Jump to content
News Ticker
  • News ticker sample
  • News ticker sample

Love Zone

Members
  • Content count

    3
  • Joined

  • Last visited

Community Reputation

0 Neutral

About Love Zone

  • Rank
    Newbie
  • Birthday 03/14/1995
  1. এই লেখাটি মুলত, যাদের YouTube অ্যাকাউন্ট ban হয়ে গিয়েছে এবং নতুন করে সব কিছু শুরু করতে চাচ্ছেন কিন্তু আবারও সাসপেন্ড হয়ে গিয়েছে, তাদের জন্য। তবে যারা ইতিমধ্যে YouTube থেকে আয় করেন তাড়াও পড়ে দেখতে পারেন যদি ভবিষ্যতে আপনার প্রিয় Channel টিকে সাস্পেনশনের হাত থেকে বাঁচাতে চান। একটা জিনিস মনে রাখবেন YouTube robot আপনার থেকে চালাক। আবার এটাও মনে রাখবেন একটা software কখনও মানুষের থেকে বুদ্ধিমান হতে পারে না। তাহলে এখন করনীয় কি? প্রথমেই আপনাকে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে এমন ভাবে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে যেন আপনি একদম নতুন একটি মানুষ, আপনি আগে কোনদিন YouTube থেকে কিভাবে আয় করা যায় সে সম্বন্ধে জানেন না। এজন্য আপনাকে নতুন করে এডসেন্স অ্যাকাউন্টও খুলতে হবে। এটা শুনে আপনার মন খারাপ হয়ে গেলেও কিছু করার নেই ভাইয়া। শুধু তাই না এডসেন্স এর জন্য নতুন address, bank account, Payee name সব কিছু পরিবর্তন করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার কোন আত্নিয়ের বা বন্ধুর address, bank account ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে এবার আসেন step গুলি দেখি কিভাবে channel suspend হওয়ার পর নতুনভাবে YouTube অ্যাকাউন্ট খুলবেন। · ১. প্রথমে একটি gmail account খুলুন। সবচেয়ে ভাল হয় নতুন করে account না খুলে যদি আপনার পুরনো কোন অ্যাকাউন্ট থাকে বা আপনার বন্ধুর অনেক আগে ক্রিয়েট করা অ্যাকাউন্ট থাকে যেটা সে এখন আর ইউজ করে না। অ্যাকাউন্ট এর বয়স 1+ হলে ভাল হয়। এক্ষেত্রে অবশ্যই অবশ্যই মনে রাখবেন এই নতুন অ্যাকাউন্ট এর সাথে suspend হওয়া অ্যাকাউন্ট এর যেন কোন সম্পর্ক না থাকে like suspend হওয়া অ্যাকাউন্টএ রিকভারি মেইল বা ফোন নম্বর যেন নতুন অ্যাকাউন্ট এর রিকভারি মেইল এবং ফোন নাম্বার এর সাথে না মিলে যায়। মোটকথা, নতুন অ্যাকাউন্ট টা যে সম্পুর্ন একটা ভিন্ন মানুষ সেটা Google এর বেরসিক robot কে বুঝাতে হবে। · ২. এই স্টেপটি মূলত এডসেন্সে এপ্লাই করার জন্য। যদি নতুন gmail অ্যাকাউন্ট খুলেন তাহলে ভাই কিছুদিন off যান। অনেক হইছে, আর কত কাজ করবেন :)? একটু মজা করলাম। কিছুদিন পর blogspot.com এ গিয়ে একটি ব্লগ খুলুন। এবার ব্লগে কিছুদিন article টিউন করতে থাকুন। Article নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। কোন একটা নিউজ সাইট থেকে নিউজ কপি করে এই ব্লগে পেস্ট করতে থাকুন। এভাবে প্রতি সপ্তাহে ৪-৫ টা টিউন করুন। তারপর ১ মাস পর এই ব্লগ সাইট দিয়ে এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করুন।এক্ষেত্রে একটা জিনিস আপনাদের মনে হয়তোবা আসতে পারে সেটা হল আমিতো YouTube দিয়ে হোস্টেড অ্যাকাউন্ট খুলতে পারতাম তাহলে কেন ব্লগস্পট বা ওয়েবসাইট দিয়ে এডসেন্সের জন্য এপ্লাই করতে যাব। কারণটা হল বিশ্বাস। YouTube দিয়ে হোস্টেড অ্যাকাউন্ট খোলা সহজ। এটা ৪-৫ মিনিটের কাজ। যে কেউ করতে পারে। কিন্তু ওয়েবসাইট দিয়ে এডসেন্স এপ্লাই করা তুলনামূল্ক সময়সাপেক্ষ, Google এটা অনুমান করে যে, যে ব্যক্তি কষ্ট করতে পারে সে long-term আয় করার চিন্তা মাথায় নিয়ে নেমেছে। So, সে spam বা কোন ধরনের illegal way তে যাবে না। তাই তার অ্যাকাউন্ট গুলাও তুলনামূলক সেফ থাকে। · ৩. যদি এডসেন্স অ্যাকাউন্ট approve হয়ে যায় YouTube এর ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করবেন না। Blogspot টিতে আগের মত টিউন করতে থাকুন আরো ১ মাস। তারপর YouTube এ ভিডিও আপলোড করুন। বাট মনে রাখবেন ভিডিও আপলোড করেই যেন সাথে সাথে monetization on করবেন না। একটু সময় নিন। আর একটা জিনিস, আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি ভিডিওতে যদি tag, description না থাকে তবে ban হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। কারন YouTube robot এর algorithm এর একটি factor আছে যেটা tag and description এর উপর filtering করে decision নেয় যে channel suspend হবে কিনা। · ৪. কিছু গুরুত্তপূর্ণ টিপস channel suspend হওয়া থেকেঃ প্রথমে আপনাদের একটা জিনিস মনে রাখতে হবে যে Google বা YouTube কখনই অযথা কারো বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যায় না। তাই তাদেরকে গালাগালি না দিয়ে নিজে সতর্ক থাকুন। কারো টাইটেল, ডেসক্রিপশন কপি করবেন না। একটু পরিবর্তন করে ব্যবহার করবেন। একদিনে ১টির বেশি ভিডিও আপলোড করবেন না। বার বার ভিডিও আপলোড করে সেই ভিডিও ডিলিট করবেন না। Channel এর সব ভিডিও একবারে ডিলিট বা প্রাইভেট করবেন না। Spamming করবেন না, যেমন গনহারে অন্যের ভিডিও তে টিউমেন্ট করা, অন্যান্য user দেরকে গনহারে message পাঠানো ইত্যাদি ইত্যাদি। মোটকথা সীমা অতিক্রম করবেন না। এই প্রসেসটি প্রায় ২ মাস সময়ব্যাপী। যারা এত লম্বা সময় দেখে হাই হুতাশ করছেন তাদের জন্য আবারও বলি সরি ভাইয়া, যেহেতু আপনার চ্যানেল সাসপেন্ড হয়েছে তাই এটা আপনার মেনে নিতেই হবে। আর যদি দ্রুত করতে চান তবে আবার সাসপেন্ড হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। তাই তাড়াহুড়া না করে ধীরসুস্থে আবার নতুন করে শুরু করুন।
  2. বিস্তারিত গাইডলাইন: ধাপঃ ১ অনলাইনে বিভিন্ন টিউটোরিয়ালগুলো খুজে বের করুন, সেগুলো পড়ুন কিংবা ভিডিও হলে দেখুন। ইউটিউবে সার্চ করে ভাল ভিডিও সোর্স খুজে বের করতে পারবেন। দেখে দেখে ৫টি প্রজেক্ট করুন এবং আপনার দক্ষতাকে আরও বৃদ্ধি করতে পারেন। গ্রাফিক ডিজাইন শিখার জন্য ইংরেজিতে সবচাইতে বিখ্যাত ওয়েবসাইট: ১) http://www.lynda.com/ ২) http://tutsplus.com/ এছাড়া বাংলার জন্য দেখতে পারেন ...........www.projuktiteam.com/ ♦ ধাপঃ ২ অনেক কিছু শিখতে হবে। যদি আপনার কম্পিউটার সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু জ্ঞান থেকে থাকে, তাহলে ইতিমধ্যে হয়ত অনেক কিছুই আপনার জানা আছে। কি কি শিখতে হবে, তার কিছু এখানে উল্লেখ করছি। – স্ক্যালিং: আপনার ইচ্ছেমত ছবিকে বড় এবং ছোট করা জানতে হবে। – নির্দিষ্ট এলাকাকে কালার, টেক্সচার দিয়ে ফিল আপ করা শিখতে হবে। – ছবির কালার এবং অন্য ধরনের কিছু পরিবর্তন করা শিখুন। – বিভিন্ন কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাটে ছবিকে সংরক্ষণ করুন। – ছবির একটি নির্দিষ্ট অংশকে ডিলিট করা কিংবা ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা শিখুন। – ছবিকে ক্রপ (crop) করা, আউটলাইন, এডজ ডিটেকশন করুন। – কপি ও পেস্ট, ড্র্যাগ ও ড্রপ, ডুপলিকেট করা শিখুন। – ছবিকে ফ্লিপ (Flip) করা, বিভিন্ন অ্যাংগেলে রোটেট করা (rotate) করা – মুভ (move), নাডজ (Nudge) এর বিষয় জানতে হবে। – নতুন লেয়ার তৈরি এবং লেয়ারের বিভিন্ন ইফেক্ট জানা থাকতে হবে। – প্রয়োজন অনুযায়ি কালার ব্যবহার করা জানা জরুরী – গ্রে স্ক্যাল (gray scale) কিংবা ছবিকে সাদাকালো কিংবা ছবিকে নেগেটিভ করা জানতে হবে। – টেক্সচার, শ্যাডো এবং অন্যান্য স্পেশাল ইফেক্ট (পোস্টারাইজ (Posterize), পিক্সেলাইজ (Pixelize), অ্যামবুস( Emboss), ব্লার (Blur), শার্পেন ৯ Sharpen) ইত্যাদি ব্যাপারে জানা থাকতে হবে। – বর্ডার (Borders) তৈরি, স্ক্যাল ব্যবহার। – ব্যাকগ্রাউন্ড (Background), ফরগ্রাউন্ড (foreground) সম্পর্কে ধারণা – আইকন এবং লোগো তৈরি – পেজ লেআউট তৈরি, কলাম তৈরি করা শিখতে হবে। – লেখার সাইজ পরিবর্তন, বোল্ড, ইটালিক ইত্যাদি করা জানতে হবে। ♦ ধাপঃ৩ নিজের ব্যক্তিগত কিংবা আশেপাশের অন্যদের প্রফেশনাল কাজগুলো ফ্রি করে দিন। অনেকগুলো রিয়েল প্রজেক্ট করলে মোটামুটি কনফিডেন্ট তৈরি হবে। ♦ ধাপঃ৪ ধাপঃ২ এবং ধাপঃ ৩ এর পর আপনি মোটমুটি কাজ শিখে গেছেন। এবার আপনাকে কনটেস্টে অংশগ্রহন করতে হবে। যদিও কনটেস্টে জয় লাভ করা কষ্টকর। কিন্তু আপনি শুধু জেতার জন্য কনটেস্টে অংশগ্রহণ করবেননা। প্রতিযোগিতার বাজার দেখে নিজেকে আরও দক্ষ করা এবং নিজের দক্ষতাকে সবার সামনে প্রকাশ করার জন্য অনলাইনে বিভিন্ন কনটেস্টে অংশগ্রহণ করুন। ♦ ধাপঃ৫ আপনার করা ডিজাইনকে অনলাইনে বিভিন্ন সাইটে (behance.net, dribble.com) কিংবা নিজের তৈরি করা ব্লগের মাধ্যমে মানুষের কাছে প্রকাশ করুন।
  3. গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য অনলাইনে আয়ের সেক্টরগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো: ♦ ডিজাইন প্রতিযোগিতা: শুধুমাত্র বিভিন্ন ডিজাইন প্রতিযোগীতাতে অংশগ্রহণ করে আয় করা যায় এরকম অনেক মার্কেটপ্লেস রয়েছে। এসব মার্কেটপ্লেসে কোন বায়ার তাদের প্রয়োজনীয় ডিজাইন যোগাড় করার জন্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগীতাতে অংশগ্রহনকারী যে ডিজাইনারের ডিজাইন পছন্দ হবে, নির্দিষ্ট সময় শেষে তাকে পুরস্কৃত করা হয়। সাধারণত ৩০০ডলার থেকে ১২০০ডলার পযন্ত পুরস্কার দেওয়া হয়। এরকম বিখ্যাত সাইটের নাম: 99designs.com ♦ ডিজাইন বিক্রি: কিছু মার্কেটপ্লেস আছে, যেখানে নিজের করা ডিজাইন জমা রাখা যায়। সেখানে বিভিন্ন বায়ার এসে তাদের পছন্দ অনুযায়ি ডিজাইনটি কিনে থাকে। একটা ডিজাই্ন একের অধিক যতবার ইচ্ছে বিক্রি হতে পারে। অর্থাৎ আপনার একটা ডিজাইন অনেকবার বিক্রি হয়ে আপনাকে এনে দিচ্ছে বসে বসে ইনকাম। এরকম বিখ্যাত সাইটের নাম: graphicriver.net ♦ বিড করে কাজ যোগাড়: অনেক মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে বায়ার তার কাজে বর্ণনা করে পোস্ট করে। ফ্রিল্যান্সাররা সেখানে কাজটি করতে চেয়ে আবেদন করে, যাকে বিড করা বুঝায়। এখানে পোর্টফলিও শক্তিশালী না থাকার কারনে নতুনদের জন্য কাজ পাওয়াটা কষ্টদায়ক হয়ে থাকে। এরকম বিখ্যাত সাইটের নাম: upwork.com ♦ গিগ বিক্রির মাধ্যমে আয়: ফ্রিল্যান্সাররা তাদের সার্ভিসের কথা উল্লেখ করে রাখে যাকে গিগ বলে। এসব গিগ পড়ে বিভিন্ন বায়ার তাদের পছন্দ অনুযায়ি অর্ডার দিয়ে থাকে। একটা গিগেই হাজার হাজার বার অর্ডার আসতে পারে। বিড করার জন্য টেনশন করতে হয়না। এরকম বিখ্যাত সাইটের নাম: fiverr.com এছাড়াও আরো অনেক রকম ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো থেকেও অনলাইনে আয় করা সম্ভব হয়। যেমন: গেঞ্জি কিংবা অন্যান্য গিফট আইটেম ডিজাইন করে সেগুলোর বিক্রি থেকেও ভাল আয় করার মত অনলাইনে সাইট রয়েছে।
×