Jump to content
News Ticker
  • News ticker sample
  • News ticker sample

আউল

Members
  • Content count

    19
  • Joined

  • Last visited

Community Reputation

0 Neutral

About আউল

  • Rank
    Member
  1. ADNAN SAMIN REMY BOYZ আদনান সামিনের নিজের কেরিওগ্ৰাফি ও মিউজিক এডিটিং এ তার নিজের বন্ধুদের অনেক গুলো ডেন্স শেয়ার করছি - দেখুন ইউটিউবে, আর তাকে উৎসাহ দিলে ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে
  2. এমন কোন দিনের সংবাদ পাবেন না যে দিন কয়েকটি ধর্ষনের খবর প্রচার হচ্ছে না, ধর্ষন আগের চেয়ে শত শত গুন বাড়ছে, বেড়েই চলছে, ভয়াবহ আকার ধারন করছে, যার অনেক গুলো কারনের মধ্যে একটি হলো, অপরাধীদের বিচার না হওয়া, বিচারহীনতাই অপরাধীদের অপরাধ করতে অনুপ্রানীত করে। ধর্ষক হয়ে কেউ জন্মায় না, সমাজই সৃস্টি করে একেক জন ধর্ষক, একজন ছেলে/মেয়ে এখন মানসিকভাবে অপরিপক্ব অবস্থায় অনেক কিছু জানছে। এই জানা তাকে আগ্রহী ও কৌতুহলি করছে বাস্তবে করার জন্য। কোন বাবা-মা ই চায় না তার ছেলে বিপথগামী হোক। এ সমস্যার উত্তরণ আবশ্যক কিন্ত উপকরন এবং পারিপার্শিকতা, সহজলভ্যতা আকাশ সাংস্কৃতি, ইন্টারনেট সহ সব ব্যাপারে নিয়ন্ত্রন আনতে হবে, ধর্ষণ নামক ব্যাধি থেকে দেশকে বাঁচানো জরুরী, ধর্ষণ কমাতে হলে প্র্রথমে (*) ডিসের মাধ্যমে ছড়ানো আকাশ সাংস্কৃতি / উগ্র গান আর ছবির চ্যানেল গুলো বন্ধ করতে হবে বা নিয়ন্ত্রন করতে হবে (*) ইন্টারনেটের যথেচ্ছে ব্যাবহার কমাতে হবে বা নীল ছবি / পর্ণ গ্রাফি ইন্টারনেটে বন্ধ করতে হবে (*) ইন্টারনেটের ব্যবহারবিধীতে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে (*) নারী/কিশোরীদের চলাফেরা পোশাকে উগ্রতা (*) আধুনিকতার নামে আবাধ মেলামেশা বেহায়াপনা উঃশৃংখলা বন্ধ করতে হবে (*) নারী/কিশোরীদের চলাফেরা পোশাকে উগ্রতা না থাকে সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে (*) পুলিশি নজরদারি বা গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে (*) অপরাধ সংগঠিত হবার পর , অপরাধীর সাজা নিশ্চিত করতে হবে ........ যে কোন অপরাধের বিস্তার ঘটে বিচারহীনতার কারনে। একসময় বাংলাদেশের নারীরা ব্যাপক হারে এসিড সন্ত্রাসের শিকার হতো। কয়েকজনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়েছে আর এই বিষয়টা মিডিয়াতে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়, মানুষকে সচেতন করার জন্য। শুনেছি ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড! একটা মেয়েকে যখন ধর্ষণ করা হয়ে, তখন তার মৃত্যুটা হয় তিলে তিলে। সারাটা জীবন মৃত্যুর বিভিষীকা বয়ে বেড়ায় সে। প্রতিদিন তার মরণ হয়। তাহলে একটা মেয়েকে এতবার হত্যা করার শাস্তি কেন মাত্র যাবজ্জীবন কারদন্ড? তাদের ২/১ জনের ফাসিঁ কার্যকর করলে ধর্ষণ কমে যাবে? অপরাধী তার অপরাধের সাজা পাবে কিন্ত সমাজ ব্যাবস্থা আর রাস্ট্রও সমভাবে অপরাধী তাকে অপরাধী হিসাবে গড়া উঠার জন্য, ইন্টার নেট, নীল ছবি, আকাশ সাংস্কতি, অভাদ চলাচল, বেহায়াপনা, পোশাক, আধুনিকতা, অসৎসঙ্গ, কালোটাকা, প্রভাব, .............রাস্ট্র এবং সমাজ এর দায় এড়াবেন কিভাবে
  3. পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য, সমাধান নেই- জনগন জিম্মি গুটি কয়েক পরিবহন ব্যাবসায়ির হাতে!! ঢাকা শহরে পরিবহনে নৈরাজ্য, পিছু হটেছে প্রসাশন, সরকার - ১৫ দিন স্থগিত করার থেকে উল্লাসে ফেটে পড়ে পরিবহন মালিকরা শুরু হয়ে গেছে "যার থেকে যেমন পারো ভাড়া আদায় করো নীতির প্রতিযোগীতা" প্রতিদিন শত শত যাত্রীরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে, দিতে হচ্ছে পরিবহন শ্রমিকদের মর্জি মাফিক টাকা, যেমন কুড়িল বিশ্ব রোড থেকে বনানীর কাকলী অরিজ্যিনাল ভাড়া ৫টাকা, ইদানিং বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্ট সিটিং নামে নিচ্ছে ১০ টাকা, তাদের লোকাল নামে নিচ্ছে ৮ টাকা, ভুঁইয়া নিচ্ছে ১৫ টাকা, বিকাশ নিচ্ছে ২০ টাকা, মনজিল ২০ টাকা, যা বিএরটিসি নিচ্ছে ৫টাকা, গাড়ি পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার তাই মানুষ সামনে যেটা পাচ্ছে সেটাইতে উঠছে, আর ছিনতাই হচ্ছে তাদের সর্বস্বঃ, এটা সবাই জানেন, আলোচনা করেন টিভির টক শো গুলোতে কিন্ত সমাধানের কোন আন্তরিকতা নেই, এই প্রসঙ্গে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সিটি মেয়র নগর পিতা মন্তব্য করেন, সবই কালো টাকায়................. এই অরাজগতা শুরু হলো কিভাবে? কিভাবে বা কেন পরিবহন মালিকদের মধ্যে আরো বেশী লোভের সৃস্টি হলো? "গুলশানে হলি আর্টিজান" হামলার পর হঠাৎ করে সেখানকার জনগনের একমাত্র পরিবহন ৬ নং বাস বন্ধ করে দেয়া হয়, যার ভাড়া ছিলো ২ থেকে ৫ টাকা....সেখানে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের "ঢাকার চাকা" নামের গাড়ি নামানো হয়, যে যেখানে নামবে ১৫ টাকা দিতে হবে, ৩৭ সিটির এই গাড়িতে যাত্রী নেয় মাঝে মধ্যে ৪৫~৫০ জন, এসি প্রায়ই থাকে বন্ধ.....আর এত শর্ট দুরত্বের গাড়িতে এসি দিয়ে সাধারন মানুষ কি করবে? তাদের প্রয়োজন কম ভাড়া, আর এই বাসে কোন যাত্রী কাকলী থেকে উঠি আধা কিলো দুরত্বে বনানী বাজার নামলে ১৫ টাকা, বনানী বাজার থেকে আরেকজন উঠে গুলশান ২ নম্বরে নামলে ১৫ টাকা, ঘুলশান ২ নম্বর থেকে নতুন বাজার ১৫ টাকা, প্রতিটি স্টপিজেই যাত্রী তো উঠে আর নামে, সেই হিসাবে কাকোলী থেকে নতুন বাজার তারা গড়ে ভাড়া কত করে আদায় করছে? এই লাভ জনক প্রদ্ধতি দেখে পরিবহন মালিকরা এরই সুযোগ গ্রহন করে, যার যেমন ইচ্ছে সে অনুযায়ী ভাড়া নিচ্ছে, কোন যাত্রী কোন স্টপিজে নামবে সেটা কোন কথা নয়, বাসটি যদি গাজিপুর থেকে মতিঝিল কিংবা ধউড় থেকে নিউমাকের্টে যায় যাত্রীরা সম্পুর্ন ভাড়াই দিতে হবে, যে যেখানেই নামুক, এক সিটে যাত্রী উঠবে আর নামবে কিন্ত ভাড়া সেই শুরু আর শেষ স্টপিজ পর্যন্ত দিবে হবে............তাদেরই বা আর দোষ কী? ঢাকার চাকা যদি পারে তাদের পারতে সমস্যা কোথায়?? আর "গুলশানে হলি আর্টিজান" হামলার পর হঠাৎ করে নামানো হয় পুরাতন রিক্সা কোড নাম্বর দিয়ে, আগে ইউনাইটেড মোড় থেকে গুলশান ২ এর রিক্সা ভাড়া ছিলো ১৫ টাকা, এক রাতেই তা হয়ে যায় ৩৫ টাকা, যদিও প্রতিটি রিক্সার পিছনে ভাড়ার তালিকা দেয়া আছে, কোন রিক্সাওয়ালা তা মানেই না......যা তারা মানে না তা ঝুলিয়ে রেখেই বা কী লাভ? যেমন রাস্তায় সিএনজি অটো গুলোকে যদি বলেন, অমুক জায়গায় যাবে সিএনজি এটোওয়ালা বলবে যাবে মিটার থকে ২০ টাকা ৩০ টাকা.......বাড়িয়ে দিতে হবে.......অথবা যে এলাকার মিটারে ১০০টাকা আসবে তার ভাড়া চাইবে ২৫০টাকা সরকারী কর্মচারীদের সুযোগ সুবিধা বেশী, তাদের আনা নেয়ার জন্য পরিবহনের ব্যাবস্থা আছে, তাদের বেতন বেড়েছে ১২৮%, চাকুরী শেষে কোটি টাকার পেনশান, আর পয়সাওয়ালাদের পাইভেট আছে সে তার তার পরিবার যেখানে যাবে তাদের প্রাইভেটে যায়, আর যারা নিতীনির্ধারন করেন তাদেরও আছে ব্যাক্তিগত গাড়ি, সুতরাং জনগননের এই কস্টের কথা বা দুর্ভোগ কমাবাের জন্য কে এগিয়ে আসবে??
  4. একটু সচেতন হলেই মোবাইল কোম্পানিগুলো গ্ৰাহকদের সাথে প্রতারণা করতে পারবেনা: মোবাইল কোম্পানিগুলো মানুষ কে বোকা বা অবুঝ বানিয়ে অনেক ধরণের ধোকা বাজী করে, কোনটি গ্ৰাহকরা ধরতে পারে কোনটি ধরতেই পারেন না, এর নামই ব্যাবসা, ফোন কোম্পানি গুলো সাধারণ মানুষের সাথে কত ধরনের ব্যাবসা করছে আর হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, মোবাইল এ দেখবেন প্রতি দিন শত শত বিজ্ঞাপন আসছে বিরক্তিকর এস এম এস ও বিভিন্ন বিরক্তিকর কল করে, আর এত টাকায় এত জিবি, পরে দেখবেন মোবাইল এর মূল টাকা নেই!!! আর সবচেয়ে বিপদজনক হচ্ছে #VAS অটো আপনার মোবাইল থেকে ৫ থেকে ৯ টাকা করে #প্রতিদিন ই কাটাতে থাকবে ,(প্রয়োজন নেই ইন্টারনেট লাইন বা ডাটা, ইন্টারনেট সাপোর্ট করেনা এমন সেটেও) কিন্তু আপনি বুঝতে বা জানতেও পারবেন না, কেউ তো আর বারবার ব্যালেন্স চেক করে দেখেনা, কোটি কোটি গ্ৰাহকের থেকে প্রতিদিন এভাবে চুপিসারে টাকা নিলে তাদের কত কোটি টাকা ফাও খাতে লাভ, আমরা গ্ৰাহকরা এটা জানিওনা বা জানলেও গায়ে মাখিনা, ৫ টাকা বেশী ভাড়া নিলে আমরা রিক্সাওয়ালা বা বাস কন্ট্রাক্টরের গায়ে হাত তুলি, কিন্ত্ত প্রতিদিন চুপিসারে গ্ৰাহকদের কোটি কোটি টাকা খেয়ে ফেলছে কিন্তু কিছু করার নেই, জানতে চাই ও না????
  5. "বাংলাদেশ প্রতিদিন " পত্রিকায় স্যার জাফর ইকবালের একটা লেখা ছিল। তো সেখানে তিনি লিখেছেন, " গ্রেড পদ্ধতিটি শুরু হয়েছিল কারণ পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরটি কখনো সঠিক পরিমাপ নয়, কাছাকাছি নম্বর। এটি কারো জানার কথা নয়, শুধু গ্রেডটি জানার কথ্। কিন্তু আমি একসময় জানতে পারলাম ছাত্রছাত্রীদের মূল্যয়ন করার জন্য মূল নম্বরটি ব্যাবহার করা হচ্ছে। একই গ্রেড পাওয়া একজন বৃত্তি পাচ্ছে, আরেকজন পাচ্ছে না। কারণ একজনের নম্বর বেশি আরেকজনের কম। যেহেতু এর মাঝে স্বচ্ছতা নেই তাই সবাইকে তার নম্বর জানার অধিকার দিয়ে দিয়েছে। অর্থাৎ এখন এই দেশে গ্রেড পদ্ধতি একটা রসিকতা ছাড়া আর কিছু নয়। মজার কথা হলো- এই রসিকতাটুকু এখনো কেউ ধরতে পারছেন বলে মনে হয় না!" তো যাই হোক, আপনার রসিকতা বোঝার বোধ নিয়ে আমিও একটু রসিকতা করি!! এই রসিকতার শুরুটা হয়েছিল আপনাদেরই আন্দোলনেই, আপনাদের সিদ্ধান্তেই। আপনারা দেশের মানুষের অস্থিমজ্জায় গেথে দিতে সক্ষম হয়েছেন যে "গ্রেড"ই সব। যার ভালো গ্রেড নেই তার কোনো মূল্য নেই। আবার এখানে কথা হচ্ছে, আপনারা ভালো গ্রেড বলতে একটা গ্রেডকেই বেধে দিয়েছেন, তা হলে জিপিএ-৫। আপনি যেমন বললেন," একই গ্রেড পেয়ে বুত্তি পায় না নম্বরের জন্য।" আবার তেমনি একই নম্বর পেয়ে ভালো কোথাও পড়তে পারে না, মানুষের সামনে মুখ দেখাতে পারে না শুধুমাত্র গ্রেডের জন্য। জিপিএ-৫ কে আপনারা পাশ নম্বর বেধে দিয়ে বলছেন রসিকতা করছি। ভালো গ্রেড না পেলে তো মন মতো কলেজে আবেদনই করা যায় না, নম্বর কখন দেখে?? যদি রসিকতাই হয় তবে নম্বরের বিচারেই সবখানে বাছাই করা হতো শুধু বৃত্তির ক্ষেত্রে নম্বর দেখা হতো না। আপনাদের জন্য ছেলেমেয়েরা জিপিএ-৫ চাচ্ছে। এবং তা পাওয়ার জন্য কোচিং সেন্টার গুলোতে যাচ্ছে,গাইড বই কিনছে, প্রশ্ন ফাস হচ্ছে এবং তা কিনে জিপিএ-৫ ছিনিয়ে আনছে! কোচিং, গাইড,প্রশ্ন ফাস কিভাবে বন্ধ হবে এরা যে একে অপরের পরিপূরক!! যা হোক অন্যদিকে চলে যাচ্ছি, রসিকতায় ফিরে আসি। বিষয়টা অনেকটা এমন না?? মাসের পর মাস একটা মেয়েকে রুমের ভেতর আটকে রেখে ধর্ষণ করার পর একপর্যায়ে বলা হলো, আরে রসিকতা করছিলাম তো তোমার সাথে!! বছরের পর বছর গ্রেড পদ্ধতিকে সবখানে, সবার সামনে প্রধান করে তুলে ধরে, ফল প্রকাশের পর কত শিক্ষার্থীর প্রাণ কেড়ে নিলেন, কত শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ভঙ্গ করলেন আর এখন বলেন রসিকতা!! এই রসিকতা আমজনতার অস্থিমজ্জায় প্রবেশ করতে করতে আরো কত শিক্ষার্থীর প্রাণ যাবে?? কত শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ভঙ্গ হবে?? ভেবে দেখেন একবারো?? কিছুদিন পর আবার বলবেন সেদিন যেটা বলেছিলাম ওটা ছিল রসিকতা!! পারেনও বটে আপনারা!! -Sir Mahmud Akash (আমি পোস্ট টি শেয়ার করছি প্রথম আলো পত্রিকার sheikh al mansur mahmud পাঠকের মন্তব্য থেকে)
  6. ভারতকে আমরা বiaন্ধু ভাবি কিন্তু তারা আমাদের কে কি ভাবে details N E W S শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাটসম্যানদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। এ নিয়ে সমালোচনা শুনতে হয়েছে তাঁকে। তিন যুগ আগে নিজেই অমন কীর্তি করা সুনীল গাভাস্কারও সাকিবের সমালোচনা করার আগে দুবার ভাবেননি। তবে সমালোচনায় সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন হরভজন সিং। নিদাহাস ট্রফির ওই ঘটনায় পুরো বাংলাদেশ দলকেই নাকি কয়েক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা উচিত ছিল।
  7. ৪ঠা ফেব্রুয়ারি সম্ভবত সময় টিভির একটি প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে ইংরেজি প্রশ্ন পত্র ফাসঁ হয়েছে এবং ফেইসবুকে প্রকাশ্যেই বিজ্ঞাপন দিয়েছে, ২০০০ টাকা অগ্ৰিম দিলে প্রশ্ন পাওয়া যাবে, ফোন নাম্বার ও বিজ্ঞাপনে দিয়ে দেয়া হয়েছে, অনুষ্ঠানে র উপস্থাপিকা সবাইকে দেখিয়ে সরাসরি তার সাথে কথাও বলেন******* https://m.facebook.com/groups/338844869 … 4046105464 মোবাইল সীম বায়োমেট্রিক করার সময়ে সবার ধারনা ছিলো , এখন থেকে সীম দিয়ে প্রতারণা করলে সাথে সাথে ধরা পড়বে, বাস্তবে দেখা যাচ্ছে তার উল্টো চিত্র, কোন সাহস এর বলে তারা প্রকাশ্যে ফেসবুক এ বিজ্ঞাপন দিয়ে মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করতে বলে? আজ টিভির খবরে দেখলাম, (১) প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে কিনা তার জন্য তদন্ত কমিটি (২) প্রশ্নপত্র ফাঁস কারিকে ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা পুরষ্কার #প্রশ্নপত্র !!ফাঁস ই না হবে তবে ধরিয়ে দিলে পুরষ্কার ঘোষণা কেন? আর হয়েছে নিশ্চিত হলে তদন্তকমিটি কেন????? প্রশ্নপত্র ফাঁস এর কারণ অনেক ছাত্র ছাত্রী দের জীবন নষ্ট হচ্ছে, ধ্বংস হচ্ছে দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থা, ২ একজন হয়ত অনেক টাকার মালিক হচ্ছেন???? যারা অপেক্ষায় থাকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করা পরীক্ষায় পাশ করে তারা প্রশ্নপত্র ফাঁস বিহীন কোন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে গেলে অবস্থা কি হবে? এস এস সি পাশ করার পর তাদের বাড়তি সুবিধা, এখন কলেজে ভর্তির জন্যে পরীক্ষা হয় না, শুধুমাত্র নটরডেম কলেজের মত কিছু কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হতে হয় একটি কাল্পনিক ধারনা: প্রশ্নপত্র ফাঁসের বদৌলতে জিপিএ পাওয়া একটি ছাত্র গেলো নটরডেম কলেজে ভর্তির পরীক্ষা দিতে, পরীক্ষার আগে মন্টু একটা composition মুখস্ত করেছিলো My Friend,,,আর পরীক্ষায় এলো My Father. কিন্তু ও নিজেকে অনেক চালাক ভেবে friend এর জায়গায় father লিখে দিয়েছে। আর যে শিক্ষক মন্টুর Answer Sheet দেখে সে তো অবাক☺ I am a fatherly person. I have lots of fathers. Some of my fathers are male and some are female. My mother is very close to many of my fathers. My uncle is also my father. My true father is my neighbor........... and I love my all my fathers because without fathers life is impossible.
  8. #সকল ভোগান্তির দ্বায় সাধারণ জনগণের কেন???? ************************************†**** এখন প্রথম শ্রেণী থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে, কিছুতেই রোধ করা যাচ্ছে না, রোধ করা যাচ্ছে না অনেকেই বলেন রোধ করছেন না, ২০১৮ সালের এস এস সি পরীক্ষা শুরু হয়েছে ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে, সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রী বলেছেন, প্রশ্নপত্র যতবার ফাঁস হবে ততবার আবার পরীক্ষা নেয়া হবে, কথাটা শুনে অনেক ছাত্ররা পরীক্ষার প্রতি আগ্ৰহ হারিয়েছে, আকাম করবে তারা আর প্রায়শ্চিত্ত করবে নিরীহ ছাত্রছাত্রীরা সব কিছুতেই ভোগান্তি ভোগ করার দ্বায় সাধারন জনগণের, পরিবহনের মালিকরা হঠাৎ করে ঢাকা শহরের সকল বাস সিটিং করে দিয়ে জনগনকে ভোগান্তি র মধ্যে ফেলে, হঠাৎ করে মালিক রা মর্জি মাফিক বাস ভাড়া নিতে থাকে, প্রত্রিকায় হ্যাড লাইন বেরহয় পিছু হটলো সরকার ব্যবসায়িদের হাতে জিম্মি সাধারণ মানুষ, বিনা কারনে হঠাৎ করে পেয়াজের দাম হয়ে গিয়েছিলো ১৪০ টাকা, একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বলেন চালের দাম বৃদ্ধির ফলে নতুন করে ৫ লাখ ২০ হাজার লোক নতুন করে দরিদ্র হয়েছে, প্রতিটি জিনিস পত্রর দাম ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে ঢাকার বাড়ি ভাড়া এখন কোন নিয়োম নিতীর তোয়াক্কা না করে তাদের মর্জি মাফিক বেড়েই চলছে, কিছু বল্লে বলে বাড়ি ছেড়ে দিন, পানিতে থেকে কে কুমিরের সাথে তর্ক করবে, আর মাসে মাসে ভাড়া দিয়ে থাকলেও তারা কোন ভাড়টিয়ার সাথে ভালো ব্যবহার করে না, আর কোন কারনে মাসের ১০ তারিখের মধ্যে ভাড়া দিতে না পারলে, পরিবারের সদস্যদের সামনে অপমানিত হতে হয়, সারা বছর কষ্ট করে কৃষক আলু বিক্রি করে ১/২ টাকায় আর আমরা তা কিনি ২৫/৩০ টাকায়, ব্যবসাষিদের বিনা কষ্টে কেজি প্রতি ২৪/২৮ টাকা লাভ, ফুলকপি বিক্রি করে ৪/৫ টাকায় আর আমরা তা কিনি ৩৫ টাকায়, ব্যবসায়িদের বিনা কষ্টে কেজি প্রতি ৩০ টাকা লাভ, দেখার কেউ নাই #কৃষক প্রতিবছর জমি বেচে তারা বিলুপ্ত হচ্ছে আর ব্যবসায়িদের বাড়ি আর গাড়ি বাড়ছে আর চুইজব্যংকে টাকা রাখছেন, হারিয়ে যাচ্ছে কৃষক #টাকা গুলো যদি যারা সারা বছর কষ্ট করে ফসল ফলায় সেই কৃষক রা পেতো , কষ্ট লাগতো না, আমরা যে দামে কিনি কৃষক রা তার সিকি ভাগোও পায়না,
  9. আমি গার্মেন্টসে কাজ করি ২৩ বছর merchandising ডিপার্টমেন্টে, মাসে র বেতন মাসে পাইনা সেটা বড় কথা নয়, বন্ধ এর দিনে অফিস এ যেতে হয় সেটা বড় কথা নয় , সকাল থেকে রাত ১১/১২ টা অবদি কাজ করতে হয় সেটা বড় কথা নয়, গত ৫ মাস যাবৎ আমি GBS নামক কঠিন virus এ আক্রান্ত, হাসপাতালে ছিলাম একেক টা এঞ্জেকশন দাম ৩০,০০০ টাকা অন্যান ঔযধের সাথে ৩০,০০০ টাকা এঞ্জেকশন মারা হয়েছে ২৫টি , এখন আমার ২ হাত আর পা প্যারালাইসিস (অবশ) হয়ে গেছে, কোন কাজ করতে পারিনা, একজন ফিজিওর তত্ত্বাবাধনে বাসায় চিকিৎসা নিশ্চি তাকে প্রতিদিন দিতে হয় ১০০০ টাকা, এতো বিপদে থাকার পরোও সেই গার্মেন্টস আমার অগাস্ট সেপ্টেম্বর মাসের বেতন দেয় নাই, সহানুভূতি তো পরের কথা, এর নাম ই গার্মেন্টস
  10. মশার অত্যাচারে নগরবাসী আতংকিত, দিনের বেলায়ও মশারি লাগিয়ে রাখতে হচ্ছে, প্রতিটি সিটি করপোরেশন মশার ক্রাশ প্রোগরামের নামে বাজেট করছেন অর্ধ কোটি টাকা মশা নিয়ন্ত্রণে উত্তর দক্ষিণ দুই সিটি করপোরেশনই ব্যর্থ। নগরবাসীর মনে চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু আতঙ্ক, শিশু ও শিক্ষার্থীদের অবস্থা নাজুক। মশার যন্ত্রণায় অস্থির নগরবাসী। দিনের বেলায়ও এখন মশারি টাঙিয়ে অথবা কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। আর রাতের বেলায় মশার যন্ত্রণা সে তো অসহ্য। বলতে গেলে মশার যন্ত্রণায় নগরবাসীর ত্রাহি অবস্থা। মশা নিয়ন্ত্রণে উত্তর দক্ষিণ দুই সিটি করপোরেশনই ব্যর্থ। সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বশীল অনেক ব্যর্থতা ঢাকতে রাজউকের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে। মশার উপদ্রবের সাথে নগরবাসীকে এখন মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের আতঙ্ক তাড়া করছে। বিশেষ করে চিকন গুনিয়া, ডেঙ্গু এসব রোগের আতঙ্ক নগরবাসীর মনে। গত ১৫/২০ দিনের মশার উপদ্রবে ওই এলাকার বাসিন্দারা অতিষ্ঠ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাসাবাড়ি, দোকানপাট, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত সর্বত্রই অসহনীয় মশার উপদ্রব। মশার উপদ্রব এতোটাই বেড়েছে যে সম্প্রতি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে মশা ঢুকে পড়ায় বিমানটি ছাড়তে দুই ঘণ্টা দেরি হয়। বিমানবন্দরে মতো অতিগুরুত্বপূর্ণ এলাকার মশা উপদ্রব এখনো কমেনি। দুই সিটি কর্পোরেশনের চলতি অর্থ বছরের জন্য মশা নিধনের বাজেট ৩৭ কোটি টাকা। এই টাকা দিয়েও মশা নির্মূল হচ্ছে না। বরং দিন দিন মশার যন্ত্রণা বাড়ছেই। ঢাকার বাসিন্দারা যেনো মশার কাছে অসহায়। রাতে তো বটেই দিনের বেলায়ও চলছে মশার অত্যাচার। মশারি টানিয়ে, কয়েল জ্বালিয়ে, ইলেকট্রিক ব্যাট কিংবা মশানাশক ওষুধ স্প্রে করেও রক্ষা পাচ্ছে না। অথচ মশা নিধনে বছর বছর বরাদ্দ বাড়াচ্ছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। বরাদ্দ বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মশার উপদ্রবও।
  11. প্রায় সিটিং বাস গুলোতেই লেখা থাকে ৯টি আসন "শিশূ, মহিলা এবং প্রতিবন্ধিদের জন্য সংরক্ষিত" প্রায়ঃশই দেখা যায়, পুরুষরা সেই সিট গুলোতে বসে যায়, পরে মহিলাদের বকাঝকার পর পুরুষরা তা ছেড়ে দেয়, অনেক সময়ে পুরুষরা বসা থাকলে মহিলারা আসলে সিট গুলো সেচ্ছায় ছেড়ে দেয় কিন্ত একদিন বাসে দেখলাম ৯টি সিটেই মহিলারা বসে আছে আর একজন প্রতিবন্ধি কোন সিট না পেয়ে পুরো পথ দাড়িয়ে ছিলো? এই প্রতিবন্ধিকে দেখে সংরক্ষিত আসন থেকে কোন মহিলা দাড়িয়ে তাকে বসতে দেয় নি, তাই প্রশ্ন হচ্ছে বাসে সংরক্ষিত আসন কাদের জন্য? মহিলাদের জন্য না প্রতিবন্ধিদের জন্য?? না যে আগে বসবে তার জন্য? পুরুষরা যদি সংরক্ষিত আসন মহিলাদেরকে ছেড়ে দিতে পারে, মহিলারা কেন প্রতিবন্ধিদেরকে সেই আসন ছেড়ে দিতে পারে না? সেই সব মহিলারা কি প্রতিবন্ধিদের চেয়েও অক্ষম ?
×