Jump to content
News Ticker
  • News ticker sample
  • News ticker sample

Admin

Administrators
  • Content count

    57
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    14

Everything posted by Admin

  1. সম্প্রতি আপওয়ার্ক কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড/সাসপেন্ডেড/হোল্ড হওয়ার প্রবনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে; বোঝাই যাচ্ছে আপওয়ার্ক নিরাপত্তাজনিত কারনে তাদের কন্ট্রাক্টরদের প্রতি আরোপ করা নীতিমালা আগের তুলনায় আরো কঠোরভাবে পালন করছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান আর ফিলিপাইনের বেশ কয়েকজন কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকই ১০০০ ঘন্টারও অধিক কাজ করেছেন। আসলে আপওয়ার্ক এই সাসপেনশন প্রক্রিয়া শুরু করেছিলো প্রায় ৩ বছর আগেই, যখন মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল। আপওয়ার্কের এত কঠোরতার কারনঃ সম্প্রতি আপওয়ার্ক বাংলাদেশের কয়েকজন হাই প্রোফাইলড কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে। আপওয়ার্ক কোন কারন ছাড়া নিশ্চয়ই এত ভালো কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করবে না। অনেকই দোষ দিচ্ছেন আপওয়ার্ককে, কিন্তু তা ঠিক নয়।অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানে জন্য কন্ট্রাক্টরদের বিহেভিয়ারই বহুলাংশে দায়ী| আপওয়ার্ক টার্মস এন্ড পলিসি সম্পর্কে অজ্ঞতা অথবা ইচ্ছাকৃত অবহেলা-ই অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে| সুতরাং নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়েই ক্ষেত্রবিশেষে তাদের নিবন্ধিত কন্ট্রাক্টরদের অ্যাকাউন্ট ব্যানড/সাসপেন্ডেড/হোল্ড করে থাকে। অ্যাকাউন্ট সাসপেনশানের কারন ও প্রতিকারঃ আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হওয়ার পেছনে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট কারন রয়েছে| আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের নিম্নোক্ত বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে, ফলে অনাকাঙ্খিত অ্যাকাউন্ট ব্যানিং/সাসপেনশন/হোল্ড্স থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে| ক) এক পিসি থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলাঃ একই পিসি বা আইপি থেকে একাধিক আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট তৈরী করা আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট ব্যানড হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। ভেবে দেখুন যারা প্রফেশনাল, তারা নিজের কাজ করে নিজের পিসিতেই এবং প্রফেশনালরা কখনই নিজের স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিজের পিসি থেকে অন্যথা ব্যবহার করবে না। আবার নিজের আইপি থেকে অন্য আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্টধারীর অ্যাকাউন্টেও লগ-ইন করা যাবেনা, ক্লায়েন্টের অ্যাকাউন্টেতো (যেকোনো প্রয়োজনে, এমনকি ক্লায়েন্ট চাইলেও) নয়-ই| খ) অন্যের প্রোফাইল নকল করাঃ একজন ভালো মানুষ হিসেবে আপনি অবশ্যই অন্য একজন মানুষের কোন জিনিস নকল করতে চাইবেন না। আপনি অন্য কাউকে অনুসরণ করতে পারেন মাত্র, অনুকরণ নয়। কিন্তু হায় অনেক বাংলাদেশি কনট্রাক্টর বড় বড় প্রোফাইলড কনট্রাক্টরদের আপওয়ার্ক প্রোফাইল পুরোপুরি নকল করে ফেলেন। কোন সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরে একই ধরনের কোন উত্তর যখন কোন শিক্ষক পান তখন তিনি নিজেই বুঝে নেন, এখানে কোন ঘাপলা আছে। তেমনি আপনি যখন কোন কনট্রাক্টর-এর প্রোফাইল এ রাখা কনটেন্টগুলো নিজের প্রোফাইলে রাখবেন সেগুলো কোন না কোন সময় কারো না কারো চোখে পড়বে।পাশাপাশি আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিষয়টি সনাক্ত করতে পারে। আর এই রকম পেলে অব্যশই ব্যবস্থা নিবে আপওয়ার্ক। গ) পোর্টফোলিও আইটেম চুরিঃ পোর্টফলিও বলতে আমরা বুঝি আগে করা কাজগুলোর আর্কাইভ। আপনি যদি কারো আইটেম চুরি করে নিজের বলে চালিয়ে দেন সেটা ঘৃন্য অপরাধ। অনেক নতুন কনট্রাক্টরদের দেখলাম ভালো মানের আইটেম অন্য কোন কনট্রাক্টর এর প্রোফাইল থেলে চুরি করে নিজেরটায় বসিয়ে দেন। উদাহরণস্বরূপ যখন কেউ আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট খুলে তখন তাকে ১০০ ভাগ প্রোফাইল কমপ্লিট করতে বলা হয়। নতুন কনট্রাক্টরদের প্রোফাইল ১০০ ভাগ পূর্ন করার জন্য অন্যের আইটেম চুরি করতে দেখা যায়। উপদেশ হল এ রকম না করে নিজে কোন ডেমো কাজ করে অন্তত নিজের একটাই দিন। অন্যেরটা দেয়া মানে আপনি কাজ জানেন না, জানলে নিজে না করে চুরি করবেন কেনো? ঘ) কাভার লেটার স্পামিংঃ আমাদের মধ্যে এক ধরনের অলসপ্রবণতা কাজ করে; আবার সেটা ইংরেজি ভাষায় দূর্বলতার জন্যও হতে পারে। বলাবাহুল্য, ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর কাজ করতে ইংরেজীতে পারদর্শী হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত প্রজেক্টের চাহিদা বুঝা এবং সে অনুযায়ী ক্লায়েন্টের সাথে সাবলীলভাবে যোগাযোগ করার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। আপওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট ব্যানড হওয়ার অন্যতম কারণ কাভার লেটার স্প্যামিং, যাকে সোজা বাংলায় কপি-পেস্ট বলে। নিচে এ নিয়ে একটু বিস্তারিত লিখলামঃ • প্রত্যেকটা জব পোষ্টে ক্লায়েন্ট যেমন ভিন্ন থাকে তেমন তাদের রিকোয়ারমেন্টও আলাদা থাকে। অনেকে ব্লগে বা অন্য কোথাও পড়ে অথবা নিজেই নির্দিষ্ট একটা কাভার লেটার বানিয়ে রাখেন। মনে মনে ভাবেন বার বার এত কষ্ট করার কি আছে? একটাই দিলাম সব জায়গায়। এটা এক ধরনের মূর্খামি! প্রত্যেকটা প্রশ্নের যেমন আলাদা উত্তর থাকবে তেমনি প্রতিটা জবের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী কাভার লেটারও ভিন্ন হবে। • বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আপনি অনেক আইডিয়া পাবেন কাভার লেটার নিয়ে, স্যাম্পলও পাওয়া যাবে। আপনি সেগুলো দেখে ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী নিজেরটা তৈরি করে নিবেন। ভুলেও সেগুলো কপি করে চালিয়ে দিবেন না। কাজতো পাবেনই না বরঞ্চ খারাপ ক্লায়েন্ট হলে আপনার নামে নালিশ করে দিবে আপওয়ার্ক-এর কাছে। সাধারনত কাভার লেটার যেমন হয়ে থাকে- Hi/Dear + ক্লায়েন্ট এর নাম/Hiring Manager, আপনার সম্পর্কে কিছু আর জবের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী কিছু প্রশ্ন শেষে আপনার নাম, যেমনঃ Best Regards Sumon ঙ) কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ারঃ আপওয়ার্ক পলিসিতেই দেয়া আছে মার্কেটপ্লেসে কোন ধরনের কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করা যাবে না। শুধুমাত্র আপওয়ার্ক ম্যাসাজিং এর মাধ্যমে সব কিছু ম্যানেজ করা। কিন্তু অনেক ক্লায়েন্ট জব পোষ্টে বলে দেয় স্কাইপ আইডি দিতে। সাধারনত তারা পুরো পলিসি না বুঝেই জবটা পোস্ট করে থাকে। আবার কিছু দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় স্কাইপের মাধ্যমে যোগাযোগ ছাড়া জব এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। সেক্ষেত্রে আপনি ইহা সুকৌশলে এড়িয়ে যান। ক্লায়েন্টকে বলুন আপনার স্কাইপ আইডি আছে কিন্তু আপওয়ার্ক পলিসি কোন কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করতে বলে না। সে যদি চায় তাহলে আপনি দিতে পারনে কিন্তু তা ম্যাসেজ-এ দিবেন এবং যত ফিন্যান্সিয়াল ডিল হবে তা ১০০ ভাগ আপওয়ার্কে অন্য কোথাও নয়। যদি ক্লায়েন্ট আপনার প্রতি ইন্টারেস্টেড হয় তাহলে সে নিশ্চিত ভাবে আপনার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করবে। এই পদ্ধতিতে সাপও মরবে লাঠিও ভাংগবে না। আপওয়ার্ক এই কন্টাক্ট ইনফরমেশন শেয়ার করার জন্য আপনাকে জবাবদিহি করতে বললে তখন আপনি বলবেন ক্লায়েন্টের যোগাযোগের সুবিধার্থেই আপনি তাকে কন্টাক্ট ইনফরমেশন দিয়েছেন এবং যত কিছুই লেনদেন হয়েছে তা আপওয়ার্কের বাইরে নয়। চ) মাত্রারিক্ত ম্যানুয়াল আওয়ার যোগ করাঃ আপনার ক্লায়েন্ট নতুন অথবা কাজ দেয়ার পর কোন কারনে Hourly Limit সেট করে নাই, আপনি সেই সুযোগের ফায়দা উঠালেন। ট্র্যাকার দ্বারা কাজের সময় গুলো ট্র্যাক না করে নিজের ইচ্ছা মত বসিয়ে দিলেন Manual Hour অ্যাড এর মাধ্যমে। সপ্তাহ শেষে ক্লায়ন্টের কাছে মেইল গেল আপনার সুকর্মের। সব ক্লায়েন্টই আপওয়ার্ক-সাপোর্ট নামে একটা জিনিষ আছে সেটা জানে, তারা ভদ্রভাবে দিল টিকেট ওপেন করে। ডিস্পুট করলে হয়ত আপনার রিফান্ড করার অপশন থাকত কিন্তু এই অসাধু কাজের ফলে আপওয়ার্ক বুঝবে তার মান সম্মান আপনি নষ্ট করছেন। আর শুরু হবে আপনার উপর গজব। আপনি ম্যানুয়ালি করা কাজগুলোর বিল তখনই যোগ করতে পারবেন যখন আপনার ক্লায়েন্টের সাথে আপনার মধুর সম্পর্ক থাকবে। ছ) বায়ারের সঙ্গে বাকবিতন্ডা করাঃ বায়ার যদি আপনার সাথে কোন রকম ভেজাল বা ঝগড়া করে তাহলে নিজে আ্যকশনে যাবার কোন দরকার নেই। বায়ারের সাথে কোন রকম বাকবিতন্ডা করবেন না। কারণ বায়ারের নেগেটিভ কমপ্লিমেন্ট আপনার ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে আপনি বায়ারের সকল উল্টা পাল্টা কর্মকান্ডের স্ক্রীনশট, তথ্য-প্রমানাদি সংরক্ষন করুন এবং ঠান্ডা মাথায় আপওয়ার্ক কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিন। অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ বায়ারদের অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ একই সাথে যাদের কন্ট্রাক্টর ও ক্লায়েন্ট অ্যাকাউন্ট আছে তাদের যেকোন একটি অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হলে অন্যটিও হবে। বায়ার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড না হতে নিচের টিপসগুলো মেনে চলুনঃ • আপনারা আপনাদের নিজস্ব কোন টিম মেম্বারকে হায়ার করবেন না। যদি এজেন্সি হয়ে থাকে। • ভুয়া পেপাল আইডি পেমেন্ট মেথড হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট সাসপেনশনঃ বায়ারদের কার্ড অথবা অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকলে কাজ হোল্ড হয়ে যায় এবং কার্ড এ টাকা লোড হওয়া মাত্রই সব কিছু আগের মত ঠিক হয়। কনট্রাক্টরদের ক্ষেত্রে কোন অনগোয়িং জবে ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগ না রাখলে অথবা কায়েন্ট এর ম্যাসাজের উত্তর না দিলে যদি ক্লায়েন্ট সার্পোর্ট সেন্টারে জানায় তাহলে আপওয়ার্ক টিম কনট্রাক্টর এর ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে কিছু দিনের জন্য। যা সাপোর্ট সেন্টারে যোগাযোগ ও কারন দর্শানোর পর তুলে নেয়া হয়। পরিসংহারঃ সবশেষে, একজন প্রোফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কিভাবে কাজ করবেন তার জন্য কিছু টিপস যা হয়ত আপনার কাজে লাগবে অনেক। শুধু আপওয়ার্ক নয় অন্য যেকোন মার্কেটপ্লেসের জন্য আপনি এই টিপস গুলো অনুসরণ করতে পারেন। • সম্পূর্ণ কাজকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করুন এবং প্রতিটি ধাপ শেষ হবার পর পর ক্লায়েন্টকে দেখান। • ডেডলাইন সময় শেষ হবার পূর্বেই সম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করুন এবং ক্লায়েন্টের কাছে পাঠিয়ে দিন। • ক্লায়েন্টের কাছে কাজ পাঠানোর পূর্বে ভাল করে রিকোয়ারমেন্ট আরেকবার দেখে নিন এবং সম্পূর্ণ কাজ ভাল করে পরীক্ষা করুন। • কাজে এবং কথাবার্তায় সবসময় সৎ থাকতে হবে। কখনও ভুল তথ্য প্রদান করা যাবে না। কোন কারনে কাজ করতে না পারলে বিষয়টি ক্লায়েন্টকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিন, বেশিভাগ ক্ষেত্রেই ক্লায়েন্টের কাছ থেকে যথাযথ সহায়তা পাওয়া যায়। • সব সময় চেষ্টা করবেন যাতে কাজ শেষে সর্বোচ্চ রেটিং পাওয়া যায়। ভাল রেটিং পেলে পরবর্তী কাজগুলো খুব সহজেই পাওয়া যায়। • ভাল রেটিং পাবার উপায় হচ্ছে – সঠিকভাবে কাজটি করা, সময়মত কাজটি শেষ করা, ক্লায়েন্টের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা। • রেটিং দেবার পূর্বে ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞেস করে নিন যে সে আপনার কাজে সম্পূর্ণ খুশি কিনা এবং আপনাকে সর্বোচ্চ রেটিং দিতে যাচ্ছে কিনা। Source: freelancerstory
  2. রেমিটেন্স সার্টিফিকেট - পেওনিয়ার আমাদের অনেকেই পেওনিয়ার থেকে লোকাল ব‍্যাঙ্ক ট্রান্সফার দেই। এই ট্রান্সফারটা প্রসেস করে ব‍্যাঙ্ক এশিয়া। যাদের ব‍্যাঙ্ক এশিয়াতে একাউন্ট আছে তারা সহজেই রেমিটেন্স সার্টিফিকেট তুলতে পারেন। কিন্তু যারা অন‍্য লোকাল ব‍্যাঙ্কে ট্রান্সফার দেন তাদের জন‍্য রেমিটেন্স সার্টিফিকেট পেতে একটু বেশি কাজ করতে হয়। তাদের জন‍্য প্রক্রিয়াটি শেয়ার করছি। ১। আপনার লোকাল ব‍্যাঙ্ক থেকে চলতি অর্থ বছরের লেনদেনের স্টেটমেন্ট তুলুন। ২। এবার স্টেটমেন্ট আর একটা কলম নিয়ে বসুন। খুঁজে দেখুন কোন কোন ফান্ডগুলো (মানে ট‍্যাকাটুকা) পেওনিয়ার থেকে ব‍্যাঙ্ক এশিয়া হয়ে আপনার একাউন্টে এসেছে। একটা একটা করে সেগুলোকে মার্ক করুন। ৩। মার্ক করা স্টেটমেন্ট আর একটা দরখাস্ত (ম‍্যানেজার, ব‍্যাঙ্ক এশিয়া, প্লটন ব্রাঞ্চ, বিষয়: রেমিটেন্স সার্টিফিকেটের জন‍্য আবেদন) নিয়ে ব‍্যাঙ্ক এশিয়ার পল্টন ব্রাঞ্চ চলে যাবেন। কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই গত কয়েক বছর ধরে আমিসহ অনেকে এভাবে রেমিটেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতেছি। আশা করি আপনিও পেয়ে যাবেন। শুভেচ্ছা নিরন্তর। Source
  3. ফ্রীল্যাঞ্চিংয়ের অন্যতম ওয়েব সাইট ফাইভার ৷ খুব শীঘ্রই তারা তাদের নির্ভরযোগ্য কর্মীদের ক্রমবর্ধমান অব্যাহত রাখার জন্য একটি পরীক্ষা নিতে চলেছে সকল সেলারদের ৷ এই পরীক্ষায় সেলারদের অফিসিয়াল পরিচয়পত্র দিয়ে নিজের পরিচয় প্রমান করতে হবে ৷ ধীরে ধীরে তারা তাদের সেলারদের পরিচয় যাচাই করার জন্য সবার কাছে অফিসিয়াল পরিচয়পত্র চাইবে (জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স) ৷ Source Fiverr (This image made with photoshop for clear view). এ সম্পর্কে ফাইভার কাস্টমার সাপোর্টে জানতে চাওয়া হলে তারা জানায়, "সমস্ত ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করার জন্য সকল ব্যবহারকারীকে একটি যাচাইকরন প্রক্রিয়া সম্পূর্ন করতে হবে" (See the image below). Source Fiverr Customer Support. ভেরিফাই করার জন্য কি কি দিতে হবে সেটা জানতে চাইলে তারা বলে, "সবাইকে পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি জমা দিতে হবে" (See the image below). Source Fiverr Customer Support. কারো যদি জাতীয় পরিচয়পত্র না থা সেক্ষেত্রে কী করনীয় সেটা জানতে চাইলে তারা বলে, "আমরা আপনাদের পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট প্রস্তুত রাখতে উপদেশ দিবো যেহেতু এটা একটি গুরুত্বপূর্ন যাচাইকরণ প্রক্রিয়া" (See the image below). Source Fiverr Customer Support. এটা করা বাধ্যতামূলক নাকি জানতে চাইলে তারা বলে, "ফাইভারে সেলার হিসেবে কাজ করতে চাইলে এটা অবশ্যাই করতে হবে" (See the image below). Source Fiverr Customer Support. সব সেলারের কাছে এখনো বিষয়টি জানানো হয়নি কারন এটা বর্তমানে প্রক্রিয়াটি পরীক্ষামূলকভাবে কিছু সংখ্যক সেলারের প্রফাইলে চালানো হচ্ছে ৷ (See the image below. Reply from a fiverr stuff). Source Fiverr Forum. কিছু সাধারন প্রশ্ন ও উত্তর: ১. আমার ইউজারনেম আর পরিচয়পত্র এর নাম আলাদা এক্ষেত্রে কী করনীয়? উত্তর: সেটিং থেকে আপনার ফুল নেম পরিচয়পত্রের সাথে মিলিয়ে নিন ৷ ২. কীভাবে পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি জমা দিবো? উত্তর: স্ক্যান করে দিবেন ৷ আপনার যদি স্ক্যানার না থাকে মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে দিন ৷ খেয়াল রাখবেন যেনো সব ইনফরমেশন সহজে বোঝা যায় ৷ ৩. বিলিং ইন্ফরমেশনে কম্পানি নেম কী করবো? উত্তর: ফাকা রাখুন ৷ আরো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাবেন বা গ্রুপে পোস্ট করুন ৷ Source: https://www.facebook.com/iamthefahim
  4. আমাদের দেশ একটি স্বাধীন ও উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের এই দেশ উন্নয়নশীল হলেও রয়েছে বেকারত্ব এবং দক্ষ জনশক্তির অভাব যা কিনা আমাদের দেশের জন্য মটেও সম্মান কর নয়। সারা বিশ্ব যেখানে প্রযুক্তি নির্ভর সেখানে আংশিক অংশে রয়েছে আমাদের দেশ। বর্তমান বিশ্বে প্রায় সব দেশেই তারুণ্যের মাঝে বেশ জায়গা করে নিয়েছে অনলাইন ভিত্তিক কাজ ফ্রিল্যানসিং। অনান্য দেশের মতোই আমাদের দেশের তারুণ্যের মাঝে রয়েছে ফ্রিল্যানসিং করার উদ্দিপনা, যেখানে অনেকেই স্বপ্ন দেখে নিজেকে দক্ষ্য ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে। আমি কিভাবে নিজেকে একজন দক্ষ্য ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবো, সেই সঠিক পথ না জানায় এবং কিছু প্রতিবন্ধকার কারণে অনেকেই এই ফ্রিল্যানন্সিং সেক্টরে কাজ করতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। যে সকল তারুণ্যেরা বা যারা নিজেদেরকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন যে ফ্রিল্যানসিং সেক্টরে প্রতিষ্ঠিত হবেন, তাদের মধ্যে অনেকেরই প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে এস ই ও/ SEO (Search Engine Optimization). কারণ, এস ই ও এর চাহিদা ব্যাপক এবং কাজ করা তুলনামূলক সহজ। আর্টিকেল টিতে আলোচনা সমূহ: এস ই ও (SEO) কি ? সার্চ ইঞ্জিন কি ? কিছু জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনের নাম। সার্চ ইঞ্জিন কি ভাবে কাজ করে ? সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ বা SERP কি? এস ই ও এর প্রকার ভেদ । এস ই ও কয়টি পদ্ধতিতে করা যায়? এস ই ও করার সময় যে চারটি বিষয় মনে রাখতে হয়। এস ই ও করতে কমন কিছু ওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়। এস ই ও শিখতে কি কি লাগে বা কত দুর পড়াশুনা জানতে হয়? এস ই ও এর জনপ্রিয়তা বা চাহিদা কেমন ? এস ই ও শিখতে কত দিন সময় লাগবে ? এস ই ও এর কিছু সুবিধা বা দিক গুলো কি কি? এস ই ও শেখার পর দৈনিক কত ঘন্টা কাজ করবো? এস ই ও করে মাসে কত টাকা ইনকাম করা যায় ? এস ই ও (SEO) কি ? বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের সাথে কোন ওয়েব সাইট বা ব্লগের যে সর্ম্পক টাই এস ই ও (Search Engine Optimization). আবার এভাবে ও বলা যায়, যে সকল সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে অনলাইন ভিত্তিক কোন সেবা/ওয়েব সাইট/ব্লগের মার্কেটিং করাই হচ্ছে এস ই ও। Facebook Twitter Google+ Blogger সার্চ ইঞ্জিন কি? এস ই ও জানার আগে অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন কি সে বিষয় সর্ম্পকে ভালো ধারণা থাকতে হবে। কারণ এস ই ও শিখা/করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন সর্ম্পকে জ্ঞান থাকা টা অনেক জরুরী। সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এক ধরণের অন লাইন ডাটা স্টোরেড সার্চ মেশিন। যে কিনা বিভিন্ন ধরণের ডাটা বা তথ্য অনলাইন ডাটা বেশে জমা করে রাখে, যা আপনাকে/ভিজিটরকে বিভিন্ন তথ্য বা সেবা প্রদান করবে আপনার/ভিজিটরের প্রয়োজন অনুযায়ী।ভিজিটর তার সার্চ সর্ম্পকিত সকল ধরণের তথ্য খুব সহজেই সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে পেয়ে থাকেন। সার্চ ইঞ্জিন তার এই কাজ টি করতে সময় নেয় মাত্র ন্যানো সেকেন্ড। প্রথম Search Engine হিসেবে www.excite.com আত্মপ্রকাশ করে। কিছু জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনের নাম ! www.google.com www.yahoo.com www.bing.com www.ask.com www.msn.com www.aol.com www.altheweb.com www.altavista.com Facebook Twitter Google+ Blogger সার্চ ইঞ্জিন কি ভাবে কাজ করে? সার্চ ইঞ্জিন তার নিজস্ব Software এর মাধ্যমে কাজ করে থাকে। Software টির নাম ক্রাউলার। সার্চ ইঞ্জিন তার স্বয়ংক্রিয় ক্রউলার বিভিন্ন ওয়েব সাইট বা ব্লগে পাঠায়, ক্রউলার অনলাইনে ওয়েব সাইট বা ব্লগ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা সংগ্রহ করে, নিজস্ব ডাটা বেজে বা ডাটা সেন্টারে জমা রাখে। সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ বা SERP কি ? সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ বা SERP হচ্ছে যখন কোন ব্যবহারকারী সার্চ ইঞ্জিনে এসে কোন তথ্য সর্ম্পকে অনুসন্ধান করে, তখন সার্চ ইঞ্জিন তার নিজস্ব ডাটা বেজ থেকে ব্যবহারকারীকে তার তথ্য অনুসন্ধান সর্ম্পকিত যে ওয়েব লিংক সমূহ দিয়ে থাকে বা যে রেজাল্ট প্রদর্শন করে তাই SERP বা সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ। এস ই ও এর প্রকার ভেদ ! এক- অরগানিক এস ই ও বা ফ্রি এস ই (এটা একটা ফ্রি পদ্বতি যাতে কোনা টাকা দিতে হয় না সার্চ ইঞ্জিন কে) দুই- পেইড এস ই ও (সার্চ ইঞ্জিনকে টাকা দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে আসতে হয়। যতদিন টাকা দেয়া হবে ততো দিন সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে থাকবে আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ) সার্চ ইঞ্জিনের নিয়ম অনুসারে এস ই ও প্রকার দুইটি হোয়াইট হ্যাট এস ই ও – (বৈধ পদ্ধতি যা সার্চ ইঞ্জিনের কাজের কিছু নিয়ম এবং শর্ত ) ব্লাক হ্যাট এস ই ও – (অবৈধ পদ্ধতি) এস ই ও কয়টি পদ্ধতিতে করা যায়? এস ই ও করার পদ্ধতি মূলত দুই অন পেজ এস ই ও (On Page SEO) – এডমিন প্যানেলে লগ ইন করে ওয়েব সাইটের কাজ করতে হয়। অফ পেজ এস ই ও (Off Page SEO) – এডমিন প্যানেলে লগ ইন না করে বাইরে থেকে ওয়েব সাইটের কাজ করা। এস ই ও করার সময় যে চারটি বিষয় মনে রাখতে হয় ! Keyword Research. Keyword Analysis. On page SEO. Off page SEO. এস ই ও করতে কমন কিছু ওয়ার্ড ব্যবহৃত হয় ! Keyword URL Link Visitor Page Rank Meta Tag Back Link এস ই ও শিখতে কি কি লাগে বা কতদুর পড়াশুনা জানতে হয়? ১ম- মোটামুটি কনফিগারেশন সম্বলিত একটি ল্যাপটপ/কম্পিউটার। ২য়- ইন্টারনেট কানেকশন। ৩য়- ইন্টারনেট সর্ম্পকে মোটামুটি ধারণা এবং ওয়েব ব্রাউজিং । ৪র্থ- শেখার মানসিকতা/আগ্রহ। ৫ম- উপরি উক্ত বিষয় গুলো জানলে এবং মোটামুটি ইংরেজি ধারণা, যাতে করে আপনি বুঝতে পারেন ওয়েব সাইট টি বা ক্লাইন্ট আপনাকে কি বলছে। এস ই ও এর জনপ্রিয়তা বা চাহিদা কেমন? এস ই ও এর জনপ্রিয়তা বা চাহিদা ব্যাপক হারে। বর্তমানে প্রায় বেশির ভাগ ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান অনলাইন ভিত্তিক। আপনার প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা টা যদি এস ই ও করে গুগল সার্চ ইঞ্জিনের ১ম পেজে আসতে পারে তাহলে আপনার প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা টা খুব সহজেই অনলাইনে খুজে পাবে ব্যবহারকরী/ক্রেতা। তাই নি:সন্দেহে এস ই ও এর চাহিদা বা জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। এস ই ও শিখতে কত দিন সময় লাগে? এই বিষয় টা নির্ভর করে আপনার মেধা, চেষ্টা, বোঝার ধরণ এবং প্রাক্টিসের উপর, তবে ২/৩ মাসের মধ্যে মোটামুটি কাজের টেকনিক টা আয়ত্তে করতে পারবেন । তবে দির্ঘ সময় প্রাক্টিস এবং কাজ করলে অনেক ভালো ভাবে এস ই ও শিখতে পারবেন। এস ই ও এর কিছু সুবিধা বা দিক গুলো কি কি? আপনি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ওয়েব সাইট/ব্লগ কে অনলাইতে দ্রুত পরিচিত করা । অনলাইনে ব্যবহারকারীদের মনে এবং ক্রেতাদের মনে ভালো মানসিকতা তৈরি করতে পারবেন। ওয়েব সাইট/ব্লগ বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের, অনলাইন ভিত্তিক অনেক বেশি ভিজিটর/ক্রেতা পাওয়া। দিন দিন ব্যবসায় পণ্যের বিক্রি বাড়বে অনেকাংশে। ব্যবহারকারীগন হতে পারে আপনার ভবিষৎ ক্রেতা। সর্বশেষ: আপনার ওয়েব সাইট/ব্লগ বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দির্ঘ সময় থাকতে পারবে অনলাইন ভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিনে, এতে করে আপনার প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ব্যবসা করতে পারবে দির্ঘ সময় ধরে। এস ই ও শেখার পর দৈনিক কত ঘন্টা কাজ করবো ? আপনার ক্লাইন্টের কাজের উপর নির্ভর করে কত ঘন্টা আপনাকে কাজ করতে হবে। তবে ২ ঘন্টা কাজ করলেই মোটামুটি ফলাফল পাওয়া যায়। তবে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বেশি লাগে সেটা হতে পারে ৪-৬ ঘন্টা বা আরো বেশি। এস ই ও করে মাসে কত টাকা ইনকাম করা যায় ? এক্ষেত্রে আপনার কাজের দক্ষ্যতার উপর নির্ভর করে যে, আপনি মাসে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বাইরের দেশে অনেক এস ই ও ফ্রিল্যানসার প্রতি কাজের জন্য monthly 750-3000 ডলারের বিনিময়ে কাজ করে থাকেন। তবে সেক্ষেত্রে আমাদের দেশে টাকা টা তুলনা মূলক একটু কম তবে কাজে দক্ষ্য হলে ইনকাম বাড়বে বই কমবে না। তাই বুঝতেই পারছেন এর ইনকাম সোর্স বা পরিধি কত। Source: শুভ্র
  5. আপওয়ার্ক বাংলাদেশ ফোরাম এ আপনাকে স্বাগতম। বাংলাদেশের অনলাইন প্রফেশনালদের সাহায্য করার জন্যই আমাদের এই আয়োজন। আশা করি এইখানে আপনাকে একজন ব্লগার হিসাবে পাব। ফোরাম টির উন্নয়নে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।
  6. Creating a Payoneer account will allow you to begin receiving payment with the default ability to withdraw the funds to your bank. Ordering the MasterCard is a secondary option which will be available for you to utilize should you require the ability to access your earned funds immediately. That option will become available once he has received at least 100 USD, EUR or GBP in total payments. Even though you need to receive payments to order the card, remember that you are not being charged for ordering or activating the card. Source: Payoneer Group
  7. Kaj korte dibena

    1. Amrit Roy

      Amrit Roy

      আমি ডাটা ইন্ট্রির কাজ করতে চাই। কিভাবে পাবো এ সকল কাজ অনুগ্রহ পূর্বক আমাকে বলবেন।

  8. আপনারা অনেকেই লোগো, বিজনেজ কার্ড, বুক কভার,ওয়েব পেজ ডিজাইন করতে পারেন ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর এ . কিন্তু বসে বসে সুধু ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে যাচ্ছেন না পারছেন কোন কনটেস্ট করতে টাকা ইনকাম করতে। এভাবে বসে থাকলে তো আর হয় না। তাই আমি বলবো আজ কেই খুলে ফেলুন ৯৯ডিজাইন এ একটি আইডি। নিছের ডিজাইন গুলো আমারি করা। আর নিওমিত লোও রেট ৩০ ডলার থেকে ২০০ ডলার এর কনটেস্ট গুলো করুন এতে আপনার অনেক অভিজ্ঞতা বারবে সাতে পাবেন বায়ার এর রেটিং আপনি নিজে বুজতে পারবেন আপনার ডিজাইন গুলো কেমন হচ্ছে আপনার এখন কি করা দরকার। যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কোন কোর্স শেষ করেছে প্রফেশনাল কোন কাজ করতে যাচ্ছে তাদের কেও আমি এই কথাই বলবো যে আপনি আগে ৯৯ডিজাইন এ ৩ মাস কন টেস্ট করুন তার পর আপনি প্রফেশনাল কোন কাজ এ হাত দিন এতে আপনার সাফল্য ১০০% আসবে। আর আপনি যখন এ কোন কনটেস্ট এ ডিজাইন জমা দিবেন তখনেই বায়ার এর দেওয়া ব্রিফ টি ভালো করে পরে নিবেন। আপনি যদি ইংলিশ এ ভাল না হন তাহলেও কোন চিন্তা করার দরকার নাই আপনি গুগল ট্রান্সলেট ব্যবহার করুন। আর আপনি হয়তো ভাল করে জেনে থাকবেন যে ৯৯ডিজাইন অনেক বড় প্লাটফর্ম সো এখানে ভালো ডিজাইন ছাড়া কন টেস্ট যেতার কোন আশা নেই। তাই ভালো ভালো ডিজাইনার দের ডিজাইন ফলো করুন। আর যেকোন একটা ডিজাইন দিয়ে সুরু করুন আপনি যদি লোগো ভালো বানাতে পারেন তাহলে লোগো ডিজাইন টাই আগে ভালো করে করুন তার পর অন্য টায় হাত দিন। ডিজাইন করার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন যে ডিজাইন করার পর এই প্রেজেন্টেশন টাও একটা বড় দিক তাই ভালো ভালো পি এস ডি ফরমেট এর লোগো মকাপ (mockup) ব্যবহার করুন এতে করে আপনার ডিজাইন আরো সুন্দর হবে। আপনি যদি mockup সম্বন্ধে না জানেন গুগল এ mockup লিখে একটা সার্চ দিন তাহলে আপনি mockup সম্পর্কে জানতে পারবেন। কিছু mockup আছে ফ্রী তে পাওয়া যায় এগুল ব্যবহার করুন প্রথমত। (আপনারা চাইলে আমি mockup নিয়ে একটি টিউন ও করতে পারি)। ও হ্যাঁ আর একটি কথা না বললেই নয় আপনি যখন ডিজাইন টি করতে যাচ্ছেন তখন আর একটি বিষয় মাথায় রাখবেন বায়ার কার কার ডিজাইন এ বেশি রেটিং করলো। যেই ডিজাইন গুলো তে রেটিং করবে ওই ডিজাইন গুলা দেখে নিন কয়েক বার। রেটিং করা ডিজাইন গুলোর মতো ডিজাইন করবেন (হুবুহু কপি করবেন না তাইলে বাঁশ) Source: Here
  9. পরিচয়

    বখতেয়ার মুহাম্মদ এমরান ভাই আপনাকে স্বাগতম
  10. Freelancer দের সাহায্য করার জন্য
    http://upworkbangladesh.com এই ওয়েবসাইট খুলা কিন্তু কাজের চাপে সময় দিতে পারতেছিনা।

    কেও কি দায়িত্ব নিতে চান?

    ১০ জন হ্নলে ভালো হয়।

    কোন ধরনের টাকা পয়সা দেওয়া হবেনা। এইটা একটা অলাভজনক ওয়েবসাইট।

  11. HelloI am looking for someone that is an expert in facebook, social media marketing I am looking for someone with a proven record of success to deliver Facebook Advertising Management Services to my business. I want someone who will be able to develop me a facebook/ social media marketing strategyMust have great English skills Be responsive and available
  12. কিভাবে ক্যাপচা এন্ট্রি ( Captcha entry ) করে অনলাইনে আয় করবেন । এটা খুব সহজ তবে আমি প্রথমেই বলে দি এটি নতুনদের জন্য এক্সপার্টরা দূরে থাকুন । এটি হচ্ছে আপনার অবসর সময়ের কাজ আপনার ফ্রি সময়টা ক্যাপচা এন্ট্রি এর পেছনে দিলে কিছু টাকা আসলে খারাফ কি ! ক্যাপচা এন্ট্রি করে প্রতিমাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার অনলাইনে আয় করার অনেক উপায় আছে ! এর মধ্যে এই গুলোর ধরণ আছে যেমনঃ কিছু আছে নতুনদের জন্য , কিছু আছে দক্ষ্যদের জন্য । আবার অনেকে আছে অনলাইনে আয় করতে চায় কিন্তু কোনো কাজ জানে না অথবা তারা অলস খুব একটা পরিশ্রম করতে আগ্রহী না তাদের জন্য এই আর্টিকেলটি লিখা । আপনাদের যে সাইটটি দেখাবো সেটি হচ্ছে ২ক্যাপচা , প্রথমে বলে রাখি এটি কোনো প্রফেশনালদের জন্য না । আপনি এইখান থেকে বড় কিছু প্রত্যাশা করতে পারবেন না , যদি চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে অনলাইনের কাজগুলো শিখতে হবে যেমনঃ ওয়েব ডিজাইন , এস ই ও , ডিজিটাল মার্কেটিং , গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি কাজগুলো শেখার পরে ভিবিন্ন মারকেটপ্লেসে কাজ করে বড় অংকের টাকা আয় করতে পারবেন তবে হ্যা আপনাকে দক্ষতার পাশা পাশি ভালো ইংলিশ ও জানতে হবে । যাই হোক , আমার আজকের পোস্টের বিষয় এটা না , তবে এই সব কথা না লিখলেই নয় তাই লিখলাম । কিভাবে শুরু করবেন ? প্রথমে এইখানে ক্লিক করে সাইন আপ করুন । তারপরে কর্নার থেকে register এ ক্লিক করুন । তারপরে প্রথম ঘরে আপনার ইমেইল দিন । দ্বিতীয় ঘরে আপনার পাসওয়ার্ড দিন , তৃতীয় ঘরে দ্বিতীয় ঘরে যে পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন সেটি পুণরায় প্রবেশ করান । তারপরে register এ ক্লিক করুন । ব্যাস এখন শুধু ইমেইলে দেখবেন ২ক্যাপচা থেকে একটি মেইল আসছে মেইলের নিচের লিংক এ ক্লিক করে ভেরিফাই করে ফেলুন । কিভাবে আয় করবেন? একাউন্ট এ লগিন করলে নিচের মত একটা ইন্টারফেস দেখতে পাবেন , তারপরে start work এ ক্লিক করুন তারপরে start এ ক্লিক করলে নিচের মত একটা ছবি দেখতে পাবেন একে ক্যাপচা বলে ছবিতে ভিবিন্ন লিখা আছে আপনি ছবির লিখা গুলো এর নিচে বক্সে বসান , তারপরে enter চাপুন । টাকা কিভাবে তুলবেন? নিম্নোক্ত পেমেন্ট মেথডের মাধ্যমে আপনি আপনার আয়কৃত টাকা তুলতে পারবেন পড়ে যদি মনে হয় আপনি উপকৃত হয়েছেন তাহলে আপনি এটি ফেসবুক, গুগল প্লাস, টুইটারে শেয়ার করতে ভুলবেন না ***
  13. Busy with my family :). it will take more one week to come back

  14. আসসালামুয়ালাইকুম নতুনরা আপওয়ার্কে ঠিক মত কাজ পাচ্ছেন না?। অনেকেই হতাশ । তাই আমাদের এই ওয়েবসাইট এর পক্ষ হতে আপনার প্রোফাইল টি রিভিও করে দেওয়া হবে। যা যা থাকছে কাভার লেটার প্রোফাইল রিভিও টিপস এন্ড ট্রিকস আপওয়ার্ক প্রোফাইল রিভিও করাতে হলে প্রথমে এই ওয়েবসাইট এ লগইন করে নিন। তার পর Support > New Request http://upworkbangladesh.com/index.php?/support/ অবশ্যই আপনার আপওয়ার্ক প্রোফাইল লিঙ্ক এবং আপনি যে catagory তে কাজ করতে চান তা উল্লেখ করবেন ধন্যবাদ
  15. ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস হচ্ছে আপওয়ার্ক www.upwork.com । ২০০৩ সালে চালু হওয়া এই মার্কেটপ্লেসটি পূর্বে ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল, ২০১৫ সালে অন্য আরেকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের সাথে একত্রিত হয়ে এটি আপওয়ার্ক নামে পরিচালিত হয়। আপওয়ার্ক বা অন্য যেকোন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে যদি আপ নি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে চান তবে আপনাকে যেকোন একটি কাজে (যেমন – ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং, এসইও , এফিলিয়েট মার্কেটিং, এন্ড্রয়েড এপস ডেভলাপমেন্ট, সফ্টওয়্যার ডেভলাপমেন্ট ইত্যাদি) দক্ষ হতে হবে। সাধারণত সবগুলো ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসেই নিচের ক্যাটাগরির কাজগুলো পাওয়া যায়। এসব বিষয়ের যেকোন একটিতে দক্ষ হলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন আর এসব বিষয়ে দক্ষতা না থাকলে প্রথমে যেকোন একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দক্ষতা অর্জনের পর ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। ধরে নিচ্ছি আপনি উপরে উল্লেখিত কোন একটি বিষয় খুব ভালভাবে জানেন অর্থাৎ কোন একটি বিষয়ে আপনার খুব ভাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাহলে আমরা দেখব আমরা অপওয়ার্কে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারি। আপওয়ার্কে ফ্রিল্যান্সিং করার কয়েকটি ধাপ রয়েছে, যেমন – ১) কোন একটি কাজে দক্ষ হওয়া। ২) আপওয়ার্কে একাউন্ট/প্রোফাইল তৈরি করা। ৩) ন্যাশনাল আইডি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে প্রোফাইল ১০০% কমপ্লিট করা। ৪) আপনার স্কিলসেট/দক্ষতার কিছু পরীক্ষা দেয়া এবং কয়েকটি পোর্টফোলিয় রাখা। ৫) জব ভালভাবে বুঝে বিড/এপ্লিকেশন করা। ৬) প্রজেক্ট পাওয়ার পর ভালভাবে সম্পন্ন করা এবং সটিক সময়ে প্রজেক্ট ক্লায়েন্ট এর কাছে সাবমিট করা। ৭) প্রজেক্ট সাবমিটের পর রেটিং/ফিডব্যাক নেয়া। ৮) পেমেন্ট উত্তোলন। #১ প্রথমে কোন একটি কাজে দক্ষতা অর্জন করা: প্রথমেই আপনার ভাললাগে এমন কোন একটি কাজ শিখতে হবে। আপনি ইন্টারনেট থেকে গুগলে সার্চ করলে আপনার পছন্দের বিষয়ের টিউটরিয়াল পাবেন, সেখান থেকে শিখতে পারেন আথবা কোন একজন ফ্রিল্যান্সারের কাছ থেকে শিখতে পারেন বা ভালো কোন প্রতিষ্ঠান থেকে পছন্দের বিষয়টি শিখে নিতে পারেন। মোটকথা হচ্ছে যেভাবেই হোক আপনাকে কোন একটি কাজে দক্ষ হতে হবে। সাধারণত দক্ষতা অর্জন করতে ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে এটি নির্ভর করবে যে আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ হবেন। প্রথমেই আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ হবেন। বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনাকে একটু রিসার্চ করতে হবে। আপনাকে দেখতে হবে যে ফ্রিল্যান্স মার্কেটে কোন বিষয়টি ডিমান্ডেবল। কোন বিষয়ে বেশী কাজ পাওয়া যায়, কোন বিষয়ের ভবিষৎ কেমন। এই রিসার্চগুলো আপনি গুগলে করে নিতে পারেন বা অভিজ্ঞ কোন ফ্রিল্যান্সারের সাথে পরামর্শ নিতে পারেন। মার্কেটপ্লেসগুলো ঘ্টলে দেখা যায় যে ওয়েব ডিজাইন,ওয়েব প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং, এসইও , এফিলিয়েট মার্কেটিং, এন্ড্রয়েড এপস ডেভলাপমেন্ট, সফ্টওয়্যার ডেভলাপমেন্ট ইত্যাদির কাজ বেশি পাওয়া যায়। এসব বিষয়ের কোন একটি বা অন্য কোন বিষয় নির্বাচন করলে তার সাথে দেখবেন বিষয়টি আপনার পছন্দের কিনা। পছন্দের বিষয় না হলে এখানে আপনি ভাল করতে পারেন না। সুতরাং আপনি বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে কমপক্ষে তিনটি বিষয়ে [ মার্কেট ডিমান্ড + ভবিষৎ + নিজের পছন্দ/ভাললাগা ] গুরুত্ব দিতে পারেন। এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতাও বিবেচনায় আসতে পারে। বিষয় নির্বাচন করা এবং কাজে দক্ষ হওয়ার পর আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। বাংলাদেশে সংবাদপত্র, ডিজিটাল মিডিয়া, সরকারের আইটি বিভাগ, বিডিওএসএন, বেসিস এর প্রচারণা এবং বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলে ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে অনেক পরিচিত, বেশিরভাগ মিডিয়াগুলো শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সারদের বিশাল সফলতা এবং আয়ের কথাই তুলে ধরে থাকে। ফলে জনসাধারনের মনে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে একটি পজেটিভ ধারণা তৈরি হয়েছে আবার অনেকেই বিশাল আয়ের কথা চিন্তা করেই কিছু না বুঝেই বলে যে আমি ফ্রিল্যান্সিং শিখব, আসলে ফ্রিল্যান্সিং শেখার কিছুই নেই, ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি প্রসেস, আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কাজ শিখতে পারেন এবং কাজ শেখার পর আপনি মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে জেনে সেখানে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। #২ আপওয়ার্কে একাউন্ট/প্রোফাইল তৈরি করা: আপওয়ার্ক হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস। এখানে একাউন্ট খোলা খুবই সহজ। আপনি ফেসবুক, টুইটার, জিমেইল এ যেভাবে একাউন্ট অপেন করেন এখানেও মোটামোটি এরকমই। একাউন্ট তৈরির জন্য বাউজ করুন www.upwork.com তারপর নিচের চিত্র:১ এর মত হোমপেজটি আসবে, এখান থেকে SIGN UP বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আরেকটি পেজ অপেন হবে চিত্র:২ এর মত, সেখান থেকে I’m looking for online work সেকশনের work বাটনে ক্লিক করুন। এটি হচ্ছে যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে চায় তাদের জন্য। চিত্র:১ চিত্র:২ work বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মত আরেকটি সাইন আপ ফরম আসবে – এখানে আপনি আপনার নাম, ইমেইল এড্রেস, কান্ট্রি, ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে তাদের টার্মস -পলিসি একসেপ্ট করে Get Started বাটনে ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি তৈরি হয়ে যাবে। দে তারপর আপনার ইমেইল এড্রেস ভেরিফাই করতে হবে। আপওয়ার্ক থেকে আপনার দেয়া ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক যাবে এটিতে ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি ভেরিফাই হয়ে যাবে। আপনি এই ফর্ম ফিলাপ না করেও আপনার ফেসবুক, লিংকটইন অথবা আপনার জিমেইল আইডি দিয়েও সাইন আপ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে You can also sign up with Facebook, Linkedin, or Google. এর Facebook, Linkedin, or Google যেকোন একটি লিংকে গিয়ে আপনার একাউন্ট দিয়ে লগিন করলেই হবে। [* বি.দ্র: সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের সব বড় বড় স্যোসাল মিডিয়া, মার্কেটপ্লেস এবং অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলো তাদের নিরাপওা এবং টার্মস -পলিসি জোরদার করছে তাই আপনার একাউন্ট খোলার সময় আপনার সঠিক নাম এবং সঠিকতথ্য দিয়ে সবসময় একাউন্ট খুলবেন। আপওয়ার্কে একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডে যে নাম আছে সেটি দিবেন এবং এই নামের সাথে আপনার ব্যাংক একাউন্টের নামের মিল থাকতে হবে ]
  16. ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস হচ্ছে আপওয়ার্ক www.upwork.com । ২০০৩ সালে চালু হওয়া এই মার্কেটপ্লেসটি পূর্বে ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল, ২০১৫ সালে অন্য আরেকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের সাথে একত্রিত হয়ে এটি আপওয়ার্ক নামে পরিচালিত হয়। আপওয়ার্ক বা অন্য যেকোন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে যদি আপ নি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে চান তবে আপনাকে যেকোন একটি কাজে (যেমন – ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং, এসইও , এফিলিয়েট মার্কেটিং, এন্ড্রয়েড এপস ডেভলাপমেন্ট, সফ্টওয়্যার ডেভলাপমেন্ট ইত্যাদি) দক্ষ হতে হবে। সাধারণত সবগুলো ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসেই নিচের ক্যাটাগরির কাজগুলো পাওয়া যায়। এসব বিষয়ের যেকোন একটিতে দক্ষ হলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন আর এসব বিষয়ে দক্ষতা না থাকলে প্রথমে যেকোন একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দক্ষতা অর্জনের পর ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। ধরে নিচ্ছি আপনি উপরে উল্লেখিত কোন একটি বিষয় খুব ভালভাবে জানেন অর্থাৎ কোন একটি বিষয়ে আপনার খুব ভাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাহলে আমরা দেখব আমরা অপওয়ার্কে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারি। আপওয়ার্কে ফ্রিল্যান্সিং করার কয়েকটি ধাপ রয়েছে, যেমন – ১) কোন একটি কাজে দক্ষ হওয়া। ২) আপওয়ার্কে একাউন্ট/প্রোফাইল তৈরি করা। ৩) ন্যাশনাল আইডি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে প্রোফাইল ১০০% কমপ্লিট করা। ৪) আপনার স্কিলসেট/দক্ষতার কিছু পরীক্ষা দেয়া এবং কয়েকটি পোর্টফোলিয় রাখা। ৫) জব ভালভাবে বুঝে বিড/এপ্লিকেশন করা। ৬) প্রজেক্ট পাওয়ার পর ভালভাবে সম্পন্ন করা এবং সটিক সময়ে প্রজেক্ট ক্লায়েন্ট এর কাছে সাবমিট করা। ৭) প্রজেক্ট সাবমিটের পর রেটিং/ফিডব্যাক নেয়া। ৮) পেমেন্ট উত্তোলন। #১ প্রথমে কোন একটি কাজে দক্ষতা অর্জন করা: প্রথমেই আপনার ভাললাগে এমন কোন একটি কাজ শিখতে হবে। আপনি ইন্টারনেট থেকে গুগলে সার্চ করলে আপনার পছন্দের বিষয়ের টিউটরিয়াল পাবেন, সেখান থেকে শিখতে পারেন আথবা কোন একজন ফ্রিল্যান্সারের কাছ থেকে শিখতে পারেন বা ভালো কোন প্রতিষ্ঠান থেকে পছন্দের বিষয়টি শিখে নিতে পারেন। মোটকথা হচ্ছে যেভাবেই হোক আপনাকে কোন একটি কাজে দক্ষ হতে হবে। সাধারণত দক্ষতা অর্জন করতে ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে এটি নির্ভর করবে যে আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ হবেন। প্রথমেই আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ হবেন। বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনাকে একটু রিসার্চ করতে হবে। আপনাকে দেখতে হবে যে ফ্রিল্যান্স মার্কেটে কোন বিষয়টি ডিমান্ডেবল। কোন বিষয়ে বেশী কাজ পাওয়া যায়, কোন বিষয়ের ভবিষৎ কেমন। এই রিসার্চগুলো আপনি গুগলে করে নিতে পারেন বা অভিজ্ঞ কোন ফ্রিল্যান্সারের সাথে পরামর্শ নিতে পারেন। মার্কেটপ্লেসগুলো ঘ্টলে দেখা যায় যে ওয়েব ডিজাইন,ওয়েব প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং, এসইও , এফিলিয়েট মার্কেটিং, এন্ড্রয়েড এপস ডেভলাপমেন্ট, সফ্টওয়্যার ডেভলাপমেন্ট ইত্যাদির কাজ বেশি পাওয়া যায়। এসব বিষয়ের কোন একটি বা অন্য কোন বিষয় নির্বাচন করলে তার সাথে দেখবেন বিষয়টি আপনার পছন্দের কিনা। পছন্দের বিষয় না হলে এখানে আপনি ভাল করতে পারেন না। সুতরাং আপনি বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে কমপক্ষে তিনটি বিষয়ে [ মার্কেট ডিমান্ড + ভবিষৎ + নিজের পছন্দ/ভাললাগা ] গুরুত্ব দিতে পারেন। এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতাও বিবেচনায় আসতে পারে। বিষয় নির্বাচন করা এবং কাজে দক্ষ হওয়ার পর আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। বাংলাদেশে সংবাদপত্র, ডিজিটাল মিডিয়া, সরকারের আইটি বিভাগ, বিডিওএসএন, বেসিস এর প্রচারণা এবং বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলে ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে অনেক পরিচিত, বেশিরভাগ মিডিয়াগুলো শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সারদের বিশাল সফলতা এবং আয়ের কথাই তুলে ধরে থাকে। ফলে জনসাধারনের মনে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে একটি পজেটিভ ধারণা তৈরি হয়েছে আবার অনেকেই বিশাল আয়ের কথা চিন্তা করেই কিছু না বুঝেই বলে যে আমি ফ্রিল্যান্সিং শিখব, আসলে ফ্রিল্যান্সিং শেখার কিছুই নেই, ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি প্রসেস, আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কাজ শিখতে পারেন এবং কাজ শেখার পর আপনি মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে জেনে সেখানে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। #২ আপওয়ার্কে একাউন্ট/প্রোফাইল তৈরি করা: আপওয়ার্ক হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস। এখানে একাউন্ট খোলা খুবই সহজ। আপনি ফেসবুক, টুইটার, জিমেইল এ যেভাবে একাউন্ট অপেন করেন এখানেও মোটামোটি এরকমই। একাউন্ট তৈরির জন্য বাউজ করুন www.upwork.com তারপর নিচের চিত্র:১ এর মত হোমপেজটি আসবে, এখান থেকে SIGN UP বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আরেকটি পেজ অপেন হবে চিত্র:২ এর মত, সেখান থেকে I’m looking for online work সেকশনের work বাটনে ক্লিক করুন। এটি হচ্ছে যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে চায় তাদের জন্য। চিত্র:১ চিত্র:২ work বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মত আরেকটি সাইন আপ ফরম আসবে – এখানে আপনি আপনার নাম, ইমেইল এড্রেস, কান্ট্রি, ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে তাদের টার্মস -পলিসি একসেপ্ট করে Get Started বাটনে ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি তৈরি হয়ে যাবে। দে তারপর আপনার ইমেইল এড্রেস ভেরিফাই করতে হবে। আপওয়ার্ক থেকে আপনার দেয়া ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক যাবে এটিতে ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি ভেরিফাই হয়ে যাবে। আপনি এই ফর্ম ফিলাপ না করেও আপনার ফেসবুক, লিংকটইন অথবা আপনার জিমেইল আইডি দিয়েও সাইন আপ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে You can also sign up with Facebook, Linkedin, or Google. এর Facebook, Linkedin, or Google যেকোন একটি লিংকে গিয়ে আপনার একাউন্ট দিয়ে লগিন করলেই হবে। [* বি.দ্র: সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের সব বড় বড় স্যোসাল মিডিয়া, মার্কেটপ্লেস এবং অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলো তাদের নিরাপওা এবং টার্মস -পলিসি জোরদার করছে তাই আপনার একাউন্ট খোলার সময় আপনার সঠিক নাম এবং সঠিকতথ্য দিয়ে সবসময় একাউন্ট খুলবেন। আপওয়ার্কে একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডে যে নাম আছে সেটি দিবেন এবং এই নামের সাথে আপনার ব্যাংক একাউন্টের নামের মিল থাকতে হবে ]
  17. Looking fo data entry worker.... Benefits: - Work while at home - Part time or Full time - Very simple work - Unlimited income Requirements: - Must have a computer - Internet connection - Fast working speed NO TO SCAM ❌ 100% LEGIT 💯 TAKE A STEP TO THE KEY OF SUCCESS 🔑 EARN UNLIMITED INCOME! 💰💰💰 For details information, call - 01715234294, 01681180108
  18. কোন জবে এপ্লাই করার আগে প্রথমে চিন্তা করেন, ক্লাইন্টের মাইন্ড কি বা কি চাচ্ছে। এখন বিচার করুন আপনি কাজটার যোগ্য কিনা। এবার আত্ন বিশ্বাস এর সাথে কভার লেটার লিখুন। অযাথা বেশি কথা না বলে সংক্ষেপে আপনি কাজটা জানেন কিনা, কিভাবে করবেন, কতদিন লাগবে ইত্যাদি বলুন খুব ছোট আর আকর্ষণীয় করে। আর কোন প্রশ্ন থাকলে তারও উত্তর দিন সংক্ষেপে। মনে রাখবেন আপনার কোন কথা যেন ক্লাইন্টকে কনফিউশনে না ফেলে। অনেকেই আছে এরকম করে শুরু করে- “I’m very experienced…” “I’m expert of this..” “I have very good knowledge..” তাহলে এবার বুঝেন, ক্লাইন্ট কি আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনে? না, ক্লাইন্ট এর সাথে আপনি মাত্র পরিচয় শুরু করেছেন, সে কিভাবে জানবে? লেখার সময় শুধুমাত্র ওই কাজকে হাইলাইট করে লিখবেন । তবে না সে জানবে আপনি এক্সপার্ট। সুন্দর কয়েকটা উদাহরন দিচ্ছিঃ১. শুরু করু উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়ে। যেমন- “Hi”, “Hello”, “Dear Sir”২. বর্ণনা প্রুন আর ছোট ছোট পয়েন্টে লিখুন।৩. কি হাইলাইট করেছে সেটা ধরার চেষ্টা করুন।৪. ক্লাইন্টের দেয়া ডাইরেকশনে কাজ করুন। যেমন- বলছে এখানে আবেদন করার দরকার নাই, আমাদের মেইল এ আপনার পোর্টফলিও সহ মেইল করুন।৫. লেখা শেষ জব সাবমিট করার আগে রিভিশন দিন।৬. আপনার কাজের স্যাম্পল দিন। সেটা লিঙ্ক বা attachment হতে পারে।সতর্কতাঃ১. কখনো অন্যের কভার লেটার কপি করবেন না।২. একই কভার লেটার বিভিন্ন বায়ার কে পাঠাবেন না।৩. জব দেয়ার জন্য রিকোয়েস্ট করবেন না, মনে রাখবেন আপনি ভিক্ষা চাইছেন না, কাজের বিনিময়ে টাকা নিব।৪. দাম কমাবেন না বা বাড়াবেন না ।৫. কোন নেগেটিভ কিছু লিখবেন না ।উপরোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে আশাকরি আপনিও আপ ওয়ার্কে কাজ পাবেন।Happy freelancing…
  19. অনলাইনে যখন কাজ করতে যাবেন, তখন কাজ কোথায় পাবেন, সবার মনের ভিতরের সেই উত্তরটি নিয়ে সাজিয়েছি আজকের এ পর্বটি। অনলাইনে কাজ পাওয়ার জন্য মার্কেটপ্লেসগুলো মানুষের কাছে প্রিয় জায়গা। অনলাইনে অনেকধরনের মার্কেটপ্লেস রয়েছে। মার্কেটপ্লেস কি সেটা নিয়ে আগে আলোচনা করা উচিত। মার্কেটপ্লেস কি? অনলাইনে এমন ওয়েবসাইট যেখানে বায়াররা তাদের কাজ করার মত দক্ষ লোক বা ফ্রিল্যান্সার খোজ করতে আসে। আবার যারা ফ্রিল্যান্সার, তারা কাজ খোজার জন্য এসব সাইটগুলো প্রবেশ করে। অনেক ফ্রিল্যান্সারদের মধ্য হতে যাচাই বাছাই করে বায়ার তার কাজের জন্য যোগ্য কাউকে বাছাই করে কাজ দেয়। এসব সাইটগুলোকেই মার্কেটপ্লেস বলে। মার্কেটপ্লেসগুলো বায়ার এবং ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে সংযোগস্থাপনকারী হিসেবে কাজ করে। বায়াররা এসব মার্কেটপ্লেসকে মূলত পেমেন্ট করে। সেই পেমেন্ট ফ্রিল্যান্সারদের মার্কেটপ্লেসের অ্যাকাউন্টে জমা হয়। পরে বিভিন্ন পদ্ধতিতে সেই ডলারগুলো উঠানো যায়। এসব মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সারদের কাজের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের রেটিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলো দেখেই বায়াররা তাদের কাজের জন্য যোগ্য ফ্রিল্যান্সার বাছাই করতে পারেন। অনলাইনে অনেকগুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে। বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের, বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেস রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মার্কেটপ্লেসের সাথে সংক্ষেপে পরিচিত করার চেষ্টা করব। ভবিষ্যত পর্বগুলো বিস্তারিত আকারে টিউন আসবে। আপওয়ার্ক: বাংলাদেশের মানুষদের কাছে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসের নাম, আপওয়ার্ক। ওয়েব ঠিকানা: upwork.com। এখানে বায়াররা বিভিন্ন কাজ নিয়ে জব টিউন করে। কাজ করতে আগ্রহী ফ্রিল্যান্সাররা সেই কাজ পাওয়ার জন্য বিড করে। এসব বিড দেখে বায়াররা তাদের কাজের জন্য যোগ্য লোককে বাছাই করে। এখানে বায়াররা দুইভাবে কাজ দেয়। একটা হচ্ছে ফিক্সড রেট, আরেকটা আওয়ারলী রেট। আপওয়ার্কে সফলতার ৩টি টিপস: - সঠিকভাবে প্রোফাইল সাজানো - বিভিন্ন দক্ষতা বিষয়ক পরীক্ষা দেয়া। - বিড করার জন্য কভার লেটার আপওয়ার্কের মত আরও মার্কেটপ্লেসের নাম: ফ্রিল্যান্সার.কম, গুরু.কম
  20. আপনি কি বাংলাদেশে থেকেই খুব সহজে ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড নিতে চাচ্ছেন? আপনি কি ব্যাংক অফ আমেরিকা-এ অ্যাকাউন্ট খুলতে চাচ্ছেন? তাহলে পোস্টটি আপনার জন্য। কারণ এসব ই পাবেন একদম ফ্রি। উলটো আরও ২৫ ডলারও পাচ্ছেন। চাইলে আরও অনেক বেশি ডলারও পাবেন!! কিন্তু কিভাবে? চলুন দেখে নেই- প্রথমে আপনার যা লাগবে তা হল একটি ন্যাশনাল আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স। এর পর আপনি যেটা করবেন সেটা হল এইখানে ক্লিক করুন। তখন আপনি পাইওনিয়ার এর ওয়েবসাইট এ চলে যাবেন। তবে হ্যা। আমি যেই লিঙ্কটি দিয়েছি এই লিঙ্ক এ ই যেতে হবে। তা না হলে আপনি ত ২৫ ডলার পাবেন ই না। সাথে আমিও পাবো না!!! যাইহোক এই লিঙ্ক এ গিয়ে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় ইনফর্মেশন গুলো সঠিক ভাবে দেন। আপনার ঠিকানা একদম নির্ভুল ভাবে দিবেন। কারণ আপনার ঠিকানায় ই মাস্টার কার্ড টি আসবে। যাইহোক এভাবে আপনি আপনার পাইওনিয়ার অ্যাকাউন্ট খুলুন। ইমেইল ভেরিফাই করুন। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যদি আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড এর এক্সপায়ার ডেট চায় তাহলে আপনার ইচ্ছা মত ১০ বছর পরের যেকোনো ডেট দিয়ে দিবেন। যাইহোক কিছুদিন পর আপনার ইমেইল এ পাইওনিয়ার থেকে মেইল আসবে যদি আপনার অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্লিকেশান টি অ্যাপ্রুভ হয়। সেখানে আপনি আপনার ব্যাংক অফ আমেরিকা এর ডিটেইলস পাবেন। এর ১ মাসের মদ্ধে আপনি আপনার কার্ড টি হাতে পাবেন। পাইওনিয়ার মাস্টার কার্ড আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। এরপর আপনি আপনার পাইওনিয়ার অ্যাকাউন্ট এ লগিন করে কার্ড টি অ্যাক্টিভেট করে নিবেন। আপনি যখন আপনার অ্যাকাউন্ট এ ১০০ ডলার লোড করবেন বা ফ্রিলেন্সিং করে ইনকাম করা ডলার এই কার্ড এ জমা করবেন তখন আপনি ২৫ ডলার পাবেন। এছাড়া আপনি আপনার ফ্রেন্ড দের রেফার করতে পারেন আপনার রেফারেন্স লিঙ্ক দিয়ে। কেউ আপনার রেফারেন্স এ পাইওনিয়ার এ অ্যাকাউন্ট খুললে সে যদি তার অ্যাকাউন্ট এ ১০০ ডলার জমা করে তাহলে আপনি পবানে ২৫ ডলার বোনাস আর সেও পাবে ২৫ ডলার বোনাস। পাইওনিয়ার অ্যাকাউন্ট খুলুন এখানে থেকে। ইওনিয়ার মাষ্টার কার্ড এর জন্য এপ্লাই করার পর ওরাই ডাক যোগে আপনার কার্ড আপনার বাসায় পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। এতে ২০-২৫ দিন সময় লাগবে। অনেক সময় বাংলাদেশী ডাক বিভাগের কল্যানে আপনার এপ্রুভ হওয়া মাস্টার কার্ড আপনার ঠিকানায় নাও পৌছাতে পারে। তাই আপনি চাইলে ফেডেক্স কিংবা ডিএইচএল এর মাধ্যমেও আনতে পারেন। ৩ দিনের মধ্যে কার্ড পেয়ে যাবেন। কিন্তু তার জন্য আপনাকে $৬০ ফী গুণতে হবে। এটিএম থেকে সর্বনিম্ন উত্তোলন চার্জ $২। তাছাড়া আপনার মাস্টার কার্ডটির মাসিক চার্জ হচ্ছে $৩।আপনি বাংলাদেশের মাস্টার কার্ড চিহ্নিত যে কোন এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। এদের মধ্যে ডাচ-বাংলা বুথ, ব্র্যাক ব্যাংক বুথ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। তাছাড়া এই মাস্টার কার্ড দিয়ে আপনি অনলাইনে শপিংও করতে পারবেন। আপনি যদি মনে করেন যে এই পদ্ধতিতে টাকা বেশী কেটে নিচ্ছে তাহলে ভুল করবেন। আপনার ইনকাম যদি বেশী হয় তবে এটি আপনার গায়ে লাগবে না। এই পাইওনিয়ার কার্ড দিয়ে আপনি সবচেয়ে দ্রুত ও নিরাপদ উপায়ে আপনার টাকা হাতে পেয়ে যাবেন। আসা করি পোস্টটি সবার ভাল লেগেছে। কারও কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন
  21. I think You know recently BASIS and Standard Chartered Bank offered ERQ account where default currency would be USD. We can keep 60% of total amount in that account, can use that freely. SCB will provide an international debit card using which we can purchase/pay. You know up-work doesn't accept Payoneer card for client account verification, but using SCB international debit card, that would be possible. From Upwork, we can withdraw in local currency which is pretty fast and an excellent payment option. But if we try to withdraw in local bank in USD instead of BDT, upwork will charge $30 per withdrawal which is very high. Let's be united so that upwork considers to reduce the charge. যারা আউটসোর্সিং-এর আয় এক্সপোর্ট বা রপ্তানি আয় হিসেবে নিজেদের আয়কর ফাইলে নথিভূক্ত করতে চায় এবং আয়ের একটি অংশ অন্য যে কোন দেশে ব্যবসায়ের প্রয়োজনে বিনিয়োগ বা খরচ করতে হয় অথবা বিদেশে ব্যক্তিগত খরচের জন্য ব্যবহার করতে হয়, তাদের জন্যই এ ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট। বৈধভাবে একটি ডলারও বিদেশে প্রেরণ বা খরচ করতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতির প্রয়োজন হয় যা ইআরকিউ অ্যাকাউন্টধারীদের প্রয়োজন হবে না। যারা আউটসোর্সিং-এর আয় এক্সপোর্ট বা রপ্তানি আয় হিসাবে না দেখিয়ে প্রচলিত রেমিটেন্স বা প্রেরিত অর্থ হিসাবেই গ্রহণ করতে চায় এবং বিদেশে ব্যবসায়ের প্রয়োজনে বিনিয়োগ বা খরচ করার প্রয়োজন নেই, তাদের এ ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট-এর কোন আবশ্যকতা নেই। যে কোন আউটসোর্সিং পেশাজীবী এই অ্যাকাউন্ট করতে পারে। তবে যাদের সংশ্লিষ্ট কাজের প্রয়োজনে (যেমন, ইন্টারনেট Marketer এর ক্ষেত্রে large volume advertisement purchase ও এমন আরও অনেক আছে) বেশি পরিমাণে বিদেশে টাকা পাঠাতে/কেনাকাটা করতে হয়, তাদেরই এই অ্যাকাউন্ট সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট কেন করা হয়েছে? আউটসোর্সিং পেশায় জড়িতদের কষ্টার্জিত অর্থ সহজে দেশে আনা ও সেই অর্থ দিয়ে বিদেশে ব্যবসাজনিত কেনাকাটা সহজ করতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও স্টান্টার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এক্সপোর্টার রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) অ্যাকাউন্ট সুবিধা চালু করেছে। বিদেশ থেকে অর্জিত টাকা বিদেশে খরচ করার জন্য ইআরকিউ হলো বাংলাদেশ ব্যাংক স্বীকৃত বৈধ পদ্ধতি, যা আপনার ট্যাক্স ফাইলে সহজেই যুক্ত করতে পারবেন। এই অ্যাকাউন্ট-এ লেনদেন এর ডকুমেন্ট ভবিষ্যতে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক কাজে উপকারে আসবে, যা দিয়ে ব্যাংকিং সুবিধাসহ ইনভেস্টমেন্ট সংগ্রহ করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী যে সকল প্রতিষ্ঠান এক্সপোর্ট করে, তারা তাদের এক্সপোর্টের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ ব্যাংকিং মাধ্যমে দেশে এনে তার সর্বোচ্চ ৬০% পর্যন্ত কোন ধরনের আলাদা অনুমতি ছাড়া দেশের বাইরে ব্যবসার প্রয়োজনে পাঠাতে পারবে। তাই ইআরকিউ অ্যাকাউন্টে দুইটি ভাগ থাকে। এক ভাগে এক্সপোর্টের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থের ৬০% ডলারে থাকে এবং বাকি ৪০% আরেক ভাগে দেশীয় মুদ্রায় (টাকা) থাকে। উল্লেখ্য ব্যবহারকারি তার প্রয়োজন মত যে কোন সময় ডলার ভাগ থেকে তার দেশীয় মুদ্রা ভাগে টাকা এনে খরচ করতে পারে। আর দেশের বাইরে যদি তার ডলার পাঠানোর বা বিদেশে কেনাকাটার প্রয়োজন পড়ে, সে তার ডলার অ্যাকাউন্ট থেকে পাঠাতে পারে বা কেনাকাটা করতে পারে। স্টান্টার্ড চার্টার্ড (ইআরকিউ) অ্যাকাউন্ট এর সাথে একটি ইন্টারন্যাশনাল ডেবিট কার্ড দেওয়া হবে যা দিয়ে বিদেশে কেনাকাটা করা যাবে। এছাড়াও wire transfer এর মাধ্যমেও বিদেশে ডলার পাঠানো যাবে। ------------------------~~~~!!!!!!~~~~~--------------------- বেসিসের প্রতিনিধিত্বে এসসিবি যে যে সুবিধাগুলো ইআরকিউ অ্যাকাউন্টে যুক্ত করেছে: ১. ব্যাংক সার্ভিস চার্জ অনেকাংশেই শূণ্য এসসিবি’র অন্যান্য অ্যাকাউন্ট বা অন্য সকল ব্যাংকের এ ধরণের সার্ভিস চার্জের তুলনায় অনেক কম সার্ভিস চার্জে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনো সার্ভিস চার্জ ছাড়াই এই ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন। সাধারনত স্টান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে একটি সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলতে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ টাকা প্রয়োজন হয়। এবং ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট খুলতে এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট লাইসেন্স লাগে, যা বানাতে হলে ট্রেড লাইসেন্স, টিন সার্টিফিকেট ও অন্যান্য কাগজপত্র প্রয়োজন হয় (টাকা পয়সা খরচতো আছেই)। কিন্তু এই অ্যাকাউন্ট খুলতে কোনো টাকার প্রয়োজন হবে না এবং এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট লাইসেন্স লাগবে না। প্রতিবছর অ্যাকাউন্ট মেইনটেইনেন্সের জন্য ৬০০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হয়। কিন্তু এই অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে কোনো সার্ভিস চার্জ দিতে হবে না। প্রথম বছর বিনামূল্যে ইন্টারন্যাশনাল ডেবিট কার্ড প্রদান করা হবে। দ্বিতীয় বছর থেকে ৩০ ডলারের পরিবর্তে বিশেষ ছাড়ে মাত্র ১০ ডলার সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হবে। ২. সহজেই অনলাইন ট্রানজেকশন ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট এর সাথে একটি ইন্টারন্যাশনাল ডেবিট কার্ড দেওয়া হবে। এই ইন্টারন্যাশনাল ডেবিট কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট (অনলাইন) ট্রানজেকশন করতে পারবে, যা টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন এর মাধ্যমে নিরাপদ লেনদেনের নিশ্চয়তা দেয়। এটি সকল ব্যবহারকারীর জন্য ফ্রি। ৩. ব্যাংক ট্রান্সফার ও ডিমান্ড ড্রাফট সুবিধা ব্যবহারকারীরা তাদের প্রয়োজনে ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট থেকে বিদেশে ব্যাংক ট্রান্সফার এবং ডিমান্ড ড্রাফট করতে পারবে। ফলে বিদেশি কোনো পেমেন্ট করতে বাড়তি অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হবে না। ৪. বিশেষ ছাড় ও মুনাফা সুবিধা ব্যবহারকারীরা তার দেশি সেভিংস অ্যাকাউন্টে টাকা রাখার মাধ্যমে মুনাফা/লভ্যাংশ পেতে পারবে। বিভিন্ন ফিতে থাকবে বিশেষ ছাড়। এছাড়া এই অ্যাকাউন্ট থেকে সে তার নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা তুলতে অথবা খরচ করতে পারবে। ৫. ঝামেলামুক্ত এক্সপোর্টের উপার্জন প্রচলিত আইন অনুযায়ী IT ও ITES খাতের আয় শুল্ক মুক্ত। কিন্তু মাঝে মাঝে বিভিন্ন ব্যাংক ভুল করে আউটসোর্সিং পেশায় জড়িতদের আয়ের ওপর থেকে ১০ শতাংশ ট্যাক্স কেটে নেয়। এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করলে সে ধরণের সমস্যা হওয়ার সম্ভবনা থাকবে না । আউটসোর্সিং পেশায় জড়িতরা যেভাবে খুলতে পারবেন ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট আউটসোর্সিং পেশায় জড়িতরা প্রথমে বেসিস ওয়েবসাইট (http://basis.org.bd/) থেকে ‘আউটসোর্সিং পেশাজীবী প্রত্যায়ন পত্র" এর জন্য আবেদনের ফরমটি ডাউনলোড করে তা পূরণ করে তিন হাজার (৩,০০০) টাকা ফিসহ বেসিস অফিসে আবেদন করবেন। অবেদনের ৩-৭ কার্যদিবসের মধ্যে একটি পর্যবেক্ষন কমিটি যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র ঠিক থাকলে আবদেনকারীর নামে আউটসোর্সিং পেশাজীবী প্রত্যায়ন পত্র ইস্যু করবে। আউটসোর্সিং পেশাজীবী প্রত্যায়ন পত্র সংগ্রহ করার পরে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক-এর যেকোন শাখা থেকে ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট খোলার আবেদন করতে পারবেন। আউটসোর্সিং পেশাজীবী প্রত্যায়ন পত্রের দরকার কেন? বেসিস এর তৎপরতায় স্টান্টার্ড চার্টার্ড ব্যাংক আউটসোর্সিং কোম্পানির সাথে সাথে আউটসোর্সিং পেশাজীবীদেরও ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট সুবিধা দিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু তাদের অসুবিধা হচ্ছে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের অভাবে কে আউটসোর্সিং পেশাজীবী আর কে নয়, এটি তারা নিশ্চিত হতে পারবে না। তাই আউটসোর্সিং পেশাজীবীদের সাহায্য করার জন্য বেসিস "আউটসোর্সিং পেশাজীবী প্রত্যায়ন পত্র" প্রদান করার দায়িত্ব নিয়েছে। উল্লেখ্য বেসিস তার মেম্বারদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুরোধে ঠিক একইরকম দায়িত্ব বেশ কয়েক বছর ধরে পালন করে আসছে। তা হলো- বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ অনুমতিতে বেসিস মেম্বার কোম্পানি ব্র্যাক ব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ভিসা কার্ড দিয়ে বছরে ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত বিদেশ থেকে ব্যবসা সম্পর্কিত সফটওয়্যার/আইটি সেবা ক্রয় করতে পারবে। এবং এই ২০,০০০ ডলার বেসিস মেম্বার কোম্পানি একবারে খরচ করতে পারবে না। বরং সর্বোচ্চ ২০০০ ডলার পর্যন্ত একবারে খরচ করতে পারবে। বেসিস মেম্বার কোম্পানি ২০০০ ডলার খরচের পর (২০০০ ডলার সমপরিমাণ টাকা ব্র্যাক ব্যাংকে জমা দিয়ে) তা কোথায় খরচ করেছে তা নির্দিষ্ট ফরমেটে ও ২২৫০ টাকা সার্ভিস চার্জসহ বেসিসে জমা দিবে। বেসিস যাচাই বাছাই করে দেখবে যে ২০০০ ডলার খরচ ব্যবসা সম্পর্কিত সফটওয়্যার/আইটি সেবা ক্রয় এর ক্ষেত্রে হয়েছে কি না। সব কিছু ঠিক থাকলে বেসিস প্রতায়্যন করবে যে, খরচটি নিয়ম মোতাবেক ও সঠিক খাতে হয়েছে এবং ব্র্যাক ব্যাংককে পরবর্তী ২০০০ ডলার লিমিট বাড়ানোর নির্দেশ দিবে। বেসিস মেম্বার কোম্পানি নুতন যোগ হওয়া ২০০০ ডলার তার প্রয়োজনে খরচ করে একই পদ্ধতিতে ২২৫০ টাকা সার্ভিস চার্জসহ পুনরায় ২০০০ ডলার লিমিট বাড়ানোর আবেদন করবে। এ ক্ষেত্রেও ব্র্যাক ব্যাংকের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের অভাবের কারণেই উল্লেখিত যাচাই বাছাই এর দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুরোধে বেসিসকে নিতে হয়েছিল। এবং এক বছরে সম্পূর্ণ ২০,০০০ ডলার ব্যবহার করতে বেসিস মেম্বার কোম্পানিকে বছরে ২২,৫০০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হয়। প্রত্যয়ন পত্রের জন্য বেসিস কেন সার্ভিস চার্জ নিচ্ছে? এই অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যে আবেদনগুলো পড়বে সেগুলো বেসিস যাচাইবাছাই করবে। যাচাইবাছাই সম্পর্কিত কাজগুলো করার জন্য একটি আলাদা সেকশন ও লোকবল থাকবে। স্বাভাবিকভাবেই এই সেকশনের ও লোকবলের জন্য এককালীন ও মাসিক খরচ থাকবে। এই খরচের কিছু অংশ মিটানোর জন্যই এই এককালীন চার্জ নেওয়া হচ্ছে। কোনো তথ্যের অপব্যবহার হবে না এই অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ব্যক্তিগত তথ্য ও আউটসোর্সিং কাজের প্রমানস্বরুপ শুধুমাত্র ওয়ার্ক অর্ডার বা ক্লায়েন্ট টেস্টিমোনিয়াল কিংবা ক্লায়েন্সের সঙ্গে কমিউনিকেশন হয়েছে এমন প্রমান পরীক্ষা করা হবে। এগুলো শুধুমাত্র আউটসোর্সিং পেশায় সঙ্গে সংশ্লিষ্ঠ কিনা সেটি প্রমাণের জন্যই ব্যবহৃত হবে। এই তথ্য অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা হবে না। এবং যেহেতু এটি একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, এটি যথাযথ ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান সমস্যার কারণে বিদেশে বিনিয়োগ চাহিদানুযায়ী করতে পারছিলেন না, তাদের অনেকেই ইতিমধ্যে বেসিস ও এসসিবি’র এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং প্রত্যয়ন পত্রের জন্য আবেদন করেছেন। Courtesy: Internet-Dimitri Dimi
  22. About the roleWe are recruiting for 4-5 Customer service coordinators to help us improve our communication with our users. This role is crucial to the growth of our business, as our user numbers continue to increase, to maintain a high standard of support/contact and help to build brand loyaltyMain tasks and responsibilities: - Using our own knowledge and pre-written responses to deal with customer communication- Encouraging existing users to further their current involvement with the site - Welcoming new users to the site, and helping to instil confidence in the business- Managing all communication through the online chat/Ticket (Sometimes over the phone) system- Identifying and reciprocating potential content gapsEquipment requirements:- Stable internet (mandatory)- Typing Speed 45 WPMPerson specifications:- Excellent communication skills in written & spoken English are essential for this role- Ability to communicate complex concepts to audiences with different levels of communication- Ability to learn quickly- A desire to understand when acquiring new knowledge- Able to work with others to acquire the knowledge they have- Basic financial knowledge about the Australian financial industry to understand concepts such as debt (personal loans, home loans and credit cards), investments, insurance, savings, foreign exchange, telecommunications and retail- Multicultural awarenessWe will provide customer service training and offer guides so you can familiarise yourself with our customer service protocol. In terms of content creation, we’ll give you a copy of our style guide as well as the briefs, expectations and context for each article. We’ll also offer feedback to help you grow as a writer. If you are interested: - Go this link http://www.userbenchmark.com Test and provide the link - https://10fastfingers.com/typing-test/english Test and take screenshot via light shot and provide the link - Upwork/Fiverr profile link ( Optional ) Salary Range: 15000-25000BDT per month. To apply, You just need to comment here with the above information. If you are selected, We will send an email.
×