Jump to content
News Ticker
  • News ticker sample
  • News ticker sample

md nazmul hossan

Members
  • Content count

    2
  • Joined

  • Last visited

Community Reputation

0 Neutral

About md nazmul hossan

  • Rank
    Newbie
  • Birthday 07/12/1987
  1. ভার্চুয়াল জগতে প্রকাশিত হবার মাধ্যম ছাড়াও আরও নানা কারণে ইদানীং ফটোগ্রাফির প্রতি মানুষের বিপুল আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আধুনিকতার আদলে ক্যামেরা যন্ত্রটিও হয়ে পড়েছে অনেক সহজলভ্য.. সস্তা। ডিএসএলআর হচ্ছে এ যাবৎকালের সর্বাধুনিক প্রযৌক্তিক গুণ সম্পন্ন ক্যমেরা যার ভিউফাইন্ডারে সবচেয়ে সঠিক ছবি ধরার নিশ্চয়তা পাওয়া যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এর লেন্স পরিবর্তন করা যায়। তো, ডিএসএলআর কেনার আগে জেনে নিন ক্যামেরা নির্বাচন সম্পর্কে দশটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ। ১. ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনতে আগ্রহীদের জন্য সবচেয়ে জরুরী বক্তব্যটি হলো, কেনার আগে অবশ্যই ভেবে নিন আপনার আসলেই ডিএসএলআর ক্যামেরা দরকার কিনা।ভালো ছবি তোলার জন্য বাজারে অনেক ভালো মানের পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরা আছে, যার অটো মুড ব্যবহার করে অনেক সহজে চমৎকার ছবি তোলা সম্ভব। ডিএসএলআর তাদেরই প্রয়োজন, যাদের কেবল ছবি তোলা নয় বরং ছবি তোলা শেখার প্রতি আগ্রহ আছে। ২. এবার যদি ডিএসএলআর কিনতেই হয় তবে সবচেয়ে প্রচলিত ব্র্যান্ডগুলোর দিকেই বেশি মনোযোগ দিন। এ সময়ের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ক্যানন, নিকন, সনি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এতে পরবর্তীতে লেন্স বা ক্যামেরা সংশ্লিষ্ট আনুষাঙ্গিক যন্ত্রাংশগুলো পাওয়া সহজ হবে। ৩. বেশি মেগাপিক্সেল থাকলে ছবি ভাল হবে- এই ভুল ধারণাটি এখনই বাদ দিন। এই এককটি তোলা ছবিটির আকার নির্ধারণ করে দেয় মাত্র। অর্থাৎ মেগাপিক্সেল বেশি হলে ছবিটি সাধারণ অবস্থার চেয়ে বড় করে প্রিন্ট করলে বা ডিজিটালি জুম করলেও তার মান ভালো থাকবে। ৪. সেন্সরের আকার ছবির মান নির্ধারণ করে। সেন্সর যত বড় হবে, ছবি স্পষ্ট ও ঝকঝকে হবার পাশাপাশি তার কারিগরী মান তত ভাল হবে।সুতরাং কেনার সময়ে এ বিষয়টি লক্ষ্য রাখুন। তবে বড় সেন্সরসহ ক্যামেরাগুলোর দামও তুলনামূলকভাবে একটু বেশি হয়ে থাকে। ৫. খেয়াল রাখুন, আপনার ক্যামেরাটিতে লাইভ ভিউ ডিসপ্লে আছে কিনা। এতে ছবি তোলার আগেই ছবিটি দেখতে কেমন হবে তা দেখা যায়। নতুন ফটোগ্রাফারদের জন্য এটি খুবই প্রয়োজনীয় ফিচার। ৬. ইদানীং সময়ের প্রায় সব ডিএসএলআর দিয়েই ভিডিও শ্যুট করা যায়। আপনার নির্বাচিত মডেলটির ভিডিও করার জন্য কি কি ফিচার আছে জেনে নিন। লক্ষ্য রাখুন প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো ফ্রেম ধারণ করা যায় বা এক্সটার্নাল মাইক লাগানো যায় কিনা ইত্যাদি বিষয়গুলোর ওপর। ৭. এছাড়াও ক্যামেরা কেনার আগেই প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ ফিচারগুলো যেমন: ফোকাল পয়েন্ট, শাটার স্পিড, ফ্রেমের আকার, ইমেজ স্ট্যাবিলাইজার, অটোফোকাস ইত্যাদিসম্পর্কে একটু লেখাপড়া করে নিন।এসকল ফিচারগুলো আপনার ছবি তোলা ছবিটিকে আরও সহজ এবং সুন্দর করে তুলতে পারে। ৮. ডিএসএলআর ক্যামেরা লেন্সসহ এবং লেন্স ছাড়া দুইভাবেই বিক্রি হয়ে থাকে। তাই ক্যামেরা কেনার আগেই তার সঙ্গে আনুষাঙ্গিক কি কি পাচ্ছেন তা খেয়াল রাখুন। ব্যাটারী, চার্জার এবং কাধে ঝোলানোর স্ট্র্যাপ ক্যামেরার সাথেই পাওয়া যায়। তবে ব্যবহারের আগে মেমরী কার্ড আলাদা করে কেনার প্রয়োজন হবে। ক্যামেরা সুরক্ষিত রাখতে ক্যামেরার ব্যাগটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কিনে ফেলুন। ৯. লেন্স কেনার ব্যাপারে বুঝে-শুনে সিদ্ধান্ত নিন। বেশিরভাগ সময়ে ক্যামেরার সঙ্গেই একটা বেসিক লেন্স পাওয়া যায়। এটা দিয়ে প্রাথমিকভাবে ছবি তোলা গেলেও ডিএসএলআর-এর পুরোটা ব্যবহার করতে গেলে নতুন লেন্স কেনা লাগবেই। আপনি কি ধরণের ছবি তুলতে চান তার ওপর ভিত্তি করেই লেন্স নির্বাচন করুন। ১০.সবশেষে ক্যামেরা কেনার আগে তার কোন গুণগত ক্রুটি আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখুন। সবচেয়ে ভালো হয়, কোন অভিজ্ঞ লোক পরিচিত থাকলে ক্যামেরা কেনার সময় তাকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া। এছাড়া নিজেও ক্যামেরা হাতে নিয়ে দেখুন তার ভার ঠিক আছে কিনা বা ধরতে স্বচ্ছন্দ্য বোধ করছেন কিনা। মোটামুটি এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখলেই শখ বা প্রয়োজন মেটানোর জন্য একটা ভাল মানের ডিএসএলআর ক্যামেরা নির্বাচন করা সম্ভব।কেনার আগে নিজে কিছুটা লেখাপড়া করে নিলে বা অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ পাওয়া গেলে নির্বাচনের কাজটি আরও সহজ হয়ে যাবে।
  2. ইচ্ছে আর আগ্রহ থাকলে আপনি ঘরে বসে ফ্রিতেই শিখে নিতে পারেন গ্রাফিক্স ডিজাইন কিংবা অন‌্য যে কোন কাজ। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে করেছে সহজ আর সৃষ্টি করেছে নান রকম সম্ভাবনা। সবাইকে শুভেচ্ছা। ফ্রিল‌্যান্সিং কিংবা আউটসোর্সিং শব্দ গুলো এখন আর অপরিচিত নয়। কাজে দক্ষতা এবং আগ্রহ থাকলে আপনি ঘরে বসে আয় করতে পারেন হাজার হাজার টাকা। এসব খুব সহজ এবং পুরোনো কথা এবং ইতিধ‌্যে এ নিয়ে অনেক আর্টিকেল ই আমরা পড়ে ফেলেছি। কিন্ত কিভাবে আয় করা যায় এবং একটা নির্ভরযোগ‌্য ইনকাম সোর্স তৈরি কিংবা এ পেশায় স্থায়ী ক‌্যারিয়ার গড়ারর জন‌্য কোন কোন পন্থায় কাজ করা উচিৎ এবং কি যানা দরকার ইত‌্যাদি বিষয়ের উপর স্বচ্ছ ধারনা অনেকেরই নেই। নতুন এবং পুরোনো সবার কথা চিন্তা করেই আমার আজকের এ টিউন। অনলাইন এ আয় করার রয়েছে নানা উপায় তা একদিনে কিংবা একটি টিউন এ বর্ণনা করা সম্ভব নয়। কিন্ত একটা বিষয় অন্তত বর্ণনা করা সম্ভব যে, বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কোন কাজে খুব সহজে সফলতা পাওয়া সম্ভব! আমি গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার কথা বলছি। গ্রাফিক্স ডিজাইন এমনই একটি বিষয় যেখানে আপনার সৃজনশীন চিন্তা কাজে লাগিয়ে স্বাধীন ভাবে অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন। বর্তমান বিশ্বে দিন দিন এর চাহিদা বেড়েই চলেছে। আর মার্কেটপ্লেসগুলোতেও রয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্রচুর চাহিদা। আপনি যদি ভালমানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হন তাহলে অনলাইনে কাজ করার রয়েছে অফুরন্ত সুযোগ। এছাড়া অন‌্যান‌্য কাজের তুলনায় (যেমন, ওয়েব ডেভলপমেন্ট, প্রগ্রামিং, মার্কেটিং, অ‌্যাপ ডেভেলপমেন্ট) গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে খুব বেশী সময়েরও প্রয়োজন নেই। নিমিত ভাবে অনুশীলন করলে মাত্র ১ থেকে ২ মাসের মধ‌্যেই আপনি শুরু করতে পারেন ফ্রিল‌্যান্সিং এরপর টুকটাক আয় করার পাশাপাশি আপনি শিখে নিতে পারেন এর খুটিনাটি বিষয়গুলো। চলুন এখন আমরা যেনে নেই আপাতত কোন কোন বিষয়গুলো সম্পর্কে একটু ধারনা পেলে আমরা শুরু করতে পারি। প্রথমেই একটা সহজ বিষয় (বিজনেস কার্ড) নিয়ে আলোচনা করা যাক। বিজনেস কার্ড বিজনেস কার্ড হচ্ছে একটি ব‌্যাবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা একজন ব‌্যক্তির পরিচয় বহনকারী একধরনের শক্ত কাগজ। যেখানে ব‌্যাবসা প্রতিষ্ঠানের লোগো, নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত‌্যাদি প্রিন্ট করা থাকে। মার্কেটপ্লেস গুলোতে এই বিজনেস কার্ড এর রয়েছে প্রচুর চাহিদা। খুব অল্প সময় অনুশীলন করেই আপনি শিখে ফেলতে পারেন বিজনেস কার্ড ডিজাইন আর http://www.fiverr.com এ একটি একাউন্ট খুলেই শুরু করতে পারেন ইনকাম। টুকটাক ইনকামের পাশাপাশি আপনি চালিয়ে যান নিয়মিত প্রাক্টিস আর নিজেকে তৈরি করতে থাকুন একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। মোটামুটি দক্ষতা তৈরি হলে আপনি শুরু করতে পারেন টি-শার্ট, লোগো ও ব্রসিয়ার ডিজাইন এর মত নতুন কোন কাজ। এবার ফাইবার এর পাশাপাশি আপওয়ার্ক, 99 ডিজাইন ও ফ্রিল‌্যান্সার.কম এ চেষ্টা করুন টুক টাক বিড করা এবং বিভিন্নি কনটেষ্ট গুলোতে অংশগ্রহন করার। আশাকরি নিয়মিত পরিশ্রম করলে আপনি এখানেও খুব সহজে সফলতা পেয়ে যাবেন। টি শার্ট ডিজাইন এতো গেলো এককালীন ইনকাম এর কথা। আপনি চাইলে একটি কাজ একবার করে দীর্ঘ সময় ধরে এর ইনকাম পেতে পারেন। যেমন একটি বিজনেসস কাড তৈরি করলেন একবার অথচ বিক্রি করছেন সারা বছর এবং যতবার সেল হবে ততবার ইনকাম। বিষয়টি খুব সহজ। আপনি যখন মানসম্মত ডিজাইন করতে পারবেন তখন এ ধরনের বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল প্রডাক্ট তৈরি করে সেই মার্কেটপ্লেসগুলোতে আপলোড করে রাখতে পারেন আর সেখানথেকে যতবার সেল হবে ততবারই আপনি কমিশন পাবেন। এ ধরনের মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ‌্যে, গ্রাফিক্স রিভার ও ক্রিয়েটিভ মার্কেট অন‌্যতম। ভাবছেন সবই বুঝলাম সবই জানি কিন্তু গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখব কিভাবে? কোর্স করার মত এত টাকাতো হাতে নেই। কোন সমস‌্যা নেই ইচ্ছে থাকলেই হবে। গ্রাফিক্সডিজাইন শেখার জন‌্য অনলাইন এ আপনি প্রচুর পরিমান টিউটরিয়াল পাবেন। আপনি গুগল কিংবা ইউটিউব এ একটা সার্চদিলেই হাজার হাজার টিউটরিয়াল এর লিংক পেয়ে যাবেন। আর সেখান থেকে আপনার কাঙ্খিত বিষয়টি নির্বাচন করে আজ থেকেই শুরু করুন অনুশীলন। আপনার সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করে আজকে এখানেই শেষ করছি।
×