রাখার জন্য একটি পরীক্ষা নিতে চলেছে সকল সেলারদের ৷ এই পরীক্ষায় সেলারদের অফিসিয়াল পরিচয়পত্র দিয়ে নিজের পরিচয় প্রমান করতে হবে ৷ ধীরে ধীরে তারা তাদের সেলারদের পরিচয় যাচাই করার জন্য সবার কাছে অফিসিয়াল পরিচয়পত্র চাইবে (জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স) ৷ Source Fiverr (This image made with photoshop for clear view). এ সম্পর্কে ফাইভার কাস্টমার সাপোর্টে জানতে চাওয়া হলে তারা জানায়, "সমস্ত ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করার জন্য সকল ব্যবহারকারীকে একটি যাচাইকরন প্রক্রিয়া সম্পূর্ন করতে হবে" (See the image below). Source Fiverr Customer Support. ভেরিফাই করার জন্য কি কি দিতে হবে সেটা জানতে চাইলে তারা বলে, "সবাইকে পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি জমা দিতে হবে" (See the image below). Source Fiverr Customer Support. কারো যদি জাতীয় পরিচয়পত্র না থা সেক্ষেত্রে কী করনীয় সেটা জানতে চাইলে তারা বলে, "আমরা আপনাদের পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট প্রস্তুত রাখতে উপদেশ দিবো যেহেতু এটা একটি গুরুত্বপূর্ন যাচাইকরণ প্রক্রিয়া" (See the image below). Source Fiverr Customer Support. এটা করা বাধ্যতামূলক নাকি জানতে চাইলে তারা বলে, "ফাইভারে সেলার হিসেবে কাজ করতে চাইলে এটা অবশ্যাই করতে হবে" (See the image below). Source Fiverr Customer Support. সব সেলারের কাছে এখনো বিষয়টি জানানো হয়নি কারন এটা বর্তমানে প্রক্রিয়াটি পরীক্ষামূলকভাবে কিছু সংখ্যক সেলারের প্রফাইলে চালানো হচ্ছে ৷ (See the image below. Reply from a fiverr stuff). Source Fiverr Forum. কিছু সাধারন প্রশ্ন ও উত্তর: ১. আমার ইউজারনেম আর পরিচয়পত্র এর নাম আলাদা এক্ষেত্রে কী করনীয়? উত্তর: সেটিং থেকে আপনার ফুল নেম পরিচয়পত্রের সাথে মিলিয়ে নিন ৷ ২. কীভাবে পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি জমা দিবো? উত্তর: স্ক্যান করে দিবেন ৷ আপনার যদি স্ক্যানার না থাকে মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে দিন ৷ খেয়াল রাখবেন যেনো সব ইনফরমেশন সহজে বোঝা যায় ৷ ৩. বিলিং ইন্ফরমেশনে কম্পানি নেম কী করবো? উত্তর: ফাকা রাখুন ৷ আরো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাবেন বা গ্রুপে পোস্ট করুন ৷ Source: https://www.facebook.com/iamthefahim
  3. এই একাউন্ড দিয়ে আমাদের কাজ কী?

     

  4. How to start Freelancing for a newcomer???? 

  5. Creating a Payoneer account will allow you to begin receiving payment with the default ability to withdraw the funds to your bank. Ordering the MasterCard is a secondary option which will be available for you to utilize should you require the ability to access your earned funds immediately. That option will become available once he has received at least 100 USD, EUR or GBP in total payments. Even though you need to receive payments to order the card, remember that you are not being charged for ordering or activating the card. Source: Payoneer Group
  6. Kaj korte dibena

    1. Amrit Roy

      Amrit Roy

      আমি ডাটা ইন্ট্রির কাজ করতে চাই। কিভাবে পাবো এ সকল কাজ অনুগ্রহ পূর্বক আমাকে বলবেন।

  7. আপনারা অনেকেই লোগো, বিজনেজ কার্ড, বুক কভার,ওয়েব পেজ ডিজাইন করতে পারেন ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর এ . কিন্তু বসে বসে সুধু ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে যাচ্ছেন না পারছেন কোন কনটেস্ট করতে টাকা ইনকাম করতে। এভাবে বসে থাকলে তো আর হয় না। তাই আমি বলবো আজ কেই খুলে ফেলুন ৯৯ডিজাইন এ একটি আইডি। নিছের ডিজাইন গুলো আমারি করা। আর নিওমিত লোও রেট ৩০ ডলার থেকে ২০০ ডলার এর কনটেস্ট গুলো করুন এতে আপনার অনেক অভিজ্ঞতা বারবে সাতে পাবেন বায়ার এর রেটিং আপনি নিজে বুজতে পারবেন আপনার ডিজাইন গুলো কেমন হচ্ছে আপনার এখন কি করা দরকার। যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কোন কোর্স শেষ করেছে প্রফেশনাল কোন কাজ করতে যাচ্ছে তাদের কেও আমি এই কথাই বলবো যে আপনি আগে ৯৯ডিজাইন এ ৩ মাস কন টেস্ট করুন তার পর আপনি প্রফেশনাল কোন কাজ এ হাত দিন এতে আপনার সাফল্য ১০০% আসবে। আর আপনি যখন এ কোন কনটেস্ট এ ডিজাইন জমা দিবেন তখনেই বায়ার এর দেওয়া ব্রিফ টি ভালো করে পরে নিবেন। আপনি যদি ইংলিশ এ ভাল না হন তাহলেও কোন চিন্তা করার দরকার নাই আপনি গুগল ট্রান্সলেট ব্যবহার করুন। আর আপনি হয়তো ভাল করে জেনে থাকবেন যে ৯৯ডিজাইন অনেক বড় প্লাটফর্ম সো এখানে ভালো ডিজাইন ছাড়া কন টেস্ট যেতার কোন আশা নেই। তাই ভালো ভালো ডিজাইনার দের ডিজাইন ফলো করুন। আর যেকোন একটা ডিজাইন দিয়ে সুরু করুন আপনি যদি লোগো ভালো বানাতে পারেন তাহলে লোগো ডিজাইন টাই আগে ভালো করে করুন তার পর অন্য টায় হাত দিন। ডিজাইন করার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন যে ডিজাইন করার পর এই প্রেজেন্টেশন টাও একটা বড় দিক তাই ভালো ভালো পি এস ডি ফরমেট এর লোগো মকাপ (mockup) ব্যবহার করুন এতে করে আপনার ডিজাইন আরো সুন্দর হবে। আপনি যদি mockup সম্বন্ধে না জানেন গুগল এ mockup লিখে একটা সার্চ দিন তাহলে আপনি mockup সম্পর্কে জানতে পারবেন। কিছু mockup আছে ফ্রী তে পাওয়া যায় এগুল ব্যবহার করুন প্রথমত। (আপনারা চাইলে আমি mockup নিয়ে একটি টিউন ও করতে পারি)। ও হ্যাঁ আর একটি কথা না বললেই নয় আপনি যখন ডিজাইন টি করতে যাচ্ছেন তখন আর একটি বিষয় মাথায় রাখবেন বায়ার কার কার ডিজাইন এ বেশি রেটিং করলো। যেই ডিজাইন গুলো তে রেটিং করবে ওই ডিজাইন গুলা দেখে নিন কয়েক বার। রেটিং করা ডিজাইন গুলোর মতো ডিজাইন করবেন (হুবুহু কপি করবেন না তাইলে বাঁশ) Source: Here
  8. পরিচয়

    বখতেয়ার মুহাম্মদ এমরান ভাই আপনাকে স্বাগতম
  9. Freelancer দের সাহায্য করার জন্য
    http://upworkbangladesh.com এই ওয়েবসাইট খুলা কিন্তু কাজের চাপে সময় দিতে পারতেছিনা।

    কেও কি দায়িত্ব নিতে চান?

    ১০ জন হ্নলে ভালো হয়।

    কোন ধরনের টাকা পয়সা দেওয়া হবেনা। এইটা একটা অলাভজনক ওয়েবসাইট।

  10. Busy with my family :). it will take more one week to come back

  11. আমাদের দেশ একটি স্বাধীন ও উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের এই দেশ উন্নয়নশীল হলেও রয়েছে বেকারত্ব এবং দক্ষ জনশক্তির অভাব যা কিনা আমাদের দেশের জন্য মটেও সম্মান কর নয়। সারা বিশ্ব যেখানে প্রযুক্তি নির্ভর সেখানে আংশিক অংশে রয়েছে আমাদের দেশ। বর্তমান বিশ্বে প্রায় সব দেশেই তারুণ্যের মাঝে বেশ জায়গা করে নিয়েছে অনলাইন ভিত্তিক কাজ ফ্রিল্যানসিং। অনান্য দেশের মতোই আমাদের দেশের তারুণ্যের মাঝে রয়েছে ফ্রিল্যানসিং করার উদ্দিপনা, যেখানে অনেকেই স্বপ্ন দেখে নিজেকে দক্ষ্য ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে। আমি কিভাবে নিজেকে একজন দক্ষ্য ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবো, সেই সঠিক পথ না জানায় এবং কিছু প্রতিবন্ধকার কারণে অনেকেই এই ফ্রিল্যানন্সিং সেক্টরে কাজ করতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। যে সকল তারুণ্যেরা বা যারা নিজেদেরকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন যে ফ্রিল্যানসিং সেক্টরে প্রতিষ্ঠিত হবেন, তাদের মধ্যে অনেকেরই প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে এস ই ও/ SEO (Search Engine Optimization). কারণ, এস ই ও এর চাহিদা ব্যাপক এবং কাজ করা তুলনামূলক সহজ। আর্টিকেল টিতে আলোচনা সমূহ: এস ই ও (SEO) কি ? সার্চ ইঞ্জিন কি ? কিছু জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনের নাম। সার্চ ইঞ্জিন কি ভাবে কাজ করে ? সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ বা SERP কি? এস ই ও এর প্রকার ভেদ । এস ই ও কয়টি পদ্ধতিতে করা যায়? এস ই ও করার সময় যে চারটি বিষয় মনে রাখতে হয়। এস ই ও করতে কমন কিছু ওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়। এস ই ও শিখতে কি কি লাগে বা কত দুর পড়াশুনা জানতে হয়? এস ই ও এর জনপ্রিয়তা বা চাহিদা কেমন ? এস ই ও শিখতে কত দিন সময় লাগবে ? এস ই ও এর কিছু সুবিধা বা দিক গুলো কি কি? এস ই ও শেখার পর দৈনিক কত ঘন্টা কাজ করবো? এস ই ও করে মাসে কত টাকা ইনকাম করা যায় ? এস ই ও (SEO) কি ? বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের সাথে কোন ওয়েব সাইট বা ব্লগের যে সর্ম্পক টাই এস ই ও (Search Engine Optimization). আবার এভাবে ও বলা যায়, যে সকল সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে অনলাইন ভিত্তিক কোন সেবা/ওয়েব সাইট/ব্লগের মার্কেটিং করাই হচ্ছে এস ই ও। Facebook Twitter Google+ Blogger সার্চ ইঞ্জিন কি? এস ই ও জানার আগে অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন কি সে বিষয় সর্ম্পকে ভালো ধারণা থাকতে হবে। কারণ এস ই ও শিখা/করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন সর্ম্পকে জ্ঞান থাকা টা অনেক জরুরী। সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এক ধরণের অন লাইন ডাটা স্টোরেড সার্চ মেশিন। যে কিনা বিভিন্ন ধরণের ডাটা বা তথ্য অনলাইন ডাটা বেশে জমা করে রাখে, যা আপনাকে/ভিজিটরকে বিভিন্ন তথ্য বা সেবা প্রদান করবে আপনার/ভিজিটরের প্রয়োজন অনুযায়ী।ভিজিটর তার সার্চ সর্ম্পকিত সকল ধরণের তথ্য খুব সহজেই সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে পেয়ে থাকেন। সার্চ ইঞ্জিন তার এই কাজ টি করতে সময় নেয় মাত্র ন্যানো সেকেন্ড। প্রথম Search Engine হিসেবে www.excite.com আত্মপ্রকাশ করে। কিছু জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনের নাম ! www.google.com www.yahoo.com www.bing.com www.ask.com www.msn.com www.aol.com www.altheweb.com www.altavista.com Facebook Twitter Google+ Blogger সার্চ ইঞ্জিন কি ভাবে কাজ করে? সার্চ ইঞ্জিন তার নিজস্ব Software এর মাধ্যমে কাজ করে থাকে। Software টির নাম ক্রাউলার। সার্চ ইঞ্জিন তার স্বয়ংক্রিয় ক্রউলার বিভিন্ন ওয়েব সাইট বা ব্লগে পাঠায়, ক্রউলার অনলাইনে ওয়েব সাইট বা ব্লগ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা সংগ্রহ করে, নিজস্ব ডাটা বেজে বা ডাটা সেন্টারে জমা রাখে। সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ বা SERP কি ? সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ বা SERP হচ্ছে যখন কোন ব্যবহারকারী সার্চ ইঞ্জিনে এসে কোন তথ্য সর্ম্পকে অনুসন্ধান করে, তখন সার্চ ইঞ্জিন তার নিজস্ব ডাটা বেজ থেকে ব্যবহারকারীকে তার তথ্য অনুসন্ধান সর্ম্পকিত যে ওয়েব লিংক সমূহ দিয়ে থাকে বা যে রেজাল্ট প্রদর্শন করে তাই SERP বা সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ। এস ই ও এর প্রকার ভেদ ! এক- অরগানিক এস ই ও বা ফ্রি এস ই (এটা একটা ফ্রি পদ্বতি যাতে কোনা টাকা দিতে হয় না সার্চ ইঞ্জিন কে) দুই- পেইড এস ই ও (সার্চ ইঞ্জিনকে টাকা দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে আসতে হয়। যতদিন টাকা দেয়া হবে ততো দিন সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে থাকবে আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ) সার্চ ইঞ্জিনের নিয়ম অনুসারে এস ই ও প্রকার দুইটি হোয়াইট হ্যাট এস ই ও – (বৈধ পদ্ধতি যা সার্চ ইঞ্জিনের কাজের কিছু নিয়ম এবং শর্ত ) ব্লাক হ্যাট এস ই ও – (অবৈধ পদ্ধতি) এস ই ও কয়টি পদ্ধতিতে করা যায়? এস ই ও করার পদ্ধতি মূলত দুই অন পেজ এস ই ও (On Page SEO) – এডমিন প্যানেলে লগ ইন করে ওয়েব সাইটের কাজ করতে হয়। অফ পেজ এস ই ও (Off Page SEO) – এডমিন প্যানেলে লগ ইন না করে বাইরে থেকে ওয়েব সাইটের কাজ করা। এস ই ও করার সময় যে চারটি বিষয় মনে রাখতে হয় ! Keyword Research. Keyword Analysis. On page SEO. Off page SEO. এস ই ও করতে কমন কিছু ওয়ার্ড ব্যবহৃত হয় ! Keyword URL Link Visitor Page Rank Meta Tag Back Link এস ই ও শিখতে কি কি লাগে বা কতদুর পড়াশুনা জানতে হয়? ১ম- মোটামুটি কনফিগারেশন সম্বলিত একটি ল্যাপটপ/কম্পিউটার। ২য়- ইন্টারনেট কানেকশন। ৩য়- ইন্টারনেট সর্ম্পকে মোটামুটি ধারণা এবং ওয়েব ব্রাউজিং । ৪র্থ- শেখার মানসিকতা/আগ্রহ। ৫ম- উপরি উক্ত বিষয় গুলো জানলে এবং মোটামুটি ইংরেজি ধারণা, যাতে করে আপনি বুঝতে পারেন ওয়েব সাইট টি বা ক্লাইন্ট আপনাকে কি বলছে। এস ই ও এর জনপ্রিয়তা বা চাহিদা কেমন? এস ই ও এর জনপ্রিয়তা বা চাহিদা ব্যাপক হারে। বর্তমানে প্রায় বেশির ভাগ ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান অনলাইন ভিত্তিক। আপনার প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা টা যদি এস ই ও করে গুগল সার্চ ইঞ্জিনের ১ম পেজে আসতে পারে তাহলে আপনার প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা টা খুব সহজেই অনলাইনে খুজে পাবে ব্যবহারকরী/ক্রেতা। তাই নি:সন্দেহে এস ই ও এর চাহিদা বা জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। এস ই ও শিখতে কত দিন সময় লাগে? এই বিষয় টা নির্ভর করে আপনার মেধা, চেষ্টা, বোঝার ধরণ এবং প্রাক্টিসের উপর, তবে ২/৩ মাসের মধ্যে মোটামুটি কাজের টেকনিক টা আয়ত্তে করতে পারবেন । তবে দির্ঘ সময় প্রাক্টিস এবং কাজ করলে অনেক ভালো ভাবে এস ই ও শিখতে পারবেন। এস ই ও এর কিছু সুবিধা বা দিক গুলো কি কি? আপনি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ওয়েব সাইট/ব্লগ কে অনলাইতে দ্রুত পরিচিত করা । অনলাইনে ব্যবহারকারীদের মনে এবং ক্রেতাদের মনে ভালো মানসিকতা তৈরি করতে পারবেন। ওয়েব সাইট/ব্লগ বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের, অনলাইন ভিত্তিক অনেক বেশি ভিজিটর/ক্রেতা পাওয়া। দিন দিন ব্যবসায় পণ্যের বিক্রি বাড়বে অনেকাংশে। ব্যবহারকারীগন হতে পারে আপনার ভবিষৎ ক্রেতা। সর্বশেষ: আপনার ওয়েব সাইট/ব্লগ বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দির্ঘ সময় থাকতে পারবে অনলাইন ভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিনে, এতে করে আপনার প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ব্যবসা করতে পারবে দির্ঘ সময় ধরে। এস ই ও শেখার পর দৈনিক কত ঘন্টা কাজ করবো ? আপনার ক্লাইন্টের কাজের উপর নির্ভর করে কত ঘন্টা আপনাকে কাজ করতে হবে। তবে ২ ঘন্টা কাজ করলেই মোটামুটি ফলাফল পাওয়া যায়। তবে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বেশি লাগে সেটা হতে পারে ৪-৬ ঘন্টা বা আরো বেশি। এস ই ও করে মাসে কত টাকা ইনকাম করা যায় ? এক্ষেত্রে আপনার কাজের দক্ষ্যতার উপর নির্ভর করে যে, আপনি মাসে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বাইরের দেশে অনেক এস ই ও ফ্রিল্যানসার প্রতি কাজের জন্য monthly 750-3000 ডলারের বিনিময়ে কাজ করে থাকেন। তবে সেক্ষেত্রে আমাদের দেশে টাকা টা তুলনা মূলক একটু কম তবে কাজে দক্ষ্য হলে ইনকাম বাড়বে বই কমবে না। তাই বুঝতেই পারছেন এর ইনকাম সোর্স বা পরিধি কত। Source: শুভ্র
  12. ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস হচ্ছে আপওয়ার্ক www.upwork.com । ২০০৩ সালে চালু হওয়া এই মার্কেটপ্লেসটি পূর্বে ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল, ২০১৫ সালে অন্য আরেকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের সাথে একত্রিত হয়ে এটি আপওয়ার্ক নামে পরিচালিত হয়। আপওয়ার্ক বা অন্য যেকোন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে যদি আপ নি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে চান তবে আপনাকে যেকোন একটি কাজে (যেমন – ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং, এসইও , এফিলিয়েট মার্কেটিং, এন্ড্রয়েড এপস ডেভলাপমেন্ট, সফ্টওয়্যার ডেভলাপমেন্ট ইত্যাদি) দক্ষ হতে হবে। সাধারণত সবগুলো ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসেই নিচের ক্যাটাগরির কাজগুলো পাওয়া যায়। এসব বিষয়ের যেকোন একটিতে দক্ষ হলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন আর এসব বিষয়ে দক্ষতা না থাকলে প্রথমে যেকোন একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দক্ষতা অর্জনের পর ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। ধরে নিচ্ছি আপনি উপরে উল্লেখিত কোন একটি বিষয় খুব ভালভাবে জানেন অর্থাৎ কোন একটি বিষয়ে আপনার খুব ভাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাহলে আমরা দেখব আমরা অপওয়ার্কে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারি। আপওয়ার্কে ফ্রিল্যান্সিং করার কয়েকটি ধাপ রয়েছে, যেমন – ১) কোন একটি কাজে দক্ষ হওয়া। ২) আপওয়ার্কে একাউন্ট/প্রোফাইল তৈরি করা। ৩) ন্যাশনাল আইডি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে প্রোফাইল ১০০% কমপ্লিট করা। ৪) আপনার স্কিলসেট/দক্ষতার কিছু পরীক্ষা দেয়া এবং কয়েকটি পোর্টফোলিয় রাখা। ৫) জব ভালভাবে বুঝে বিড/এপ্লিকেশন করা। ৬) প্রজেক্ট পাওয়ার পর ভালভাবে সম্পন্ন করা এবং সটিক সময়ে প্রজেক্ট ক্লায়েন্ট এর কাছে সাবমিট করা। ৭) প্রজেক্ট সাবমিটের পর রেটিং/ফিডব্যাক নেয়া। ৮) পেমেন্ট উত্তোলন। #১ প্রথমে কোন একটি কাজে দক্ষতা অর্জন করা: প্রথমেই আপনার ভাললাগে এমন কোন একটি কাজ শিখতে হবে। আপনি ইন্টারনেট থেকে গুগলে সার্চ করলে আপনার পছন্দের বিষয়ের টিউটরিয়াল পাবেন, সেখান থেকে শিখতে পারেন আথবা কোন একজন ফ্রিল্যান্সারের কাছ থেকে শিখতে পারেন বা ভালো কোন প্রতিষ্ঠান থেকে পছন্দের বিষয়টি শিখে নিতে পারেন। মোটকথা হচ্ছে যেভাবেই হোক আপনাকে কোন একটি কাজে দক্ষ হতে হবে। সাধারণত দক্ষতা অর্জন করতে ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে এটি নির্ভর করবে যে আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ হবেন। প্রথমেই আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ হবেন। বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনাকে একটু রিসার্চ করতে হবে। আপনাকে দেখতে হবে যে ফ্রিল্যান্স মার্কেটে কোন বিষয়টি ডিমান্ডেবল। কোন বিষয়ে বেশী কাজ পাওয়া যায়, কোন বিষয়ের ভবিষৎ কেমন। এই রিসার্চগুলো আপনি গুগলে করে নিতে পারেন বা অভিজ্ঞ কোন ফ্রিল্যান্সারের সাথে পরামর্শ নিতে পারেন। মার্কেটপ্লেসগুলো ঘ্টলে দেখা যায় যে ওয়েব ডিজাইন,ওয়েব প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং, এসইও , এফিলিয়েট মার্কেটিং, এন্ড্রয়েড এপস ডেভলাপমেন্ট, সফ্টওয়্যার ডেভলাপমেন্ট ইত্যাদির কাজ বেশি পাওয়া যায়। এসব বিষয়ের কোন একটি বা অন্য কোন বিষয় নির্বাচন করলে তার সাথে দেখবেন বিষয়টি আপনার পছন্দের কিনা। পছন্দের বিষয় না হলে এখানে আপনি ভাল করতে পারেন না। সুতরাং আপনি বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে কমপক্ষে তিনটি বিষয়ে [ মার্কেট ডিমান্ড + ভবিষৎ + নিজের পছন্দ/ভাললাগা ] গুরুত্ব দিতে পারেন। এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতাও বিবেচনায় আসতে পারে। বিষয় নির্বাচন করা এবং কাজে দক্ষ হওয়ার পর আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। বাংলাদেশে সংবাদপত্র, ডিজিটাল মিডিয়া, সরকারের আইটি বিভাগ, বিডিওএসএন, বেসিস এর প্রচারণা এবং বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলে ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে অনেক পরিচিত, বেশিরভাগ মিডিয়াগুলো শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সারদের বিশাল সফলতা এবং আয়ের কথাই তুলে ধরে থাকে। ফলে জনসাধারনের মনে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে একটি পজেটিভ ধারণা তৈরি হয়েছে আবার অনেকেই বিশাল আয়ের কথা চিন্তা করেই কিছু না বুঝেই বলে যে আমি ফ্রিল্যান্সিং শিখব, আসলে ফ্রিল্যান্সিং শেখার কিছুই নেই, ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি প্রসেস, আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কাজ শিখতে পারেন এবং কাজ শেখার পর আপনি মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে জেনে সেখানে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। #২ আপওয়ার্কে একাউন্ট/প্রোফাইল তৈরি করা: আপওয়ার্ক হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস। এখানে একাউন্ট খোলা খুবই সহজ। আপনি ফেসবুক, টুইটার, জিমেইল এ যেভাবে একাউন্ট অপেন করেন এখানেও মোটামোটি এরকমই। একাউন্ট তৈরির জন্য বাউজ করুন www.upwork.com তারপর নিচের চিত্র:১ এর মত হোমপেজটি আসবে, এখান থেকে SIGN UP বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আরেকটি পেজ অপেন হবে চিত্র:২ এর মত, সেখান থেকে I’m looking for online work সেকশনের work বাটনে ক্লিক করুন। এটি হচ্ছে যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে চায় তাদের জন্য। চিত্র:১ চিত্র:২ work বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মত আরেকটি সাইন আপ ফরম আসবে – এখানে আপনি আপনার নাম, ইমেইল এড্রেস, কান্ট্রি, ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে তাদের টার্মস -পলিসি একসেপ্ট করে Get Started বাটনে ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি তৈরি হয়ে যাবে। দে তারপর আপনার ইমেইল এড্রেস ভেরিফাই করতে হবে। আপওয়ার্ক থেকে আপনার দেয়া ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক যাবে এটিতে ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি ভেরিফাই হয়ে যাবে। আপনি এই ফর্ম ফিলাপ না করেও আপনার ফেসবুক, লিংকটইন অথবা আপনার জিমেইল আইডি দিয়েও সাইন আপ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে You can also sign up with Facebook, Linkedin, or Google. এর Facebook, Linkedin, or Google যেকোন একটি লিংকে গিয়ে আপনার একাউন্ট দিয়ে লগিন করলেই হবে। [* বি.দ্র: সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের সব বড় বড় স্যোসাল মিডিয়া, মার্কেটপ্লেস এবং অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলো তাদের নিরাপওা এবং টার্মস -পলিসি জোরদার করছে তাই আপনার একাউন্ট খোলার সময় আপনার সঠিক নাম এবং সঠিকতথ্য দিয়ে সবসময় একাউন্ট খুলবেন। আপওয়ার্কে একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডে যে নাম আছে সেটি দিবেন এবং এই নামের সাথে আপনার ব্যাংক একাউন্টের নামের মিল থাকতে হবে ]
×