Jump to content
News Ticker
  • News ticker sample
  • News ticker sample

সিহাব ঊদ্দিন

Members
  • Content count

    13
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    1

সিহাব ঊদ্দিন last won the day on December 13 2017

সিহাব ঊদ্দিন had the most liked content!

Community Reputation

1 Neutral

About সিহাব ঊদ্দিন

  • Rank
    Member

Recent Profile Visitors

1,168 profile views
  1. ওয়েব ও সফটওয়্যার ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর জন্য প্রথমতো আমাদের যে দুটি ল্যাংগুয়েজ জানা প্রয়োজন তা হলো – ১। এইচটিএমএল এবং ২। সিএসএস এই দুটোই মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ, কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়। এ দুটো ল্যাংগুয়েজ দিয়ে আপনি একটি Static ওয়েব সাইট বা সফটওয়্যার তৈরি করতে পারবেন। পরবর্তিতে আপনি যখন ৩। পিএইচপি এবং ৪। এসকিউএল এখানে পিএইচপি একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এবং এসকিউএল ডাটাবেস ল্যাংগুয়েজ। এই দুটোই ল্যাংগুয়েজ শিখলে আপনি একটি Dynamic ওয়েব সাইট অথবা সফটওয়্যার তৈরি করতে পারবেন। এরপর আপনি ৫। জাভাস্ক্রিপ্ট ল্যাংগুয়েজ শিখলে আপনি একটি আকর্ষনীয় ও দৃষ্টি নন্দন ওয়েব সাইট অথবা সফটওয়্যার তৈরি করতে পারবেন। তাছাড়া ওয়েব ও সফটওয়্যার ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট করার সময় আপনাদের বিভিন্ন গ্রাফিক্স এর কাজ করার প্রয়োজন হবে। সেজন্য- PhotoShop, Illustrator বা Graphics এর কাজ মোটামুটি জানা থাকা উত্তম। এছাড়াও আমরা চাইলে সি, পাইথন অথবা ভিজুয়াল বেসিক দিয়ে সফটওয়্যার তৈরি করতে পারি। তবে Speed এর কথা ভাবলে সি দিয়ে সফটওয়্যার অথবা Application তৈরি করা সব ছেয়ে উত্তম। মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ এবং প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কি? এইচটিএমএল এবং সিএসএস দুটোই মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ। এরকম আরো অনেক মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ আছে। এ দুটি ল্যাংগুয়েজ দিয়ে আপনি যতটুকু কোড লিখবেন সে ততটুকুরই ফলাফল প্রকাশ করবে। এর বাইরে সে কিছুই করতে পারবেনা। আপনি যদি এই দুটি ল্যাংগুয়েজ কে প্রশ্ন করেন যে ৫ এবং ৫ যোগ করলে কত হবো? সে আপনাকে কে কোন ফলাফল দিতে পারবেনা কেননা এটি একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ। কিন্তু আপনি যদি কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ, যেমন- পিএইচপি বা জাভাস্ক্রিপ্টকে কে প্রশ্ন করেন যে ৫ এবং ৫ যোগ করলে কত হবো? সে আপনাকে সাথে সাথে বলে দেবে ১০। অথবা যদি প্রশ্ন করেন ৫ এবং ৫ গুণ করলে কত হবে? সে তাও বলে দিতে পারবে। কারণ এটি একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। এরকম পিএইচপি বা জাভাস্ক্রিপ্ট ছাড়াও আরো অনেক প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ আছে। Static এবং Dynamic কি? আমরা আমাদের ওয়েব সাইট বা সফটওয়্যার দুট ভাবে তৈরি করতে পারি। একটি হলো Static এবং অপরটি হলো Dynamic। আমাদের যেসব ওয়েব বা সফটওয়্যার পেইজের কোন কিছু সংযুক্ত, সম্পাদনা বা বাতিল করতে, মূল কোডে যাওয়া ছাড়া পরিবর্তন করা সম্ভব নয় সেগুলো হলো Static পেইজ। আর যেসব ওয়েব বা সফটওয়্যার পেইজর কোন কিছু সংযুক্ত, সম্পাদনা বা বাতিল করতে মূল কোডে যাওয়া ছাড়া পরিবর্তন করা সম্ভব সেগুলো হলো Dynamic পেইজ। যেমন Facebook এর কথাই ধরুন, আমরা চাইলে Facebook আমাদের Profile, যেকোন Post, Friend যোকোন সময় Add, Edit এবং Delete করতে পারছি। মূলত ওই ওয়েব সাইটটি Dynamic হওয়াতে আমাদের জন্য তা করা সম্ভব হয়েছে। তাই আমাদের কোন ওয়েব সাইট বা সফটওয়্যার তৈরির করার সময় সব কিছু Dynamic হচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কিভাবে তৈরি হয় ওয়েবসাইট ? প্রথমে একজন ডিজাইনার ওয়েবসাইটির ডিজাইন করে । সাধারনত ফটোশপ দিয়ে ডিজাইটির একটি বাহ্যিক রূপ দেয় । কিন্তু ফটোশপে যেসব টেক্সট ইমেজ ব্যবহার করা হয় সেগুলোত আমরা যেই ব্রাউজার ব্যবহার করি যেমন ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম ইত্যাদি বুঝতে পারবে না । এই ব্রাউজারগুলোকে বোঝানোর জন্য আলাদা কিছু ভাষা আছে যেমন – এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রীপ্ট ইত্যাদি । প্রথমে এইচটিএমএল দিয়ে ফটোশপে যে ডিজাইনটি করা হয় সেটি একটি কাঠামো তৈরি করা হয় । তারপর সিএসএস দিয়ে ফটোশপে যে ডিজাইন করা হয়েছে সেই রকম ডিজাইন করা হয় । জাভাস্ক্রীপট এবং জেকুয়েরি দিয়ে ডিজাইনে বিভিন্ন রকম এডভান্স ফিচার যেমন যোগ করা হয়।এরপর পিএইচপি মাইএসকউএল ইত্যাদি দিয়ে ওয়েব সাইটি ব্যবহার উপযোগী করা হয় । কিভাবে শিখবেন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট প্রথমেই আপনাকে মনস্থির করতে হবে যে কমপক্ষে দুই বছর সময় ব্যয় করবেন শুধু শেখার জন্য। তারপর ফেসবুকের দুইটা গ্রুপে যোগ দিবেন একটা হল আর আর ফাউন্ডেশনের অফিসিয়ার গ্রুপ আর একটি হল odesk help গ্রুপ। গ্রুপে যোগ দিয়েই প্রথমেই গ্রুপের ফাইল গুলো পড়ে ফেলেন । প্রথমে কিছুই বুঝবেন না তারপরও ধৈর্য ধরে পড়ে ফেলেন। এরপর গ্রুপে যে যত পোষ্ট দিবে নিয়মিত পড়তে থাকেন। কোথায় শিখবেন ? এখন অনলাইনে এত রিসোর্স যে খুব সহজে একা একাই আপনি শিখতে পারবেন। w3schools যেখানে সব টিউটোরিয়াল রিসোর্স পাবেন। আর টুলস্ পেজে পাবেন সব রকম টুলস্ । অথবা বিভিন্ন প্রকার ট্রেনিং সেন্টার থেকেও শিখতে পারেন। একটা ব্যাপারে লক্ষ্য রাখবেন ।আমাদের দেশে এখন পযর্ন্ত ভাল মানের ট্রেনিং সেন্টার আছে হাতে গোনা কয়েকটি।
  2. কিভাবে নিজের একটি ভাল প্রোফাইল তৈরি করতে হয় (Building a great profile)। আপনার একাউন্ট তৈরি এবং ইমেইল থেকে একাউন্ট ভেরিফিকেশনের পর আপনি যখন আপওয়ার্কে লগিন করবেন তখন নিচের চিত্রের মত দেখতে পাবেন – এখান থেকে Create my Profile বাটনে ক্লিক করে নিজের প্রোফাইল তৈরি করা শুরু করুন। বাটনে ক্লিক করার পর প্রথমেই আপনাকে কাজের ক্যাটাগরি এবং সাব ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। তারপর Introduce Yourself নামে একটি ফরম আসবে – Portrait: এখানে আপনার একটি প্রফেশনাল ফটো দিন। প্রফেশনাল ফটো কেমন হবে দেখে নিন এই লিংক থেকে ফটোটিতে যেন আপনার চেহারা পরিস্কার বোঝা যায় এবং হাস্যোজ্জল থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন, ফটোটি প্লেইন কালার ব্যাকগ্রউন্ড হলে ভাল। ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে আপনার বেশিরভাগ ক্লায়েন্টই হবে পশ্চিমা দেশগুলোর, সেখানে এমন প্রোফাইল ফটোই হলো স্যান্ডার্ড। আর আমাদের দেশের সিভি/রিজিউম স্যান্ডার্ড ফটো হচ্ছে স্যুটটাই পরা সিরিয়াস মুডের ফটো, এমন ফটো ফ্রিল্যান্সিং প্রোফাইল এ না দেয়াই ভাল, এখানে আরো কিছু স্যাম্পল ফটো এবং গাইডলাইন আছে দেখে নিতে পারেন। Professional Title: এখানে আপনি কি করেন তা লিখেন। যেমন আপনি ওয়েব ডিজাইনার হলে লিখতে পারেন Web Designer বা Frontend Web Designer বা Creative Web Designer গ্রফিক ডিজাইনার হলে লিখতে পারেন Graphic Designer বা Creative Graphic Designer Overview: অভারভিউ সেকশনে আপনার কি কি দক্ষতা আছে, কতদিনের অভিজ্ঞতা আছে, আপনার পূর্বের প্রজেক্টের অভিজ্ঞতা, যোগাযোগের দক্ষতা ইত্যাদি বর্ণনা করতে পারেন, সর্বোপরি আপনার সম্পর্কে, সার্ভিস সম্পর্কে কিছু লিখতে পারেন। চেষ্ঠা করবেন খুব কম কথায় নিজেকে ফুটিয়ে তুলতে এবং লেখায় যেন কোন ভুল না থাকে। Skills: এখানে আপনি যে কাজগুলো পারেন সেগুলো লিখতে পারেন। যেমন আপনি ওয়েব ডিজাইন পারেন তাহলে আপনি এখানে Html, css, psd-to-html ইত্যাদি লিখতে পারেন। এগুলো হচ্ছে একএকটি ট্যাগ, এগুলো ভালভাবে দিলে ক্লায়েন্ট আপনাকে সহজে সার্চ করে পাবে। English Proficiency: এখানে আপনি কতটুকু ইংরেজি জানেন তা সিলেক্ট করে দিন। Other Languages: অন্য কোন ভাষা জানলে তা এখানে যোগ করে দিতে পারেন। Availability to work on Upwork: আপনি সপ্তাহে কতক্ষন কাজ করতে পারবেন তা উল্লেখ করে দিন। তথ্যগুলো দিয়ে Save & Continue বাটনে ক্লিক করুন। তারপর Experience & Education নামে আরেকটি পেজ আসবে – এখানে আপনার কাজের Experience Level কাজের কত দিনের তা নির্বাচন করুন Employment History: পূর্বে কোথাও কাজ করলে তা এখানে বর্ণনা করুন। Education: আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা এখানে বর্ণনা করুন। Certifications: আপনার যদি Microsoft, Cisco, Zend, Adobe, IELTS বা অন্য কোন সার্টিফিকেট অর্জন করা থাকে তাহলে এখানে বর্ণনা করুন। Portfolio Projects: এটি ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পোর্টফোলিও হচ্ছে আপনার পূর্বের করা কাজ। আপনি যদি ওয়েব ডিজাইনার হন তাহলে পূর্বে যেসব ওয়েবসাইট ডিজাইন করেছেন তা এখানে দিন বা আপনি যদি গ্রাফিক ডিজাইনার হন তাহলে পূর্বে যেসব লগো, বিজনেস কার্ড বা ফ্লায়ার ডিজাইন করেছেন তার কয়েকটি Sample এখানে যুক্ত করে দিন। নতুন ফ্রিল্যান্সারদের ক্ষেত্রে পোর্টফোলিও ফ্রিল্যান্সিং প্রজেক্ট পেতে সাহায্য করে। কমপক্ষে ৫টি পোর্টফোলিও এখানে যোগ করে দিন। তারপর Save & Continue বাটনে ক্লিক করুন, তখন Final Details নামে আরেকটি পেজ আসবে – Set your Hourly Rate: এখানে আপনি আপনার কাজের ঘন্টাপ্রতি রেট দিন। আপওয়ার্ক এবং ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন আপনার ক্যাটাগরির কাজের জন্য অনর‌্যা কেমন ঘন্টাপ্রতি রেট নেয়। সাধারনত কাজের ক্যাটাগরি এবং ফ্রিল্যান্সারের অভিজ্ঞতার ভিওিতে ঘন্টাপ্রতি রেট ৫ ডলার থেকে ১০০ ডলার হয়ে থাকে। Location Information: আপনার ঠিকানা ফোন নাম্বার ইত্যাদি দিয়ে Save & Continue বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আরেকটি পেজ আসবে এখানে Submit for Review বাটনে ক্লিক করুন এবং আপনার মেম্বারশিপ প্লান সিলেক্ট করুন। তখন আপনার প্রোফাইলটি আপওয়ার্ক রিভিউ করবে। রিভিউ এর জন্য সাধারণত ১২ ঘন্টা সময় নেয়।
  3. ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস হচ্ছে আপওয়ার্ক www.upwork.com । ২০০৩ সালে চালু হওয়া এই মার্কেটপ্লেসটি পূর্বে ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল, ২০১৫ সালে অন্য আরেকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের সাথে একত্রিত হয়ে এটি আপওয়ার্ক নামে পরিচালিত হয়। আপওয়ার্ক বা অন্য যেকোন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে যদি আপ নি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে চান তবে আপনাকে যেকোন একটি কাজে (যেমন – ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং, এসইও , এফিলিয়েট মার্কেটিং, এন্ড্রয়েড এপস ডেভলাপমেন্ট, সফ্টওয়্যার ডেভলাপমেন্ট ইত্যাদি) দক্ষ হতে হবে। সাধারণত সবগুলো ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসেই নিচের ক্যাটাগরির কাজগুলো পাওয়া যায়। এসব বিষয়ের যেকোন একটিতে দক্ষ হলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন আর এসব বিষয়ে দক্ষতা না থাকলে প্রথমে যেকোন একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দক্ষতা অর্জনের পর ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। ধরে নিচ্ছি আপনি উপরে উল্লেখিত কোন একটি বিষয় খুব ভালভাবে জানেন অর্থাৎ কোন একটি বিষয়ে আপনার খুব ভাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাহলে আমরা দেখব আমরা অপওয়ার্কে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারি। আপওয়ার্কে ফ্রিল্যান্সিং করার কয়েকটি ধাপ রয়েছে, যেমন – ১) কোন একটি কাজে দক্ষ হওয়া। ২) আপওয়ার্কে একাউন্ট/প্রোফাইল তৈরি করা। ৩) ন্যাশনাল আইডি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে প্রোফাইল ১০০% কমপ্লিট করা। ৪) আপনার স্কিলসেট/দক্ষতার কিছু পরীক্ষা দেয়া এবং কয়েকটি পোর্টফোলিয় রাখা। ৫) জব ভালভাবে বুঝে বিড/এপ্লিকেশন করা। ৬) প্রজেক্ট পাওয়ার পর ভালভাবে সম্পন্ন করা এবং সটিক সময়ে প্রজেক্ট ক্লায়েন্ট এর কাছে সাবমিট করা। ৭) প্রজেক্ট সাবমিটের পর রেটিং/ফিডব্যাক নেয়া। ৮) পেমেন্ট উত্তোলন। #১ প্রথমে কোন একটি কাজে দক্ষতা অর্জন করা: প্রথমেই আপনার ভাললাগে এমন কোন একটি কাজ শিখতে হবে। আপনি ইন্টারনেট থেকে গুগলে সার্চ করলে আপনার পছন্দের বিষয়ের টিউটরিয়াল পাবেন, সেখান থেকে শিখতে পারেন আথবা কোন একজন ফ্রিল্যান্সারের কাছ থেকে শিখতে পারেন বা ভালো কোন প্রতিষ্ঠান থেকে পছন্দের বিষয়টি শিখে নিতে পারেন। মোটকথা হচ্ছে যেভাবেই হোক আপনাকে কোন একটি কাজে দক্ষ হতে হবে। সাধারণত দক্ষতা অর্জন করতে ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে এটি নির্ভর করবে যে আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ হবেন। প্রথমেই আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ হবেন। বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনাকে একটু রিসার্চ করতে হবে। আপনাকে দেখতে হবে যে ফ্রিল্যান্স মার্কেটে কোন বিষয়টি ডিমান্ডেবল। কোন বিষয়ে বেশী কাজ পাওয়া যায়, কোন বিষয়ের ভবিষৎ কেমন। এই রিসার্চগুলো আপনি গুগলে করে নিতে পারেন বা অভিজ্ঞ কোন ফ্রিল্যান্সারের সাথে পরামর্শ নিতে পারেন। মার্কেটপ্লেসগুলো ঘ্টলে দেখা যায় যে ওয়েব ডিজাইন,ওয়েব প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, আর্টিকেল রাইটিং, এসইও , এফিলিয়েট মার্কেটিং, এন্ড্রয়েড এপস ডেভলাপমেন্ট, সফ্টওয়্যার ডেভলাপমেন্ট ইত্যাদির কাজ বেশি পাওয়া যায়। এসব বিষয়ের কোন একটি বা অন্য কোন বিষয় নির্বাচন করলে তার সাথে দেখবেন বিষয়টি আপনার পছন্দের কিনা। পছন্দের বিষয় না হলে এখানে আপনি ভাল করতে পারেন না। সুতরাং আপনি বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে কমপক্ষে তিনটি বিষয়ে [ মার্কেট ডিমান্ড + ভবিষৎ + নিজের পছন্দ/ভাললাগা ] গুরুত্ব দিতে পারেন। এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতাও বিবেচনায় আসতে পারে। বিষয় নির্বাচন করা এবং কাজে দক্ষ হওয়ার পর আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। বাংলাদেশে সংবাদপত্র, ডিজিটাল মিডিয়া, সরকারের আইটি বিভাগ, বিডিওএসএন, বেসিস এর প্রচারণা এবং বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলে ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে অনেক পরিচিত, বেশিরভাগ মিডিয়াগুলো শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সারদের বিশাল সফলতা এবং আয়ের কথাই তুলে ধরে থাকে। ফলে জনসাধারনের মনে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে একটি পজেটিভ ধারণা তৈরি হয়েছে আবার অনেকেই বিশাল আয়ের কথা চিন্তা করেই কিছু না বুঝেই বলে যে আমি ফ্রিল্যান্সিং শিখব, আসলে ফ্রিল্যান্সিং শেখার কিছুই নেই, ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি প্রসেস, আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কাজ শিখতে পারেন এবং কাজ শেখার পর আপনি মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে জেনে সেখানে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। #২ আপওয়ার্কে একাউন্ট/প্রোফাইল তৈরি করা: আপওয়ার্ক হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস। এখানে একাউন্ট খোলা খুবই সহজ। আপনি ফেসবুক, টুইটার, জিমেইল এ যেভাবে একাউন্ট অপেন করেন এখানেও মোটামোটি এরকমই। একাউন্ট তৈরির জন্য বাউজ করুন www.upwork.com তারপর নিচের চিত্র:১ এর মত হোমপেজটি আসবে, এখান থেকে SIGN UP বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আরেকটি পেজ অপেন হবে চিত্র:২ এর মত, সেখান থেকে I’m looking for online work সেকশনের work বাটনে ক্লিক করুন। এটি হচ্ছে যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে চায় তাদের জন্য। চিত্র:১ চিত্র:২ work বাটনে ক্লিক করার পর নিচের মত আরেকটি সাইন আপ ফরম আসবে – এখানে আপনি আপনার নাম, ইমেইল এড্রেস, কান্ট্রি, ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে তাদের টার্মস -পলিসি একসেপ্ট করে Get Started বাটনে ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি তৈরি হয়ে যাবে। দে তারপর আপনার ইমেইল এড্রেস ভেরিফাই করতে হবে। আপওয়ার্ক থেকে আপনার দেয়া ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক যাবে এটিতে ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি ভেরিফাই হয়ে যাবে। আপনি এই ফর্ম ফিলাপ না করেও আপনার ফেসবুক, লিংকটইন অথবা আপনার জিমেইল আইডি দিয়েও সাইন আপ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে You can also sign up with Facebook, Linkedin, or Google. এর Facebook, Linkedin, or Google যেকোন একটি লিংকে গিয়ে আপনার একাউন্ট দিয়ে লগিন করলেই হবে। [* বি.দ্র: সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের সব বড় বড় স্যোসাল মিডিয়া, মার্কেটপ্লেস এবং অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলো তাদের নিরাপওা এবং টার্মস -পলিসি জোরদার করছে তাই আপনার একাউন্ট খোলার সময় আপনার সঠিক নাম এবং সঠিকতথ্য দিয়ে সবসময় একাউন্ট খুলবেন। আপওয়ার্কে একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডে যে নাম আছে সেটি দিবেন এবং এই নামের সাথে আপনার ব্যাংক একাউন্টের নামের মিল থাকতে হবে ]
  4. ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ধরনের ডাটা একটি স্থান/প্রোগ্রাম থেকে অন্য আরকটি স্থানে/প্রোগ্রামে প্রতিলিপি তৈরি করা। ডাটাগুলো হতে পারে হাতে লেখা কোন তথ্যকে কম্পিউটারে টাইপ করা অথবা কম্পিউটারের কোন একটি প্রোগ্রামের ডাটা একটি স্প্রেডশীট ফাইলে সংরক্ষণ করা। কম্পিউটার ব্যবহারের শুরু থেকেই ডাটা এন্ট্রির ধারনা চলে এসেছে। বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে তথ্যের আদান প্রদান বিস্তৃত হয়েছে, সেই সাথে বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের ডাটাকে সুবিসন্নস্ত করে এর বহুবিধ ব্যবহার। তাই দক্ষ ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এধরনের কাজগুলো একা বা দলগতভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের সাধারণ ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে যে কেউ এই ধরনের কাজ করে ঘরে বসেই বৈদিশিক মুদ্রা আয় করতে পারে। কোথায় পাওয়া যাবে: ডাটা এন্ট্রি এর কাজগুলো সাধারণ ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস সাইটেই পাওয়া যায়। অনেক ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যাতে বলা হয় বিপুল পরিমাণে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ পাওয়া যাবে। কিন্তু ওই সাইটে রেজিষ্ট্রশন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়। যেহেতু রেজিষ্ট্রেশন করার পূর্বে আপনি জানতে পারছেন না সত্যিই ওই সাইটে কাজ পাওয়া যায় কি না, তাই এই ধরনের সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা থেকে বিরত থাকাই ভাল। বিনামূল্যে রেজিষ্ট্রেশন করে ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় এরকম সাইট হচ্ছে – www.GetAFreelancer.com, www.oDesk.com, www.GetACoder.com, www.ScriptLance.com ইত্যাদি। এই সাইগুলোতে ডাটা এন্ট্রি কাজের আলাদা বিভাগ রয়েছে। সাইটগুলোতে কয়েকশত ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলারের প্রজেক্ট রয়েছে। সাধারণত ‘প্রতি একহাজার ডাটা এন্ট্রির জন্য একটি নির্দিষ্ট ডলার’ এই ভিত্তিতে কাজ পাওয়া যায়। অনেকক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেয়া হয়। প্রয়োজনীয় দক্ষতা: ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্টে বিভিন্ন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হয় যা একটি প্রজেক্টের উপর নির্ভর করে। অনেক ধরনের প্রজেক্ট পাওয়া যায় যাতে শুধুমাত্র কপি-পেস্ট ছাড়া আর কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। তবে সাধারণভাবে যে দক্ষতাগুলো সবসময় প্রয়োজন পড়বে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – দ্রুত টাইপিং করার ক্ষমতা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও বিশেষ করে মাইক্রোসফট এক্সেলে পরিপূর্ণ দখল এবং সর্বোপরি ইংরেজিতে ভাল জ্ঞান। তার সাথে রয়েছে ইন্টারনেটে সার্চ করে কোন একটি তথ্য খোঁজে পাবার দক্ষতা এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট, ফোরাম, ওয়েব ডাইরেক্টরী সম্পর্কে ভাল ধারণা। ডাটা এন্ট্রি কাজের প্রকারভেদ: ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে যেসকল ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ফাইল, ছবি ইত্যাদি আপলোড করা, বিভিন্ন সাইট থেকে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য এক্সেলের একটি ফাইলে সংরক্ষণ করা, ওয়েবসাইটের জন্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা, একটি ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফোরাম, গ্রুপে গিয়ে পরিচয় (Promote) করিয়ে দেয়া, দুটি ওয়েবসাইটের মধ্যে লিংক আদান প্রদান করা (Link Exchange), অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে সাহায্য করা, OCR (অপটিক্যাল কারেক্টার রিকগনিশন) থেকে প্রাপ্ত লেখার ভুল সংশোধন করা ইত্যাদি। নিচে ওডেস্ক এবং গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার সাইটে গত নভেম্বর মাসে প্রাপ্ত কয়েকটি প্রজেক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল: ১) লোকাল বিজনেসের তথ্য প্রদান: এই প্রজেক্টে বায়ারের (Buyer) রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে ইন্টারনেটে সার্চ করে যুক্তরাজ্যের একটি নির্দিষ্ট শহরের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি তথ্য প্রদান করা। বায়ার এই তথ্যগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং কাজে ব্যবহার করবে। এই প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে প্রকৃতপক্ষে ইন্টারনেটে ওই শহরের নাম দিয়ে সার্চ করতে হবে এবং প্রাপ্ত তথ্য একটি এক্সেল ফাইলে সেইভ করে বায়ারকে প্রদান করতে হবে। প্রজেক্টে বায়ারের বাজেট হচ্ছে ৫০ ডলার। তবে ঠিক কতটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রদান করতে হবে এবং কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সে বিষয়ে কোন ব্যাখ্যা দেয়া নেই। ২) ওয়েবসাইট থেকে ডাটা সংগ্রহ করা: এই প্রজেক্টে বায়ার কয়েকটি ওয়েবসাইটের তথ্য দিয়ে দিবে। প্রোভাইডার হিসেবে আপনার কাজ হবে ওই সাইটগুলো থেকে নির্দিষ্ট কিছু ডাটা আরেকটি ওয়েবসাইটের ফরমের মধ্য সেইভ করা। প্রতি ঘন্টায় এরকম ২০০ টি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে, অর্থাৎ প্রতি ১৮ সেকেন্ডে একটি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজটি করার জন্য কোন বিশেষ অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, শুধু মাত্র কপি এবং পেস্ট করা জানলেই হবে। সম্পূর্ণ কাজের জন্য বায়ারের বাজেট হচ্ছে ১২০ ডলার। ৩) অডিও ট্রান্সক্রিপশন: এই প্রজেক্টে বায়ার পূর্বে রেকর্ডকৃত কয়েকটি অডিও (Audio) ফাইল দিবে। আপনার কাজ হবে অডিও শুনে ইংরেজিতে একটি ফাইলে লেখা বা প্রতিলিপি তৈরি করা। প্রতি ঘন্টার অডিও ফাইল প্রতিলিপির জন্য ২০ ডলার দেয়া হবে। এই কাজের জন্য ইংরেজিতে অবশ্যই পারদর্শী হতে হবে। ৪) ডকুমেন্ট কনভার্শন: এই প্রজেক্টে আপনাকে PDF ফরমেটের একটি ডকুমেন্ট ফাইল দেয়া হবে। আপনার কাজ হবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ওই লেখাগুলো হুবহু প্রতিলিপি করা। অর্থাৎ পিডিএফ এর লেখাটির ফরমেট, ছবি, ফুটনোট ইত্যাদি অপরিবর্তিতভাবে ওয়ার্ড ফাইলে প্রতিস্থাপন করা। এই কাজের জন্য গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে ২৭ টি বিড পড়েছে এবং গড় মূল্য হচ্ছে ৬৫ ডলার। ৫) ক্লাসিফাইড এড লিস্টিং: এই প্রজেক্টটি হচ্ছে একটি ক্লাসিফাইড বা শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের ওয়েবসাইটে নতুন নতুন বিজ্ঞাপন যোগ করা। এজন্য Craigslist, Amazon, Ebay ইত্যাদি সাইট থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের তথ্য ওই ওয়েবসাইটটিতে যোগ করতে হবে এবং একটি এক্সেল স্প্রেডশীট ফাইলে এই তথ্যগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। তারপর পণ্যটির বিক্রেতার কাছে ইমেলই করে তাকে ওয়েবসাইটি সম্পর্কে জানাতে হবে। এরকম ৫০০ টি পণ্যের ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজের জন্য বায়ারের সর্বোচ্চ বাজেট হচ্ছে ২৫০ ডলার। ৬) ক্যাপচা (Captcha) এন্ট্রি: ক্যাপচা হচ্ছে কয়েকটি অক্ষর ও সংখ্যার সমন্নয়ে একধরনের সিকিউরিটি কোড বা ছবি যা বিভিন্ন সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার সময় প্রদান করতে হয়। কোন প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে কেউ যাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি সাইটে রেজিষ্ট্রেশন বা ফরম পূরণ করতে না পারে এজন্য এটি ব্যবহার করা হয়। গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে প্রাপ্ত এই কাজে দুইদিনের মধ্যে 36K বা ৩৬,০০০ হাজার ক্যাপচা এন্ট্রি করতে হবে। প্রতি 1K বা এক হাজারটি এন্ট্রি করার জন্য ১ ডলার দেয়া হবে অর্থাৎ মোট প্রজেক্টের মূল্য হচ্ছে ৩৬ ডলার। যেহেতু একার পক্ষে কম সময়ে এত ডাটা এন্ট্রি করা সম্ভব নয় তাই সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটি টিম থাকতে হবে। দুই দিনের মধ্যে সফলভাবে কাজটি করতে পারলে বায়ার পরবর্তীতে 1200K অর্থাৎ ১২,০০,০০০ ক্যাপচা এন্ট্রি করার কাজ দিবে যা দুই সপ্তাহের মধ্যে করতে হবে। অসুবিধাসমূহ: যদিও ডাটা এন্ট্রি এর কাজ তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু এই ধরনের কাজে অনেক ধরনের অসুবিধা রয়েছে, যা পূর্বে বিবেচনা করেই কাজে নামা উচিত: প্রথমত এই ধরনের কাজে অনেক বেশি বিড পড়ে, তাই প্রথম অবস্থায় কাজ পাওয়া খুব কঠিন। এই ধরনের কাজে আপনার মেধা বা দক্ষতা প্রমাণের প্রাথমিকভাবে কোন সুযোগ নেই। তবে ছোটখাট কয়েকটা কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে ফেলতে পারলে একই বায়ারের কাছ থেকে আরো অনেক কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডাটা এন্ট্রি কাজগুলো সময়সাপেক্ষ, একঘেয়ে এবং প্রায় ক্ষেত্রে বিরক্তিকর। অনেক কাজের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের স্পীড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব কাজে ফাইল আপলোড করতে হয় অথবা যে কাজগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, সেক্ষেত্রে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন রয়েছে। অনেক ডাটা এন্ট্রির কাজ রয়েছে যা একার পক্ষে একটি নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা সম্ভব নয়। এজন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটা টিম গঠন করার প্রয়োজন পড়তে পারে। ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো খুবই সতর্কতার সাথে এবং নির্ভুলভাবে করতে হয়। তাই শতভাগ নির্ভুল টাইপিং এবং কাজের সময় পূর্ণ মনযোগ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রোগ্রামিং করে ডাটা এন্ট্রি: অনেক ডাটা এন্ট্রি কাজ রয়েছে যা প্রোগ্রামিং করে করা সম্ভব। প্রোগ্রামিং এ যারা দক্ষ তারাও ইচ্ছে করলে ডাটা এন্ট্রের কাজগুলো সহজেই করতে পারবে। এক্ষেত্রে আমার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। ক্লায়েন্টের রিকোয়ারমেন্ট ছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের ২,৫০০ টি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের লিংক এনে দেয়া যাদের ওয়েবসাইটে কোন সিকিউরিটি সিল (এক ধরনের ছবি) নেই। ক্লায়েন্টের উদ্দেশ্য ছিল তাদের কাছে তার নিজের কোম্পানির সিকিউরিটি সিল বিক্রির জন্য ইমেইল দেয়া। প্রজেক্টের মোট মূল্য ছিল ৩০০ ডলার এবং ডেডলাইন ছিল মাত্র ৭ দিন। এই প্রজেক্টটি খুবই সময় সাপেক্ষ ছিল। কারণ সার্চ করে ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ সাইটে যেতে হবে এবং সেই সাইটগুলোতে গিয়ে দেখতে হবে তাদের সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা। ধরা যাক সমস্ত কাজ করতে প্রতি সাইটের পেছনে যদি ১ মিনিট করে সময় ব্যয় হয়, তাহলে ৫,০০০ সাইটের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৮ ঘন্টা কাজ করে একজন অপারেটেরর মোট সময় লাগবে ১০ দিন। কাজটি আমি ম্যানুয়ালি না করে প্রোগ্রামিং করে সম্পন্ন করার স্বীদ্ধান্ত নিলাম এবং PHP দিয়ে দুটি প্রোগ্রাম তৈরি করলাম – একটি প্রোগ্রাম গুগল এবং ইয়াহু ডাইরেক্টরি থেকে সার্চ করে ওই দুই দেশের ই-কমার্সের সাইটের তথ্য একটি ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করবে। আরেকটি প্রোগ্রাম ডাটাবেইজ থেকে তথ্যগুলো নিয়ে একটি একটি করে সাইটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাবে এবং ওই সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা যাচাই করে দেখবে। প্রোগ্রামটি তৈরি করার পর আমি আমার সার্ভারে Cron Job এর মাধ্যমে দুটি প্রোগ্রামকে চালাই। এই পদ্ধতিতে প্রোগ্রামিং করা থেকে সার্চ করা পর্যন্ত মোট সময় লেগেছিল মাত্র দুই দিন এবং প্রোগ্রামটির মাধ্যমে এই সময়ের মধ্যে ৮,০০০ সাইটে সার্চ করে ৪,০০০ টি সিলবিহীন সাইট পেয়েছিলাম। বাস্তবিক পক্ষে ডাটা এন্ট্রি কাজের রয়েছে বিশাল চাহিদা এবং কাজের পরিধিটাও অনেক বিস্তৃত। প্রথমদিকে একটু ধৈর্য্য সহকারে বিড করা এবং কাজ বাছাই করার ক্ষেত্রে একটু বুদ্ধিমত্ত্বার পরিচয় দেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে যেসব ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আরও বড় প্রজেক্ট পাবার সম্ভাবনা রয়েছে সেই প্রজেক্ট পাবার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। শুরুতে একাই কাজ করুন। ভবিষ্যতে বড় কাজ পেলে কয়েকজন কম্পিউটার অপারেটরকে নিয়ে একটি টিম গঠন করাতে পারেন। তখন ডাটা এন্ট্রির কাজগুলোর মাধ্যমে বেকার জনগণকে জনশক্তিতে পরিণত করতে আপনিও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
  5. ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ধরনের ডাটা একটি স্থান/প্রোগ্রাম থেকে অন্য আরকটি স্থানে/প্রোগ্রামে প্রতিলিপি তৈরি করা। ডাটাগুলো হতে পারে হাতে লেখা কোন তথ্যকে কম্পিউটারে টাইপ করা অথবা কম্পিউটারের কোন একটি প্রোগ্রামের ডাটা একটি স্প্রেডশীট ফাইলে সংরক্ষণ করা। কম্পিউটার ব্যবহারের শুরু থেকেই ডাটা এন্ট্রির ধারনা চলে এসেছে। বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে তথ্যের আদান প্রদান বিস্তৃত হয়েছে, সেই সাথে বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের ডাটাকে সুবিসন্নস্ত করে এর বহুবিধ ব্যবহার। তাই দক্ষ ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এধরনের কাজগুলো একা বা দলগতভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের সাধারণ ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে যে কেউ এই ধরনের কাজ করে ঘরে বসেই বৈদিশিক মুদ্রা আয় করতে পারে। কোথায় পাওয়া যাবে: ডাটা এন্ট্রি এর কাজগুলো সাধারণ ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস সাইটেই পাওয়া যায়। অনেক ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যাতে বলা হয় বিপুল পরিমাণে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ পাওয়া যাবে। কিন্তু ওই সাইটে রেজিষ্ট্রশন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়। যেহেতু রেজিষ্ট্রেশন করার পূর্বে আপনি জানতে পারছেন না সত্যিই ওই সাইটে কাজ পাওয়া যায় কি না, তাই এই ধরনের সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা থেকে বিরত থাকাই ভাল। বিনামূল্যে রেজিষ্ট্রেশন করে ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় এরকম সাইট হচ্ছে – www.GetAFreelancer.com, www.oDesk.com, www.GetACoder.com, www.ScriptLance.com ইত্যাদি। এই সাইগুলোতে ডাটা এন্ট্রি কাজের আলাদা বিভাগ রয়েছে। সাইটগুলোতে কয়েকশত ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলারের প্রজেক্ট রয়েছে। সাধারণত ‘প্রতি একহাজার ডাটা এন্ট্রির জন্য একটি নির্দিষ্ট ডলার’ এই ভিত্তিতে কাজ পাওয়া যায়। অনেকক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেয়া হয়। প্রয়োজনীয় দক্ষতা: ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্টে বিভিন্ন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হয় যা একটি প্রজেক্টের উপর নির্ভর করে। অনেক ধরনের প্রজেক্ট পাওয়া যায় যাতে শুধুমাত্র কপি-পেস্ট ছাড়া আর কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। তবে সাধারণভাবে যে দক্ষতাগুলো সবসময় প্রয়োজন পড়বে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – দ্রুত টাইপিং করার ক্ষমতা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও বিশেষ করে মাইক্রোসফট এক্সেলে পরিপূর্ণ দখল এবং সর্বোপরি ইংরেজিতে ভাল জ্ঞান। তার সাথে রয়েছে ইন্টারনেটে সার্চ করে কোন একটি তথ্য খোঁজে পাবার দক্ষতা এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট, ফোরাম, ওয়েব ডাইরেক্টরী সম্পর্কে ভাল ধারণা। ডাটা এন্ট্রি কাজের প্রকারভেদ: ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে যেসকল ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ফাইল, ছবি ইত্যাদি আপলোড করা, বিভিন্ন সাইট থেকে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য এক্সেলের একটি ফাইলে সংরক্ষণ করা, ওয়েবসাইটের জন্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা, একটি ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফোরাম, গ্রুপে গিয়ে পরিচয় (Promote) করিয়ে দেয়া, দুটি ওয়েবসাইটের মধ্যে লিংক আদান প্রদান করা (Link Exchange), অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে সাহায্য করা, OCR (অপটিক্যাল কারেক্টার রিকগনিশন) থেকে প্রাপ্ত লেখার ভুল সংশোধন করা ইত্যাদি। নিচে ওডেস্ক এবং গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার সাইটে গত নভেম্বর মাসে প্রাপ্ত কয়েকটি প্রজেক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল: ১) লোকাল বিজনেসের তথ্য প্রদান: এই প্রজেক্টে বায়ারের (Buyer) রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে ইন্টারনেটে সার্চ করে যুক্তরাজ্যের একটি নির্দিষ্ট শহরের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি তথ্য প্রদান করা। বায়ার এই তথ্যগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং কাজে ব্যবহার করবে। এই প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে প্রকৃতপক্ষে ইন্টারনেটে ওই শহরের নাম দিয়ে সার্চ করতে হবে এবং প্রাপ্ত তথ্য একটি এক্সেল ফাইলে সেইভ করে বায়ারকে প্রদান করতে হবে। প্রজেক্টে বায়ারের বাজেট হচ্ছে ৫০ ডলার। তবে ঠিক কতটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রদান করতে হবে এবং কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সে বিষয়ে কোন ব্যাখ্যা দেয়া নেই। ২) ওয়েবসাইট থেকে ডাটা সংগ্রহ করা: এই প্রজেক্টে বায়ার কয়েকটি ওয়েবসাইটের তথ্য দিয়ে দিবে। প্রোভাইডার হিসেবে আপনার কাজ হবে ওই সাইটগুলো থেকে নির্দিষ্ট কিছু ডাটা আরেকটি ওয়েবসাইটের ফরমের মধ্য সেইভ করা। প্রতি ঘন্টায় এরকম ২০০ টি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে, অর্থাৎ প্রতি ১৮ সেকেন্ডে একটি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজটি করার জন্য কোন বিশেষ অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, শুধু মাত্র কপি এবং পেস্ট করা জানলেই হবে। সম্পূর্ণ কাজের জন্য বায়ারের বাজেট হচ্ছে ১২০ ডলার। ৩) অডিও ট্রান্সক্রিপশন: এই প্রজেক্টে বায়ার পূর্বে রেকর্ডকৃত কয়েকটি অডিও (Audio) ফাইল দিবে। আপনার কাজ হবে অডিও শুনে ইংরেজিতে একটি ফাইলে লেখা বা প্রতিলিপি তৈরি করা। প্রতি ঘন্টার অডিও ফাইল প্রতিলিপির জন্য ২০ ডলার দেয়া হবে। এই কাজের জন্য ইংরেজিতে অবশ্যই পারদর্শী হতে হবে। ৪) ডকুমেন্ট কনভার্শন: এই প্রজেক্টে আপনাকে PDF ফরমেটের একটি ডকুমেন্ট ফাইল দেয়া হবে। আপনার কাজ হবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ওই লেখাগুলো হুবহু প্রতিলিপি করা। অর্থাৎ পিডিএফ এর লেখাটির ফরমেট, ছবি, ফুটনোট ইত্যাদি অপরিবর্তিতভাবে ওয়ার্ড ফাইলে প্রতিস্থাপন করা। এই কাজের জন্য গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে ২৭ টি বিড পড়েছে এবং গড় মূল্য হচ্ছে ৬৫ ডলার। ৫) ক্লাসিফাইড এড লিস্টিং: এই প্রজেক্টটি হচ্ছে একটি ক্লাসিফাইড বা শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের ওয়েবসাইটে নতুন নতুন বিজ্ঞাপন যোগ করা। এজন্য Craigslist, Amazon, Ebay ইত্যাদি সাইট থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের তথ্য ওই ওয়েবসাইটটিতে যোগ করতে হবে এবং একটি এক্সেল স্প্রেডশীট ফাইলে এই তথ্যগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। তারপর পণ্যটির বিক্রেতার কাছে ইমেলই করে তাকে ওয়েবসাইটি সম্পর্কে জানাতে হবে। এরকম ৫০০ টি পণ্যের ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজের জন্য বায়ারের সর্বোচ্চ বাজেট হচ্ছে ২৫০ ডলার। ৬) ক্যাপচা (Captcha) এন্ট্রি: ক্যাপচা হচ্ছে কয়েকটি অক্ষর ও সংখ্যার সমন্নয়ে একধরনের সিকিউরিটি কোড বা ছবি যা বিভিন্ন সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার সময় প্রদান করতে হয়। কোন প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে কেউ যাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি সাইটে রেজিষ্ট্রেশন বা ফরম পূরণ করতে না পারে এজন্য এটি ব্যবহার করা হয়। গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে প্রাপ্ত এই কাজে দুইদিনের মধ্যে 36K বা ৩৬,০০০ হাজার ক্যাপচা এন্ট্রি করতে হবে। প্রতি 1K বা এক হাজারটি এন্ট্রি করার জন্য ১ ডলার দেয়া হবে অর্থাৎ মোট প্রজেক্টের মূল্য হচ্ছে ৩৬ ডলার। যেহেতু একার পক্ষে কম সময়ে এত ডাটা এন্ট্রি করা সম্ভব নয় তাই সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটি টিম থাকতে হবে। দুই দিনের মধ্যে সফলভাবে কাজটি করতে পারলে বায়ার পরবর্তীতে 1200K অর্থাৎ ১২,০০,০০০ ক্যাপচা এন্ট্রি করার কাজ দিবে যা দুই সপ্তাহের মধ্যে করতে হবে। অসুবিধাসমূহ: যদিও ডাটা এন্ট্রি এর কাজ তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু এই ধরনের কাজে অনেক ধরনের অসুবিধা রয়েছে, যা পূর্বে বিবেচনা করেই কাজে নামা উচিত: প্রথমত এই ধরনের কাজে অনেক বেশি বিড পড়ে, তাই প্রথম অবস্থায় কাজ পাওয়া খুব কঠিন। এই ধরনের কাজে আপনার মেধা বা দক্ষতা প্রমাণের প্রাথমিকভাবে কোন সুযোগ নেই। তবে ছোটখাট কয়েকটা কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে ফেলতে পারলে একই বায়ারের কাছ থেকে আরো অনেক কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডাটা এন্ট্রি কাজগুলো সময়সাপেক্ষ, একঘেয়ে এবং প্রায় ক্ষেত্রে বিরক্তিকর। অনেক কাজের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের স্পীড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব কাজে ফাইল আপলোড করতে হয় অথবা যে কাজগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, সেক্ষেত্রে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন রয়েছে। অনেক ডাটা এন্ট্রির কাজ রয়েছে যা একার পক্ষে একটি নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা সম্ভব নয়। এজন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটা টিম গঠন করার প্রয়োজন পড়তে পারে। ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো খুবই সতর্কতার সাথে এবং নির্ভুলভাবে করতে হয়। তাই শতভাগ নির্ভুল টাইপিং এবং কাজের সময় পূর্ণ মনযোগ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রোগ্রামিং করে ডাটা এন্ট্রি: অনেক ডাটা এন্ট্রি কাজ রয়েছে যা প্রোগ্রামিং করে করা সম্ভব। প্রোগ্রামিং এ যারা দক্ষ তারাও ইচ্ছে করলে ডাটা এন্ট্রের কাজগুলো সহজেই করতে পারবে। এক্ষেত্রে আমার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। ক্লায়েন্টের রিকোয়ারমেন্ট ছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের ২,৫০০ টি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের লিংক এনে দেয়া যাদের ওয়েবসাইটে কোন সিকিউরিটি সিল (এক ধরনের ছবি) নেই। ক্লায়েন্টের উদ্দেশ্য ছিল তাদের কাছে তার নিজের কোম্পানির সিকিউরিটি সিল বিক্রির জন্য ইমেইল দেয়া। প্রজেক্টের মোট মূল্য ছিল ৩০০ ডলার এবং ডেডলাইন ছিল মাত্র ৭ দিন। এই প্রজেক্টটি খুবই সময় সাপেক্ষ ছিল। কারণ সার্চ করে ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ সাইটে যেতে হবে এবং সেই সাইটগুলোতে গিয়ে দেখতে হবে তাদের সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা। ধরা যাক সমস্ত কাজ করতে প্রতি সাইটের পেছনে যদি ১ মিনিট করে সময় ব্যয় হয়, তাহলে ৫,০০০ সাইটের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৮ ঘন্টা কাজ করে একজন অপারেটেরর মোট সময় লাগবে ১০ দিন। কাজটি আমি ম্যানুয়ালি না করে প্রোগ্রামিং করে সম্পন্ন করার স্বীদ্ধান্ত নিলাম এবং PHP দিয়ে দুটি প্রোগ্রাম তৈরি করলাম – একটি প্রোগ্রাম গুগল এবং ইয়াহু ডাইরেক্টরি থেকে সার্চ করে ওই দুই দেশের ই-কমার্সের সাইটের তথ্য একটি ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করবে। আরেকটি প্রোগ্রাম ডাটাবেইজ থেকে তথ্যগুলো নিয়ে একটি একটি করে সাইটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাবে এবং ওই সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা যাচাই করে দেখবে। প্রোগ্রামটি তৈরি করার পর আমি আমার সার্ভারে Cron Job এর মাধ্যমে দুটি প্রোগ্রামকে চালাই। এই পদ্ধতিতে প্রোগ্রামিং করা থেকে সার্চ করা পর্যন্ত মোট সময় লেগেছিল মাত্র দুই দিন এবং প্রোগ্রামটির মাধ্যমে এই সময়ের মধ্যে ৮,০০০ সাইটে সার্চ করে ৪,০০০ টি সিলবিহীন সাইট পেয়েছিলাম। বাস্তবিক পক্ষে ডাটা এন্ট্রি কাজের রয়েছে বিশাল চাহিদা এবং কাজের পরিধিটাও অনেক বিস্তৃত। প্রথমদিকে একটু ধৈর্য্য সহকারে বিড করা এবং কাজ বাছাই করার ক্ষেত্রে একটু বুদ্ধিমত্ত্বার পরিচয় দেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে যেসব ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আরও বড় প্রজেক্ট পাবার সম্ভাবনা রয়েছে সেই প্রজেক্ট পাবার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। শুরুতে একাই কাজ করুন। ভবিষ্যতে বড় কাজ পেলে কয়েকজন কম্পিউটার অপারেটরকে নিয়ে একটি টিম গঠন করাতে পারেন। তখন ডাটা এন্ট্রির কাজগুলোর মাধ্যমে বেকার জনগণকে জনশক্তিতে পরিণত করতে আপনিও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
  6. ডাটা এন্ট্রির কাজ কোথায় পাওয়া যায় তা জানতে অনেকেই আমাকে ইমেইল করেন। আমি ডাটা এন্ট্রি কাজ করতে কাউকে উৎসাহ দেই না। কারণ এই কাজগুলো পাওয়া খুব কঠিন হয়ে থাকে। তাছাড়া কাজগুলো একঘেয়ে হয় এবং এর মাধ্যমে খুব বেশি আয় করা যায় না। আমি তাই সবাইকে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার পরামর্শ দেই। তবে এটা সত্য যে গ্রাফিক্সের কাজগুলো সহজ নয়। এর জন্য অনেক দক্ষতা এবং চর্চার প্রয়োজন রয়েছে, যা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো করার প্রবণতা থেকেই যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমি সবাইকে গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার থেকে কাজ করার পরামর্শ দেই। কিন্তু এখানেও মূল সেই সমস্যাটি থেকেই যাচ্ছে, কাজ পাওয়া খুব কঠিন। প্রথম কাজ পেতে আপনাকে কয়েক সপ্তাহ, এমনকি এক মাসও অপেক্ষা করতে হতে পারে। আজকে আপনাদেরকে যে সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব তা থেকে কাজ পেতে কোন অপেক্ষা করতে হবে না। এই মূহুর্ত থেকেই কাজে লেগে যেতে পারবেন। সাইটটি হচ্ছে – www.microworkers.com। প্রথম দর্শনে সাইটটিকে আমার খুবই চমৎকার এবং সহজ মনে হয়েছে। মনে হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি ফ্রিল্যান্সাররা এই সাইটকে স্বাদরে গ্রহণ করবে। মূল বেশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে – এখানে কাজ করার জন্য কোন বিড করতে হয় না। কাজগুলো খুবই ছোট হয়ে থাকে, প্রতিটি কাজ সম্পন্ন করতে সাধারণত ৫ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট সময় লাগবে। কাজটি আপনি সত্যি সম্পন্ন করেছেন কিনা তার একটি প্রমাণ দিতে হয়। এজন্য কাজের বর্ণনার নিচে “I accept this job” লিংকে ক্লিক করলে একটি টেক্সটবক্স দেখাবে। কিভাবে প্রমাণ দিবেন তার বর্ণনা কাজের বর্ণনার সাথেই পাবেন। কাজগুলো যেহেতু ছোট তাই অর্থের পরিমাণও সামান্য, প্রতিটি কাজ ০.১০ ডলার থেকে শুরু করে ১.৫০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রায় প্রতি ঘন্টায় নতুন নতুন কাজ আসে। একটি কাজ একবারই করতে পারবেন। মোট আয় ৯ ডলার হলে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। চারটি পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করা যায় – চেক, মানিবুকারস, পেপাল এবং অল্টারপে। প্রথমবার অর্থ উত্তোলন করতে গেলে আপনার ঠিকানায় একটি চিঠি পাঠানো হবে, যাতে একটি Pin নাম্বার দেয়া থাকবে। এই পদ্ধতিতে আপনার ঠিকানা যাচাই এবং একজন ব্যবহারকারী যাতে দুটি একাউন্ট করতে না পারে তা নিশ্চিত করা হয়। কাজের প্রকারভেদ: সাইটে যে ধরনের কাজ পাওয়া যায় এবং সেগুলোর সর্বনিম্ন মূল্য নিচে দেয়া হল – Visit my site + Comment $0.10: কাজের বর্ণনায় উল্লেখিত ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি নির্দিষ্ট শব্দের মন্তব্য দিতে হবে। Follow my Twitter $0.10: বর্ণনায় উল্লেখিত একটি Twitter একাউন্ট কে Follow করা, এজন্য twitter.com এ আপনার একটি একাউন্ট থাকতে হবে। Simple sign up (2 fields) $0.10: বর্ণনায় উল্লেখিত সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা, যাতে মাত্র দুটি তথ্য দিতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন করার সময় একটি ইমেইল ঠিকানা দিতে হয়। আমার পরামর্শ হল এই ধরনের কাজের জন্য ভিন্ন একটি একাউন্ট তৈরি করে সেটি দেয়ে রেজিষ্ট্রেশন করুন। অন্যথায় স্পাম ইমেইলের কারণে আপনার দরকারী ইমেইল খোঁজে পাবেন না। Complex Sign up $0.15: উল্লেখিত সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা, যাতে বেশি তথ্য দিতে হবে। Digg my page $0.10: কোন একটি সাইটের পৃষ্ঠার জন্য Digg করা। এজন্য আপনার Digg.com এ একাউন্ট থাকতে হবে। Text link to a website $0.20: ক্লায়েন্টের সাইটের URL আপনার কোন সাইট বা ব্লগের সাথে লিংক দেয়া, অথবা ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী অন্য কোন ফোরামে পোস্ট করা। Review of my site + Link $0.30: ক্লায়েন্টে সাইট নিয়ে আপনার ব্লগে ইংরেজিতে একটি পোস্ট এবং তার লিংক দেয়া। Download and Install $0.50 : কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল করা। সাইটটি সম্পর্কে ইন্টারনেটে সার্চ করে দেখেছি। বেশিরভাগই এটিকে ভাল বলেছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে দেখলাম এই সাইটের ক্লোন করে আরো সাইট তৈরি হচ্ছে। ফলে আমার বিশ্বাস এই সাইট থেকে সত্যি সত্যি টাকা উপার্জন করা সম্ভব। সাইটটি পরীক্ষা করতে গিয়ে আমি দুটি কাজ করেছি। আমার ইচ্ছে আছে অন্তত ৯ ডলার আয় করে দেখা আসলেই তারা টাকা দেয় কিনা। যদিও এটি করতে গিয়ে আমার যথেষ্ঠ সময় কিছুটা ব্যয় হবে, যেখানে আমি প্রোগ্রামিং করে এর চেয়ে অনেক অনেক বেশি আয় করি। তারপরও এই সাইট থেকে টাকা পেলে যারা ডাটা এন্ট্রি কাজ করতে চান তাদেরকে একটা সহজ রাস্তা বলে দিতে পারব। আপনারা সাইটটি চেষ্টা করে দেখতে পারেন। কাজ করতে গিয়ে সমস্যা হলে এই লেখায় মন্তব্যের মাধ্যমে আমাকে জানাবেন, আমি চেষ্টা করব উত্তর দিতে। আর কেউ টাকা উত্তোলন করতে পারলে অবশ্যই জানাবেন।
  7. স্ক্রিল /Skrill

    ২০১২ সালের মে থেকে মানিবুকার্স তাদের রিব্র্যান্ডিং (স্ক্রিল) এর কাজ জনসমক্ষে শুরু করেছে, এবং যদিও তাদের পরিকল্পনা ছিলো ২০১১ সাল থেকেই। অফিসিয়াল ঘোষণা অনুযায়ী ডিসেম্বর, ২০১২ এর মধ্যে এই রিব্র্যান্ডিং (স্ক্রিল) এর কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত তারা তাদের পুরোনো ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই সব সেবা প্রদান করে যাচ্ছে (www.moneybookers.com), যদিও(www.skrill.com) এ ব্রাউজ করা যায় কিন্তু শেষমেশ পুরনো সাইটেই ব্যবহারকারীকে রিডাইরেক্ট করা হয়। স্ক্রিলকে ধরা হয় পেপালে প্রধান বিকল্প হিসেবে। বিশেষ করে যেসকল দেশে পেপালের কোন সাপোর্ট নেই সেসব দেশের জন্য স্ক্রিলএকটি আদর্শ মাধ্যম। এটি পেপালের মতই নিরাপদ, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী অর্থ লেনদেনের পদ্ধতি। এর মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী থেকে অপর আরেকজনের কাছে মূহুর্তের মাধ্যে অর্থ লেনদেন করা যায়। অর্থ লেনদেনের জন্য প্রাপকের নাম বা ব্যাংক একাউন্ট কিছুই জানার প্রয়োজন নেই, কেবল তার ইমেইল ঠিকানাটিই যথেষ্ঠ। বর্তমানে স্ক্রিলে ৩০ মিলিয়ন একাউন্ট হোল্ডার রয়েছে। এটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশে ১০০ প্রকারের অর্থ লেনদেনের সুবিধা প্রদান করে ৪১ প্রকারের কারেন্সিতে। ১ লক্ষ ৩৫ হাজারেরও বেশি মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠান মানিবুকারের মাধ্যমে অনলাইনে সার্ভিস দিয়ে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে eBay.com, Skype এবং Thomas Cook। স্ক্রিল এর বহু ধরনের ব্যবহার থাকলেও আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সাররা ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য এটি ব্যবহার করে থাকেন। যেহেতু বড় বড় সব মার্কেটপ্লেসগুলো স্ক্রিল সাপোর্ট করে তাই ফ্রিল্যান্সাররা এটি ব্যবহার করতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন বেশী। সাশ্রয়ী অর্থ লেনদেন এর একটি বড় গুন। মোটামুটি নামকরা সকল মার্কেটপ্লেস যেমনঃ oDesk, Elance, Freelance, Envato Marketplace (ThemeForest, GraphicRiver etc), 99Designs, MochiMedia ইত্যাদি পেপালের, পেওনার এর পাশাপাশি স্ক্রিলও সাপোর্ট করে। যদিও নভেম্বর, ২০০৯ সংখ্যায় অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিলো, তবুও আমি এখানে সেগুলো আবার আলোচনা করছি যেহেতু স্ক্রিলের নিয়মকানুনে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। রেজিষ্ট্রেশন করার পদ্ধতি: স্ক্রিল এ রেজিষ্ট্রেশন অত্যন্ত সহজ, যা কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যায় এবং তা ফ্রি। তবে স্ক্রিলের সম্পূর্ণ সুবিধা পেতে হলে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। স্ক্রিলের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য এটি প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে তিনটি পদ্ধতিতে যাচাই করে থাকে। এগুলো হচ্ছে – ঠিকানা যাচাই, ব্যাংক একাউন্ট যাচাই এবং ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড যাচাই। তৃতীয় পদ্ধতিটি হচ্ছে ঐচ্ছিক, তবে প্রথম দুটি অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে। ঠিকানা নিশ্চিত করা: লগইন করার পর My Account পৃষ্ঠায় Account Status অংশ থেকে Address Verify লিংকে ক্লিক করুন। পরবর্তী পৃষ্ঠায় আপনার ঠিকানাটি দেখাবে, এরপর “Send me a verification letter” বাটনে ক্লিক করুন। স্ক্রিল আপনার ঠিকানায় একটি চিঠি পাঠাবে। চিঠিটি আসতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। চিঠিতে আপনাকে ছয়টি সংখ্যার একটি কোড পাঠানো হবে। কোডটি পাবার পর সাইটে লগইন করে “My Account” > “Profile” পৃষ্ঠায় গিয়ে আপনার ঠিকানার পাশের “Verify” লিংকে ক্লিক করুন। তারপর সেই কোডটি জমা দিন। এরপর আপনি স্ক্রিলের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন শুরু করতে পারবেন। ব্যাংক একাউন্ট যোগ করা: স্ক্রিল থেকে আপনার ব্যাংকে অর্থ উত্তোলন করতে হলে My Account থেকে প্রথমে একটি ব্যাংক যোগ করে নিন। এক্ষত্রে আপনার ব্যাংকের SWIFT কোড, ব্যাংকের ঠিকানা, আপনার ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার ইত্যাদি দিতে হবে। স্ক্রিলে ব্যাংক একাউন্ট যোগ করার সাথে সাথে আপনি ব্যাংকে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে স্ক্রিল আপনার ব্যাংক একাউন্টটি যাচাই করতে বলবে। ব্যাংক একাউন্ট যাচাই করার জন্য ব্যবহারকারীর ব্যাংক থেকে মানিবুকরসের একাউন্টে সামান্য পরিমাণ অর্থ (৫ থেকে ১০ ডলার) প্রেরণ করতে হয়। তবে বাংলাদেশের আইনের জন্য কোন ব্যাংক থেকেই স্ক্রিলে কোন টাকা পাঠাতে পারবেন না। এক্ষত্রে নিচের পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন – ১। কোন ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে অর্থ পাবার পর স্ক্রিল দিয়ে একবার উত্তোলন করুন। ব্যাংক একাউন্ট যাচাই না করেও আপনি দুইবার অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। এজন্য লগইন করে Withdraw লিংকে ক্লিক করুন। ২| যেহেতু আমাদের দেশ থেকে স্ক্রিলে কোন টাকা পাঠাতে পারবেন না সেহেতু আগে থেকেই ওদের এই জিনিসটা জানিয়ে দিন। এর জন্য তাদের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করতে হয়। কাস্টমার কেয়ারে ম্যাসাজ কেমন করে দিবেন তা নিচে বর্ননা করছি। ক) My Account পেজ এ ঢুকার পর বাম দিকে Email Support নামে একটা লিঙ্ক পাবেন, অথবা লগইন করার পর এই লিঙ্কে যান https://www.moneybookers.com/app/faqmessaging.pl খ) আগত Support Centre নামের নতুন পেজে নিচের চিত্রের মত কয়েকটা ট্যাব দেখতে পাবেন। সেখান থেকেMy Profile ট্যাবে ক্লিক করুন। গ) My Profile ট্যাবের অধীনে অনেক গুলো অপশন পাবেন তন্মধ্যে সব থেকে নিচের General ‘My Account’enquiries এ ক্লিক করলে টেক্সটবক্স ওপেন হবে। ঘ) উক্ত টেক্সটবক্সে বাংলাদেশের আইনের জন্য কোন ব্যাংক থেকেই স্ক্রিলে কোন টাকা পাঠাতে পারবেন না তা বলুন। শেষে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে মেসেজ পাঠিয়ে দিন। ঙ) মেসেজ পাঠানো শেষ হলে নিচের চিত্রের মত একটা কনফার্মেশন বার্তা দেখাবে, যার দ্বারা আপনি বুঝতে পারবেন আপনার টিকেটের সমস্যা তাদের কাছে পৌঁছেছে। এবং ভবিষ্যত অনুসন্ধানের জন্য বার্তায় দেয়া টিকেট আইডিটা সংগ্রহে রাখুন। ৩) স্ক্রিল থেকে টাকা Withdraw দেবার পর ৫ থেকে ৭ দিন সময় নিবে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসতে। এই ফাঁকে আপনার ওপেন করা টিকেটেরও উত্তর এসে যাবে স্ক্রিল সাপোর্ট সেন্টার থেকে ম্যানুয়ালি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই কেমন করে করবেন। সাধারণত স্ক্রিল ম্যানুয়ালি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করার জন্য একটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট, দেশের বৈধ নাগরিক তা প্রমাণের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট /ড্রাইভিং লাইসেন্স এর অনুলিপি চায়। ৪) টাকা ব্যাংকে জমা হবার পর ব্যাংক থেকে একটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট চেয়ে নিন। ব্যাংক স্টেটমেন্টের মধ্যে স্ক্রিল থেকে আপনি যে অর্থ পেয়েছেন তার তারিখ এবং ডলারের পরিমাণ দেখতে পাবেন। কিন্তু এই ডলার কার কাছ থেকে এসেছে তা উল্লেখ থাকবে না। এজন্য আপনাকে ওই লেনদেনের SWIFT Transaction নামক আরেকটি কাগজ সংগ্রহ করতে হবে। সাধারণত ব্যাংক এই কাগজটি আপনাকে দিতে চাইবে না। কিন্তু আপনি যদি পুরো বিষয়টি তাদেরকে বুঝিয়ে বলতে পারেন তাহলে তারা আপনাকে কাগজটির ফটোকপি দিতে সম্মত হবে। ৪। ব্যাংকের যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্বারা কাগজগুলো সত্যায়িত করার পর এগুলোকে স্ক্যান করে কম্পিউটারে নিয়ে নিন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্র /পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স এর যেকোন একটিও স্ক্যান করে কম্পিউটারে নিয়ে নিন। উল্লেখ্য যদি আপনার উপোরক্ত তিনটির একটিও না থাকে তবে শুধুমাত্র ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর স্ক্যান কপি দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করা যায়। যদি একাধিক স্ক্যান কপি হয় তবে সেগুলো জিপ করে নিন। ৫| ক) এরপর ২ নং ধাপের মত Email Support পেজে এ যান। সেখান থেকে Account/Security ট্যাবে ক্লিক করুন। খ) নতুন আসা পেজ থেকে “You have requested information and/or documents from me” লেখায় ক্লিক করুন। গ) ২ নং ধাপে প্রাপ্ত টিকেট আইডি এই ধাপের টিকেট আইডি বক্সে এ বসান। Upload documents রেডিও বাটন অন রেখে, Browseবাটনে ক্লিক করুন। এটাচমেন্টগুলো জিপ করা থাকলে সিলেক্ট করে দিন। এবং নিচের টেক্সট বক্সের মাধ্যমে তাদেরকে জানিয়ে দিন বাংলাদেশ থেকে যেহেতু কোন টাকা স্ক্রিলে পাঠানো সম্ভব নয় তাই আপনি ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট কাগজের স্ক্যান কপি এই টিকেটের মাধ্যমে পাঠাচ্ছেন যা তারা চেয়েছিলো। তারা যেন Manually আপনার ব্যাংক একাউন্ট যাচাই করে নেয়। এবং যদি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকে সেটার কারনও জানিয়ে দিন। ৬। ইমেইল পাঠানোর ৫ থেকে ৭দিনের মধ্যে আপনি স্ক্রিল থেকে ইমেইল পাবেন। সবকিছু উপরে উল্লেখিত নিয়ম অনুযায়ী করতে পারলে স্ক্রিল কর্তৃপক্ষ আপনার ব্যাংক একাউন্টটি নিশ্চিত করে নিবে। এরপর আপনি স্ক্রিলের সকল সুবিধা নিরবিচ্ছিন্নভাবে উপভোগ করতে পারবেন। স্ক্রিলে ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করে তা যাচাই করাটা প্রথম দিকে একটু ঝামেলাপূর্ণ। কিন্তু একবার যাচাই হয়ে গেলে স্ক্রিলের কল্যাণে অনলাইনে অর্থ লেনদেনের একটি বিশাল ক্ষেত্র আপনার সামনে উন্মোচিত হয়ে যাবে। যা দিয়ে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং, ইকমার্স সাইট তৈরি, অনলাইনে কেনাকাটা ইত্যাদি অসংখ্য কাজে স্ক্রিলকে ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সাররা তাদের পরিচিতি ক্লায়েন্টের কাছ থেকে এই পদ্ধতিতে কোন খরচ ছাড়াই সরাসরি অর্থ গ্রহণ করতে পারবে (যুক্তরাষ্ট্রের ক্লায়েন্ট ব্যাতীত)। স্ক্রিল একদিকে যেমন স্বাশ্রয়ী, অন্যদিকে নিরাপদ এবং ঝামেলাবিহীণ অনলাইন লেনদেনের মাধ্যম। ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড যোগ করা: যাদের ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড রয়েছে তারা ইচ্ছে করলে স্ক্রিলে কার্ডটি যোগ করে কার্ডের টাকা স্ক্রিলে নিয়ে যেতে পারবেন। বর্তমানে অনেকেরই পেওনার প্রদত্ত ডেবিট মাস্টারকার্ড রয়েছে। এই কার্ডের নানাবিধ সুবিধা রয়েছে। তবে এই কার্ডের টাকাকে শুধুমাত্র ATM থেকে ক্যাশ হিসেবে উত্তোলন করতে হয়, ব্যাংকের সাথে এর কোন যোগাযোগ নেই। আপনি যদি কার্ডের টাকাকে আপনার ব্যাংকে জমা রাখতে চান তাহলে ATM থেকে টাকা নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিতে হবে। ATM থেকে এক দিনে একটি নির্দিষ্ট অংকের বেশি অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন না। ফলে বড় অংকের অর্থের ক্ষেত্রে কয়েকদিনে টাকা জমা দিতে হবে, যা ঝামেলাপূর্ণ এবং নিরাপদও নয়। স্ক্রিলের মাধ্যমে সেই কাজটি ঘরে বসেই কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই করতে পারবেন। এজন্য প্রথমে আপনার মাস্টারকার্ডটি স্ক্রিলে যোগ করুন। কার্ডটি সঠিকভাবে যাচাই হবার পর উপরের মেনু থেকে Upload Funds লিংকে ক্লিক করে Credit Card অপশনটি সিলেক্ট করুন। এরপর আপনার কার্ডের পেছনে লেখা তিনটি সংখ্যার CVV2 কোড দিন এবং কত টাকা কার্ড থেকে স্ক্রিলে নিতে চান তা উল্লেখ করুন। Next বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথেই কার্ড থেকে স্ক্রিলের একাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে। এরপর মেনু থেকে Withdraw লিংকে ক্লিক করে এই টাকা আপনার ব্যাংক একাউন্টে প্রেরণ করুন। কার্ড থেকে স্ক্রিলে টাকা আনতে ১.৯% চার্জ যুক্ত হবে, যা মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের চেয়ে স্বাশ্রয়ী। কারণ পেওনারের মাস্টারকার্ড থেকে ATM এর মাধ্যমে প্রতিবার টাকা উত্তোলন করতে ৩% চার্জ দিতে হয়।
  8. পেইজাঃ অনলাইনে অর্থ উত্তলনের সহজ উপায় আধুনিক ই-বানিজ্যের যুগে ইন্টারনেটে অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে সহজতা ও নিরাপত্তা ক্রমশঃ গ্রুরুতবপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে ক্রেডিট কার্ডসহ বিভিন্ন লেনদেন মাধ্যমে ঝুকিপূর্ন অর্থ আদান-প্রদানের ফলে অনাকাংক্ষিত প্রতারণা ও ভোগান্তির ঘটনায় বিষয়টি আরো গভীর বিবেচনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। যদিও অনলাইনে কেনাকাটা, মুদ্রার বিনিময় এবং অন্যান্য প্রয়োজনে অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের বিশবততা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে, তবুও ট্রান্সফার চার্জ, আঞ্চলিক বিশেষায়িত সেবা, বিভিন্ন অর্থ লেনদেন মাধ্যমের (যেমন, ব্যাংক, মাস্টার কার্ড ইত্যাদি) সাথে সমনবয়সহ অন্যান্য সু্যোগ সুবিধা বিবেচনায় সঠিক সেবাপ্রদানকারি প্রতিষ্ঠান বেছে নিতে গ্রাহকদের প্রায়ই দ্বিধাদন্দে পড়তে হয়। তবে পেইজা অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে পদ্বতি এখন পর্যন্ত ইন্টারনেটে অর্থ লেনদেনের যথেষ্ঠ ভাল ভুমিকা পালন করছে। পেইজা কি: পেইজা হচ্ছে একটি অনলাইন অর্থ আদান-প্রদান সেবাদানকারি একটি ভার্চুয়াল পেমেন্ট গেটওয়ে যার ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে একদিকে যেমন বিভিন্ন ই-কমার্স স্টোর থেকে কেনাকাটা করা যায়, অর্থ আদান-প্রদান করা যায় এবং মুদ্রা বিনিময় (কারেন্সি এক্সচেঞ্জ) করা যায়, অন্যদিকে লোকাল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, মাস্টারকার্ডসহ অন্যান্য সেবার সাথে সমন্বয় করে সহজে অর্থ উত্তোলন ও লেনদেন করা যায়। জনপ্রিয় ও নিরাপদ অর্থ লেনদেন পদ্ধতি অ্যালার্টপের নতুন ও পরিবর্তিত রুপ হিসেবে ২০১২ সাল থেকে পেইজা তাদের সেবা প্রদান করে আসছে। বাংলাদেশে এর আঞ্চলিক অফিস থাকায় দেশীয় প্রায় সকল ইকমার্স প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকসহ অন্যান্য বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের (যেমন, বিকাশ) সাথে সমনবিতভাবে সেবা প্রদান করে আসছে। তাছাড়া কেনাকাটা ও মানিট্রান্সফারের জন্য পেইজার রয়েছে নিজস্ব মাস্টারকার্ড। সারাবিশ্বে প্রায় ১৯০ টিরও অধিক দেশে ২১টি ভিন্ন ভিন্ন কারেন্সিতে ইউকে ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১ কোটিরও অধিক গ্রাহককে সেবা দিয়ে আসছে। পেইজায় চার্জ, নিরাপত্তা ও গ্রাহক সুবিধা: এখন পেইজার অ্যাকাউন্ট করা সাধারণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করা মতোই বিষয়। সাধারণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর মতো এখানে তিন ধরনের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করা যায়। শুধু পাথর্ক্য এটি করতে হয় অনলাইনে www.payza.com এ সাইনআপ করে। পেইজার যে দুই ধরনের অ্যাকাউন্ট করার সুযোগ আছে তার মধ্যে পারসোনাল টাইপের অ্যাকাউন্টটি করা ভালো। ফ্রিল্যান্সার বা অন্য সাইটে কাজ করেন তারা এখানে সকল ধরনের সুবিধা পাবেন। পারসোনাল অ্যাকাউন্টটিতে টাকা গ্রহণ বা প্রেরণের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। তবে এখানে অন্য পেইজা ইউজার থেকে টাকা গ্রহণ করলে 2.90 % + 0.30 ডলার ফি দিতে হয়। তবে এর আরেকটি সুবিধা হল- ব্যবহারকারীর নিজের কোনো ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকলে পেইজা যুক্ত করে কোনো পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন ও গ্রাহকদের কাছ থেকে সহজেই টাকা গ্রহণ করতে পারবেন। বিজনেস অ্যাকাউন্ট এর সাহায্যে আপনার নিজস্ব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নামে অনলাইনে অর্থ লেনদেন করতে পারবেন। এখানে একটি একাউন্টির সাহায্য একাধিক ব্যবসায় পরিচালনা করা যায়। এর সকল সুবিধা ও সার্ভিস চার্জ https://www.payza.com/fees এখানে দেখে নিন। কীভাবে Payza অ্যাকাউন্ট করা যাবে: প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করুন www.payza.com এবং Sign Up বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আমার দেওয়া Step গুলো Follow করুন। ১। Sign Up বাটনে ক্লিকের পর নিচের ছবির মত একটি পেজ আসবে এখান থেকে আপনি Personal ক্লিক করুন। ২। Personal ক্লিক করার পর ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী আপনার নাম বসান, Email, Password বসান। Get Started বাটনে ক্লিক করুন ৩। Get Started বাটনে ক্লিক করার পর আপনাকে Email Verification করতে হবে। ৪। Email চেক করুন দেখবেন আপনার Email এ একটা Mail এসেছে Payza থেকে । Mail Open করুন এবং Validate my email লিংকে ক্লিক করুন। আপনার একাউন্ট তৈরি হয়ে গেছে। Complete profile setup ক্লিক করুন আর আপনার বাকি তথ্য গুলো বসান অবশ্যই (ভোটার ID কার্ড অনুযায়ী) বাড়ির ঠিকানা ও কারণ পরে আপনাকে ভোটার ID কার্ড দিয়ে Account Verification করতে হবে। কিভাবে Payza একাউন্ট ভেরিফিকেশন করবেন: পেইজা একাউন্ট তৈরি করা খুব কঠিন কাজ না। ১ মিনিট সময় ব্যয় করেই এই একাউন্ট ওপেন করা যায়। তবে পেইজাতে শুধু অ্যাকাউন্ট থাকলেই হবে না।অবশ্যই তা ভেরিফাই হতে হবে। একাউন্ট ভেরিফাইও খুব একটা কঠিন নয়। একাউন্ট ভেরিফাই করতে ২ টি জিনিসের প্রয়োজন। ১। ভোটার আইডি অথবা ২। পাসপোর্ট আর আপনি যদি Photo ID Validation পদ্ধতি ব্যাবহার করে একাউন্ট ভেরিফাই করতে চান তাহলে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের সাথে পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের দরকার হবে । তবে Photo ID Validation পদ্ধতিতে ব্যাংক স্টেটমেন্টের কোনো প্রয়োজন নেই । ভেরিফাই করবেন যেভাবেঃ ১। আপনার পেইজা একাউন্টে লগইন করে উপরে বাম দিকে Verify your account এ ক্লিক করুন ২। এখান থেকে আপনার পছন্দের অপশনটি বেছে নিন । আমি Document Validation অপশনটি সিলেক্ট করুন । ৩। Photo ID অপশন থেকে যেকোনো একটি অপশন National ID Card/Passport বেছে নিন এবং Upload a File থেকে আপনার ডকুমেন্টের স্ক্যান কপিটি সিলেক্ট করুন । ৪। আপনার সাম্প্রতিক Photo আপলোড করুন। সবকিছু ঠিক থাকলে Next চাপুন । আপনার আপলোড করা ডকুমেন্টের প্রিভিউ দেখতে পাবেন । সবকিছু ঠিক থাকলে সেন্ড অপশনে ক্লিক করে আপনার রিকোয়েস্টটি সেন্ড করুন । ভেরিফিকেশন রিকোয়েস্ট দেবার 2-3 দিনের মাঝেই পেজা থেকে রিপ্লাই পাবেন। হয়ে গেলো আপনার একটি ভেরিফাই পেইজা অ্যাকাউন্ট। এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে আপনি অনাইন এ কেনাকাটা করতে পারবেন। অনাইনে কাজ করে তার অর্থ আপনি এই অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে আপনার হাতে পাবেন। পেইজা বাংলাদেশের সব ব্যাংক সাপোর্ট করে তাই আপনি যেকোনো ব্যাংক এর মাধ্যমে আপনার টাকা তুলতে পারবেন। পেইজা ব্যবহারের সুবিধাসমূহ ১) বাংলাদেশের জন্য পেইজা অনেক ভাল একটি পেমেন্ট গেটওয়ে। বাংলাদেশের জন্য তারা স্পেসিয়ালাইজ সার্ভিস দিয়ে থাকে www.payza.com/bangladesh এর মাধ্যমে। ২) পেইজা মাস্টারকার্ড দিয়ে আপনি যেকোন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে টাকা আনতে পারবেন। ৩) আপনার পেইজা অ্যাকাউন্টে থেকে bKash দিয়ে টাকা লোড করতে পারবেন। ৪) বাংলাদেশের অনেক অনলাইন শপ পেইজা সাপোর্ট করে তাই আপনি পেইজা একাউন্ট দিয়ে অনেক শপ থেকেই প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন। লেখক: নাজমূল হক বিঃদ্রঃ এই লেখাটি “কম্পিউটার জগৎ” ম্যাগাজিনে জানুয়ারী-২০১৭ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে ।
  9. শুভ নববর্ষ

    নববর্ষের শুভেচ্ছা
×